আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'সরকারি চাকুরেদের বেতন বৃদ্ধি উসকে দিতে পারে মূল্যস্ফীতি'
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে পত্রিকার পাতাজুড়ে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব; বিশ্বকাপ খেলতে গেলে বাংলাদেশ দলকে ভারতেই যেতে হবে; প্রচারে নামছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীরা এবং ৫৯ বিদ্রোহী প্রার্থী একযোগে বহিষ্কার করলো বিএনপি— এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে।
ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Up to 142% salary hike pitched; অর্থাৎ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব।
খবরটিতে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো প্রস্তাব করেছে নবম জাতীয় বেতন কমিশন। তাতে ১০০ শতাংশ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে, পাশাপাশি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে কমিশন তাদের প্রস্তাবনার প্রতিবেদন জমা দেন।
তাদের দেওয়া সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে বেতন-ভাতা বাবদ বছরে আরও ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হবে।
সুপারিশে সরকারি কর্মচারীদের মোট গ্রেডের সংখ্যা আগের মতোই ২০টি থাকবে।
সর্বনিম্ন স্তর অর্থাৎ ২০তম গ্রেডে মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
আর সর্বোচ্চ স্তর প্রথম গ্রেডে বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
বর্তমান সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি পেনশনভোগীদেরও উল্লেখযোগ্য হারে পেনশন বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে শঙ্কার কথাও ওঠে এসেছে পত্রিকায়; এ বিষয়ে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— সরকারি চাকুরেদের বেতন বৃদ্ধি উসকে দিতে পারে মূল্যস্ফীতি।
এতে বলা হয়েছে, পরিকল্পনা কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতে, বেতন বাড়ানোর পরই দেখা যাবে বাজারে সব পণ্যের দাম দেড়-দুইগুণ বেড়ে গেছে। ফলে বেতন বাড়ায় তাদের তেমন লাভ হবে না। তাই বেতন বাড়ানোর চেয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ বেশি জরুরি।
পণ্যের দাম কম থাকলে বর্তমানে পাওয়া বেতন দিয়েই চলতে পারবেন তারা।
যদিও দীর্ঘদিনের চড়া মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় রেখে এ প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর হবে এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ পহেলা জুলাই থেকে এটি পুরোপুরি বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এ ধরনের ব্যয়ের জন্য জনগণ ও অর্থনীতি প্রস্তুত কি না, তা যাচাই জরুরি। সরকারের রাজস্ব সক্ষমতা এবং এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিশ্লেষণ না করে পে স্কেল বাস্তবায়ন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাওয়া অর্থনীতি এখনো মজুরি বাড়ানোর মতো সক্ষমতায় পৌঁছায়নি। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান না বাড়লে বড় ধরনের বেতন বৃদ্ধি টেকসই হবে না।
প্রথম আলোর প্রধান খবর— আইসিসি ১ দিন সময় দিল, ভারতে যাবে না বাংলাদেশ।
এই খবরে বলা হয়েছে, ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে যে প্রশ্ন তুলে ম্যাচ অন্য দেশে নেওয়ার দাবি বাংলাদেশ তুলেছিল, সেটির কোনো ভিত্তি পায়নি আইসিসি।
গতকাল সংস্থাটির বোর্ড সভার ভোটাভুটিতেও ভেন্যু না বদলানোর পক্ষে বেশিরভাগ মত পড়েছে।
তাতে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামকে সরকারের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য এক দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
প্রথম আলোকে আমিনুল জানিয়েছেন, 'এটাই ঠিক।' অর্থাৎ হাতে এক দিন সময় আছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে বিসিবি। কিন্তু সময় দিলেই কী! বাংলাদেশ তো আগেই একাধিকবার জানিয়েছে, নিরাপত্তশঙ্কার কারণে ভারতে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলবে না। নতুন করে একদিন সময়ে কি সিদ্ধান্ত বদলাবে?
