'আওয়ামী লীগের সামনে এ মুহূর্তে দুই পথ'

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের তৎপরতা নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘আওয়ামী লীগের সামনে এ মুহূর্তে দুই পথ’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের সামনে এখন দুটি পথ খোলা রয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, এর একটি হলো বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে নির্বাচন করা। সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে আনতে দেশ-বিদেশের যেমন চাপ রয়েছে, তেমনি পর্দার আড়ালে চলছে বিভিন্ন মহলের তৎপরতাও।
দ্বিতীয় পথ হল, বিএনপি যদি না আসে, সেক্ষেত্রে সংবিধান মেনে যারা আসবে, তাদের নিয়েই নির্বাচনে যাওয়া। দলটি এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও সম্পন্ন করছে।
তবে সব দলকে নির্বাচনে আনতে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও নেতা সংবিধান মেনে শর্তহীন সংলাপের বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থানের কথা জানিয়েছেন বলে যুগান্তরের খবরে বলা হয়েছে।
শেষ পর্যন্ত বিএনপি যদি না আসে সেটা মাথায় রেখে নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সেজন্য অধিক সংখ্যক রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকারি দল।
একই সঙ্গে নির্বাচনের আবহ ধরে রাখা ও ভোটার উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে আওয়ামী লীগের।
এ সময় বিএনপি হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচি অব্যাহত রাখলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে এবং দেশের অর্থনৈতিক সংকট ঘনীভূত হবে বলে শঙ্কা বিশ্লেষকদের।
তৃণমূল বিএনপি নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘বিএনপিকে দুর্বল করতে নানা তৎপরতা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপির সাবেক দুই নেতার নেতৃত্বে নতুন একটি দল গঠনের মাধ্যমে আন্দোলনে থাকা বিএনপিকে দুর্বল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ গত সোমবার দলের এক আলোচনা সভায় দু’টি তথ্য দিয়েছেন।
এক. বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে নতুন দল হচ্ছে। দুই. তৃণমূল বিএনপিতে যোগ দিতে অনেকেই লাইন ধরে আছে।
মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর বুধবার বিএনপির সাবেক দুই নেতা শমসের মবিন চৌধুরী ও তৈমূর আলম খন্দকারের নেতৃত্বে গঠিত রাজনৈতিক দল ‘তৃণমূল বিএনপি’ জাতীয় প্রেস ক্লাবে একটি যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
দলটি জানিয়েছে, নেতাকর্মী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তাসহ অনেকে তাদের দলে আজ যোগ দেবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত ২৮শে অক্টোবর মহাসমাবেশের পর আন্দোলনে থাকা বিএনপিকে ‘দুর্বল’ করতে এ ধরনের তৎপরতা শুরু হতে পারে।
তারা এটিও বলছেন, কারাগারে আটক বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্বাচনে অংশ নিতে আগামী দিনে নানা প্রস্তাবও দেয়া হতে পারে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
বিএনপির পুনরায় অবরোধ কর্মসূচি নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Fresh 48-hr blockade from today’ অর্থাৎ ‘আজ থেকে নতুন করে ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গ্রেফতার, ভয়ভীতি, হামলা ও নেতাকর্মীদের বাড়িতে রাতভর অভিযানের মধ্যেই প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর ডাকা ৪৮ ঘণ্টার দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচি বুধবার সকাল থেকে শুরু হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি, গণতন্ত্র মঞ্চ, গণ অধিকার পরিষদসহ দল ও জোটগুলো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পদত্যাগের এক দফা দাবি আদায়ে অবরোধের ডাক দিয়েছে। এটি বিরোধী দলগুলোর অবরোধ কর্মসূচির তৃতীয় পর্ব।
ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দলের নেতাকর্মীদের অবরোধ কর্মসূচি কার্যকর করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘এখন সারাদেশে নেতাকর্মীদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে। রেহাই পাচ্ছেন না ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, থানা, জেলার নেতারাও।
কাউকে পাওয়া না গেলে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। যাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে তারা অমানবিক নির্যাতনের সম্মুখীন হচ্ছে..’। এরপর তিনি বিএনপি নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।

