পোষা প্রাণী: ঘোড়ার দাম ছয় কোটি ডলার, বিশ্বের সবচেয়ে দামী কুকুর, বেড়াল, কবুতর যেগুলো

ছবির উৎস, Getty Images
- Author, রিচার্ড ফিশার
- Role, বিবিসি ফিউচার
'বিগ ডেইভ' নামের একটি হাঁসকে একদিন নিলামে ওঠানো হল। বিগ ডেইভ ছিল পুরস্কারজয়ী পুরুষ মাস্কভি হাঁস - যেটি হাঁস প্রজননকারীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় ছিল। বেশ ভালো জাতের হাঁস ছিল বিগ ডেইভ।
হাঁসটির মালিক গ্রাহাম হিকস সেসময় বিবিসিকে বলেছিলেন, "তার মেজাজ খুবই চমৎকার। সে সবসময় পরিচ্ছন্ন থাকে, সবসময় নিজের খেয়াল রাখে। আর আপনি যখন তাকে প্রদর্শনীতে নিয়ে আসবেন, সে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে।"
বিগ ডেইভের এই খ্যাতির কথা স্বীকার করেন অন্যান্যরাও। বিগ ডেইভকে 'বড় চরিত্র' বলে মনে করেন হিকসের মত আরেকজন প্রজননকারী জ্যানিস হটন-ওয়ালেস, যিনি যুক্তরাজ্যের টার্কি ক্লাবের সেক্রেটারি। গ্রাহাম হিকসের সাথে সবসময়ই তার ভালো সম্পর্ক ছিল।
গ্রাহাম হিকস যখন প্রজননকারী হিসেবে অবসরে যাচ্ছিলেন, তখন বিগ ডেইভসহ তার অন্যান্য পাখি ও হাঁসও বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন।
সেসময় বিগ ডেইভকে কেনার জন্য বিদেশ থেকে প্রজননকারীরাও আগ্রহী হয়ে উঠছিল বলে গুজব ছড়িয়েছিল। বিগ ডেইভের জিনের জন্যই হাঁসটির চাহিদা বেড়েছিল।

ছবির উৎস, Getty Images
নিলাম শুরু হওয়ার পর অবশ্য বেশ চমকপ্রদ একটি ঘটনা ঘটে।
হাঁসটির মালিক গ্রাহাম হিকসকে না জানিয়ে তার বন্ধু হটন-ওয়ালেস একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে, যাদের উদ্দেশ্য ছিল ডেইভকে কিনে নেয়া।
হটন-ওয়ালেস ডেইভের দাম হাঁকা শুরু করেন ৯০০ পাউন্ড দিয়ে। ধীরে ধীরে নিলামে ডেইভের দাম চড়তে থাকে।
এক পর্যায়ে হটন-ওয়ালেস বিগ ডেইভকে কিনে নেন ১৫০০ পাউন্ড বা ২,০৭০ ডলারের বিনিময়ে - যা পৃথিবীর যে কোনো হাঁসের জন্য সবচেয়ে বেশি দাম।
কেনার পর সাথে সাথেই সিন্ডিকেট বিগ ডেইভকে তার পুরনো মালিক গ্রাহাম হিকসের কাছে হস্তান্তর করে দেয়। আসলে হটন-ওয়ালেস তার পুরনো বন্ধু হিকসকে তার অবসর উপলক্ষে উপহার দিতে চাচ্ছিলেন, তাই হিকসের প্রিয় হাঁস বিগ ডেইভকেই কিনে আবার তারই কাছে ফেরত দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।
সেদিন ডেইভ পৃথিবীর সবচেয়ে দামী হাঁস হিসেবে স্বীকৃতি পায়। পাশাপাশি সে যোগ দেয় হাতে গোনা কয়েকটি প্রাণীর একটি তালিকায় যাদেরকে পৃথিবীর সবচেয়ে দামী প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বিগ ডেইভ নিজেকে হাঁসদের মধ্যে সবচেয়ে দামী দাবি করতে পারে, কিন্তু এমন আরো অনেক প্রাণীই রয়েছে যেগুলোর দাম বিগ ডেইভের চেয়ে বহুগুণ বেশি।
এরপর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান প্রাণী তাহলে কোনগুলো? আর এগুলোর দাম নির্ধারণই বা হয় কী করে?
এসব প্রশ্নের উত্তর আপাত দৃষ্টিতে যতটা সহজ বলে মনে হয়, আসলে ততটাও সহজ নয়।
এই প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ শুরু করার আগে বলে নেয়া ভালো যে, জীবিত প্রাণীকে তাদের মূল্যের ভিত্তিতে র্যাঙ্কিংয়ে ফেলার বিষয়টি অনেকের কাছে অরুচিকর মনে হতে পারে।

