'এক বছরের জন্য আগাম ডলার বুকিং দেয়া যাবে'

ডলারের দাম নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘এবার ডলারের আগাম দাম নির্ধারণ,বুকিংয়ের ব্যবস্থা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংক রবিবার ডলারের দাম বিশেষ করে ভবিষ্যতের জন্য ডলার বুকিং দেওয়া সংক্রান্ত নতুন নিয়ম চালু করেছে।
ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী, ডলারের ভবিষ্যৎ দাম (ফরোয়ার্ড রেট) সর্বোচ্চ কত হবে তা-ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এক বছর পর ডলারের দাম বর্তমানের চেয়ে ‘এসএমএআরটি’ বা স্মার্ট হারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি নিতে পারবে ব্যাংক।
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের পর থেকে মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকায় ডলার সাশ্রয়ে আমদানি নিরুৎসাহ করাসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পরও ডলারের বাজারে অস্থিরতা চলতে থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবার ডলার বুকিংয়ের সময়সীমা বাড়িয়ে নতুন নিয়ম চালু করল।
একই সঙ্গে বাজারে ডলারের জোগান বাড়াতে রপ্তানিকারকদের ডলার ধরে রাখার সীমা অর্ধেক কমানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, নতুন নিয়মে এক বছরের জন্য ডলার বুকিং দিয়ে রাখা যাবে। এজন্য গ্রাহককে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে। এটা নির্ধারিত হবে এখন যে পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে ঋণের সুদহার নির্ধারিত হয় সে হিসাবে, যেটা স্মার্ট বা সিক্স মান্থস মুভিং অ্যাভারেজ রেট অব ট্রেজারি বিল হিসেবে পরিচিত, সংক্ষেপে যার নাম এসএমএআরটি।
একই বিষয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম 'অগ্রিম ডলার কেনাবেচার সীমা বেঁধে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে এতদিন আমদানি পর্যায়ে ডলারের ফরোওয়ার্ড রেট বা ভবিষ্যৎ দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে এতদিন কোনো সীমা নির্ধারিত ছিল না।
সে সময় ব্যাংকগুলো ডলারের ক্রয়মূল্যের সঙ্গে প্রিমিয়াম যুক্ত করে এ দাম নির্ধারণ করতে পারত। তবে ডলার সংকটের কারণে এক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এক প্রজ্ঞাপনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, ব্যাংকগুলো এখন থেকে ফরওয়ার্ড রেটের ক্ষেত্রে স্মার্ট হারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ মূল্য বেশি নিতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে বর্তমানে আমদানির জন্য ডলারের সর্বোচ্চ দল ১১০ টাকা ৬০ পয়সা। কোন আমদানিকারক যদি একমাস পরে পরিশোধের জন্য আজ ডলার কেনার চুক্তি করেন তাহলে দেওয়া হবে ১১১ টাকা ৬০ পয়সা ৩ মাসের ডলার বুকিং দিলে দর হবে ১১৩ টাকা ৮৫ পয়সা।
কেউ এখন ডলারের বুকিং দিয়ে রাখলে এক বছর পর তাকে প্রতি ডলার পরিশোধ করতে হবে ১২৩ টাকায় ৯১ পয়সা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
নির্বাচনকে ঘিরে দুই দলের কড়া অবস্থান নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘সংসদ নির্বাচন ঘিরে সরব রাজনীতি:পালটাপালটি আলটিমেটাম’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বড় দুই রাজনৈতিক দলের পালটাপালটি’ কর্মসূচি ঘিরে বেড়েছে রাজনীতির উত্তাপ। সেই উত্তাপে এবার যুক্ত হলো নতুন মাত্রা।
দলীয় প্রধানের মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে বিএনপি।
অন্যদিকে অপরাজনীতি ছাড়তে বিএনপিকেও ৩৬ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এমন আলটিমেটামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
সরকার পতনের একদফা দাবিতে টানা কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে বিএনপি। নির্বাচনের প্রস্তুতির পাশাপাশি বিএনপির কর্মসূচির দিনগুলোতে নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পালটাপালটি আলটিমেটামের পরিণতি ভয়াবহ। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যদি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ বের করা না যায়, তার মাশুল দিতে হবে পুরো জাতিকে।
ভিসা নীতি নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘ভিসানীতির চাপে চাঙ্গা আন্দোলন’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতে মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে সরকারের ওপর একটি বড় চাপ হিসেবে দেখছে বিএনপি।
