'বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত'

পত্রিকা

সংসদে বাজেট প্রসঙ্গ নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, “বিরোধীদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটে মন্ত্রী জড়িত”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে ব্যর্থতায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির কঠোর সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় সদস্যরা।

তাদের অভিযোগ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য দায়ী বাজার সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতরা মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন। কেউ কেউ বলছেন, মন্ত্রী নিজেই সিন্ডিকেটের সদস্য হওয়ায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তাঁরা মন্ত্রীর পদত্যাগেরও দাবি জানিয়েছেন।

জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, বড় ব্যবসায়ী গ্রুপগুলো একসঙ্গে অনেক বেশি ব্যবসা করে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে জেল-জরিমানা করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে হঠাৎ করে ক্রাইসিস আরও বেড়ে যাবে। ফলে জনগণের কষ্ট তখন আরও বড়বে। এ কারণেই তাঁদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা প্রধানের বার্তা নিয়ে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, “মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত কেউ যেন মিশনে যেতে না পারেন, দেশগুলোকেই তা নিশ্চিত করতে হবে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত কাউকে শান্তিরক্ষা মিশনে পাঠানো হচ্ছে না সংশ্লিষ্ট দেশকেই এটি নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যাঁ-পিয়েরে ল্যাক্রো।

জোরপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারকে রোববার পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এমন কথা জানান। এর আগে গুমের শিকার পরিবারগুলোর সংগঠন মায়ের ডাকের পক্ষ থেকে তার কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠির জবাবে ই-মেইল বার্তা পাঠান জ্যাঁ-পিয়েরে।

একই সঙ্গে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেয়ার আহ্বানও জানানো হয়।

বড় দুই দলের রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, “নির্বাচন ও আন্দোলনের বার্তা যাচ্ছে তৃণমূলে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সবশেষ ঈদ।

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কাজে লাগানোর জন্য হাইকমান্ডের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নিয়ে তৃণমূলে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা। নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসাবে ভোটারদের কাছে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

ঈদ রাজনীতিতে গণসংযোগ, নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং বিরোধীদের আন্দোলন মোকাবিলার প্রস্তুতি এগিয়ে রাখতে চায় আওয়ামী লীগ। সরকারি দলের বেশির ভাগ এমপিই নিজ এলাকায় অবস্থান করবেন।

অন্যদিকে সরকার পতনের একদফার বার্তা নিয়ে তৃণমূলে যাচ্ছেন বিএনপি নেতারা। দুই দলের নেতাদের উপস্থিতিতে এবার জমে উঠবে ঈদকেন্দ্রিক তৃণমূলের রাজনীতি।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী মাসেই ঘোষণা হতে পারে সরকার পতনের একদফা। সেই আন্দোলনে ‘অলআউট’ রাজপথে নামতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি।

সমকাল
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

কুরবানির পশুর হাটে দারদাম নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, “কোরবানির পশুহাটে মধ্যবিত্তের হাহাকার”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকার কুরবানির পশুরহাটে প্রচুর গরু এসেছে। এর বেশির ভাগই দেশীয় গরু কিন্তু দাম বেশ চড়া। হাটে লাখ টাকার নিচে গরু নেই।

যেগুলো আছে সেগুলোর বেশির ভাগই ক্রেতাদের পছন্দ নয়। আর বেশির ভাগ মাঝারি গরুর দাম দুই লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে। এর চেয়েও বেশি দামের গরু আছে। দাম ছয় লাখ থেকে ১৫ লাখ টাকার মধ্যে।

ফলে কোরবানির পশুরহাটে মধ্যবিত্ত ক্রেতারা হাপিত্তেশ করছেন। লাখ টাকা দামের ছোট গরু কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

একেবারে মিনি সাইজের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। যে গরুতে দুই মণ গোশত হওয়াও কষ্টকর। আর তিন মণ ওজনের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে এক লাখ ২০ থেকে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা।

একই বিষয়ে সংবাদের প্রধান শিরোনাম, “কোরবানির হাট: সরবরাহ আছে বিক্রি কম”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঈদকে সামনে রেখে ঢাকার অস্থায়ী হাট গুলোতে পশুর সরবরাহ থাকলেও তেমন বিক্রি নেই।