অবরোধ কর্মসূচি জোরদার করতে বিএনপির প্রস্তুতি নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীদের নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব দলের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থীদের যার যার নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, অবরোধ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, সারা দেশ থেকে ঢাকাকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা। এ কাজটি সফলভাবে করতে হলে জেলা পর্যায়ের আন্দোলন আরো তীব্র করতে হবে।
অর্থাৎ জেলা পর্যায়ের সড়ক-মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ করতে হবে।
এখন এই বিষয়টির ওপর দলের শীর্ষ নেতৃত্ব নজর দিচ্ছেন বেশি।আবার অবরোধের বিকল্প হিসেবে হরতাল ছাড়া ভিন্ন কোনো কার্যকর কর্মসূচি প্রস্তাব করতেও বলা হয়েছে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের।
এখন পর্যন্ত দলের বেশির ভাগ নেতা ও বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিকরা সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা পর্যন্ত হরতাল-অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

এদিকে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Workers reject Tk 12,500, warn of tough demos’ অর্থাৎ ‘শ্রমিকদের বেতন ১২,৫০০ টাকার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, কঠোর বিক্ষোভের হুঁশিয়ারি’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণ করেছে ১২ হাজার পাঁচশ টাকা, যা শ্রমিকদের দাবির অর্ধেকের কিছু বেশি।
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা দেন।
কারখানা মালিকদের প্রস্তাবিত নতুন ন্যূনতম মজুরি প্রত্যাখ্যান করেছেন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।
বর্তমানে শ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি আট হাজার টাকা পেয়ে থাকেন। শ্রমিকরা এই বেতন বাড়াতে টানা ১২ দিন ধরে বিক্ষোভ করেছে।

চালের বাজার নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘চালের বাজারে উত্তাপ ক্রেতার বাড়ল চাপ’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কয়েক মাস স্থির থাকার পর এবার দাম বাড়ার তালিকায় উঠে এসেছে প্রধান খাদ্যশস্য চাল।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে ৫০ কেজি বস্তায় দাম বেড়েছে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। তাতে খুচরায় কেজিতে চার থেকে সাত টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। অন্য পণ্যের পর চালের দাম বাড়ায় বড় চাপে পড়েছেন ক্রেতারা।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে বিআর-২৮ চালের। খুচরা পর্যায়ে এ জাতের চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৬ থেকে ৫৮ টাকা দরে। ৮ থেকে ১০ দিন আগে এ চালের দর ছিল ৫০ থেকে ৫২ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে দাম বেড়েছে ৬ টাকা।
গত সপ্তাহে মোটা চাল অর্থাৎ স্বর্ণা ও চায়না ইরির কেজি ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। এখন বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৫ টাকা দরে। অর্থাৎ কেজিতে বেড়েছে চার থেকে পাঁচ টাকা।
মিনিকেট বা সরু চাল কেজিতে বেড়েছে ছয় থেকে ৭ টাকা, নাজিরশাইল চাল কেজিতে পাঁচ টাকার মতো বেড়েছে।
দাম বাড়ার পেছনে নানা যুক্তি দাঁড় করাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, মিল মালিক তথা বড় মজুতদাররা ভারতের চাল রপ্তানিতে শুল্ক আরোপের সুযোগ নিচ্ছেন। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়াচ্ছেন তারা।
এ ছাড়া অবরোধের কারণে পরিবহন ভাড়া বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দামে। অন্যদিকে মিলাররা বলছেন, মাঠ পর্যায়ে মজুত ফুরিয়ে আসছে। সে জন্য বাজার কিছুটা বাড়তি। সপ্তাহ দুয়েক পর নতুন ধান উঠবে। তখন চালের বাজার স্বাভাবিক হবে তারা জানিয়েছেন।
তবে সরকার বলছে চালের দাম সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।