দলটি আন্দোলন কর্মসূচি আরো জোরালো করে এই চাপকে ঘণীভূত করতে চায়। সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে রোডমার্চসহ চলমান ঘোষিত কর্মসূচি পালন শেষে ঢাকায় লাগাতার আন্দোলন শুরু করার পরিকল্পনা করছে বিএনপি ।
বিএনপি নেতারা মনে করছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে শুরু করায় সরকার দেশে-বিদেশে চাপে পড়েছে। সরকারি দলের নেতারাও এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। নেতারা এও বলছেন, সরকার যদি এত কিছুর পরেও একতরফা একটি নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হবে।
সরকারের পদত্যাগের দাবির পাশাপাশি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও মুক্তি ইস্যুকেও জোরালোভাবে সম্পৃক্ত করতে যাচ্ছে বিএনপি।
গত ১২ই জুলাই থেকে এক দফার আন্দোলন শুরু করা বিএনপি এখন ঢাকাসহ দেশব্যাপী পনের দিনের কর্মসূচি পালন করছে, যা আগামী ৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম অঞ্চলে রোডমার্চের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। এরপর দাবি আদায়ে চূড়ান্ত ধাপের আন্দোলনে নামার পরিকল্পনা দলটির।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘বিএনপিকে ৩৬ দিন সময় বেঁধে দিল আওয়ামী লীগ’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপিকে ‘অপরাজনীতি’ ছাড়তে ৩৬ দিন সময় বেঁধে দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
এই সময়ের মধ্যে ‘সঠিক পথে’ না এলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির ‘অপরাজনীতির কালো হাত’ গুঁড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেছে আওয়ামী লীগ। এটি বিএনপির জন্য শেষ বার্তা বলেও উল্লেখ করেছে আওয়ামী লীগ।
সোমবার ঢাকার উত্তরায় এবং যাত্রাবাড়ীতে পৃথক সমাবেশ করেছে আওয়ামী লীগ। দলের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ কমিটির উদ্যোগে পৃথকভাবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘শান্তি ও উন্নয়ন’ সমাবেশ।
উত্তরার সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপিকে আলটিমেটাম বা সময় বেঁধে দেওয়ার কথা বলেন।
সরকার পতনের এক দফা দাবিতে বিএনপি দুই সপ্তাহের কর্মসূচি নিয়ে এখন রাজপথে আছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগও ২১শে সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ৪ঠা অক্টোবর পর্যন্ত সভা-সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছে।
ডিজিটাল জুয়া নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Digital gambling thru MFS rampant’ অর্থাৎ ‘মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে ব্যাপকভাবে বেড়েছে ডিজিটাল জুয়া খেলা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে জুয়া খেলার অবৈধ লেনদেন সহজতর করার জন্য একটি সহজ এবং প্রাথমিক হাতিয়ার হিসাবে মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে। এই উত্থানের মধ্যে সারা দেশে ডিজিটাল জুয়ার বিস্তার ব্যাপক হারে বেড়ে গিয়েছে।
অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করা এবং অবৈধ লেনদেন সহজতর করার জন্য মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যবহার করা অনেক এজেন্ট এবং ডিস্ট্রিবিউশন হাউস কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার করেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো৷
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এমএফএস-এর ব্যক্তিগত এবং মার্চেন্ট উভয় অ্যাকাউন্টই এই ধরনের লেনদেনের জন্য ব্যবহার করায় অনলাইন জুয়া লেনদেন মোকাবেলা করা আরও কঠিন হয়ে উঠছে।
তদন্তকারীরা বলেছেন যে মোবাইল আর্থিক সেবা কোম্পানিগুলির ব্যবস্থাপনার তত্ত্বাবধানে ত্রুটি এবং অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইট এবং অ্যাপগুলিতে প্রা সহজ অ্যাক্সেস পাওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
সাইবার পুলিশিং সেন্টারের অপরাধ তদন্ত বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার রেজাউল মাসুদ বলেছেন যে তারা অনলাইন জুয়া লেনদেনের সাথে জড়িত বেশ কয়েকজন বিকাশ এবং নগদ এজেন্টকে গ্রেপ্তার করেছে।অনলাইন বেটিং এর মাধ্যমে হাজার হাজার টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিকে আরও সমস্যায় ফেলেছে।

ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, ‘সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত আইনজীবী ভুবনের মৃত্যু’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত আইনজীবী ভুবন চন্দ্র শীল মারা গেছেন।
