ভারতকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ছ’নম্বর বিশ্বকাপ জয়, অনবদ্য সেঞ্চুরি ট্রেভিস হেডের

ছবির উৎস, Getty Images
ট্রেভিস হেডের অসাধারণ শতরান আর মার্নাস লাবুশেনের ৫৮ রানের ইনিংসের সুবাদে ভারতকে ছয় উইকেটে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ট্রফি জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। হেড খেলেছেন ১২০ বলে ১৩৭ রানের দুর্ধর্ষ ম্যাচ-জেতানো ইনিংস।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে রবিবার রাতে ভারতের লক্ষাধিক সমর্থককে হতাশায় ডুবিয়ে শেষ পর্যন্ত ট্রফি উঠল প্যাট কামিন্স ও তার দলের ক্রিকেটারদের হাতেই।
জয়ের লক্ষ্যে ২৪১ রান তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া চার উইকেট হারিয়েই সেই টার্গেটে পৌঁছে যায়, তখনও ম্যাচের পুরো সাত ওভার বাকি।
একটা পর্যায়ে সাত ওভারে মাত্র ৪৭ রানের ভেতর প্রথম তিন উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া বিপাকে পড়ে গেলেও সেখান থেকে ধীরে ধরে তাদের টেনে তোলে হেড আর লাবুশেনের জুটি। তাদের চতুর্থ উইকেট জুটিতে ওঠে ১৯২ রান, দলকে পৌঁছে দেয় নিশ্চিত জয়ের দ্বারপ্রান্তে।
বিশ্বকাপের ফাইনালে রান তাড়া করতে গিয়ে সেঞ্চুরি করার এটি দ্বিতীয় নজির – এর আগে শুধু ১৯৯৬ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার অরবিন্দ ডি সিলভারই শুধু এই কৃতিত্ব ছিল, এখন তার সঙ্গে এক ব্র্যাকেটে ঢুকে পড়ল ট্রেভিস হেডের নাম।
এছাড়াও ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে এর আগে শতরান করেছেন ক্লাইভ লয়েড, ভিভ রিচার্ডস, রিকি পন্টিং, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও মাহেলা জয়বর্ধনের মতো লেজেন্ডরাও।
গোটা টুর্নামেন্টে এযাবত অপরাজিত থাকার পর ভারত শেষ পর্যন্ত ফাইনালে এসেই মুখ থুবড়ে পড়ল – এদিনের ম্যাচে তাদের ব্যাটিং ও বোলিং দুইই ছিল চরম নিষ্প্রভ।

ছবির উৎস, Getty Images
ব্যাটিং যেমন গোড়া থেকেই চাপের মুখে পড়েছিল, তেমনি বোলিং ইউনিটও শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার ওপর তৈরি করা চাপ ধরে রাখতে পারেনি।
অস্ট্রেলিয়া ডেভিড ওয়ার্নার (৭), মিচেল মার্শ (১৫) ও স্টিভ স্মিথকে (৪) খুব অল্প রানের মধ্যে হারালেও সেখান থেকে ধীরে ধীরে দলকে অনায়াসে জয়ের লক্ষ্যে নিয়ে যান হেড ও লাবুশেন।
সেমিফাইনালে ভারতের জয়ের নায়ক মহম্মদ শামি এদিনও ওয়ার্নারকে তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ঝটকা দিলেও পরে আর কোনও উইকেট পাননি।
যশপ্রীত বুমরাও পর পর দুটো ওভারে মার্শ ও স্মিথকে আউট করেন – কিন্তু ভারতের বোলিং এর পর আর দাগ কাটতে পারেনি। উইকেটে রবীন্দ্র জাডেজা ও কুলদীপ যাদবও ভাল টার্ন পাচ্ছিলেন, কিন্তু তারাও কোনও উইকেট পাননি।
ম্যাচের একেবারে শেষে ট্রেভিস হেডের উইকেট পান মহম্মদ সিরাজ – কিন্তু তখন অস্ট্রেলিয়ার জয় মাত্রই দু’রান দূরে।
এর আগে ফাইনালে ভারত প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়াকে জেতার জন্য ২৪১ রানের টার্গেট দিয়েছিল।
অস্ট্রেলিয়া টসে জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠালে স্বাগতিকরা নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৪০ রানে অল আউট হয়ে যায়, যেটাকে বিশেষজ্ঞরা ‘বিলো পার’ স্কোর, অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম বলেই মনে করছিলেন।