সরকারের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আসবে না।
ভারতে খেলার বিষয়ে সরকারকে কোনো চাপ দিতে চান না বলেও জানান বিসিবি সভাপতি।
তিনি বলেছেন, সরকার তো চায় আমরা খেলি। কিন্তু ভারতে খেলা এ মুহূর্তে আমাদের জন্য নিরাপদ নয়। আমরা শ্রীলঙ্কায় খেলতে চাই। এই অবস্থানে আমরা এখনো আছি।
ব্যাংকে টাকা রাখছেন না অতিধনীরা— বণিক বার্তার সংবাদ এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ১ মিলিয়ন ডলার (বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী ১২ কোটি ২০ লাখ টাকা) বা এর বেশি মূল্যমানের সম্পদের মালিকের সংখ্যা প্রায় ৩৫ হাজার— এই তথ্য সুইজারল্যান্ডের ক্রেডিট সুইসের।
ব্যাংকটির রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ভাষ্য হলো, এ দেশে কোটিপতি বা অতিধনীর সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছে।
অর্থনীতির আকারের সঙ্গে সংগতি রেখে বাংলাদেশে ধনিক শ্রেণীর সম্পদ বাড়ার বিষয়টি উঠে আসছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্যে-ও।
যদিও ভিন্ন চিত্র দেশের ব্যাংকগুলোতে অতিধনীদের জমাকৃত আমানতের তথ্য।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত বছরের জুন শেষে দেশে ২৫ কোটি টাকার বেশি আমানত আছে, এমন ব্যক্তিশ্রেণির ব্যাংক হিসাব ছিল মাত্র ১০৪টি।
যেখানে এর এক বছর আগে ২০২৪ সালের জুনেও বড় অঙ্কের আমানত থাকা এ ধরনের ব্যাংক হিসাব ছিল ২২৩টি।
অতিধনীদের পাশাপাশি ১ কোটি টাকার বেশি আমানত জমা আছে, ব্যক্তিশ্রেণীর এমন হিসাব সংখ্যাও দেশের ব্যাংকগুলোতে খুব বেশি নয়।
গত বছরের জুন শেষে ১ থেকে ২৫ কোটি টাকা জমা ছিল এমন ব্যক্তিশ্রেণীর হিসাব ছিল মাত্র ৩৬ হাজার ৯৩২টি। এসব হিসাবে ৮২ হাজার কোটি টাকার আমানত জমা ছিল।
ব্যাংকাররা বলছেন, দেশের অতিধনীদের বড় অংশ ব্যাংকে টাকা রাখেন না। আমানত হিসাবে টাকা না রেখে তারা জমি বা বাড়ি ক্রয়ের পাশাপাশি অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ করেন।
ধনিক শ্রেণির একটি অংশ আবার উপার্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে দিচ্ছেন।
অবশ্য অর্থনীতিবিদ ড. ফাহমিদা খাতুন বলছেন, কেবল বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও ধনীরা ব্যাংকে একত্রে বেশি টাকা খুব বেশি জমা রাখেন না।
কূটনীতিক পরিবার সরিয়ে নিচ্ছে ভারত— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে প্রায় দুই বছর ধরে চলা টানাপোড়েনের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মাসখানেক আগে বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশন ও সহকারী হাইকমিশনে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় পূর্বসতর্কতামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে হাইকমিশন ও সহকারী হাইকমিশনে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।
কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, পরিবারগুলোকে সরিয়ে নিলেও বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনের কাজ পূর্ণোদ্যমে চলবে।
প্রচার যুদ্ধে প্রার্থীরা— মানবজমিনের প্রধান খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার প্রতীক পেয়ে প্রচারের প্রস্তুতি শুরু করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীরা।
এরমধ্যে রাত বারোটার পর থেকেই দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে অনলাইনে।
আজ সকাল থেকে তারা আনুষ্ঠানিক প্রচারে নামবেন।
নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে গতকাল রাতেই সিলেট পৌঁছেন। মাজার জিয়ারত ও দলীয় সভার মাধ্যমে সিলেট থেকে তিনি দলের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।
অন্যদিকে, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান তার দলের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছেন রাজধানী থেকে।
নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এবারের ভোটে বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি, এনসিপিসহ মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে।
দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৯৮টি সংসদীয় আসনে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১ হাজার ৯৭২ জন।
