পত্রিকা: 'কারাগার থেকে পালানো বন্দিদের মধ্যে এখনো ফেরারি ৭ শতাধিক'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

এই খবরে বলা হয়েছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের আগে-পরে দেশের ১৭টি কারাগারের বন্দিরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। পালিয়ে যান নরসিংদী, শেরপুর ও সাতক্ষীরা কারাগারের সব বন্দি।

এর মধ্যে নরসিংদী কারাগার থেকে ৮২৬, শেরপুর থেকে ৫০০, সাতক্ষীরা থেকে ৬০০, কুষ্টিয়া কারাগার থেকে ১০৫ ও কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ২০০ বন্দি পালায়।

এর বাইরে জামালপুর কারাগারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও সেখান থেকে বন্দি পালিয়ে যাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

সব মিলিয়ে দেশের কারাগার থেকে সে সময় দুই হাজার ২৩২ জন বন্দি পালিয়ে যান।

পরে তাদের মধ্যে এক হাজার ৫১৯ জনকে ফেরানো সম্ভব হলেও এখনো ফেরারি ৭১৩ জন। এসব বন্দির মধ্যে দুর্ধর্ষ অপরাধীও রয়েছেন।

পলাতক বন্দিদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবস্থা নিতে বলেছে কারা অধিদপ্তর।

পাশাপাশি দেড় বছর হতে চললেও এখনো কারাগার থেকে লুট হওয়া সব অস্ত্রও উদ্ধার হয়নি। এসব অস্ত্রের মধ্যে আছে চাইনিজ রাইফেল, শটগানও।

এ অস্ত্র ব্যবহার করে পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বণিক বার্তা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

এতে বলা হয়েছে, টানা ১৫ বছর মার্চ-এপ্রিলের আগে সব বই দিতে পারেনি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

এবারও মার্চের আগে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের সব বই পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

প্রতি বছর বিলম্বে পাঠ্যবই ছাপানোর নেপথ্যে রয়েছে পাঁচ হাজার কোটি টাকার অবৈধ গাইড বই বাণিজ্য।

যার মধ্যে লেকচার পাবলিকেশন ৮০ শতাংশ নোট-গাইড বাজারে সরবরাহ করে আসছে এবং অবৈধ এই ব্যবসার বাজার সম্পূর্ণ তাদের নিয়ন্ত্রণে।

প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষা ক্যাডারের পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তা গোপনে কাজ করেন। তারা মূলত নোটবই লেখার কাজ করেন।

আর গাইড বইয়ের বিক্রি বাড়াতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিশন ও ঘুষ প্রদান বাবদ এবার ৫০০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।

মাধ্যমিকের অন্তত দশজন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক অভিযোগ করেন, ক্লাসে বুকলিস্ট দিয়ে নির্দিষ্ট প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের নোট, গাইড, গ্রামার ও ব্যাকরণ বই কিনতে বলা হয়। ফলে কিছু করার থাকে না। বাধ্য হয়েই কিনতে হয়।

এদিকে, সৃজনশীল মেধা বিকাশ নিশ্চিত করতে ২০০৮ সালে হাইকোর্টের এক আদেশে নোট বইয়ের পাশাপাশি গাইডও নিষিদ্ধ করা হয়।

আইনটি লঙ্ঘনের দায়ে সর্বোচ্চ সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে। নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও দেশে দীর্ঘদিন ধরে নোট-গাইড বইয়ের রমরমা ব্যবসা চলছে।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:
ইত্তেফাক

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর— একজনের নামে ২০০ ফোনসেট নিবন্ধন!

