পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি পরিবর্তন করে কী বার্তা দিতে চাইছে বিজেপি?

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সভাপতির দায়িত্ব নিলেন শমীক ভট্টাচার্য।

ছবির উৎস, BJP WEST BENGAL/FACEBOOK

ছবির ক্যাপশান, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব নিলেন শমীক ভট্টাচার্য।
    • Author, রূপসা সেনগুপ্ত
    • Role, বিবিসি নিউজ বাংলা

ভারতে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিজেপির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছেন সভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। এর আগে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সভাপতি ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির যে 'ভাবমূর্তি' তৈরি হয়েছে, তা বদলাতেই এই সিদ্ধান্ত। তাদের মতে, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে 'পাল্লা দিতে' এবং বাঙালি ভোটারদের কাছে নিজেদের 'গ্রহণযোগ্যতা' বাড়াতে এমনই একজন নেতার খোঁজে ছিল গেরুয়া শিবির।

সেই ইঙ্গিত অবশ্য মিলেছে নবনির্বাচিত রাজ্য সভাপতির সাম্প্রতিক ভাষণে।

আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই শমীক ভট্টাচার্যকে বলতে শোনা গিয়েছে যে, বিজেপির লড়াই "সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নয়।" তার দল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে। তিনি চান, রাজ্যে মহররম এবং দুর্গা পূজার শোভাযাত্রা একসঙ্গে হোক।

কিন্তু কেন এই রদবদল?

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই এই পরিবর্তন।

ভাষণে সম্প্রীতির বার্তা দিয়েছেন মি. ভট্টাচার্য।

ছবির উৎস, BJP WEST BENGAL/FACEBOOK

ছবির ক্যাপশান, ভাষণে সম্প্রীতির বার্তা দিয়েছেন মি. ভট্টাচার্য।

একই মঞ্চে 'সম্প্রীতির' কথা,আবার 'হিন্দু বাঁচাও' স্লোগান

শমীক ভট্টাচার্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার। সভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিদায়ী রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারসহ শীর্ষ স্তরের নেতাদের প্রায় সকলেই ছিলেন।

ওই অনুষ্ঠানে মি. ভট্টাচার্যের ভাষণে বিভিন্ন প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। রাজ্যে বিভিন্ন বিষয়ে দুর্নীতি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতির মতো একাধিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে তৃনমূলের সমালোচনা করেছেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূল সরকারকে সরানোর পাশাপাশি রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার ডাকও দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য।

মি. ভট্টাচার্য বলেছেন, "বিজেপির লড়াই সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নয়, বিজেপির লড়াই মুসলমানদের বিরুদ্ধে নয়। আপনাদের বাড়ির যে ছেলেরা হাতে পাথর নিয়ে ঘুরছে, আমরা আসলে সেই পাথরটা কেড়ে নিয়ে তার হাতে বই ধরিয়ে দিতে চাই। যারা তলোয়ার নিয়ে রাস্তায় নেমেছে, তাদের তলোয়ার কেড়ে নিয়ে হাতে কলম ধরাতে চাই। এটা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি করে দেখাবে।"

সম্প্রীতির কথা বলেছেন তিনি। শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, "আমরা চাই, দুর্গাপুজোর বিসর্জনের মিছিল এবং মহরমের মিছিল একই সঙ্গে, একই সময়ে পাশাপাশি হেঁটে যাবে কোনো সংঘর্ষ নেই, কোনো দাঙ্গা নেই, কোনো সম্প্রীতির বিভাজন নেই। পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হবে। এর বহুত্ববাদকে বাঁচাতে হবে।"

ওই একই মঞ্চে শুভেন্দু অধিকারীও ছিলেন। তিনি বলেছেন, "আমাদের দায়িত্ব কন্যা বাঁচাও, মমতা তাড়াও। হিন্দু বাঁচাও, মমতা ভাগাও।"

বিজেপিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূলসহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলো।

ছবির উৎস, ANI

ছবির ক্যাপশান, বিজেপিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূলসহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলো।

বিরোধীদের বক্তব্য

বিরোধীরা অবশ্য বিজেপিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। বিজেপির তরফে সম্প্রীতির বার্তা দেওয়ার পর তৃণমূলের কুণাল ঘোষ, শমীক ভট্টাচার্যকে স্মরণ করিয়ে দিতে ভোলেননি যে তার দলের অন্দরেই এমন নেতা রয়েছেন, যাদের গলায় 'অন্যসুর' শোনা যায়। তার ইঙ্গিত শুভেন্দু অধিকারীর দিকে।

মি. ঘোষ বলেছেন, "বিজেপির গুপি গাইন বাঘা বাইন। গুপি গাইছে এক সুরে, বাঘা বাজাচ্ছে এক সুরে।"

বামপন্থিরা এবং কংগ্রেস আবার তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে গোপন আঁতাতের অভিযোগ তুলেছে।

বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী সাংবাদিকদের বলেছেন,, "তৃণমূলই বিজেপিকে প্রশ্রয় দিয়ে এসেছে। আর বিজেপি আছে বলে তৃণমূল টিকে আছে।"

একই সুর শোনা গিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায়ের কণ্ঠে। তার কথায়, "এই রাজ্যে পদ্মফুল (বিজেপির প্রতীক) ফোটাতে সবচেয়ে বেশি সহয়তা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরো ব্যাপারটাই স্পষ্ট।"

শমীক ভট্টাচার্যকে দায়িত্ব দেওয়ার পিছনে নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

ছবির উৎস, BJP WEST BENGAL/FACEBOOK

ছবির ক্যাপশান, শমীক ভট্টাচার্যকে দায়িত্ব দেওয়ার পিছনে নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

কেন শমীক ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়া হলো?

