আমির হামজার বিরুদ্ধে মোরাল পুলিশিংয়ের অভিযোগ, কী বলছেন কুষ্টিয়ার এই সংসদ সদস্য?

সম্প্রতি ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে

ছবির উৎস, Facebook

ছবির ক্যাপশান, সম্প্রতি ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে মোরাল পুলিশিংয়ের অভিযোগের এই ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে
    • Author, তারেকুজ্জামান শিমুল
    • Role, বিবিসি নিউজ বাংলা
  • পড়ার সময়: ৬ মিনিট

কুষ্টিয়ার জামায়াত নেতা ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আমির হামজার বিরুদ্ধে 'রমজানের পবিত্রতা রক্ষার' নামে মোরাল পুলিশিং করার অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে মি. হামজা ও তার সঙ্গের এক পুলিশ কর্মকর্তাকে দোকানিদের বিরুদ্ধে রমজানে নামাজের সময় টিভি চালানো ও ক্যারাম খেলার বিষয়ে হুঁশিয়ার উচ্চারণ করতে দেখা যাচ্ছে।

"কোনো ক্যারাম, কোনো টিভি চলবে না। এককথায় শেষ, রমজান মাস," ধমকের সুরে দোকানিদের উদ্দেশ্যে বলেন কুষ্টিয়ার পাটিকাবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মসিউল আজম।

এ ঘটনার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে মি. আজমকে।

তিনি দাবি করেছেন যে, 'ওপরের নির্দেশেই' তিনি দোকানিদেরকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ার করেছেন।

যদিও ওই ধরনের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার।

"পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা এ ধরনের কোনো নির্দেশনা দেইনি। ওখানে এমপি (সংসদ সদস্য) সাহেবের উপস্থিতিতে এমপি সাহেবের কথাটাই তিনি বলেছেন," বিবিসি বাংলাকে বলেন এসপি জসীম উদ্দিন।

আমির হামজা নিজেও বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে তার দাবি, মোরাল পুলিশিং নয়, বরং 'দ্বীনের প্রতি দায়' থেকে তিনি নামাজের সময় দোকানে টিভি ও ক্যারাম খেলা বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

"আমার কথাগুলোই পুলিশের অফিসার বলে দিয়েছে, একটু উঁচু গলায়," বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. হামজা।

পুলিশ ও জনপ্রতিনিধির এমন কর্মকাণ্ডে জনমনে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

এদিকে, মোরাল পুলিশিংয়ের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

"একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ঘটনাটা দুঃখজনক। দেশের সংবিধান ও আইন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে তিনি এমন কাজ করতে পারতেন না," বিবিসি বাংলাকে বলেন মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন।

রমজানে খাবারের দোকানের সামনে প্রায়ই পর্দা টানাতে দেখা যায়

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, রমজানে খাবারের দোকানের সামনে প্রায়ই পর্দা টানাতে দেখা যায়

ঘটনা সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার কুষ্টিয়া সদরের পাটিকাবাড়ি বাজারে। সেটার একটি ভিডিও পরবর্তীতে ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সেদিন সন্ধ্যায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পাটিকাবাড়ি বাজারে হাজির হন জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আমির হামজা।

তার সঙ্গে সেসময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার আওতাধীন পাটিকাবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মসিউল আজমও ছিলেন।

তবে তার গায়ে পুলিশের পোশাক ছিল না। তিনি ছিলেন সাদা রঙের টুপি-পাঞ্জাবী পরা, হাতে পুলিশের ওয়্যারলেস ফোন, যা ওয়াকি-টকি নামে বেশি পরিচিত।

বাজারের একটি চায়ের দোকানে ঢুকে উপস্থিত সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করছিলেন মি. হামজা।

এর মধ্যে হঠাৎ করে চা দোকানির দিকে আঙুল তুলে পুলিশ কর্মকর্তা মি. আজমকে ধমকের সুরে বলতে শোনা যায় "এই, ওই যে ক্যারাম খেলতেছে, আমি বন্ধ করে দিছি কি-না? কেন চললো? দেব বসান?"

