পত্রিকা: 'দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতারণার অস্ত্র হয়ে উঠছে 'স্টারলিংক', উদ্বেগ বাংলাদেশেও'

''দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতারণার অস্ত্র হয়ে উঠছে 'স্টারলিংক', উদ্বেগ বাংলাদেশেও'' এটি বণিক বার্তার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে,ইলন মাস্কের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা 'স্টারলিংক' এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতারণা চক্রের নতুন অস্ত্র হয়ে উঠছে। মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, লাওস, ফিলিপাইন ও পূর্ব তিমুরে এ স্যাটেলাইট সংযোগ ব্যবহার করে গড়ে উঠেছে 'স্ক্যাম সিটি'।
যেগুলো রোমান্স স্ক্যাম (ভুয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে টাকা হাতানো), বিনিয়োগ প্রতারণা বা পিগ-বাচারিং, অবৈধ অনলাইন জুয়া ও ক্রিপ্টো জালিয়াতি, মানি লন্ডারিং, মানব পাচার ও জোরপূর্বক শ্রম, মাদক পাচার, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়, অবৈধ ব্যাংকিংয়ের মতো অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। প্রযুক্তির এ অপব্যবহার এখন বাংলাদেশের জন্যও উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দপ্তরের (ইউএনওডিসি) গত বছরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এ স্ক্যাম নেটওয়ার্কগুলো ১৮ থেকে ৩৭ বিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নিয়েছে।
সংস্থাটি গত ১২ সেপ্টেম্বর এক সতর্কবার্তায় জানায়, বাড়তি মিডিয়া নজরদারি ও আইন প্রয়োগের চাপে প্রতারক চক্রগুলো ঘাঁটি গাড়ছে পূর্ব তিমুরসহ অন্যান্য দেশে।
বাংলাদেশে সাইবার নিরাপত্তা বা অনলাইন প্রতারণার শঙ্কা প্রকাশ করে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ বিষয়ে এখনই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। সতর্কতা হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রযুক্তি সক্ষমতা বাড়ানো ও স্টারলিংকের গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপনের ওপর জোর দিয়েছেন তারা।


সমকালের শিরোনাম 'সরকারকে এই মুহূর্তে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকায় চায় বিএনপি'। একই বিষয় নিয়ে আরও কয়েকটি জাতীয় দৈনিক প্রধান শিরোনাম করেছে। সমকালের খবরে বলা হচ্ছে, অর্থবহ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে এই মুহূর্ত থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা পালনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি।
গতকাল মঙ্গলবার যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে দলটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়। এ জন্য সর্বপ্রথম প্রশাসনকে পুরোপুরিভাবে নিরপেক্ষ করতে বলেছে দলটি। পাশাপাশি কয়েকজন উপদেষ্টাকেও অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিষয়ে কিছু উদ্বেগ নিয়ে আলাপ করার জন্য তারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে গিয়েছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ করার জন্য যা প্রয়োজন, তা করা হবে বলে বিএনপিকে আশ্বস্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের আগে প্রশাসনের যাবতীয় রদবদল সরাসরি তাঁর তত্ত্বাবধানে হবে।
চলমান রাজনৈতিক সংলাপের অংশ হিসেবে আজ বুধবার জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক হবে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
'দুর্ঘটনার উচ্চ ঝুঁকি ২১ জায়গায়' এটি প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ব্যবসায়ী বিলু চৌধুরী গত জুনে বগুড়ার শেরপুর উপজেলা পরিষদের সামনে দুর্ঘটনায় আহত হন। তিনি রাস্তা পার হচ্ছিলেন। তাঁকে ধাক্কা দেয় একটি তিন চাকার যান। রাজধানীর একটি হাসপাতালে ১৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বিলু চৌধুরীর মৃত্যু হয়।
বিলু চৌধুরী যেখানে আহত হয়েছিলেন, সেই জায়গায় নিয়মিতই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এটি ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের একটি অংশ। শুধু এ অংশে নয়, শেরপুর উপজেলার উত্তরে দশমাইল এলাকা থেকে দক্ষিণে সীমাবাড়ি পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ।
সড়কটি দিয়ে দ্রুতগতিতে শত শত যানবাহন চলাচল করে। তবে রাস্তা পারাপারের নিরাপদ ব্যবস্থা নেই। সড়কের দুই উপজেলার মহিলা কলেজসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান। নানা কাজে প্রতিদিন উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে কয়েক শ মানুষ আসেন। সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ পায়ে চালিত রিকশার যত্রতত্র চলাফেরা এই সড়কে।
সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, শেরপুরের এই জায়গার মতো দেশের ২১টি স্থান সড়ক দুর্ঘটনার অতি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল- এই পাঁচ বছরের ৩৭ হাজার সড়ক দুর্ঘটনা বিশ্লেষণ করে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই ২১ জায়গায় মোট সড়ক দুর্ঘটনার ১৪ শতাংশ সংঘটিত হয়েছে।
দেশে প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের প্রাণহানি বাড়ছে। প্রাণহানি ও দুর্ঘটনার সংখ্যা নিয়ে সরকারের হিসাবের সঙ্গে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর উপাত্তের ভিন্নতা থাকলেও দুর্ঘটনা যে বাড়ছে, তা নিয়ে কারও দ্বিমত নেই। দুর্ঘটনায় অনেক পরিবার হারিয়েছে উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে। অনেক মা-বাবা সন্তানকে, সন্তানেরা মা-বাবাকে হারিয়েছেন।