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে শমীক ভট্টাচার্যকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে বসাতে ইচ্ছুক সেই বিষয়ে দিন কয়েক আগেই ইঙ্গিত মিলেছিল।

দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেইদিনই জেপি নাড্ডার সঙ্গেও তার একান্ত আলোচনা হয়।

বিজেপির অন্দরমহলে যে নবীন এবং প্রবীণ দের মধ্যে 'দ্বন্দ্ব' রয়েছে, তা কান পাতলেই শোনা যায়। নবীন গোষ্ঠীর অর্থ যারা অন্যদল থেকে পরে বিজেপিতে এসেছেন এবং প্রবীণ গোষ্ঠীর অন্তর্ভূক্ত সেই নেতারা যারা প্রথম থেকেই সেই দলে আছেন।

বিশ্লেষক উজ্জ্বল রায়ের মতে, "কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এমন একটা মুখ খুঁজছিল, যিনি কিছুটা নিরপেক্ষ এবং যার সঙ্গে অন্দরের দুই গোষ্ঠীরই সম্পর্ক ঠিকঠাক। দলে তার ভাবমূর্তি বিচার করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও ভাবা হয়েছে।"

উজ্জ্বল রায় বলেন, "রাজ্যবাসীর কাছে নিজেদের ইমেজ বদলাতে চাইছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের ভোট পেতে তাদের এমন কাউকে দরকার যিনি শিক্ষিত, ভদ্র, বেফাঁস কথা বলেন না। যিনি রাজনৈতিক বিতর্কের সময় যুক্তি দিয়ে কথা বলেন। ক্রিকেট-ফুটবল নিয়েও আলোচনা করেন।"

"যিনি অনায়াসে বলতে পারেন এই বাংলা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের। এই বাংলা নজরুল ইসলাম, সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এবং সৈয়দ মুজতবা আলীর।"

মি. রায় মনে করেন, "বিজেপির দু'টো উদ্দেশ্য। প্রথমত যে সমস্ত শিক্ষিত বাঙালিদের মধ্যে ভয় রয়েছে যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট হবে, ধর্মনিরপেক্ষতা নষ্ট হবে- তাদের ভয় ভাঙ্গানো।

"আর মুসলিমদের বোঝানো যে তাদেরও ভয়ের কিছু নেই। বিজেপি মুসলিমদের বিরুদ্ধে নয়" বলেন মি. রায়।

সম্প্রীতির বার্তা দেওয়ার নেপথ্যের সমীকরণকেও ব্যাখ্যা করেছেন উজ্জ্বল রায়। তার কথায়, "বিজেপি জানে দেশে সংখ্যালঘু ভোটারদের উপেক্ষা করা যাবে না। তাই- সবকে সাথ সবকা বিকাশ-এর স্লোগান তুলতে দেখা গিয়েছে বিজেপিকে। তারা দেখাতে চেয়েছে যে মুসলমান নারীদের কথা ভেবেই বিজেপি তিন তালাক প্রথার বিরুদ্ধে থেকেছে।"

"শুধু তাই নয়, অপারেশন সিন্দুরের বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে জানানোর জন্য যে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল, তার একটাতে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনর সভাপতি আসাদুদ্দিন ওয়াইসি ছিলেন। মি. ওয়াইসি কিন্তু ঘোর বিজেপি বিরোধী। অথচ তিনিই বিদেশে গিয়ে কেন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্তের সমর্থনে কথা বলেছেন। জানিয়েছেন, ভারতে মুসলমানরা ভাল আছেন।"

মি. রায়ের মতে সেই একই সমীকরণ পশ্চিমবঙ্গে ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপি।

তিনি বলেন, "শুভেন্দু অধিকারী বা দিলীপ ঘোষের মুখে তো আর হঠাৎ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা মানাবে না, তাই শমীক ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়া হয়েছে। যিনি আদ্যোপান্ত বাঙালি, যার মননে বাঙালি সংস্কৃতির ছোঁয়া লক্ষ্য করা যায়। এতে পশ্চিমবঙ্গে কিছুটা হলেও লাভ হতে পারে।"

হিন্দুত্ববাদ নিয়ে গবেষক স্নিগ্ধেন্দু ভট্টাচার্য ব্যাখ্যা করেন ভিন্নভাবে। তিনি বলেন, বিজেপির অন্দরে ভবিষ্যতে কোন পথে হাঁটা হবে তা নিয়েও আলোচনা হচ্ছিল।