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে অবৈধ ও অননুমোদিত মোবাইল ফোনসেটের ব্যবহার বন্ধে এনইআইআর সিস্টেম কার্যকর করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

এর জন্য ওয়েবসাইটও চালু হয়েছে। এখানে গ্রাহকেরা তাদের মোবাইল ফোন নিবন্ধন ও এর বৈধতা যাচাই করতে পারছেন ।

কারও জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১০টি, কারও ৫০টি, কারও আবার ২০০টির বেশি মোবাইল ফোন নিবন্ধন হয়েছে বলে এতে দেখানো হচ্ছে।

কেউ আবার ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেষ্টা করেও ওয়েবসাইটে নাম নিবন্ধন করতে পারছেন না।

হ্যান্ডসেটের সংখ্যা দেখানো প্রসঙ্গে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, অপারেটরদের কাছ থেকে প্রায় তিন বিলিয়নের বেশি ডেটা সেট পেয়েছি।

অর্থাৎ অপারেটররা হিস্টোরিক ডেটাসহ সবকিছুই সিস্টেমে তুলেছে। তবে মাইগ্রেশনের তারিখটা এখনকার দেখানো হয়েছে বলে অনেকের এনআইডিতে সচল সিম বা হ্যান্ডসেটের সংখ্যা বেশি দেখাচ্ছে।

ধীরে ধীরে হিস্টোরিক ডেটা ব্যাকগ্রাউন্ডে আর্কাইভ করে শুধু বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেটের সংখ্যা দেখানো হবে বলে জানান তিনি।

বিটিআরসি জানিয়েছে, সমস্যা সমাধানে বিটিআরসি ও মোবাইল ফোন অপারেটরেরা যৌথভাবে কাজ করছে। এতে কিছুটা সময় লাগবে।

আজকের পত্রিকা

এই সংবাদে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থীর সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৪৪ জন।

জামায়াতের সঙ্গে জোটের কারণে এ সংখ্যা পরে কমতে পারে।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, এই ৪৪ প্রার্থীর মধ্যে চারজন কোটিপতি। বাকিরা আয়-সম্পদে পিছিয়ে।

এনসিপির কোটিপতি প্রার্থীদের মধ্যে এগিয়ে প্রকৌশলী নাবিলা তাহসিন (ঢাকা-২০), তার মোট সম্পদ পাঁচ কোটি ৪০ লাখ টাকার।

এরপরে অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রাশেল উল আলমের (সিলেট-৪), তার সম্পদ দুই কোটি ৭৫ লাখ টাকার।

নাটোর-৩ আসনের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এস এম জার্জিস কাদের রয়েছে এক কোটি ৩৭ লাখ টাকার সম্পত্তি।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনের প্রার্থী মাহবুব আলমের অস্থাবর সম্পত্তির বর্তমান আনুমানিক মূল্য এক কোটি ১০ লাখ টাকা। তিনি এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সদ্য সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বড় ভাই।

কোটির টাকার কাছাকাছি সম্পদ রয়েছে নোয়াখালী-২ আসনের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া মজুমদারের। তার সম্পদের মূল্য ৯৬ লাখ টাকা।

কুমিল্লা-৪ আসনে প্রার্থী হয়েছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। সব মিলিয়ে তিনি সম্পদ দেখিয়েছেন ৯০ লাখ টাকার।

নোয়াখালী-৬ আসনের আবদুল হান্নান মাসউদের মোট সম্পদ ৭৬ লাখ টাকা।

এদিকে, এনসিপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আয়ের দিক থেকে শীর্ষে। তার বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা।

তিনি ৩২ লাখ টাকার সম্পদের মালিক।

সমকাল

এতে বলা হয়েছে, শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজধানীর শাহবাগ।

আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার না হলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করার আলটিমেটাম দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। গতকাল শুক্রবার শাহবাগ মোড় অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি থেকে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

এদিন জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে সংগঠনটি।

গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে শাহবাগে টানা কর্মসূচি পালন করে আসছে ইনকিলাব মঞ্চ।

যুগান্তর

হলফনামায় প্রার্থীর তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন— দেশ রূপান্তরের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে চাওয়া প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই চলছে।

এই যাচাইবাছাইয়ের মধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে ওঠে এসেছে প্রার্থীদের হলফনামা। আয়-ব্যয়ের হিসাব, সম্পদের বিবরণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও মামলার তথ্য নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

প্রার্থীদের হলফনামায় দেওয়া তথ্যে বাস্তবতার ঘাটতি আছে কি না সেই প্রশ্ন সবখানে।

অনেক প্রার্থীর ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, ব্যক্তিগতভাবে আর্থিকভাবে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত হলেও হলফনামায় তাদের বার্ষিক আয় কিংবা সম্পদের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম দেখানো হয়েছে।