ছবির উৎস, Reuters
পশুপাখির অর্থনৈতিক মূল্য কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?
পশুপাখিদের কী অর্থনৈতিক মূল্যের ভিত্তিতে পরিমাপ করা উচিৎ? জীবিত কোনো প্রাণীর দাম নির্ধারণ করাও কি আসলে উচিৎ?
জীবিত প্রাণী বা প্রকৃতির কোনো উপাদানের দাম নির্ধারণ করার ধারনাটির বিরোধিতা করেন অনেকেই। কিন্তু বাস্তবতা হল, পশুপাখি সবসময়ই মানুষের অর্থনৈতিক কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।
পশুপাখির মূল্যায়ন করার ক্ষেত্রে মানুষ যেসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে থাকে, এবং প্রাণী কেনার ক্ষেত্রে যে কখনো কখনো পরিমাণ দাম দিতে রাজী থাকে - তা পর্যবেক্ষণ করলে আমাদের বিশ্ব সম্পর্কে বিচিত্র তথ্য পাওয়া যায়।
পশুপাখি কেনার ক্ষেত্রে মাথা ঘুরিয়ে দেয়া দামের নজির দেখা যায় কৃষিক্ষেত্রে, যেখানে পশুপাখি কেনা-বেচা সবসময়ই স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত ছিল।
যেমন, খামারে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, এমন একটি প্রাণী ভেড়ার কথাই ধরুন।
কিছু কিছু অনুমান অনুযায়ী বিশ্বে মোট ভেড়ার সংখ্যা প্রায় ১০০ কোটি, আর এর মধ্যে অধিকাংশই খুব একটা দামী নয়।

ছবির উৎস, Getty Images
বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর:
তবে যুক্তরাজ্যের কোনো এক জায়গায় 'ডাবল ডায়মন্ড' নামের একটি বিশেষ ভেড়া রয়েছে, যেটির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেশি।
ভেড়াটির দামের পেছনে কারণ এর জিন। নেদারল্যান্ডসের একটি ছোট দ্বীপে পাওয়া যাওয়া টেক্সেল জাতের ভেড়ার উৎকৃষ্ট উদাহরণ এটি।
২০২০ সালের শেষদিকে একদল কৃষকের একটি সংঘ একটি নিলাম থেকে এই ভেড়াটি কেনে সাড়ে তিন লাখ গিনি - যা যুক্তরাজ্যে গবাদি পশু নিলামের জন্য ব্যবহৃত মুদ্রা - বা চার লাখ ৯০ হাজার ৫০০ ডলারে।
সেসময় ঐ কৃষকদের একজন বিবিসিকে বলেছিলেন, "একটা ভেড়ার জন্য এই মূল্য সত্যিই অস্বাভাবিক। কিন্তু আমরা এর জিনের জন্য ভেড়াটি কিনেছি।"
খামারে থাকা কুকুরের মধ্যে সবচেয়ে দামী কুকুরটির নাম কিম। কলি জাতের এই কুকুরটি ২০২১ সালের শুরুর দিকে ওয়েলসে কেনা হয় ২৮ হাজার ৪৫৫ পাউন্ড বা ৩৮ হাজার ৯০০ ডলারে।
তবে খামারের প্রাণীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম গরু আর ষাঁড়ের। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোড়ন তুলেছিল হলস্টেইন জাতের একটি গাভীর নিলাম।
মিসি নামের ঐ গাভীটি ২০০৯ সালে ১২ লাখ ডলারে কেনা হয়েছিল।
এর দশ বছর পর ২০১৯ সালে অ্যাঙ্গাস জাতের একটি ষাঁড়, যেটির নাম ছিল 'এসএভি আমেরিকা ৮০১৮', ট্রাম্প প্রশাসনের সাবেক এক উপদেষ্টার কাছে বিক্রি হয় ১৫.১ লাখ ডলারে। টাকায় রূপান্তর করলে অঙ্কটা দাঁড়ায় ১২ কোটি ৮৭ লাখ টাকার বেশি।