এমনকি ঢাকার প্রধান পশুরহাট গাবতলীতে এখনো পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হয়নি। ক্রেতাদের সমাগম থাকলেও দামে বনিবনা না হয় কিনছেন না তারা। শেষ মুহূর্তে পশুর দাম কমতে পারে এমন আশায় আছেন অনেক ক্রেতা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন পশু খাদ্যের দাম বাড়ায় এ বছর গরু-ছাগলের দাম বেশি। ক্রেতাদের গরু কিনে রাখার জায়গার স্বল্পতা ও বাজার ঘুরে ঈদের দুই-একদিন আগে গুরু কেনার প্রবণতার কারণে পশু বিক্রি কম।

আজও আগামীকালকের মধ্যে ক্রেতা না পেলে দাম পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

ঈদযাত্রা নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, “বাড়ি ফিরছে কোটি মানুষ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সোমবার ছিল ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস। টানা পাঁচ দিনের ছুটি পেয়ে গতকাল মানুষের ঢাকা ছাড়ার ঢল নামে সড়কে।

শুধু বাস নয়, ট্রেন-লঞ্চেও ঘরমুখো মানুষের চাপ ছিল ব্যাপক। গতকাল ও আজ মঙ্গলবার মিলিয়ে প্রায় ৬০ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়ছে। এতে জাতীয় মহাসড়কগুলোতে বাড়ছে গাড়ির চাপ। বেশ কিছু সড়কে রয়েছে তীব্র যানজটের শঙ্কা।

ঈদ ঘিরে সব মিলিয়ে সারা দেশে পাঁচ কোটি মানুষ এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাতায়াত করবে। ঈদ ঘিরে যান ও মানুষের চলাচল নিয়ে একটি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

এতে বলা হয়, ঢাকা থেকে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ গ্রামের বাড়ি যাবে। আর ঢাকার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরসহ আশপাশের অঞ্চল মিলিয়ে মোট এক কোটি ১০ লাখের বেশি মানুষ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করবে। এ ছাড়া এক জেলা থেকে অন্য জেলায় আরো প্রায় চার কোটি মানুষ ঈদে বাড়ি যেতে পারে।

নিউ এইজ

বাজেট নিয়ে নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, “FY24 budget passed amid criticism of high inflation”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের বেশিরভাগ মানুষ যেখানে সংকটের মধ্যে রয়েছে, এমন সমালোচনার মধ্যে সোমবার সংসদে সাত দশমিক ৬১ লাখ কোটি টাকার নতুন জাতীয় বাজেট পাস হয়েছে।

অনেকে ব্যাংক থেকে সঞ্চয় তুলে নিয়েছে এবং অনেকে অন্যদের কাছ থেকে টাকা ধার করে চলছেন। অনেক পরিবার প্রতিদিনের খাদ্য থেকে মাংস বাদ দিয়েছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির দুর্দশার কথা সংসদে এভাবেই উঠে বাসে।

মে মাসে মুদ্রাস্ফীতি ৯.৯৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ২০১০-১১ অর্থবছরের পর সর্বোচ্চ। গত এক বছরে মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ২৪ শতাংশ যা আমদানি নির্ভর বাংলাদেশে আমদানিকে ব্যয়বহুল করে তুলেছে।

বেসরকারি মেডিকেলের চিকিৎসা পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “দক্ষতার ঘাটতি নিয়েই চিকিৎসক”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ৭৭ টি এরমধ্যে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে সাত বছরে ছয়টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি দেয়নি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন ২০২২ অনুযায়ী, কলেজের জন্য দুই একর জমি দরকার। প্রতি ৫০ জন শিক্ষার্থীর জন্য কলেজে এক লাখ এবং হাসপাতালে এক লাখ বর্গফুট আয়তনের মেঝে দরকার হলেও কিছু হাসপাতালে তা দেখা যায়নি।

শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শিক্ষার জন্য কলেজের হাসপাতালে যে পরিমাণ শয্যা থাকা দরকার তার অভাব রয়েছে। আবার বেশ কিছু বেসরকারি মেডিকেলে হাতে-কলমে শেখার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক রোগী হাসপাতালে থাকে না।

এছাড়া বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল- বিএমডিসি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের অনুপাত নির্ধারণ করে দিয়েছে। প্রতিটি বিষয়ে ১০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও অনুপাত ঠিক রাখা হচ্ছে না

