ওয়াসার পাইপে পড়ে নিহত জিহাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ

শিশুটিকে উদ্ধারে তখন রাতভর চেষ্টা করা হলেও সন্ধান মেলেনি (ফাইল ছবি)

ছবির উৎস, focus bangla

ছবির ক্যাপশান, শিশুটিকে উদ্ধারে তখন রাতভর চেষ্টা করা হলেও সন্ধান মেলেনি (ফাইল ছবি)

২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাস। শীতের এক বিকেলে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার শাহজাহানপুরে খেলতে গিয়ে চার বছর বয়সী শিশু জিহাদ পড়ে যায় ওয়াসার পানির পাইপের ভেতর।

এরপর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। রাতভর অভিযান চলে ।

গণমাধ্যমকর্মীরা প্রায় পুরোটা সময়ই সেখানে ভীড় করেছিলেন। একসময় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা "পাইপের ভেতর কারও অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি" জানিয়ে দেন।

এরপর সাধারণ মানুষের চেষ্টায় কয়েকশ' ফুট গভীর পাইপের ভেতর থেকেই বের করে আনা হয় শিশু জিহাদকে। তবে ততক্ষণে তার ছোট্ট দেহ নিষ্প্রাণ হয়ে গেছে।

এবার শিশু জিহাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মোহাম্মদ ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এই নির্দেশ দেয়।

তবে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ কত হবে এবং সরকারের কোন প্রতিষ্ঠান তা প্রদান করবে সে বিষয়ে জানা যাবে পূর্ণাঙ্গ রায়ে।

এ ঘটনায় উদ্ধারকাজে অবহেলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছিলেন শিশু অধিকার বিষয়ক সংগঠন চিলড্রেনস চ্যারিটি বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পক্ষে আইনজীবী আবদুল হালিম।

জিহাদের পরিবারকে ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে আদালত।

এসময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করীম।