ছবির উৎস, Getty Images
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
ভারতীয় ইনিংসে কে এল রাহুল সর্বোচ্চ ৬৬, এবং এছাড়াও ভিরাট কোহলি ৫৪ ও রোহিত শর্মা ৪৭ রান করেন।
অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে মিচেল স্টার্ক ৫৫ রান দিয়ে ৩টি, হ্যাজেলউড ও প্যাট কামিন্স ২টি করে এবং জাম্পা ও ম্যাক্সওয়েল ১টি করে উইকেট পান।
অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স টসে জিতে যখন প্রথমে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তা অনেক ক্রিকেট পন্ডিতকেই কিছুটা বিস্মিত করেছিল।
কামিন্স নিজে অবশ্য জানান, উইকেট তার শুকনো বলে মনে হয়েছে যাতে ব্যাটিং করা পরের দিকে সহজ হয়ে উঠতে পারে।
তা ছাড়া ‘ডিউ’ বা শিশিরও একটা ফ্যাক্টর। সন্ধ্যার পর এই মাঠে শিশির পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যখন বোলারদের জন্য বল গ্রিপ করা বেশ কঠিন হয়ে ওঠে।
কামিন্সের সিদ্ধান্ত যে বিশেষ ভুল ছিল না তা অবশ্য দশ ওভার যেতে না-যেতেই স্পষ্ট হয়ে যায় – যখন ৮১ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে ভারত রীতিমতো চাপে। ততক্ষণে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেছেন শুভমান গিল, রোহিত শর্মা ও শ্রেয়স আইয়ার।
রোহিত অবশ্য শুরু করেছিলেন তার স্বভাবসিদ্ধ মারকুটে ভঙ্গীতেই – ৩১ বলে তার ৪৭ রানের ইনিংসে ছিল চারটি বাউন্ডারি ও তিনটি ছক্কা।

ছবির উৎস, Getty Images
অস্ট্রেলিয়া স্পিনার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে আক্রমণে নিয়ে আসে অষ্টম ওভারেই। সেই ম্যাক্সওয়েলের দ্বিতীয় ওভারেই ট্রেভিস হেড অসাধারণ ক্যাচ নিয়ে রোহিতকে ড্রেসিং রুমে ফেরান।
তার আগে দলের পঞ্চম ওভারেই মিচেল স্টার্কের বলে অ্যাডাম জাম্পাকে সহজ ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে গেছেন অন্য ওপেনার গিল। সাত বল খেলে তিনি করেন মাত্র ৪ রান।
চার নম্বরে নামা শ্রেয়স আইয়ারও টিঁকেছিলেন মাত্র তিন বল। কামিন্সের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে তিনি যখন আউট হন, তার রান তখন মাত্রই ৪।
সেই অবস্থা থেকে ভারতের ইনিংসকে কিছুটা ভদ্রস্থ চেহারায় আনেন ভিরাট কোহলি ও কে এল রাহুলের জুটি। চেন্নাইতে গ্রুপ পর্যায়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচেও এরাই দলকে ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছিলেন।
চতুর্থ উইকেটে কোহলি ও রাহুল মিলে তোলেন ৬৭ রান। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি করার ঠিক পর পরই ২৯তম ওভারে কামিন্সের বলে ‘ইনসাইড এজ’ করে কোহলি বোল্ড হন।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের লক্ষাধিক দর্শকের গ্যালারিতে তখন নিশ্ছিদ্র নীরবতা।
সেই ধাক্কা থেকে ভারতের ব্যাটিং লাইন-আপ আর কখনোই সেভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। বড় রান পাননি রবীন্দ্র জাডেজা (৯) বা সূর্যকুমার যাদবও (১৮)।
৪২তম ওভারে মিচেল স্টার্কের বলে কে এল রাহুল উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যেতেই ভারতের বড় রান করার আশাও একরকম মিলিয়ে যায়।

