বিএনপির নতুন আন্দোলন ঠেকাতে আওয়ামী লীগের কৌশল কী?

    • Author, তারেকুজ্জামান শিমুল
    • Role, বিবিসি নিউজ বাংলা, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রায় তিন সপ্তাহ চুপচাপ থাকার পরে নতুন করে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করেছে বিএনপি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি সংকটসহ নানা সমস্যার মধ্যে এই আন্দোলন আওয়ামী লীগের নতুন সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে।

এ অবস্থায় বিএনপিকে মোকাবেলা করে রাজনীতির মাঠ নিজেদের দখলে রাখতে এবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ কী ধরনের কৌশল অবলম্বন করে, সেটি নিয়েই এখন মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

যদিও আওয়ামী লীগের নেতারা মুখে বলছেন, তারা বিএনপির আন্দোলনকে খুব একটা আমলে নিচ্ছেন না।

তবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মতো আমজনতার ইস্যুকে বিএনপি এবার এজেন্ডা হিসেবে বেছে নিয়ে যেভাবে আন্দোলন এগিয়ে নিতে চাচ্ছে, সেটি ঠিকঠাক মোকাবেলা করতে না পারলে সরকার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ।

"আন্দোলনের ইস্যু হিসেবে বিএনপি এবার এমন একটি বিষয়টিকে সামনে এনেছে, যেটি এদেশের সাধারণ মানুষের ইস্যু। কাজেই কৌশলে এই আন্দোলন মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হলে সরকার বেকায়দায় পড়তে পারে", বিবিসি বাংলাকে বলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. জোবাইদা নাসরিন।

আওয়ামী লীগ সরকারের গত দুই মেয়াদে বিএনপির আন্দোলন মোকাবেলায় তারা কখনো পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে মাঠে থেকেছে, আবার কখনো মামলা দিয়ে বিরোধী পক্ষের নেতাকর্মীদের দমন করেছে।

পাল্টা-পাল্টি কর্মসূচি দেওয়ার কারণে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন উত্তেজনা বাড়তে দেখা গেছে, তেমনি সহিংস ঘটনাও ঘটেছে।

অন্যদিকে, বিরুদ্ধ মতের ওপর দমন-পীড়ন নিয়েও বিভিন্ন সময় পশ্চিমাদের কাছে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারকে।

এ অবস্থার মধ্যেই বিএনপি-বিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে টানা চতুর্থবার ক্ষমতা গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এবারও কি তারা আগের নীতিতেই চলবে, নাকি কৌশলে পরিবর্তন আনবে?

আওয়ামী লীগ কতটা আমলে নিচ্ছে?

নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে অংশ নিতে গত ৩০শে জানুয়ারি দুপুরে যখন সদ্য বিজয়ী জনপ্রতিনিধিরা সংসদ ভবনে ঢুকছিলেন, তখন সংসদ বাতিলের দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে কালো পতাকা মিছিল করছিলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

নির্বাচনের পর গত দশ দিনে এভাবে সারা দেশে অন্তত দু’দফায় কালো পতাকা মিছিল করতে দেখা গেছে বিএনপিকে।

এসব কর্মসূচিতে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির মতো বিষয়কে সামনে এনে ‘জনরোষ’ তৈরির মাধ্যমে সরকারের পতনের হুমকি দিচ্ছেন দলটির নেতারা।

কিন্তু বিএনপির এই আন্দোলনকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ কতটা আমলে নিচ্ছে?

“আমরা আমলেই নিচ্ছি না, মোকাবেলা করা তো দূরের কথা”, বিবিসি বাংলাকে বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রহমান।

তিনি আরও বলেন, “তাদের এসব আন্দোলনের কথা বহুদিন ধরেই এদেশের মানুষ শুনতেছে। এটা নতুন কিছু না। আগেও তারা বহুবার এগুলো বলেছে, তারপর ব্যর্থ হয়ে ঘরে ফিরে গেছে।”

আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে গত ষোল বছর ধরেই বিভিন্ন সময় সভা-সমাবেশ, রোড মার্চ-সহ নানান আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপি।

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের আন্দোলনেও পার হয়েছে এক যুগেরও বেশি সময়।

কিন্তু দলটি এখনও পর্যন্ত তাদের লক্ষ্য অর্জনে সফল হয়নি। বরং তাদের আন্দোলনের মধ্যেই টানা চতুর্থ দফায় সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ।

