জাপানে ঘুর্ণিঝড়: টাইফুন আঘাত হানতে শুরু করেছে দক্ষিণের দ্বীপে, বিপুল ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা

টাইফুনের প্রভাবে খুবই ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে

ছবির উৎস, Reuters

ছবির ক্যাপশান, টাইফুনের প্রভাবে খুবই ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে

জাপানে এযাবতকালের সবচেয়ে তীব্র এক টাইফুন দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ কিউশুতে আঘাত হানতে শুরু করেছে।

টাইফুন নানমাদলের কারণে প্রচণ্ড ঝড় এবং প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ঝোড়ো বাতাসের গতি এখন ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটারের বেশি। কোন কোন জায়গায় রবি ও সোমবার ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।

প্রায় ৪০ লাখ মানুষকে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে সরে যেতে বলা হয়েছে।

শত শত ফ্লাইট এবং অন্যান্য পরিবহন বাতিল করা হয়েছে। গত কয়েক দশকের মধ্যে এটিই জাপানের সবচেয়ে বিধ্বংসী ঝড়ে পরিণত হতে যাচ্ছে।

অন্যান্য খবর:

জাপানে ২০১৯ সালেও এক টাইফুনে ব্যাপক বন্যা হয়েছিল

ছবির উৎস, Reuters

ছবির ক্যাপশান, জাপানে ২০১৯ সালেও এক টাইফুনে ব্যাপক বন্যা হয়েছিল

যেখানে আঘাত করেছে টাইফুন

কিউশু দ্বীপের একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে রবিবার সকালে টাইফুন নানমাদল প্রথম আঘাত হানে।

জাপানের যে চারটি প্রধান দ্বীপ, তার মধ্যে কিউশু হচ্ছে সবচেয়ে দক্ষিণে। সেখানকার জনসংখ্যা এক কোটি ৩০ লাখ।

কর্তৃপক্ষ এখন এই দ্বীপের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে।

জাপানের আবহাওয়া অফিস বলছে, টাইফুনের প্রভাবে খুবই ভারী বৃষ্টি, ঝড় এবং জলোচ্ছ্বাস হবে। বাতাসের গতি এত বেশি হবে যে এতে ঘরবাড়ি ধসে পড়তে পারে।

ইজুমি শহরের একজন কর্মকর্তা রবিবার বিকেলে জানান, সেখানে পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে খুবই দ্রুত।

আরও পড়ুন:

"বাতাসের গতি খুবই মারাত্মক। প্রচণ্ড ভারী বৃষ্টিপাতও হচ্ছে। বাইরে কোন কিছু্ই এখন দেখা যাচ্ছে না, একেবারে ঝাপসা হয়ে গেছে সব," বলছেন তিনি।

ঘূর্ণিঝড়টি এখন জাপানের মধ্যাঞ্চল হয়ে রাজধানী টোকিওর দিকে অগ্রসর হবে।

কর্মকর্তারা বলছেন, যে প্রচণ্ড ভারী বর্ষণ হচ্ছে, সেটাই সবচেয়ে বেশি হুমকি তৈরি করছে মানুষের জীবন এবং বাড়িঘরের জন্য। কারণ বৃষ্টির কারণে নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে এবং এর ফলে ভূমিধ্বস তৈরি হতে পারে।