"কেন চললো? কেন ক্যারাম চললো? আমি এই তারাবিহ'র একমাস চলবে না ক্যারাম আমি বলে দিছিনা? সেদিন ডাইকে বাজার কমিটিরে বলে দিছি কি-না?," এ কথা বলে ক্যারাম খেলা যেদিকে চলছিল, সেদিকে এগিয়ে যান মি. আজম।

বরিশালের মুলাদির ঘটনার ছবি

ছবির উৎস, Islami Andolon BD/Facebook

ছবির ক্যাপশান, গত বছরের রমজানে বরিশালের মুলাদিতে মোরাল পুলিশিংয়ের ঘটনা ঘটেছিল

দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে এতক্ষণ ঘটনাটি দেখছিলেন সংসদ সদস্য মি. হামজা।

দোকানির দিকে তাকিয়ে তাকে বলতে শোনা যায়, "যা-ই করবেন, নামাজের সময়টায় যেন এসব না করেন...রমজান মাস এমনেই এবাদতের মাস না? সারাবছর করেন..."

আমির হামজার এই বক্তব্য শেষ না হতেই পাশ থেকে পুলিশ কর্মকর্তা মসিউল আজম হুঁশিয়ার করে দেন, "কোনো ক্যারাম, কোনো টিভি চলবে না। এককথায় শেষ, রমজান মাস।"

এরপর মি. হামজা বলেন, "রমজান মাসটা একটু মেনেচুনে চলা লাগবে। ঠিক আছে।"

কথা শেষ করে নেতাকর্মীদের নিয়ে অন্যদিকে চলে যান তিনি।

নতুন সংসদ সদস্য ও পুলিশ কর্মকর্তার এমন হুঁশিয়ারির পর দোকানে খেলা ও টিভি বন্ধ রেখেছেন বাজারটির দোকানিরা।

"এমপি সাহেব বলে যাওয়ায় প্রায় সব দোকানে টিভি ও ক্যারাম খেলা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বেচা- বিক্রিও কমে গেছে," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন বাজারটির একজন দোকানি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই দোকানি দাবি করেন, টিভি চালানো বা খেলাধুলার মাধ্যমে তারা মুসল্লিদের কারো নামাজে ব্যাঘাত ঘটান না।

"রোজা-রমজানের কথা মাথায় রেখে আমরা সেভাবে চালাই। ডিস্টার্ব হলে তো মুসল্লিদের কেউ না কেউ অভিযোগ করতো। তা তো করে নাই," বলেন ওই দোকানি।

মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন
ছবির ক্যাপশান, মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন

আইন কী বলে?

রোজায় দিনের বেলায় খাবারের দোকান খোলা রাখার ব্যাপারে সরকারি কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইনেও কোনো ব্যক্তিকে মোরাল পুলিশিং করার অধিকার দেওয়া হয়নি বলে জানাচ্ছেন আইনজীবীরা।

"আমাদের সংবিধানে কোনো নাগরিককে মোরাল পুলিশিংয়ের অধিকার দেওয়া হয়নি, বরং ধর্মীয় ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

মূলত দেশটির সংবিধানের তৃতীয়ভাগে মৌলিক অধিকার হিসেবে ধর্মীয় স্বাধীনতার পাশাপাশি ব্যক্তি স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন অমান্য না হওয়া পর্যন্ত দেশের কোনো নাগরিককে তার জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।

আর ৪১ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।

সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম সংক্রান্ত না হলে তাকে কোনো ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না।

আইনে ব্যক্তি ও ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার দেওয়া হলেও সেগুলো পালনের নামে যদি কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন বা অন্যের অধিকার হরণ করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান আইনজীবীরা।

"কিন্তু কুষ্টিয়ার ঘটনায় সে ধরনের কিছু ঘটেছে বলে শোনা যায়নি। ক্যারাম খেলা বা টিভিতে গান বাজনা চালানোর কারণে যদি কারো ধর্মকর্মে ব্যাঘাত ঘটেও, সেক্ষেত্রে অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু যেভাবে দোকানিদের ধমকানো হয়েছে, সেটি তারা করতে পারেন না," বলেন আইনজীবী মি. মোরসেদ।

"তাছাড়া রমজানে যারা দোকানে বসছেন বা খাচ্ছেন, তারা সবাই যে ইসলাম ধর্মের অনুসারী তা নয়। অন্য ধর্মের মানুষের কথাও মাথায় রাখা উচিৎ," যোগ করেন সুপ্রিম কোর্টের এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।

রোজায় দিনের বেলায় খাবারের দোকান খোলা রাখার ব্যাপারে সরকারি কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, রোজায় দিনের বেলায় খাবারের দোকান খোলা রাখার ব্যাপারে সরকারি কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই

কী বলছেন আমির হামজা?