ছবির উৎস, EPA
পোষা প্রাণী
শুধু খামার শিল্পেই যে প্রাণী কেনাবেচার ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক উচ্চ দামের নজির দেখা যায়, তা নয়। কিছু মানুষ পোষা প্রাণীর জন্যও বিশাল অঙ্কের অর্থ খরচ করে থাকে।
পোষা প্রাণীর মধ্যে কুকুরের দামের হিসেবে সবচেয়ে বেশি দাম ছিল একটি তিব্বতি ম্যাস্টিফের, যেটির নাম বিগ স্প্ল্যাশ।
এক কোটি চাইনিজ ইউয়ান বা ১৫.৫ লাখ ডলারে এই কুকুরটি কেনেন চীনা একজন ব্যবসায়ী। গত কিছু বছর ধরে চীনে ম্যাস্টিফ জাতের কুকুরকে অনেকটা আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
কুকুরের পর এবার বিড়ালের দামের দিকে নজর দেয়া যাক। ঘরে পালন করা বিড়ালের মধ্যে অন্যতম মূল্যবান ধারণা করা হয় সাভানাহ জাতের বিড়ালকে - এই জাতের একটি বিড়ালছানার দাম হতে পারে ২০,০০০ ডলার বা প্রায় ১৭ লাখ টাকা।
একটি বিড়ালের সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড কী, তা গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নেই।
কুকুরের মত বিড়ালের দাম সরাসরি মিলিয়ন ডলার না ছাড়ালেও অন্য পদ্ধতিতে গৃহপালিত বিড়ালের মূল্য যাচাই করার নজির আছে।

ছবির উৎস, Getty Images
গিনেজের তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী বিড়াল ছিল ব্ল্যাকি।
ব্ল্যাকির মালিক ছিলেন একজন অ্যান্টিক পণ্যের ডিলার। তিনি মারা যাবার সময় তার পরিবারের সদস্যদের উত্তরাধিকার সূত্রে কিছু না দিয়ে ব্ল্যাকিকে দিয়ে যাওয়ায় ১৯৮৮ সালে প্রায় ৯৭ লাখ ডলার (৮০ কোটি টাকা) সম্পত্তির মালিক হয় বিড়ালটি।
তবে এই উদাহরণের সাথে আরেকটি উদাহরণ আনতে হয় - টোবি নামের একটি কুকুর একসময় এর চেয়েও অনেক বেশি সম্পদের মালিক হয়েছিল।
১৯৩১ সালে নিউইয়র্কের রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সাথে জড়িত ধনী পরিবারের শেষ উত্তরসূরি এলা ওয়েনডেল মারা যাওয়ার পর টোবি দেড় কোটি ডলারের সম্পদের মালিকানা লাভ করেছিল।
তবে আপনি যদি আয় করা সম্পদের হিসেব করেন, তাহলে সবচেয়ে মূ্ল্যবান পোষা প্রাণীর তালিকায় 'গ্রাম্পি ক্যাট' টারডার সস সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবে।
কিছু অনুমান অনুযায়ী, মৃত্যুর আগে তার বাজার মূল্য ছিল আনুমানিক ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি ডলার।

ছবির উৎস, CATHERINE MACGREGOR
প্রতিযোগিতার প্রাণী
গিনেজের রেকর্ড অনুযায়ী, যেসব প্রাণী কেনার জন্য সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করা হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশই এমন প্রাণী যারা প্রতিযোগিতায় রেস করতে পারে।
ওজনের হিসেবে এই বিভাগে সবচেয়ে দামী প্রাণী হবে একটি পাখি।
২০২০ সালের শেষদিকে চীনের এক ক্রেতা 'নিউ কিম' নামের এই কবুতরটি কিনে নেন ১৬ লাখ ইউরো দাম দিয়ে।
তবে স্বাভাবিকভাবেই রেসের ঘোড়া এই ধরণের প্রাণীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামী হিসেবে বিবেচিত হয়।
গিনেজের হিসেব অনুযায়ী, ১৯৮৫ সালে এক কোটি ৩১ লাখ ডলার দিয়ে কেনা প্রায় দুই বছর বয়সী ঘোড়া 'সিয়াটল ড্যান্সার' বিশ্বের সবচেয়ে দামী রেসের ঘোড়া।
এরপর এর চেয়ে বেশি দামে আরো কিছু ঘোড়া বিক্রি হয়েছে। যেমন ২০০০ সালে ফুসাইচি পেগাসাস নামের একটি ঘোড়া বিক্রি হয় ছয় কোটি ৪০ লাখ ডলার দামে।
বন্যপ্রাণীর দাম কীভাবে ঠিক হয়?
পোষা প্রাণী বা রেস করা প্রাণীর মত বন্যপ্রাণীর দামও কি একই পদ্ধতিতে নির্ধারণ করা হয়? নাকি বন্য প্রাণীর ক্ষেত্রে হিসেবটা অন্যরকম?
বন্যপ্রাণীর দাম নির্ণয় করার একটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যেটি পোষা প্রাণী বা গবাদি পশুর দাম যেভাবে নির্ণয় করা হয়, তার চেয়ে ভিন্নভাবে নির্ধারণ করা হয়।
গত কয়েক দশক ধরে বিজ্ঞানীরা পরিবেশের বাস্তুসংস্থানের সব উপাদানের মূল্য নির্ধারণের চেষ্টা করছেন প্রত্যেকটি উপাদান মানবজাতিকে কী 'সেবা' দেয়, তার ভিত্তিতে। এই 'সেবা'র মধ্যে খাদ্য থেকে শুরু করে কার্বন গ্রহণের মাত্রা, পরাগায়ন অথবা পর্যটনের মত বিষয়ও বিবেচনা করা হয়।

