‘মবে’ মরছে মানুষ মামলা গ্রেপ্তার নেই

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, ‘‘মবে’ মরছে মানুষ মামলা গ্রেপ্তার নেই’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, একের পর এক ঘটনায় দেশে নতুন আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি করেছে মব জাস্টিস। এই ‘বিচারের’ নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, নির্যাতন, মারধর, লাঞ্ছনা, অপমান, অপদস্থ ও হামলা করার ঘটনা ঘটছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের হুঁশিয়ারিও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া রোধ করতে পারছে না।
অবশ্য পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, এমন উচ্ছৃঙ্খল ঘটনার বিরুদ্ধে তারা তৎপর রয়েছেন। তবে এসব ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে দু-একটি। গ্রেপ্তারও হাতে গোনা।
পুলিশের তথ্য বলছে, গত দুই মাসে সারা দেশে ২৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে মব জাস্টিসের নামে। নির্যাতন, মারধর, লাঞ্ছনা, হামলার ঘটনা অসংখ্য।
দেশে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে গণপিটুনিতে হত্যা আগেও ছিল। তবে আগে পিটুনির শিকার হয়েছে মূলত চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী ও শিশু অপহরণকারী সন্দেহে জনতার হাতে ধরা পড়া ব্যক্তি।
কিন্তু ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ই অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তা নতুন রূপ নিয়েছে। মব জাস্টিস বা জনতার বিচার নামে নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়ার এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে যেকোনো ক্ষেত্রে। পুলিশ সদস্যও রেহাই পাচ্ছেন না।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Bangladesh's interim govt to hold dialogue with political parties on Saturday’ অর্থাৎ ‘শনিবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ছয়টি সংস্কার কমিশন এবং দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে শনিবার প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবে অন্তর্বর্তী সরকার।
সংলাপে অংশ নিতে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।
ছয়টি কমিশনের কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হবে।
তবে জুলাই ও অগাস্টে গণহত্যা চালানোর নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকায় আওয়ামী লীগ ও তার জোটের শরিকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করার নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকারের রয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের একজন উপদেষ্টা জানান, ‘যেহেতু আমরা গণ-অভ্যুত্থানের সরকার, সেহেতু আমরা এমন কিছু করতে পারি না যা জনগণের আত্মত্যাগের চেতনার পরিপন্থী হয়’।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, ‘বিরাজনীতিকীকরণের শঙ্কায় বিএনপি’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশে যেমন বিরাজনীতিকীকরণের প্রচেষ্টা হয়েছিল, গত ৫ই অগাস্ট আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আবারো সে রকম প্রচেষ্টার আশঙ্কা করছে বিএনপি।
দলটির অভ্যন্তরে অন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগিতার বিষয়টি যেমন রয়েছে, তেমনি এই সরকারের উদ্দেশ্য কিংবা কর্মপদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
এক দিকে নির্বাচন কিংবা রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের নানামুখী বক্তব্য, অন্য দিকে বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো কোনো পক্ষের ‘পরিকল্পিত ক্যাম্পেইন’ নিয়ে দলটি কিছুটা হলেও শঙ্কায় পড়েছে।
এ বিষয়ে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ৫ আগস্টের পর কোনো কোনো পক্ষ বিএনপিবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে। এর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিত রয়েছে।
তিনি বলেন, “এর মধ্য দিয়ে আমরা ওয়ান-ইলেভেনের গন্ধ পাচ্ছি। বিরাজনীতিকীকরণের গন্ধ পাচ্ছি। এজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে”।
তার মতে, রাজনীতি বাদ দিয়ে বাংলাদেশ সম্ভব না। আমরা এখানে বিরাজনীতিকীকরণ করব, আর আমলাতন্ত্র দেশ চালাবে সেটা হবে না। দেশ চলতে হবে জনগণের সাথে সম্পৃক্তদেরকে নিয়ে। সে জন্য গণতান্ত্রিক পন্থা হচ্ছে উৎকৃষ্ট পন্থা।

