আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'জাতীয় গোঁফ' নিয়ে মস্করা ভারতের সামাজিক মাধ্যমে
জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় প্রতীক, জাতীয় পোশাক প্রায় সব দেশেরই থাকে। অনেক দেশের জাতীয় ফুল, জাতীয় পশু, জাতীয় ক্রীড়াও থাকে।
কিন্তু জাতীয় গোঁফ আছে, এমন কোনও দেশের কথা জানা নেই।
ভারতীয় বিমানবাহিনীর যে ফাইটার বিমানের পাইলট ফেব্রুয়ারি মাসে তার মিগ ২১ বিমান নিয়ে পাকিস্তানী বিমান ধাওয়া করতে গিয়ে সেদেশে আটক হয়েছিলেন, সেই উইং কমান্ডার অভিনন্দন ভর্থমানের গোঁফ জোড়াকে জাতীয় গোঁফ হিসাবে ঘোষণার দাবি উঠেছে।
আর এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে ব্যাপক মস্করা।
ওই দাবি তুলেছেন বিরোধী কংগ্রেস দলের নেতা, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৫ বার নির্বাচনে জিতে সংসদ সদস্য হওয়া অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
তিনি এবার লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা।
সোমবার এক ভাষণ দিতে গিয়ে মি. চৌধুরী বলেছিলেন অভিনন্দন ভর্থমানকে বীরের সম্মান দেওয়া হোক আর তার গোঁফ জোড়াকে 'জাতীয় গোঁফ'এর স্বীকৃতি দেওয়া হোক।
মি. ভর্থমান পাকিস্তানে আটক হওয়ার পর থেকেই তার গোঁফ নিয়ে ভারতে ব্যাপক চর্চা হয়। ওই 'গানস্লিঙ্গার' গোঁফটির আদলে অনেকেই নিজের গোঁফের ছাঁট দিয়েছিলেন।
কিন্তু সেই গোঁফটিকে জাতীয় গোঁফের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি উঠতেই সামাজিক মাধ্যমে আবারও অভিনন্দন ভর্থমান ট্রেন্ডিং হয়ে গেছে।
কংগ্রেসকে হাসির পাত্র করে তুলেছেন অনেকেই।
'দা স্কিন ডক্টর' নামের একটি টুইটার হ্যান্ডেল থেকে লেখা হয়েছে, "কংগ্রেসের এ নিয়ে একটা আন্দোলন শুরু করা উচিত, যাতে উইং কমান্ডার অভিনন্দনের গোঁফটাকে জাতীয় গোঁফের মর্যাদা দেওয়া যায়। রাহুল [কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী] নিজে ওইরকম একটা গোঁফ রেখে এর নেতৃত্ব দিক..।"
সঙ্গে রাহুল গান্ধীর একটি এডিট করা ছবিও দেওয়া হয়েছে, যেখানে তার মুখে মি. ভর্থমানের মতো একটি গোঁফ ফটোশপ করে লাগানো হয়েছে।
আরো পড়ুন:
নেহা সিং নামের আরেকজন নিজের ছবিতেই অভিনন্দন ভর্থমানের গোঁফের আদলটা এঁকে ছবি পোস্ট করেছেন।
রোসি নামের আরেকজন লিখেছেন, "জাতীয় গোঁফ? এরপরে কী? জাতীয় দাড়ি? অধীর রঞ্জন চৌধুরী নিজে কেন অভিনন্দনের মতো গোঁফ রাখছেন না?"
"কেউ দয়া করে এদের ভারত রত্ন দিয়ে সম্মানিত করুন। এইসব উদ্ভট কথা কোথা থেকে মাথায় আসে এদের?" মন্তব্য ভাগিশা নামের আরেক টুইট ব্যবহারকারীর।
আর্য নামের আরেকজন লিখেছেন, "জাতীয় গোঁফ রাখলে কি ভর্তুকি পাওয়া যাবে? অথবা সরকারী চাকরি?"
বেশীরভাগই যেমন শুধু মন্তব্য লিখেছেন, তেমনই অনেকে কপাল চাপড়ানো বা হাসতে হাসতে বিষম খাওয়ার মতো ইন্টারনেটে প্রচলিত মীমগুলিও ব্যবহার করেছেন নিজের মতামত ব্যক্ত করতে গিয়ে।