ছবির উৎস, Getty Images
তবে অনেক বিজ্ঞানীই বাস্তুসংস্থান ও পরিবেশের উপাদানকে মূল্যায়নের এই ধারণার বিপক্ষে। তারা মনে করেন, অর্থনৈতিক মূল্য দিয়ে মেপে এই ধরণের বিষয়গুলোর যাচাই করা উচিৎ নয়।
২০১৫ সালে বিবিসি আর্থ পরিবেশের বিভিন্ন প্রাণী এবং উপাদানের মূল্যায়নের চেষ্টা করে একটি সিরিজ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। সেখানে পরিবেশের একেকটি উপাদান বা প্রাণীর মোট মূল্যের একটি ধারণা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।
যেমন, পর্যটন শিল্পের জন্য হাঙ্গরের অনুমিত মূল্য ছিল প্রায় ৯৫ কোটি ডলার আর কানাডার 'পোলার বেয়ার' বা শ্বেত ভালুকের মূল্য ধরা হয়েছিল ৬৩০ কোটি ডলার।
এই অনুমান থেকে একটি প্রাণীর দামের আনুমানিক মূল্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব। যেমন, কানাডায় সেসময় শ্বেত ভালুকের সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার, কাজেই প্রতিটি ভালুকের দাম সেসময় ধরা হয়েছিল আনুমানিক চার লাখ ডলার।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রালফ চামি নামের এক কর্মকর্তা তার সহকর্মীদের নিয়ে 'একক প্রাণী'র দাম আরো সঠিকভাবে নির্ণয়ের চেষ্টা চালিয়েছেন।
তাদের লক্ষ্য ছিল আফ্রিকার জঙ্গলের হাতি এবং দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলের বড় তিমির মূল্য নির্ধারণ করা।
চামি ও তার সহকর্মীদের হিসেব অনুযায়ী একেকটি হাতির মূল্য আসে ১৮ লাখ ডলার।

ছবির উৎস, Getty Images
অন্যদিকে প্রজাতিভেদে তিমির মূল্য ছিল এক লাখ ৬৫ হাজার ডলার থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত।
আরেকটি প্রাণীকে, যা গিনেজের তথ্য অনুযায়ী সবচেয়ে মূল্যবান চিড়িয়াখানার প্রাণী এবং যেটি বন্য প্রাণীদের মধ্যে অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে মূল্যবান হতে পারে, অত্যন্ত মূল্যবান হিসেবে বিবেচনা করা হয় - সেটি হল জায়ান্ট পান্ডা।
এর কারণ বিশ্বের সব পান্ডার মালিকানা চীনের হাতে এবং বিশ্বের অনেক চিড়িয়াখানাকে - বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের চিড়িয়াখানাগুলো - পান্ডা রাখার খরচ বাবদ চীনকে প্রতি বছর মোটা অঙ্কের অর্থ দিতে হয়; যা বছরে ১০ লাখ ডলার পর্যন্তও হয়ে থাকে।
আর পান্ডার বাচ্চা হলে চীনকে এককালীন ছয় লাখ ডলার দিতে হয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের।
সুতরাং সবচেয়ে মূল্যবান প্রাণীর তালিকায় পান্ডা, হাতি, তিমি বা ঘোড়ার মত প্রাণী যেমন রয়েছে, তেমনি বিগ ডেইভের মত হাঁসও রয়েছে; যেটি প্রাকৃতিক কারণে মূল্যবান না হলেও সবচেয়ে বেশি দামের প্রাণীর তালিকায় ঠিকই জায়গা করে নিয়েছে।