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি। পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। তেহরানও বলেছে, ইসরায়েল আবার হামলা করলে পরিণতি হবে ধ্বংসাত্মক।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা জোরদার করেছে ইরান–সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হেজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে লেবাননে হেজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের সেনাদের মধ্যে সম্মুখ লড়াই চলছে। বুধবার লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহর সঙ্গে লড়াইয়ে নিহত হয়েছেন ইসরায়েলি আট সেনা।
ফিলিস্তিনের গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। গতকালও গাজায় অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে গত বছরের ৭ই অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৪২ হাজার ফিলিস্তিনি প্রাণ হারালেন।
গাজায় ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে এক বছর ধরে ইসরায়েলের সঙ্গে লড়ছে হেজবুল্লাহ ও হুতি। তাদের সমরাস্ত্র ও আর্থিকভাবে সমর্থন দিচ্ছে ইরান। পাশাপাশি হামাসকেও সহযোগিতা করে আসছিল তেহরান।
ইরান সরাসরি জড়িত না থাকলেও ইসরায়েলের সঙ্গে চলছিল ছায়াযুদ্ধ। মঙ্গলবার রাতে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধে ইরান সরাসরি জড়িয়ে পড়ল।
ইরান ও ইসরায়েলকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। বিশ্বনেতারা বলছেন, এই সংঘাত এখনই বন্ধ না করা গেলে পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে। এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, ‘শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতার মূলে ‘নিয়ন্ত্রণ লড়াই’’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পোশাক শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতার পেছনে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর শিল্পাঞ্চলের ‘নিয়ন্ত্রণ হাতে রাখা’ এবং ‘প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিয়ন্ত্রণ নিতে না দেওয়ার চেষ্টাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ করে। এতে পোশাক শিল্পাঞ্চল নবীনগর, চন্দ্রা, বাইপালে, আবদুল্লাপুর, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ ৩০ কিলোমিটার যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে উত্তরবঙ্গের যাত্রীরা।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হস্তক্ষেপে ৫৪ ঘণ্টা পর আশুলিয়ায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ব্যবসায়ী, মালিক ও শ্রমিকরা জানিয়েছেন, সরকারের নানামুখী উদ্যোগের পরও শিল্পাঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, ঝুটসহ কারখানাসংশ্লিষ্ট কিছু ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, কিছু কারখানার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তৎপরতা, বেতন-ভাতাসংক্রান্ত সমস্যা, বাইরের ইন্ধনসহ বিভিন্ন কারণে পোশাক কারখানাগুলোর অস্থিরতা বন্ধ হচ্ছে না।
বিজিএমইএর তথ্য অনুসারে, গতকাল বুধবার ৫৮ পোশাক কারখানা বন্ধ ছিল। এর মধ্যে কাজ বন্ধ করে ৩২ কারখানার শ্রমিকরা চলে যান।
আর চাকরির দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করায় কারখানা বন্ধ করে দেয় ২৬টি কারখানার কর্তৃপক্ষ।

সংবাদের প্রথম পাতার খবর, ‘খাগড়াছড়িতে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে খাগড়াছড়ি শহরের পরিস্থিতি। বুধবার বেলা তিনটার দিকে পৌর এলাকা থেকে মাইকিং করে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে প্রশাসন।
শহরের বিভিন্ন সড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে। নানা কাজে লোকজনও ঘর থেকে বের হচ্ছেন।
তবে পানছড়ি-খাগড়াছড়ি ও দীঘিনালা-খাগড়াছড়ি সড়কে যানবাহন চলাচল করেনি।
বুধবার এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে খাগড়াছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক আবুল হাসনাত মুহাম্মদ সোহেল রানাকে (৪৮) পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনার জের ধরে পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে খাগড়াছড়ি পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।
এ অবস্থায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাতে শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মো. আমান হাসান।
বুধবার দুপুরে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের কনফারেন্স রুমে বাঙালি নেতারা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে বিশেষ মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষক হত্যাকাণ্ডের ফলে সাম্প্রতিক সময়ে দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা ও দাঙ্গার জন্ম দিয়েছে। সংঘাত ও সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য বলেন এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করার আহ্বান জানান তিনি।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘7 corporate giants barred from share transfer’ অর্থাৎ, ‘৭টি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন নিষিদ্ধ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সবচেয়ে উন্নতি করা সাতটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।
কোম্পানিগুলো হলো বসুন্ধরা গ্রুপ, ওরিয়ন গ্রুপ, সামিট গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, নাসা গ্রুপ এবং থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস, এখন নগদ লিমিটেড।
কর ফাঁকিসহ আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ওই কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন স্থগিতে জয়েন্ট স্টকে চিঠি দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
আয়কর আইনের অধীনে এনবিআর-এর কর ফাঁকি রোধ করতে সাময়িকভাবে করদাতাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা রয়েছে।
এনবিআর-এর সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) আরজেএসসিকে লেখা একটি চিঠি বলা হয়েছে, "এই কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে কর ফাঁকি ও অন্যান্য আর্থিক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।"
অভিযুক্ত কোম্পানিগুলোর দাবি এনবিআর গভীরভাবে তদন্ত করলে কর ফাঁকির মতো কোনো আর্থিক অনিয়ম খুঁজে পাবে না।

বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর, ‘বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও কমেছে খাদ্য ও সাধারণ মূল্যস্ফীতি’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী সেপ্টেম্বরে দেশের সাধারণ মূল্যস্ফীতি কমেছে।
গত মাসে দেশের সাধারণ মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে নয় দশমিক ৯২ শতাংশে। অন্যদিকে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দশমিক ৯৬ শতাংশীয় পয়েন্ট কমলেও দুই অংকের ঘরেই রয়ে গেছে।
আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি দশমিক ২৪ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে নয় দশমিক ৫০ শতাংশে।
বুধবার মাসিক হালনাগাদ ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। সেপ্টেম্বরের সিপিআইয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদনে সব ধরনের মূল্যস্ফীতি হ্রাসের চিত্র উঠে এসেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির বাস্কেটে খাদ্যপণ্যের ওয়েট বা ভার এখনো কম। এখানে পদ্ধতিগত কোনো ইস্যু থাকতে পারে। তাই খাদ্যপণ্যের দাম না কমলেও খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে যাচ্ছে।
এসব পরিসংখ্যান মনিটরিং করার জন্য একটি স্বাধীন কমিটি থাকা উচিত, যেন স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, বিবিএস আগের মতোই আছে, কোনো পরিবর্তন হয়নি। আবার বাজারে সিন্ডিকেটও সক্রিয় রয়েছে।
কৃষি অর্থনীতিবিদরাও বলছেন পণ্যের দাম কমেনি। ভোক্তাদের মধ্যে স্বস্তি না এসে উল্টো চাপ আরো বেড়েছে।

সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘ভারতে ইলিশ রপ্তানিতে মাফিয়ার গুপ্তজাল’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইলিশের ক্রয় ও রপ্তানিমূল্যের মধ্যে বড় ধরনের ফারাক রয়েছে।
বিভিন্ন মোকাম ঘুরে জেলে, নৌকার মাঝি, ট্রলার মালিক, দাদনদাতা, আড়তদার, ইলিশ রপ্তানিকারক, মৎস্য অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানতে পেরেছেন প্রতিবেদক।
বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে খুচরা পর্যায়ে এক কেজি ওজনের ইলিশ দুই হাজার টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। অর্থাৎ ভারতে যে দামে রপ্তানি হচ্ছে, তার চেয়ে প্রতি কেজিতে প্রায় ৮০০ টাকা বেশি খরচ করতে হচ্ছে দেশের ভোক্তাকে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সাগরে ইলিশ ধরা থেকে শুরু করে বাজারে বিক্রি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নিয়ন্ত্রণ করে সুবিধাভোগীরা। রপ্তানির আড়ালে ইলিশ পাচার ও হুন্ডিতে লেনদেন নিয়েও মিলেছে নানা তথ্য।
ইলিশের পেছনে মাফিয়া চক্রের গুপ্তজাল রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। বাংলাদেশ থেকে কলকাতা পর্যন্ত এই চক্রের জাল বিছানো।
জেলেদের জিম্মি করে বছরের পর বছর তারা ইলিশের দরদাম ঠিক করে বাজার হাতে রাখছে। এই চক্র ভেঙে দিলে জেলেদের জীবন বদলে যেতে পারে।
রপ্তানি দরের চেয়ে বাজারে দামের ফারাক কেন– এমন প্রশ্নে মৎস্য অধিদপ্তরের বেনাপোল স্থলবন্দরের মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের পরিদর্শক আসওয়াদুল আলম বলেন,
‘ইলিশ রপ্তানির পরিপত্রটি কয়েক বছর আগের। তখনকার বাজারদরের সঙ্গে মিল রেখে ১০ ডলারে প্রতি কেজির রপ্তানিমূল্য নির্ধারণ করা হয়। এখনও সেই পরিপত্র অনুযায়ী রপ্তানি হচ্ছে। তবে ইলিশের দেশীয় বাজারদরের সঙ্গে সংগতি রেখে দাম সমন্বয় হতে পারে।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ী বলেন, দাদন ব্যবসাসহ ইলিশের সবকিছুর সঙ্গেই রপ্তানিকারকরা জড়িত। ইলিশ আহরণে তাদের বিনিয়োগ আছে। সরকার রপ্তানি মূল্য কম ধরলেও তারা বেশি দামে কেনেন।
কমে কিনলে দেশের বাজারেও দাম কমে যেতে পারে। চক্রটি রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি দেশের বাজারও এভাবে কবজায় রাখে।