আবার কিছু প্রার্থী নিজ নামে বাড়ি বা গাড়ি নেই উল্লেখ করলেও তাদের স্ত্রীদের নামে বিপুল সম্পদের হিসাব ওঠে এসেছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ও সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, হলফনমার তথ্য নিয়ে আমরা ২০০৫ সাল থেকে লড়াই করে আসছি। উদ্দেশ্য একটাই জনগণকে ক্ষমতায়িত করা।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, নির্বাচন কমিশন কখনোই প্রার্থীদের দেওয়া তথ্য যথাযথভাবে যাচাইবাছাই করেনি।

বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:
দেশ রূপান্তর

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— ACC to scrutinise affidavits of aspirants; অর্থাৎ প্রার্থীদের হলফনামা খতিয়ে দেখবে দুদক।

এই সংবাদে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামায় ঘোষিত সম্পদের তথ্য খতিয়ে দেখবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যা প্রথমবারের মতো।

সংস্থাটির মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, কমিশন ইতোমধ্যে প্রার্থীদের জমা দেওয়া হলফনামা যাচাই করা শুরু করেছে।

যদি কোনো হলফনামায় ভুল বা মিথ্যা তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে দুদকের আইন ও বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

হলফনামায় প্রার্থীরা তাদের সম্পত্তি ও দায়ের বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রার্থীরা। তাদের এই ধরনের ঘোষণাকে খুব কমই প্রশ্ন দেখা করতে গেছে। বরং জবাবদিহিতার পরিবর্তে সাধারণ কাগজপত্র হিসেবে এটি বিবেচিত হয়েছে।

সম্প্রতি আরপিও'র সংশোধনীর প্রেক্ষাপটে দুদকের এই পদক্ষেপ গুরুত্ব পাবে।

কারণ, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিল এবং নির্বাচনের পরেও এটি প্রমাণিত হলে সংসদ সদস্য পদ বাতিলের মতো ব্যবস্থা নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন।

দ্য ডেইলি স্টার

National elections: Women account for 4.26pc of candidates; অর্থাৎ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থী চার দশমিক ২৬ শতাংশ— নিউ এইজের দ্বিতীয় প্রধান খবর এটি।

এই সংবাদে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০৮ জন নারী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা ৩০০টি আসনের মধ্যে ১১০টিতে প্রার্থী হয়েছেন।

তবে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর নারী প্রার্থীর এই সংখ্যা কার্যত ১০৭-এ নেমে এসেছে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ২ হাজার ৫৬৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। যার মধ্যে নারী প্রার্থী মাত্র ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ।

মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাইয়ের পর এই পরিসংখ্যান চূড়ান্ত হবে।

সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক হাজার ৯৬৯ জন চূড়ান্ত প্রার্থী ছিলেন, যার মধ্যে নারী ৯৬ জন।

চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে, ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৫২টি আসনে ৫০ জন এবং ২০০১ সালের ভোটে ৪৮টি আসনে ৩৮ জন নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

এবার নারী প্রার্থীর সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তাদের প্রতিনিধিত্ব সীমিত রয়ে গেছে।

যার ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন।

নিউ এইজ

তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হচ্ছেন— প্রথম আলোর প্রধান খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫–এর বিধি ৭(চ) অনুযায়ী, 'কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনোনীত হলে সে ক্ষেত্রে তিনি শুধু নিজের বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ড বিল ও ফেস্টুনে ছাপাতে পারবেন।'

খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে বিএনপির চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়ে গেছে। তার মৃত্যুতে দলটির প্রার্থীর প্রচারের ব্যানার-ফেস্টুনে কার ছবি ব্যবহার করা যাবে, সেটা মীমাংসিত হয়নি। এ বিষয়ে জানতে শিগগিরই ইসিতে যাবে দলটি।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

রাজনৈতিক সংবেদনশীলতাসহ কৌশলগত কারণে বিষয়টি এখনই সামনে আনা হচ্ছে না।

সময়মতো প্রকাশ্য ঘোষণা আসবে এ নিয়ে। কারণ, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পুরো দেশ এখনো শোকার্ত।

প্রথম আলো