বাংলাদেশের বিমান দুর্ঘটনা: নিরাপত্তার জন্যে কী করছে কর্তৃপক্ষ

ছবির উৎস, Getty Images
- Author, ফারহানা পারভীন
- Role, বিবিসি বাংলা, ঢাকা
বাংলাদেশের একটি বিমান বুধবার মিয়ানমারের একটি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়লে ১৮জন আহত হয়।
গত বছর বেসরকারি বিমান ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইট নেপালে বিধ্বস্ত হলে মোট ৫১ জন নিহত হন, যাদের যার মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি। এর পর এই একই এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ফাটা চাকা নিয়ে ঢাকা থেকে সিলেটে অবতরণ করে।
এ বছরের এপ্রিল মাসে বিমান বাংলাদেশের একটি বিমান সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকায় ফেরার পথে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। পরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়।
বাংলাদেশের বিমানের বড় ধরনের দুর্ঘটনার ইতিহাস না থাকলেও সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা নিরাপত্তার ব্যাপারে যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করেছে।
ব্যক্তিগত এবং পেশাগত কারণে প্রায়ই দেশের বাইরে যেতে হয় রুহিনা তাসমিনকে। বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, সবশেষ বুধবারের বিমান দুঘর্টনার পর বাংলাদেশ বিমানে চলাচল করতে তিনি ভয় পাচ্ছেন।
তার মত আরো অনেকেই একই ধরনের উদ্বেগের কথা বলেছেন।
বেসরকারি বিমান চলাচল এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা এ টি এম নজরুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে দুটি দিক বিবেচনায় নিতে হবে।
আরো পড়তে পারেন:

ছবির উৎস, KO MAUNG ZAW
মি. ইসলাম বলেন, "একটা প্রশিক্ষণ আর আরেকটা রক্ষণাবেক্ষণ। এই দুটা জায়গা ঠিক রাখতে হবে"
যেকোন বিমান দুর্ঘটনার পর পাইলটের দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
বাংলাদেশের একজন সাবেক পাইলট সায়িদ মাহবুব হেলাল বলেন, পাইলটদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। সেটা কাটিয়ে উঠতে না পারলে আরো বড় ধরনের বিপর্যের আশঙ্কা রয়েছে।
সিভিল এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেছেন, দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের দক্ষতা বাড়ানোর সময় এসেছে।
বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান মো. নাঈম বলেছেন, "প্রতিদিনের চেকআপের কাজ এয়ারলাইন্সগুলোর। আমরা ছয় মাস বা একবছরে একবার চেক করি। কোন নিয়মের ব্যাতয় হলে আমরা সার্টিফিকেট বাতিল করি, জরিমানাসহ নানা ধরনের ব্যাবস্থা নিয়ে থাকি"