ছবির উৎস, Getty Images
আগেকার খবর
আহমেদাবাদের এই মাঠে বসে আজ খেলা দেখছেন ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি দর্শক।
ক্রিকেট ইতিহাসে এর চেয়ে বড় স্টেডিয়াম, এর চেয়ে বড় লোক সমাগম আর নেই।
ম্যাচের আগের দিন থেকে আলোচনার কেন্দ্রে আছে উইকেট।
ম্যাচের আগের দিন ভারতের রোহিত শর্মা, রাহুল দ্রাবিড়দের দেখা গেছে উইকেটের আশেপাশে।
পরের দিকে প্যাট কামিন্স মোবাইল নিয়ে ছবি তুলেছেন আহমেদাবাদের পিচের, যেখানে হচ্ছে ফাইনাল ম্যাচ।
অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলের বেশ কজন বেশ উৎসুক দৃষ্টিতেই উইকেট দেখেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য প্যাট কামিন্স সরল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, তিনি তেমন পিচ বোঝেন না।

ছবির উৎস, Getty Images
খেলা হচ্ছে 'এভারেজ' পিচে
ক্রিকবাজের প্রতিবেদক ভারাত সুন্দারেসান লিখেছেন, উইকেট যাচাই-বাছাইয়ের পরে অস্ট্রেলিয়ান দলের মূল উদ্বেগের বিষয় ছিল মাটির উভয় পাশে ক্রিজের সামনে পাঁচ মিটার প্যাচ ছিল, সেখানে যথেষ্ট পরিমাণে পানি দেয়া হয়নি বলে মনে করছেন অজি ম্যানেজমেন্ট।
অস্ট্রেলিয়া মোটামুটি নিশ্চিত যে, স্পিনাররা ফাইনালে বড় ভূমিকা পালন করবে।
কেউ কেউ ফাইনালের পিচটিকে এই বছরের শুরুতে ইন্দোরে তৃতীয় টেস্টের উইকেটের সাথে তুলনা করছেন, যদিও সেটি ছিল লাল মাটির উইকেট।
মজার বিষয় হচ্ছে ইন্দোর টেস্টে ভারত অস্ট্রেলিয়ার কাছে পাত্তাই পায়নি।
৯ উইকেটের বড় জয় পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।
এই পিচেই পাকিস্তান ও ভারত খেলেছিল ঠিক এক মাস পাঁচদিন আগে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের রেটিং অনুযায়ী সেই ম্যাচে পিচ রেটিং ছিল ‘এভারেজ’ - গড়পড়তা।
পুরো টুর্নামেন্টে সেই একটা ম্যাচেই ভারত রাভিচান্দ্রান আশ্বিনকে খেলিয়েছে, অর্থাৎ ভারতের ম্যানেজমেন্ট এই স্পিন ট্র্যাক নিয়ে নিশ্চিত ছিল।
আরও মজার বিষয় হচ্ছে গোটা বিশ্বকাপে আর একটা ম্যাচেই উইকেট ‘গড়পড়তা’ রেটিং পেয়েছিল- সেটা ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ, চেন্নাইয়ে।
দুটো ম্যাচেই ভারতের প্রতিপক্ষ ১৯০-২০০ রানের ভেতর অলআউট হয়ে গিয়েছিল।
সুন্দরাসেন লিখেছেন, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল উইকেট নিয়ে কোনও সমালোচনা করেনি, কোনও ধাক্কাও খায়নি, অস্ট্রেলিয়া এমন একটা মানসিক জায়গায় আছে- যে ধরনের প্রশ্ন আসবে সে অনুযায়ী উত্তর দিতে হবে।
এবারের টুর্নামেন্টে অস্ট্রেলিয়া আসলে সেভাবেই খেলছে, প্রায় সব ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়া পিচ নিয়ে ভাবেনি, নিজেদের শক্তিমত্তা অনুযায়ী খেলেছে।
অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াড দেখলেই বিষয়টা স্পষ্ট হয়।
যেমন অস্ট্রেলিয়া লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা ছাড়া কোনও বিশেষায়িত স্পিনার ছাড়াই ভারতে এসেছে।
এতে বোঝা যায় অস্ট্রেলিয়া উইকেট কেমন ব্যবহার করবে সেটা নিয়ে যতটা সম্ভব কম ভাবা যায় ততটা চেষ্টা করেছে।