গত ১৮ই সেপ্টেম্বর রাতে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের বিজি প্রেসের সামনের রাস্তায় শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাঈদ ওরফে মামুনের প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়ে একদল সন্ত্রাসী। সে সময় মোটরসাইকেলে করে ওই পথ দিয়ে নিজ বাসায় ফেরার সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন ভুবন।
ঘটনার পরপরই তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরে ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গত শনিবার রাতে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয় রাখা হয় লাইফ সাপোর্টে এভাবে সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে লাইফ সাপোর্টে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ভুবন চন্দ্রশেখের পরিবার বাদী হয়ে মামলা করলেও সাত দিনেও ঘটনায় জড়িত কাউকে সনাক্ত বা গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

বিমানের ব্যবস্থাপনা নিয়ে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাস, ‘Why Biman struggles to overcome pilot shortage’ অর্থাৎ ‘পাইলট সংকট কাটিয়ে উঠতে বিমান বাংলাদেশ কেন হিমশিম খাচ্ছে’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দীর্ঘ ছয় মাস বাছাই প্রক্রিয়ার পর এবছরের সেপ্টেম্বরে বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজের জন্য সাত পাইলটকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ বিমান।
তাদের মাসিক ৯ লাখ টাকার আর্থিক প্যাকেজ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা করযোগ্য। নিয়োগ হয়েছে চুক্তি-ভিত্তিক এবং এই প্যাকেজের মধ্যে চিকিৎসা, লাইসেন্স হারানোর বিমা কাভারেজসহ বিশ্বব্যাপী পাইলটরা সাধারণত যেসব সুবিধাদি পান– তা অন্তর্ভুক্ত নেই।
তবে প্রতিবেশী দেশের এয়ার ইন্ডিয়ার নিয়োগে ভিন্ন অভিজ্ঞতা হয় পাইলটদের। যেমন বাংলাদেশ বিমানের নিয়োগকৃত একজন পাইলট অনলাইনে ইন্টারভিউ দেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই এয়ারলাইনটি থেকে চাকরির প্রস্তাব পান।
কর পরিশোধের পর- মাসিক সাড়ে ১৪ হাজার ডলার বা প্রায় ১৬ লাখ টাকার আর্থিক প্যাকেজের প্রস্তাব তাকে দেয় এয়ার ইন্ডিয়া, যা বাংলাদেশ বিমানের প্রস্তাবিত সুবিধার প্রায় দ্বিগুণ।
এয়ার ইন্ডিয়ার এই প্যাকেজে প্রয়োজনীয় সুবিধাদিসহ পাইলট পাবেন অতিরিক্ত আরও ৬০ হাজার রুপি বা প্রায় ৭৯ হাজার টাকা।
বাংলাদেশ বিমান কেন পাইলটদের আকৃষ্ট করতে ও তাদের ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে – তাই যেন তুলে ধরেছে উভয় সংস্থার নিয়োগ প্রক্রিয়া ও আর্থিক সুবিধার উল্লেখযোগ্য এ পার্থক্য। বিশেষত যখন মহামারির পর বিশ্বব্যাপী বিমানচালকদের উচ্চ চাহিদা তৈরি হয়েছে।
রিজার্ভ পরিস্থিতি নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পূর্বাভাস নেতিবাচকে নামিয়ে আনল ফিচ’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পূর্বাভাসকে স্থিতিশীল থেকে নেতিবাচকে নামিয়ে এনেছে আন্তর্জাতিক ঋণমান সংস্থা ফিচ রেটিংস।
এর আগে বাংলাদেশের ক্রেডিট রেটিং বা ঋণমান কমিয়েছিল আন্তর্জাতিক ঋণমান বাংলাদেশের ক্রেডিট রেটিং ‘বিবি মাইনাস’ নির্ধারণ করা হয়েছিল।
অর্থনৈতিক পূর্বাভাস স্থিতিশীল থেকে নেতিবাচকে আনার বড় কারণ হিসেবে ফিচের গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদনে রিজার্ভের পতন ও ডলার সংকটকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশে নেয়া নীতিগত পদক্ষেপ এবং বিদেশী আনুষ্ঠানিক ঋণদাতাদের ক্রমাগত সহায়তাও রিজার্ভের পতন ও স্থানীয় বাজারে ডলার সংকট প্রশমন করতে পারেনি।
তবে বাংলাদেশের বিদেশী ঋণ প্রোফাইল এখনো নিয়ন্ত্রণযোগ্য অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাও এখনো অনুকূলে আছে। আবার সরকারের ঋণ সমতুল্য অনেক দেশের তুলনায় বেশ কম বলে ফিচ জানিয়েছে।
২০২৫ সালের মধ্যে দেশের চলতি হিসাবের ঘাটতি আরো বড় হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে ফিচ রেটিংসের প্রতিবেদনে

পানির তীব্র সংকটকে ঘিরে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Barind Farmers: At mercy of ‘water lords’’ অর্থাৎ ‘বরেন্দ্র কৃষক: 'জল প্রভুদের' শোষনের শিকার’
মূলত গত ৯ই এপ্রিল, মুকুল সোরেন নামে রাজশাহীর এক সাঁওতাল কৃষক গভীর টিউবওয়েল থেকে সেচের পানি না পেয়ে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। গত বছর একইভাবে দুই সাঁওতাল কৃষক আত্মহত্যার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
