ফিলিপিন্স: ৯২ জন যাত্রী নিয়ে সেনাবাহিনীর বিমান বিধ্বস্ত

জোলো দ্বীপ

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, জোলো দ্বীপের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে

ফিলিপিন্সের দক্ষিণাঞ্চলে ৯২ জনকে বহন করা সেনাবাহিনীর একটি বিমান দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। বিমানে থাকা অধিকাংশ যাত্রীই সেনাবাহিনীর সদস্য ।

দুর্ঘটনার স্থান জোলো দ্বীপ থেকে ১৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বেঁচে যাওয়া ৪০ জনকে নিকটবর্তী স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

ফিলিপিন্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ডেলফিন লরেনজানা জানিয়েছেন, 'সি-১৩০ হারকিউলিস' বিমানটি জোলো বিমানবন্দরে অবতরণ করার সময় রানওয়ের বাইরে চলে যায়।

দুর্ঘটনার পর বিমানটির ধ্বংসস্তূপ থেকে আগুন ও ধোঁয়া নির্গত হতে দেখা যায়।

ফিলিপিন্সের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমে দুর্ঘটনার স্থানের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করা হয়, যেখানে কয়েকটি ভবনের পাশে থাকা বিমানের ধ্বংসস্তূপে আগুন জ্বলতে দেখা যায়।

রবিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় ফিলিপিন্সের দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপ মিন্দানাওয়ের কাগায়ান ডে ওরো থেকে জোলো শহরে সেনা সদস্যদের বহন করে নিয়ে আসছিলো বিমানটি।

হারকিউলিস সি-১৩০

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ফিলিপিন্সের সেনাবাহিনী হারকিউলিস সি-১৩০ মডেলের এই বিমান পরিবহনের কাজে ব্যবহার করে

ফিলিপিন্সের সেনাপ্রধান জেনারেল সোবেজানা সাংবাদিকদের বলেন, "বিমানটি রানওয়ে মিস করার পর আবারো নিয়ন্ত্রণে আসার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত পারেনি।"

ফিলিপিন্সের দক্ষিণাঞ্চলে আবু সায়াফের মত ইসলামপন্থী জঙ্গি দলগুলো মোকাবেলায় মোতায়েন করা অতিরিক্ত সেনা সদস্যের অংশ ছিলেন বিমানে অবস্থিত সেনারা।

কর্তৃপক্ষ বলছে বিমানটি যে হামলার শিকার হয়েছে, সেরকম মনে করার কোনো কারণ এখনো নেই। উদ্ধারকাজ শেষ হওয়ার পর দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত পরিচালিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, বিমানে থাকা অনেক সৈনিকই কেবল প্রাথমিক সেনা প্রশিক্ষণ শেষ করেছিলেন।