'তিন চ্যালেঞ্জে অর্থনীতি' কালের কণ্ঠের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, দেশের অর্থনীতি সংকটময় পরিস্থিতি পার করছে। কোনোভাবেই এতে স্বস্তি ফেরানো যাচ্ছে না।
বিনিয়োগ স্থবিরতা, বেকারত্ব, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, উচ্চ সুদের হার, রপ্তানি-রাজস্বে মন্দা অর্থনীতিকে ভোগাচ্ছে। আস্থাহীনতা অর্থনীতির গতিকে আরো মন্থর করে দিয়েছে।
সরকারের পর্যবেক্ষণেও উঠে এসেছে অর্থনীতির নানা দুর্বলতার দিক। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) অক্টোবর মাসের ইকোনমিক আপডেট বলছে, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে গেছে, ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণে ধীরগতি দেখা দিয়েছে, সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় উদ্যোক্তারা নতুন উদ্যোগ নিতে নিরুৎসাহ হচ্ছেন। ফলে কর্মসংস্থান ও উৎপাদন উভয় ক্ষেত্রেই স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগ নিলেও মূল সমস্যা এখন বিনিয়োগের গতি কমে যাওয়া।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া এখন অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। সুদের হার বেড়ে ১৩ থেকে ১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এতে নতুন কারখানা স্থাপন, প্রযুক্তি সম্প্রসারণ বা ব্যবসা বড় করার আগ্রহ অনেকটাই কমে গেছে।

'চলতি মাসেই ২০০ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করবে বিএনপি' এটি মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চলতি মাসেই ২০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করবে বিএনপি। যাকে চূড়ান্ত প্রার্থী করা হবে দল থেকে তাকে গ্রিন সিগন্যাল দেয়া হলে বিভ্রান্ত সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
সেজন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে বিএনপি'র হাইকমান্ডকে পরামর্শ দিয়েছেন তারা। অন্যথায় নির্বাচনের মাঠে তারা পিছিয়ে পড়বে বলেও মনে করছেন নেতারা।
গত সোমবার রাতে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপি'র সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ে প্রায় ১৫০ আসনে তেমন জটিলতা দেখছে না দল। এসব আসনে প্রার্থী মোটামুটি চূড়ান্ত। তবে একাধিক প্রার্থী এবং গ্রুপিং থাকায় শতাধিক আসনকে জটিলতাপূর্ণ বিবেচনা করে সংকট নিরসনে সাংগঠনিক উদ্যোগ নেয় বিএনপি।
এর অংশ হিসেবে এসব আসনের প্রার্থীদের কেন্দ্রে ডেকে দল থেকে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনার কথা জানিয়ে দেয়া হয়। এই সাংগঠনিক উদ্যোগের পরেই আসনভিত্তিক একক প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে বিএনপি।
এক্ষেত্রে কঠোর গোপনীয়তা অবলম্বন করা হচ্ছে। বিষয়টি প্রতিদ্বন্দ্বী বা অন্য প্রার্থীদের না জানাতে হাইকমান্ড থেকে দেয়া হচ্ছে কঠোর নির্দেশনা।