সীমানা জটিলতার কারণে পাবনার দু'টি আসনে এখনো প্রার্থী চূড়ান্তের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে, প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদান। ২৫শে জানুয়ারির মধ্যে ভোট দিয়ে প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালট পোস্ট অফিসে দিতে হবে।
৭৯ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী, একযোগে বহিষ্কার ৫৯— সংবাদের প্রথম পাতার খবর এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭৯ আসনে বিএনপির অন্তত ৯০ জন বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার, কঠোর বার্তা আর বিভিন্ন পর্যায়ে সমঝোতা ও আলোচনার পরও তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।
দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে ভোটের মাঠে থেকে যাওয়ায় ৫৯ জনকে গতকাল বুধবার প্রতীক বরাদ্ধের পর একযোগে ৫৯ জনকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। তাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতা যেমন রয়েছেন, তেমনি সাবেক সংসদ সদস্যও রয়েছেন।
এর আগে, একই কারণে ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়। পরে দুজন মনোনয়নপত্র তুলে নিলে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছিল দলটি।
এদিকে, এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর একজন বিদ্রোহী প্রার্থীর খবর পাওয়া গেছে। তিনি হলেন, ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জামায়াতের জেলা শাখার সাবেক আমির অধ্যাপক জসিম উদ্দিন।
তাকে গত ২৯ ডিসেম্বর দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সমকালের প্রথম পাতার খবর— জামায়াত জোটে এখনও ১৩ আসনে সুরাহা হয়নি।
এতে বলা হয়েছে, প্রতীক বরাদ্দের পরও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে আসন নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। মোট ১৩টি আসনে জোটের একাধিক দলের প্রার্থী রয়েছেন।
এর মধ্যে নরসিংদী-২, সুনামগঞ্জ-১, মৌলভীবাজার-৩ ও চট্টগ্রাম-৮ আসন জোট শরিকদের ছেড়ে দিলেও জামায়াতের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।
তবে, চট্টগ্রাম-৮ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. আবু নাসের গতকাল বুধবার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
মৌলভীবাজার-৪ আসন নিয়ে এনসিপি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এবং ফরিদপুর-৪ আসন নিয়ে জামায়াত ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের টানাপোড়েন চলছে। তারা এসব আসনে নিজেকে জোটের একক প্রার্থী হিসেবে দাবি করছেন।
সিরাজগঞ্জ-৬ আসন এনসিপিকে ছাড়া হলেও এবি পার্টির প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।
সুনামগঞ্জ-১ আসন নেজামে ইসলামকে ছাড়া হলেও জামায়াত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা তালাবদ্ধ করে রাখায় তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে নেজামে ইসলামকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান খবর— Nine state banks to be merged into two large entities: Governor; অর্থাৎ গভর্নর বলেছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত নয়টি ব্যাংককে দুটি ব্যাংকে একীভূত করা হবে, যেগুলো হবে বৃহৎ।
এই খবরে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত নয়টি ব্যাংককে দুটি বৃহৎ ব্যাংক হিসেবে একীভূত করার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক, এমনটা জানিয়েছেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ও সুশাসনের উন্নতি এবং এই খাতে দীর্ঘস্থায়ী অব্যবস্থাপনা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে গতকাল বুধবার ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এই কথা জানান।
আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ৬১টি ব্যাংক রয়েছে, যা অর্থনীতির প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট।
তার মতে, দেশে অনেক ছোট ব্যাংকের চেয়ে কম সংখ্যক বড় ব্যাংকের প্রয়োজন। ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে আনা হলে সুশাসন নিশ্চিত করা সহজ হবে।