করোনা ভাইরাস: অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশের সরকার

ছবির উৎস, Getty Images
বাংলাদেশে করোনাভাইরাস পরীক্ষায় অ্যান্টিবডি টেস্ট অনুমোদন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। রোববার বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের বলেছেন, অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
''অনেকদিন ধরে দাবি করা হচ্ছিল অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমতি দেয়ার জন্য। এখন এটা চালু করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। আজ আপনাদের যখন বললাম, তখন থেকেই এটা চালু হয়ে গেছে,'' বলছেন মি. মালেক।
শরীরে নির্দিষ্ট কোন রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে কিনা, সেটি পরীক্ষা করার জন্য শরীরের রক্তের নমুনা নিয়ে অ্যান্টিবডি টেস্ট করা হয়ে থাকে।
এর মাধ্যমে কেউ করোনাভাইরাস বা অন্য কোন রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন কিনা, সেটা বুঝতে পারা যায়।
এর আগে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটিসহ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অনেকবার অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন টেস্ট চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন।
পরবর্তীতে অ্যান্টিজেন টেস্ট চালু করার অনুমতি দেয়া হলেও এতদিন ধরে অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমতি ছিল না।
আরও পড়তে পারেন:
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আরও বলেন, ''ভারত থেকে করোনাভাইরাসের ২০ লাখ টিকার ডোজ আমরা পেয়েছি। সোমবার আমাদের আরও ৫০ লাখ ভ্যাকসিন আসবে বলে আশা করছি। এ জন্য সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।''
অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনাভাইরাসের কোভিশিল্ড নামের টিকাটি ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউট তৈরি করছে। বাংলাদেশ সেই প্রতিষ্ঠান থেকে তিন কোটি ডোজ টিকা কেনার জন্য চুক্তি করেছে।
ভারত থেকে শুভেচ্ছা হিসাবে পাঠানো ২০ লাখ ডোজ টিকা গত বৃহস্পতিবার গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ।
আগামী ২৭শে জানুয়ারি , বুধবার থেকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দেয়ার কার্যক্রম শুরু হবে বলে শনিবার জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আবদুল মান্নান।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী আটই ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে করোনাভাইরাসের টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু করা হবে।
এর আগে স্বাস্থ্য সচিব মোঃ আবদুল মান্নান বলেছেন, প্রথম মাসে ৬০ লক্ষ টিকা দেয়া হবে। পরের মাসে দেয়া হবে ৫০ লাখ। তৃতীয় মাসে আবার ৬০ লাখ টিকা দেয়া হবে।
প্রথম মাসে যারা টিকা নেবেন, তারা তৃতীয় মাসে আবার দ্বিতীয় ডোজ নেবেন।









