পাকিস্তানের পাঞ্জাবে প্রাদেশিক উপনির্বাচনে চমক লাগালো ইমরান খানের দল

ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী পদে চার বছর থাকার পর অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হন।

ছবির উৎস, EPA

ছবির ক্যাপশান, ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী পদে চার বছর থাকার পর অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হন।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল তেহরিকই-ইনসাফ পাঞ্জাব রাজ্যের প্রাদেশিক উপনির্বাচনে এক চমকপ্রদ বিজয় পাবার পর মি. খান আবারো আগাম সাধারণ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

পাকিস্তানের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ এই রাজ্যটিতে মোট ২০টি আসনে উপনির্বাচন হয়েছিল - এবং তাতে ইমরান খানের পিটিআই তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পিএমএল(এন)কে হারিয়ে ১৫টি আসনে জয়ী হয়ে প্রাদেশিক পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে।

এ বছর এপ্রিল মাসে ইমরান খান এক অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যূত হয়েছিলেন।

এই ফলাফল বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং পিএমএল(এন) নেতা শাহবাজ শরিফের জন্য এক গুরুতর আঘাত। কারণ পাঞ্জাবে মি. শরিফ এবং তার বড় ভাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের এই মুসলিম লিগের জনসমর্থন ছিল অত্যন্ত ব্যাপক।

কিন্তু এ উপনির্বাচনে পিএমএল (এন) মাত্র তিনটি আসন জিতেছে এবং এখন শাহবাজ শরিফের দুর্বল কোয়ালিশন সরকারের ভবিষ্যৎ সরু সূতোয় ঝুলছে।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়তে পারেন:

ইমরান খান

ছবির উৎস, EPA

ছবির ক্যাপশান, ইমরান খান

সংবাদদাতারা বলছেন, পাকিস্তানে আগামী সাধারণ নির্বাচন হবার কথা ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে - তবে তা এগিয়েও আসতে পারে। কিন্তু পাঞ্জাবের এই ফলাফল থেকে হয়তো সেই নির্বাচনে কী হবে তার একটা আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

এর আগে পিটিআইএর সদস্যরা আনুগত্য পরিবর্তনের কারণে সদস্যপদ হারালে তাদের আসন শূন্য হওয়ার পর এ উপনির্বাচন দেয়া হয়েছিল।

পাঞ্জাব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শাহবাজ শরিফের পুত্র হামজা এবং উপনির্বাচনের এ ফলাফলের পর তিনি তার পদ হারাতে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে ইমরান খান ক্ষমতাচ্যুত হবার পর থেকে তার জনসমর্থনের পালে হাওয়া লেগেছে বলেই সংবাদদাতারা বলছেন। তার জনসভাগুলোতে এখন বিপুল পরিমাণ লোকসমাগম হচ্ছে।

বিবিসি বাংলায় আজকের আরো খবর: