
ভোর থেকেই গাবতলীতে জড়ো হন হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা
বাংলাদেশে কওমী মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের ডাকে ভোর থেকেই ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশদ্বারে কর্মী ও সমর্থকরা জড়ো হয়ে অবস্থান নিয়েছেন।
এদিকে বেলা ১২টার দিকে দৈনিক বাংলা মোড় এলাকায় পুলিশের সাথে হেফাজতের কর্মীদেন সংঘর্ষ হয়েছে।
সেখানে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করলে দুই জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে আমাদের সংবাদদাতা।
বাংলাদেশে কওমী মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের ডাকে ভোর থেকে শুরু হয়েছে ঢাকা অবরোধ কর্মসূচী।
ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশদ্বারে হেফাজতে ইসলামের কর্মি ও সমর্থকরা জড়ো হয়ে অবস্থান নিয়েছেন।
হেফাজতে ইসলামের নেতাদের অবরোধে ঢাকার সঙ্গে দেশের বেশিরভাগ অংশের সড়ক যোগাযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিকে বিকালে ঢাকার মতিঝিলে হেফাজতে ইসলামকে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে পুলিশ।

ঢাকার মতিঝিলে পুলিশের সাথে হেফাজতের কর্মীদের সংঘর্ষ
বিকাল ৩টা থেকে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ শুরুর অনুমতি দেয়া হয়েছে।
এদিকে ভোর থেকে রাজধানীর ছয়টি মূল প্রবেশপথ, গাবতলী, যাত্রাবাড়ী, পোস্তগোলা, উত্তরাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে হাজার হাজার হেফাজত কর্মীরা মিছিল করে শ্লোগান দিচ্ছে তাদের ১৩ দফা দাবী বাস্তবায়নের জন্য।
বিবিসি বাংলার সংবাদাতা আহরার হোসেন জানিয়েছেন, গাবতলীর আমিনবাজার ব্রীজ থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে মিরপুরের টেকনিক্যাল মোড় পর্যন্ত অবস্থান নিয়েছে হেফাজতের হাজার হাজার কর্মী।
ঢাকার বাইরে থেকে আসা দূরপাল্লার পরিবহনগুলো আমিনবাজার ব্রীজের আগেই থামিয়ে দেয়া হচ্ছে এবং নিজ নিজ গন্তব্যে পৌছানোর জন্য যাত্রীরা পায়ে হেটে রওনা দিয়েছেন বলে আহরার হোসেন জানিয়েছেন।
পুলিশ ও র্যাবসহ সহ প্রচুর আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে সবগুলো জমায়েতস্থলেই।
মাদ্রাসাভিত্তিক এই সংগঠন গত ৬ই এপ্রিল ঢাকায় লক্ষাধিক মানুষের এক সমাবেশ থেকে ১৩ দফা দাবিতে এক মাসের সময় দেয় সরকারকে। তাদের ঘোষণা ছিল এই সময়ের মধ্যে দাবি না মানা হলে আজ ৫ই মে, ঢাকা অবরোধ করে রাজধানীকে সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করা দেয়া হবে।
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, তাদের ভাষায় নাস্তিক ব্লগারদের শাস্তি, ব্লাসফেমি আইন প্রণয়ন, নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ বন্ধ করা, ‘ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন’ বন্ধ করা এবং নারী নীতি ও শিক্ষা নীতি বাতিল করা ইত্যাদি।
তবে এরই মধ্যে সাভারে ভবন ধসের উদ্ধারকাজে এই অবরোধ বাধার সৃষ্টি করবে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সংবাদ সম্মেলন থেকে তাদের অবরোধ প্রত্যাহারের যে আহ্বান জানিয়েছিলেন, হেফাজতে ইসলাম তাঁর সেই আহ্বান নাকচ করে দিয়ে কর্মসূচি পালনে অটল থাকার ঘোষনা দেয়।

