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, “দেশে খনিজ সম্পদের অর্থমূল্য ২.২৬ ট্রিলিয়ন ডলার”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে মজুদ খনিজ সম্পদের বাজারমূল্য নিরূপণ করেছে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)।

সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রাকৃতিকভাবে মজুদ খনিজ সম্পদের মূল্য ২ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন (২ লাখ ২৬ হাজার কোটি) ডলারের বেশি। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৪১ দশমিক ৯৭ ট্রিলিয়ন (২ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার ৩০০ কোটি) টাকা।

তবে জিএসবির এ হিসাবে দেশে মজুদ প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যকে ধরা হয়নি। জিএসবির হিসাবের সঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যকে বিবেচনায় নেয়া হলে দেশে মজুদ খনিজ সম্পদের নিরূপিত মূল্য আরো কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার বাড়বে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।ম হামূল্যবান এ খনিজ সম্পদ উত্তোলনে সরকারি বিনিয়োগ খুবই যৎসামান্য।

সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরাও বলছেন, দেশে বিপুল পরিমাণ খনিজ সম্পদ মজুদ থাকলেও এগুলো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সরকারের তেমন কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। যে কারণে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণও বছরের পর বছর ধরে সামান্যই থেকে গেছে।

সংবাদ

অন্যান্য খবর

সমকালের প্রথম পাতার খবর, “ঈদের মাসে চাঙ্গা রেমিট্যান্স”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঈদের মাসে চাঙ্গাভাব ফিরছে প্রবাসে আয়ে। চলতি মাসের ২৫ দিনে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে ২০২ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন।

আগের বছরের একই মাসের তুলনায় যা প্রায় ৫৮ শতাংশ বেশি। এপ্রিল ও মে মাসের তুলনায়ও রেমিট্যান্সের এই পরিমাণ অনেক বেশি। রেমিট্যান্সে চাঙ্গাভাবের মধ্যে বিশ্বব্যাক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের-এডিবি ঋণের ৫২ কোটি ডলার সোমবার রিজার্ভে যোগ হয়েছে।

সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ব্যাংকের হিসেবে সোমবার দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে আবার ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। মাঝে যা ৩০ বিলিয়ন ডলারের নীচে নেমেছিল।

মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, “লবণের দাম চড়া, চামড়া নিয়ে এবারো শঙ্কা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে প্রতিবছর উৎপাদিত কাঁচা চামড়ার প্রায় অর্ধেকই আসে ঈদুল আজহায়।

এ বছর, কোরবানি হতে পারে ৮৫ লাখ পশু, যা চাহিদার চেয়েও ২০ থেকে ২১ লাখ বেশি। এই সময়ে চামড়া সংরক্ষণে কাঁচামাল হিসেবে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টন লবণের চাহিদা থাকে।

কিন্তু চলতি মৌসুমে রেকর্ড উৎপাদনের পরেও লবণের ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে চামড়া সংগ্রহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ৬১ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি লবণ উৎপাদন হলেও বাজারে এর প্রভাব নেই। বরং উল্টো লবণের দাম বস্তাপ্রতি বেড়েছে প্রায় ৩০০ টাকা।

চামড়া ব্যবসায়ীরা বলছেন, একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট প্রতিবছর কোরবানির আগে লবণের দাম বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে পুরো চামড়ার বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মৌসুমি ছোট ব্যবসায়ীরা।

দ্য ডেইলি স্টার

যুগান্তরের পেছনের পাতার খবর, “খাদ্য নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান কর্মসূচি: বাদ পড়ছে ৮৬ লাখ গরিব মানুষ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মূল্যস্ফীতির কষাঘাত না কমলেও সরকারের সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য সহায়তা ও কর্মসংস্থান কর্মসূচি থেকে বাদ পড়ছেন ৮৬ লাখ গরিব মানুষ।

সবচেয়ে বেশি বাদ দেওয়া হয়েছে ভিজিএফ কর্মসূচি থেকে। দ্বিতীয় কাটছাঁট হয়েছে ওএমএস কর্মসূচি। সুবিধাভোগী কমানোর তালিকায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচিও আছে।