ডলার কেনা নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘১২৪ টাকায়ও রেমিট্যান্সের ডলার কিনছে ব্যাংক’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জ্ঞাতসারেই বিভিন্ন ব্যাংক এখন ঘোষিত দরের চেয়ে ১২ থেকে ১৪ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে ডলার কিনছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত দর অনুযায়ী, রেমিট্যান্স আনার জন্য ব্যাংকগুলোর ডলারপ্রতি সর্বোচ্চ ১১০ টাকা ৫০ পয়সা দেয়ার কথা। যদিও দেশের অনেক ব্যাংকই এখন ডলারপ্রতি ১২৪ টাকা ৩৫ পয়সা পর্যন্ত পরিশোধ করছে।
অথচ এক বছর আগে ঘোষিত দরের চেয়ে ১-২ টাকা বেশি দামে রেমিট্যান্সের ডলার কেনায় ছয়টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সেইসাথে ১০টি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে জরিমানাও করা হয়েছিল।
ব্যাংকগুলো এখন খুচরা বাজারের (কার্ব মার্কেট) চেয়েও বাড়তি দরে ডলার সংগ্রহ করছে। কার্ব মার্কেটে গতকাল প্রতি ডলার লেনদেন হয়েছে ১১৯ থেকে ১২০ টাকায়।
ব্যাংকগুলো যে দামে ডলার কিনছে, তার চেয়ে ১-২ টাকা বেশি দামে আমদানিকারকদের কাছে বিক্রি করছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এক্ষেত্রে প্রতি ডলারের বিনিময় হার গ্রাহকভেদে ১২৫ টাকায় গিয়েও ঠেকছে।
রিজার্ভ সংকট নিয়ে সংবাদ অনলাইনের প্রথম পাতার খবর, ‘রিজার্ভ কমে নামলো ১৯ বিলিয়নের ঘরে, যেকোনো মূল্যে সুরক্ষা দেয়ার পরামর্শ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কমে এবার ১৯ বিলিয়নের ঘরে নেমে এসেছে। মঙ্গলবার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আমদানি বিল বাবদ ১২১ কোটি ডলার পরিশোধ করার পর রিজার্ভ নেমে যায়।
এ অবস্থায় দেশের সার্বিক অর্থনীতি ভালো রাখার জন্য রিজার্ভকে সুরক্ষা দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।
বিভিন্ন অনিয়মের কারণে রিজার্ভ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
তাদের মতে, সামষ্টিক অর্থনীতির যে অব্যবস্থাপনা যেমন- ট্রেড ইনভয়েসিং, হুন্ডি ইত্যাদির মাধ্যমে গত কয়েক বছরে কয়েকশ কোটি ডলার বাইরে চলে গেছে।
বিদেশে পাচাার হওয়া অর্থ কীভাবে দেশে আনা যায় তার ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেন তারা।

এদিকে ভিন্ন ধরনের একটি খবর শিরোনাম করেছে প্রথম আলো, ‘কারাগারে গাদাগাদি’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের কারাগারগুলো আগে থেকেই বন্দিতে ঠাসা।
তার ওপর রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হওয়ার পর কারাগারে বন্দির সংখ্যা আরও বাড়ছে। কারা অধিদপ্তরের ৫ই নভেম্বরের হিসাবে, দেশে ৬৮ টি কারাগারের বন্দী ধারণক্ষমতা ৪৩ হাজারের কম, কিন্তু ওই জায়গায় কারাবন্দী আছেন ৮৮ হাজার জন।
বন্দীর সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে। সারা দেশের সাধারণ আসামির পাশাপাশি বিভিন্ন মামলায় রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করছে পুলিশ।
আদালত তাদের কারাগারে পাঠাচ্ছেন ফলে কারাগারে বন্দি বাড়ছে।
গত ২৮ শে অক্টোবর ঢাকায় বিএনপি মহাসমাবেশ কেন্দ্র করে সংঘর্ষের পর মঙ্গলবার পর্যন্ত দলটির আট হাজারের বেশি নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
কারাবিধি অনুযায়ী একজন বন্দী থাকার জন্য অন্তত ছয় ফুট করে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের জায়গা থাকতে হয়। কিন্তু এতো মানুষের কারণে কারাগারে সেটা মানা সম্ভব হয় না। তার চেয়েও খারাপ অবস্থা হাজতে।