ছবির উৎস, Getty Images
অস্ট্রেলিয়া ‘ফাইনালের দল’
ওয়ানডে বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া এখনও পর্যন্ত সাতবার ফাইনাল খেলেছে।
এর মধ্যে ১৯৭৫ সালে ও ১৯৯৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে হেরে রানার আপ হয়েছিল, এর বাইরে পাঁচবার বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া।
১৯৮৭ সালে অ্যালান বর্ডারের অধীনে কলকাতায় অস্ট্রেলিয়া শিরোপা জিতেছিল।
১৯৯৯ সালে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিয়ে শিরোপা জিতেছিল স্টিভ ওয়ার দল।
২০০৩ ও ২০০৭ সালে রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া ছিল অপরাজেয়।
২০১৫ সালে মাইকেল ক্লার্কে অধীনে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ জিতেছিল ঘরের মাটিতে।
আর ২০২৩ সালে আহমেদাবাদে মাঠে নামার আগে প্যাট কামিন্স বলেই দিয়েছেন এমন ভরা গ্যালারিতে ভারতীয় সমর্থকদের নীরব করে দেয়াটা অনেক তৃপ্তি দেবে।

ছবির উৎস, Getty Images
অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম: ‘শত কোটি হৃদয় ভাঙ্গার মঞ্চ’
অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম বলছে ভারত এই বিশ্বকাপ ফাইনালে ফেভারিট, বেশিরভাগ শিরোনামেই ভারতের এই বিশ্বকাপ যাত্রাকে স্বপ্নের মতো করে বলা হচ্ছে।
গার্ডিয়ান অস্ট্রেলিয়ায় জিওফ লেমন লিখেছেন, “ভারতের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া যদি জিতে যায় তবে সেটা হবে আপসেট এবং এটাই হবে অস্ট্রেলিয়ার সেরা বিশ্বকাপ জয়”।
সিডনি মর্নিং হেরাল্ডে ড্যানিয়েল ব্রেটিগ লিখেছেন, ‘শত কোটি হৃদয় ভাঙ্গার মঞ্চ’।
তিনি লিখেছেন, “চেন্নাইয়ে (এর আগের দেখায়) অস্ট্রেলিয়া ছিল ভীতু এবং ভীতু একটা দল এই ভারতের বিপক্ষে কোনও কাজে আসবে না এটা প্যাট কামিন্স ভালোভাবেই জানেন”।
দ্য অস্ট্রেলিয়ান পত্রিকায় রবার্ট ক্র্যাডোক লিখেছেন, “অস্ট্রেলিয়ার দুটি কাজ করতেই হবে, এক কোহলিকে থামানো, দুই ভারতের পুরো বোলিং লাইন আপকে ভারসাম্যহীন করে দেয়া”।

ছবির উৎস, Getty Images
স্টেডিয়ামের বাইরে ‘নীলের মহাসাগর’
বিবিসির নিতিন শ্রীভাস্তাভ লিখেছেন, “স্টেডিয়ামের বাইরে হাজারো মানুষ সকাল থেকেই জড়ো হয়েছে সেখানে কোনও হলুদ জার্সি পরা মানুষ আমি দেখিনি। মানে অস্ট্রেলিয়ার কোনও সমর্থকই আমার চোখে পড়েনি”।
স্টেডিয়ামের বাইরের পরিবেশকে ‘নীলের মহাসাগর’ বলছেন তিনি।
দেদারসে চলছে পতাকা ও জার্সি বিক্রি, স্টেডিয়ামের বাইরে অজয় কুমার ১৭৫টি পতাকা বিক্রি করেছেন এখন তিনি ১৫০ রুপি করে বিক্রি করছেন প্রতিটি পতাকা যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৮০ ডলারের মতো হবে।
অজয় কুমার বলছেন, “পতাকা শেষ হয়ে গেলেও সমস্যা নেই আমার ঘর কাছেই আর ঘরে এখনও ৫০০ এর বেশি পতাকা আছে”।