'শাহজালাল কার্গো ভিলেজে আগুন: বিলিয়ন ডলার ক্ষতির শঙ্কা'. আজকের পত্রিকার শিরোনাম। এই খবরে বলা হচ্ছে, হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে লাগা আগুনে বহু ব্যবসায়ীর পণ্য পুড়ে ছাই হয়ে গেছে । পুড়েছে ওষুধশিল্পের কাঁচামাল , গার্মেন্টস শিল্পের অ্যাকসেসরিজ , চামড়া , ইলেকট্রনিকস পণ্যসহ কয়েক শ কোটি টাকার মালামাল ।
ব্যবসায়ীরা বলছেন , এই আগুনে তাঁদের পরোক্ষ ক্ষতি হবে প্রত্যক্ষ ক্ষতির কয়েক গুণ । শিল্পের কাঁচামাল পুড়ে যাওয়ায় ব্যাহত হবে উৎপাদন , বাতিল হবে অনেক রপ্তানি আদেশ ।
সময়মতো পণ্য ডেলিভারি দিতে না পারা , দ্রুত পুনরায় কাঁচামাল সংগ্রহের ঝক্কিসহ অনেক সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে রপ্তানিকারকদের । সব মিলিয়ে ব্যবসায় এক বিলিয়ন ডলার বা ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি পরোক্ষ ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা ।
গতকাল রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( ইএবি ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ক্ষতির দিকগুলো তুলে ধরেন বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা ।
রপ্তানিকারকেরা বলেন , অগ্নিকাণ্ডের দায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ( বেবিচক ) , কাস্টম হাউস এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কেউই এড়াতে পারে না । এ ছাড়া আগুনের ঘটনায় যে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে , সেখানে বেসরকারি খাতের কাউকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম, 'over 2.7 lakh deaths linked to air pollution in 2023' অর্থাৎ ২০২৩ সালে বায়ু দূষণের কারণে ২ দশমিক ৭ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একটি নতুন বৈশ্বিক প্রতিবেদনে বলা হয়ছেে, বাংলাদেশে ২০২৩ সালে ২ লাখ ৭১ হাজারেরও বেশি মানুষ বায়ু দূষণজনিত কারণে মারা গেছেন।
এদের মধ্যে ৯০ শতাংশেরও বেশি মৃত্যু হৃদরোগ ও ফুসফুসের রোগ, ডায়াবেটিস এবং ডিমেনশিয়ার মতো অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) সম্পর্কিত বলে জানিয়েছে স্টেট অব গ্লোবাল এয়ার (এসওজিএ)-২০২৫-এর ষষ্ঠ সংস্করণ।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি স্বাধীন গবেষণা সংস্থা হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট (এইচইআই), ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশন এবং এনসিডি অ্যালায়েন্সের সহযোগিতায় প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ বায়ু দূষণের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে স্থান দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, প্রায় সব বাংলাদেশি এমন অঞ্চলে বাস করেন যেখানে সূক্ষ্ম কণা দূষণ বা পিএম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মান প্রতি ঘনমিটারে ৩ মাইক্রোগ্রামের চেয়ে কম। বিশ্বব্যাপী বায়ু দূষণজনিত রোগের প্রধান কারণ হলো সূক্ষ্ম কণা দূষণ।

ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের শিরোনাম। 'Roads turn more unsafe across Bangladesh'. অর্থাৎ বাংলাদেশে সড়ক আরও অনিরাপদ হয়ে উঠেছে।
খবরে বলা হচ্ছে, গত এক বছরে সারা দেশে সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, অন্যদিকে সড়কে বিশৃঙ্খলা তীব্রতর হয়েছে। ঘন ঘন মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনা, সড়ক ও মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন চলাচল, বেপরোয়া গাড়ি চালানো, চালকদের প্রশিক্ষণের অভাব এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতার কারণে সড়কে মানুষের দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে।
সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, গত বছরের আগস্টে দায়িত্ব গ্রহণকারী অন্তর্বর্তী সরকার সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা আনবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছিল। তারা পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রত্যাশিত উন্নতির পরিবর্তে, সড়কে বিশৃঙ্খলা বেড়েছে। এর ফলে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিগত ছয় আর্থিক বছরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ২০২৪ অর্থবছর পর্যন্ত পরিচালিত সড়ক নিরাপত্তা অভিযানগুলোও সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে, কারণ সারা দেশে মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুসারে, আড়াই বছর আগে এই প্রকল্প চালু হওয়ার পর সড়ক দুর্ঘটনার শিকার এবং তাদের পরিবারকে মাত্র ৫ শতাংশের কিছু বেশি ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছিল।