“বিএনপি এখন ব্যর্থতার গ্লানিতে ডুবে রয়েছে। তাই দল রক্ষার জন্য, নেতৃত্ব রক্ষার জন্যই তারা গতানুগতিক এসব কর্মসূচি দিচ্ছে। আমরা এগুলোতে মোটেও চিন্তিত না”, বিবিসি বাংলাকে বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

গত সাতই জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনপিসহ সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পশ্চিমা দেশগুলোর তাগিদের প্রেক্ষিতে শুরুতে এক ধরনের চাপে পড়েছিল ক্ষমতাসীনরা।

কিন্তু সেই চাপ সামলে আবারও ক্ষমতার আসনে বসতে পারায় আওয়ামী লীগ যে আগের চেয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে, দলটির নেতাদের কথাতেই সেটি স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে।

“জনগণের রায় নিয়েই আমরা সরকার গঠন করেছি। এটা মামার বাড়ির আবদার না যে বিএনপি চাইলেই সরকার পতন হয়ে যাবে”, বিবিসি বাংলাকে বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রহমান।

“যে দাবি নিয়ে তারা রাস্তায় নেমেছে, সেটি রাস্তাতেই পড়ে থাকবে”, বলেন মি. রহমান।

কৌশলে পরিবর্তন আসছে?

নির্বাচনের আগে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচির বিপরীতে পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে মাঠ দখলে রেখেছিল আওয়ামী লীগ।

নির্বাচনের পরেও বিএনপির কালো পতাকা মিছিলের পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে গত ২৭শে জানুয়ারি গুলিস্তানে নিজেদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শান্তি সমাবেশ করতে দেখা গেছে ক্ষমতাসীন দলটিকে।

কিন্তু এর দু’দিন পরেই বিএনপির দ্বিতীয় দফার কালো পতাকা মিছিলের বিপরীতে আওয়ামী লীগ যে শান্তি সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিল, সেই কর্মসূচিতে হঠাৎ-ই পরিবর্তন দেখা যায়।

সব ধরনের প্রস্তুতি থাকার পরও ‘অনিবার্য কারণ’ দেখিয়ে শেষ মুহূর্তে কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেয় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ।

“কেন্দ্রের নির্দেশেই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, আবার কেন্দ্রের নির্দেশেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে” বিবিসি বাংলাকে বলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী।

তাহলে রাজপথে বিএনপিকে মোকাবেলায় আওয়ামী লীগের কৌশলে কি কোনও পরিবর্তন আসছে?

“আমরা তাদের এগুলো কেন মোকাবেলা করতে যাব? আমরা আমাদের কর্মসূচি পালন করব, মানুষের পাশে থাকব” বিবিসি বাংলাকে বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রহমান।

বাংলাদেশে গত কয়েক বছর ধরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ক্রমেই বাড়ছে।

এতে সাধারণ মানুষের পক্ষে জীবন ধারণ করা আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে। ফলে তাদের মধ্যে এক ধরনের ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমমনা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে সরকার পতনের বড় আন্দোলন গড়ে তুলতে চাইছে বিএনপি।

আওয়ামী লীগ সরকারের কাছেও বিরোধীদের এই পরিকল্পনা অজানা কিছু নয়। তাছাড়া দলটির নির্বাচনী ইশতেহারেও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

ফলে তারা এখন সেটির প্রতিই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

“জনগণ আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার দেখেছে এবং ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছে। কাজেই সরকারের এখন প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করা এবং জনগণের পাশে থাকা” বিবিসি বাংলাকে বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তথা সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

সব মিলিয়ে মনে যাচ্ছে, পাল্টা কর্মসূচি দেওয়ার চেয়ে বিরোধীদের আন্দোলনের প্রধান ইস্যুর মৃত্যু ঘটানোই এখন ক্ষমতাসীনদের নতুন রাজনৈতিক কৌশল।

“সব সময় দেশের মানুষের পাশে থেকে উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং গণতন্ত্রকে সামনের দিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার যে কাজ, সেটি আমরা বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করে যাব। এখন এটিই আমাদের কৌশল”, বিবিসি বাংলাকে বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান।

মাঠ দখলে থাকবে?