তার কথায়, "বিজেপির অন্দরে এই বিষয়টা নিয়ে বেশ আলোচনা চলছিল যে পূর্ণমাত্রায় ধর্মীয় বিভাজনের লাইন মেনে চলা হবে না কি এ রাজ্যে শাসন সঙ্ক্রান্ত সমস্যা বা ইস্যু ধরে এগোবে। কারণ যদি পূর্ণমাত্রায় ধর্মীয় বিভাজনের লাইন মেনে এগোনো হয়, তাহলে রাজ্যে যে মুসলিম ভোট রয়েছে সেটা তৃণমূলের ঝুলিতে যাবে।"

স্নিগ্ধেন্দু ভট্টাচার্য মনে করেন, "যদি শাসন সঙ্ক্রান্ত বিষয়টাকে ধরে এগোনো যায় তাহলে, মুসলিম ভোটারদের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা যেতে পারে। তাদের বোঝানো যাবে বিজেপি তাদের বিরুদ্ধে নয়। সেখান থেকে যদি কিছু নির্বাচনী বিভাজন দেখা যায়, যেমনটা লোকসভা ভোটে হয়। শমীক ভট্টাচার্যকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়াও সেই চিন্তারই প্রতিফলন।"

বিশেষজ্ঞদের মতে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না।

ছবির উৎস, BJP WEST BENGAL/FACEBOOK

ছবির ক্যাপশান, বিশেষজ্ঞদের মতে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না।

কতটা সহজ হবে?

বিজেপির এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা কতটা সহজ হবে, সে প্রশ্ন উঠেছে।

স্নিগ্ধেন্দু ভট্টাচার্য বলেছেন, "শমীক ভট্টাচার্য বোঝাতে চেষ্টা করছেন যে তাদের উদ্দেশ্য মুসলিম বিদ্বেষ নয়। তিনি অবশ্য এই কথা আগেও বলেছেন। উনি এই লাইনেই কথা বলে থাকেন। কিন্তু বিজেপি তো শুধুমাত্র শমীক ভট্টাচার্যকেই রাখছে না, শুভেন্দু অধিকারীকেও রাখছে।"

"ওই একই মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী হিন্দু ঐক্যের ডাক দিয়েছেন। সুতরাং যতক্ষণ শুভেন্দু অধিকারী ওইভাবে হিন্দু ঐক্যের ডাক দেবেন এবং অন্যান্য রাজ্যে বাঙালি মুসলিমদের বাংলাদশি বলে ধরপাকড় করা হবে, ততদিন শমীক ভট্টাচার্যের পক্ষে কিছু করে ওঠা সম্ভব হবে না" বলে মনে করেন স্নিগ্ধেন্দু ভট্টাচার্য।

তিনি বলেন, "গুজরাত, মহারাষ্ট্র, ওড়িশাসহ একাধিক রাজ্যে যেভাবে বাঙালি মুসলমানদের ধরপাকড় চলছে। তাদের ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হচ্ছে। এতে মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তাতে বিজেপির পক্ষে বর্তমান সরকারের জন্য কোনো বিপদ ডেকে আনা সম্ভব হবে না।"

সিনিয়ার সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক শিখা মুখার্জী বলেছেন, "শমীক ভট্টাচার্য এক সময় দলের অন্দরের বিষয়ে কতটা সমালোচনা করতেন, সেটা কারো অজানা নয়। সেটা সামাল দিতে তাকে রাজ্য সভায় পাঠিয়ে দেওয়া হলো। এখন তাকে আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে এটা বলে যে তিনি দলে নতুন ও পুরানো গোষ্ঠীর মধ্যে যে দ্বন্দ্ব রয়েছে, সেখানে ভারসাম্য বজায় রাখতে পারবেন।"

"তিনি যে বলছেন মহরম এবং দুর্গা পুজোর (বিসর্জনের) প্রসেশন একসঙ্গে হবে। সেই চিন্তা কতটা বস্তবে দেখাতে পারবেন সেটা সময় বলবে। কারণ মি. মোদী নির্বাচনি প্রচারের সময় অবৈধ অভিবাসীদের তাড়িয়ে দেব বলে যে ইঙ্গিত করেন, তার সঙ্গে তো এর মিল নেই। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে বাঙালি মুসলমানদের বাংলাদেশি বলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে" বলেন শিখা মুখার্জী ।

তার কথায়, "মানুষ কার কথা বিশ্বাস করবে বিজেপির যে নেতৃত্ব ক্ষমতার আছে, তার কথা নাকি শমীক ভট্টাচার্যের কথা, যিনি ক্ষমতায় আসার জন্য এই সমস্ত বলছেন? আসলে বিজেপি শমীক ভট্টাচার্য এবং শুভেন্দু অধিকারী দু'জনকে রেখে ভারসাম্য রাখতে চাইছে। আর কিছুই নয়।"