উপকারভোগী বাদ দেওয়ায় এই তিন খাতে আর্থিক বরাদ্দও কমছে চলতি অর্থবছরের চেয়ে এক হাজার আট কোটি টাকা। নতুন তালিকার সুবিধাভোগীদের কার্যক্রম শুরু হবে পহেলা জুলাই থেকে।

উপকারভোগী কমানোর ফলে দুস্থ ও গরিব মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা ও কর্মহীন মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তা নিয়ে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ, জমি নেই, ভিটাবাড়ি নেই, দিনমজুর, উপার্জনশীলহীন ব্যক্তি পরিবার, প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার ও নিম্ন আয়ের মানুষ এসব কর্মসূচির ওপর বেশি নির্ভরশীল।

হজের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে কালের কণ্ঠের শিরোনাম, “লাব্বাইক ধ্বনিতে আরাফাতের ময়দান মুখর হবে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আজ মঙ্গলবার পবিত্র হজ। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হবে আরাফাতের ময়দান।

হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা হলো সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এই ময়দানে অবস্থান করা।

আগের তিন বছর সীমিত পরিসরে হজ অনুষ্ঠিত হয়। আজ হজ পালন করতে আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করছেন লাখ লাখ মুসলিম। কিছু সময়ের জন্য হলেও এখানে উপস্থিত হওয়া হজের ফরজ বিধান। আরাফাতের ময়দানে সারা দিন অবস্থান করবেন বিশ্বের প্রায় ২৫ লাখ হাজি।

এমনকি হাসপাতালে ভর্তি অসুস্থ হাজিদেরও অ্যাম্বুল্যান্সে করে কিছু সময়ের জন্য এখানে নিয়ে আসা হবে।

উপস্থিত হাজিদের উদ্দেশে মসজিদে নামিরা থেকে খুতবা পড়বেন শায়খ ইউসুফ বিন মুহাম্মদ।

কালের কণ্ঠ
যুগান্তর

ঈদকে কেন্দ্র করে জাল নোটের ছড়াছড়ি নিয় নিউ এইজের খবর, “Banknote forgery rings active ahead of Eid”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঈদ-উল-আযহার আগে গরুর বাজারকে লক্ষ্য করে ব্যাংকনোট জাল চক্র আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনায় বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ব্যবহার করা হচ্ছে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বলছে যে জাল নোটের প্রচলন সারা বছরই চলতে থাকে, তবে ঈদের আগে এটি বেড়ে যায়, বিশেষ করে ঈদুল আজহার সময়, যেহেতু বিশাল লেনদেনের মধ্যে গরুর বাজারে জাল নোট প্রচার করা তুলনামূলকভাবে সহজ।

সর্বশেষ রবিবার পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকায় নোট জালিয়াতির চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি প্রধান হারুন-অর-রশিদ জানান, দুটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে অভিযান চালিয়ে ৮২ লাখ টাকার জাল নোট ও ২ কোটি টাকার জাল নোট তৈরির উপকরণ জব্দ করেছে তারা।

বিদ্যুত সরবরাহ নিয়ে বণিক বার্তার খবর, “বাণিজ্যিক উৎপাদনে আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট”। প্রতিবেদন বলা হচ্ছে, ভারতের আদানি গ্রুপের ঝাড়খণ্ডের গড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (২৬ জুন) মুম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জে দেওয়া এক চিঠিতে আদানি পাওয়ার এ তথ্য জানিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষে রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় আদানি পাওয়ারের দ্বিতীয় ইউনিট বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এখন পূর্ণ এক হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে। গত ৮ জুন থেকে পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যায় দ্বিতীয় ইউনিটটি। গত ৭ এপ্রিল ৭৪৮ মেগাওয়াট সক্ষমতার প্রথম ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে।

এখন থেকে কেন্দ্রটি থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ নেয়া যাবে এবং এতে লোডশেডিং আরো কমে আসবে বলে কর্মকর্তারা বণিক বার্তাকে জানিয়েছেন।

বিশেষ ঘোষণা: ঈদের ছুটির কারণে বিবিসি বাংলার সংবাদপত্র পর্যালোচনা আগামীকাল ২৮শে জুন থেকে ২রা জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ৩রা জুলাই থেকে আবার প্রতিদিন সংবাদপত্র পর্যালোচনা শুরু হবে। ধন্যবাদ।