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিএনপির আন্দোলনকে ব্যর্থ করার কৌশল নিলেও নিজেদের দখলে থাকা রাজনীতির মাঠ হাতছাড়া করতে চায় না আওয়ামী লীগ।

আপাতত পাল্টা কর্মসূচি না থাকলেও নিয়মিত দলীয় কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে ক্ষমতাসীন দলটির।

“নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত ও আরও ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য সারা বছরই আমরা সভা-সমাবেশ করে থাকি। এবারও সেগুলো অব্যাহত থাকবে। আমরা সব সময় মাঠে আছি, মাঠেই থাকব”, বিবিসি বাংলাকে বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

এক্ষেত্রে বিরোধী পক্ষকে কি নির্বিঘ্নে আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যেতে দেওয়া হবে?

“সুষ্ঠু, সুন্দরভাবে তারা তাদের কর্মসূচি পালন করুক, এটা আমরাও চাই” বিবিসি বাংলাকে বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রহমান।

আওয়ামী লীগ মুখে এসব কথা বললেও বাস্তবে কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

গত ৩০শে জানুয়ারি বিএনপি যে কালো পতাকা মিছিল বের করেছিল, পুলিশি বাধার মুখে বেশির ভাগ স্থানে সেটি পণ্ড হয়ে যায়।

মিছিল বের করায় সারা দেশে শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বিএনপি।

যদিও এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জানতে চেয়ে বিএনপির নেতা-কর্মী গ্রেফতারের সুনির্দিষ্ট কোনও পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

তবে আওয়ামী লীগ সরকারের আগের দুই মেয়াদেও বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর হামলা-মামলার ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে।

গত ১০ বছরে বিভিন্ন মামলায় দলের পঞ্চাশ লাখেরও বেশি নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বিএনপি।

এসব মামলায় দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-সহ শীর্ষ অনেক নেতাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং ইতিমধ্যে বেশ কয়েক জনের সাজাও ঘোষণা করা হয়েছে।

নতুন মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ কি আবারও সেই পথে হাঁটতে যাচ্ছে?

“যারা আইনকে মানে না, আইনকে অসম্মান করে, উশৃঙ্খল আচরণ করে, আইন অনুযায়ী তাদের পরিণতি যা হওয়ার, সেটাই তাদের ভোগ করতে হবে”, বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. নাছিম।

কতটা কাজে আসবে?

দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার যে কৌশল আওয়ামী লীগ সরকার নিয়েছে, কত দ্রুত সেটি তারা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় উপরেই সাফল্য ও ব্যর্থতা অনেকাংশে নির্ভর করছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

“এটা অবশ্যই ভালো একটি কৌশল, কিন্তু দ্রুত এটি কার্যকর করতে না পারলে কৌশল পুরোপুরি কাজে নাও আসতে পারে” বিবিসি বাংলাকে বলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. জোবাইদা নাসরিন।

মিজ নাসরিনের কথার সাথে একমত পোষণ করেছেন আরেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. গোবিন্দ চক্রবর্তী।

“বিএনপি যেহেতু জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো নিয়ে এগোচ্ছে, সেক্ষেত্রে বাজার ব্যবস্থাপনার প্রতি নজর দেওয়াই হবে আওয়ামী লীগের জন্য সময়পোযোগী সিদ্ধান্ত”, বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. চক্রবর্তী।

তবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও আওয়ামী লীগের নতুন সরকারের সামনে রিজার্ভ ও জ্বালানি সংকটের মতো বেশ কিছু অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জও রয়েছে।

এসব চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি বিএনপি’র মতো বিরোধী পক্ষকে মোকাবেলা করেই আগামী পাঁচ বছর ক্ষমতায় টিকে থাকতে হবে আওয়ামী লীগকে।

কাজেই পাল্টা কর্মসূচি থেকে সরে আসার যে ইঙ্গিত ক্ষমতাসীন দল থেকে দেওয়া হচ্ছে, সেটি খুব বেশিদিন স্থায়ী হবে না বলেই মনে করছেন ড. জোবাইদা নাসরিন।

“এটি দীর্ঘমেয়াদী কিছু না। মূলত বিএনপি সামনে কী ধরনের কর্মসূচি দেয় এবং কতটা জনসমর্থন আদায় করতে পারে, সেটির উপরেও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কৌশল অনেকাংশে নির্ভর করবে”, বিবিসি বাংলাকে বলেন মিজ নাসরিন।