ঘটনার দিন পাশেই একটি ইফতারের দাওয়াতে গিয়েছিলেন বলে জানান কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা।

"ওইডা আমার নিজের এলাকা। পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নে আমার একটা ইফতারি অনুষ্ঠান ছিল, সেটা শেষ করে নামাজের আগ দিয়ে বাজারে ঢুকে দেখি ক্যারাম বোর্ড খেলছে ছেলেরা আর ওই যে টিভি চলছে নাচ-মাচ এগুলো," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন মি. হামজা।

রমজান মাসের 'পবিত্রতা রক্ষার্থে' সেগুলো বন্ধ রাখার জন্য দোকানিদের প্রতি আহ্বান জানানো তিনি।

"আমরা বলেছি, রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষার্থে অন্তত এই একমাস এগুলো বন্ধ রাখবা। এর বাইরে, টিভি বন্ধ, গান-বাজনা হবে না, ক্যারাম খেলা বন্ধ- এগুলো বলতে চাইনি এবং বলিওনি," বলেন মি. হামজা।

একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হয়েও প্রচলিত আইনের বাইরে গিয়ে তিনি এমন আচরণ করতে পারেন কি-না, সেটি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে দেখা যাচ্ছে।

"আমি তো কেবল সংসদ সদস্য নয়, আমি একজন আলেমও। ফলে দ্বীনের দায় থেকে বাজারের সবাইরে এটা বলেছিলাম। আর আমার কথাগুলোই পুলিশের অফিসার বলে দিয়েছে, একটু উঁচু গলায়। আমরা কোনো মোরাল পুলিশিং করতে যাইনি," বলছিলেন আমির হামজা।

গতবছর রমজানেও দেশের অনেক জায়গায় এমন 'মোরাল পুলিশিং' দেখা গিয়েছিল
ছবির ক্যাপশান, গতবছর রমজানেও দেশের অনেক জায়গায় এমন 'মোরাল পুলিশিং' দেখা গিয়েছিল

পুলিশ কর্মকর্তা যা বলছেন

কুষ্টিয়ার পাটিকাবাড়ি বাজারের ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেটি ঘিরে নানান আলোচনা-সমালোচনা হতে দেখা যায়।

সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ না থাকার পরও পুলিশের একজন কর্মকর্তা বাজারে গিয়ে নামাজের সময় ক্যারাম খেলা ও টিভি দেখা বন্ধ রাখতে বলতে পারেন কি-না, সেই প্রশ্নও উঠতে দেখা যাচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মসিউল আজমকে পাওয়া যায়নি।

তবে মি. আজম রোববার স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, 'ইসলামের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে'র জায়গা থেকেই তিনি রোজার মাসে নামাজের সময় ক্যারাম খেলা ও টিভি দেখা বন্ধ রাখার নির্দেশনা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে 'ওপর মহল' থেকে তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করে মি. আজম।

যদিও অধস্তন কর্মকর্তাদের প্রতি এ ধরনের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) জসীম উদ্দিন।

"পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা এ ধরনের কোনো নির্দেশনা দেয়নি। ওখানে এমপি (সংসদ সদস্য) সাহেব উপস্থিতে এমপি সাহেবের কথাটাই তিনি বলেছেন," বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. উদ্দিন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, "রমজানে কখন চায়ের দোকান খোলা থাকবে কি থাকবে না বা সেখানে টিভি চলবে কি-না, সেটা আইনানুগ বিষয় না। পাশেই নামাজ হচ্ছিলো। এটা ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়। এমপি সাহেবের কথাটা উনি বলেছেন, পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সেটা করা তার উচিৎ হয় নাই।"

ঘটনার পর সমালোচনার মুখে রোববার পুলিশ কর্মকর্তা মসিউল আজমকে পাটিকাবাড়ি ক্যাম্প থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

"আমরা ঘটনাটা নিয়ে আরও খোঁজ-খবর নিচ্ছি। তদন্ত শেষে যদি মনে হয় যে, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় অন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, তাহলে বিধি অনুযায়ী সে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে," বিবিসি বাংলাকে বলেন কুষ্টিয়ার এসপি জসীম উদ্দিন।