তিনজনই বরেন্দ্র অঞ্চলের কিছু অংশে সেচের পানি বণ্টনের শোষণমূলক ব্যবস্থায় হতাশ ছিলেন। বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নেমে যাওয়ায় এক বিরাট বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে ওই এলাকার কৃষকরা।
জলাবদ্ধতার এই অঞ্চলে সেচের টিউবওয়েল এখন কৃষকদের শোষণের রাজনৈতিক দাপটের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। এই কৃষকদের একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তর্গত এবং তাই বেশি শোষণের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিএমডিএ-র সাম্প্রতিক জরিপে দেখা যায়, বরেন্দ্র অঞ্চলে বছরে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের প্রায় ৭০ ভাগ বা ১৩৭,১০০ কোটি লিটারের জন্য দায়ী ব্যক্তিগত গভীর টিউবওয়েল। এই বেসরকারি টিউবওয়েল অপারেটররা বিএমডিএ দ্বারা কর্মকর্তাদের সাথে একটি সিস্টেম তৈরি করেছে যা তাদের প্রভাব এবং রাজনৈতিক যোগসূত্র ব্যবহার করে দরিদ্র কৃষকদের শোষণ করছে।
গত বছর, ৩৬ বছর বয়সী অভিনাথ মার্দি এবং তার চাচাতো ভাই ২৭ বছর বয়সী রবি মার্দি রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরিবারের সদস্য এবং মামলার নথিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় টিউবওয়েল অপারেটর তাদের সেচের পানি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা হতাশ হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

অন্যান্য খবর
যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘জমি-ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন খরচ কমছে’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সমালোচনার মুখে জমি রেজিস্ট্রেশনের উৎসে কর আদায় পদ্ধতি বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
বিদ্যমান এলাকাভিত্তিক উৎসে কর হারের পরিবর্তে মৌজা ও শ্রেণিভিত্তিক (আবাসিক, বাণিজ্যিক, রিয়েল এস্টেট বা ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকৃত জমি) কর আদায় করার উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি। এতে জমি ও ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন খরচ কমবে।
এ ব্যাপারে চলতি সপ্তাহে প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে। বাণিজ্যিক জমি হোক বা আবাসিক-বর্তমানে এলাকাভেদে জমি রেজিস্ট্রেশনে উৎসে কর আদায় করা হয়, যা যৌক্তিক নয়।
বিদ্যমান পদ্ধতিতে জমি-ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনে সরকার কাঙ্ক্ষিত হারে রাজস্ব না পাওয়া এবং এ ধরনের ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকায় উৎসে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে। প্রজ্ঞাপনের খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ে পাঠানো হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই এ প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
নগা দিগন্তের প্রথম পাতার, ‘পরিবেশ নিয়ে কথা বলতে গেলে চুবানোর কথা বললেন তাপস’। প্রতিবেদনে মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামালের উদ্ধৃতি তুলে ধরা হয়েছে।
সোমবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে হতাশার সাথে তিনি বলেন, ‘আমারই নির্বাচনী এলাকার মানুষ, আমরা যখন পরিবেশ নিয়ে কথা বলতে গেলাম, অত্যন্ত স্নেহের পাত্র আমার, মেয়র তাপস; ছোটবেলা থেকে দেখেছি। কারণ, একই পাড়ায় থেকেছে।
আমরা সবাই যখন পরিবেশ নিয়ে কথা বলতে গেলাম, তিনি বললেন যে যদি বেশি কথা বলে ধোলাইখালে নিয়ে চুবাব,।
সোমবার ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন আখ্যান ও সমান্তরাল বাস্তবতা : পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ভাবনা’ শিরোনামের একটি প্রকাশনার অনুষ্ঠানে বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল মনে করেন, চুবানোর সংস্কৃতি কিন্তু শেখ ফজলে নূর তাপসের একার মধ্যে নেই। অনেকের মধ্যেই আছে।
এমন কথা আরো অনেক জায়গায় শুনেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখন কথা বলতে গেলে যদি চুবানোর ধমক খেতে হয়, আসলে কোন রাজনীতিকের কাছে যাব?’
সুলতানা কামাল বলেন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করতে হলে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকা প্রয়োজন। রাজনৈতিক সদিচ্ছা আসবে রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে। কিন্তু রাজনীতিবিদেরা কোথায়? তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না।











