সংলাপে প্রাথমিক স্তরে একই কারিক্যুলাম ও সিলেবাস নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশ সংলাপে বাংলাদেশে প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের একই ধরনের কারিক্যুলামে শিক্ষাদানে সরকার ও বিরোধী দল বিএনপির প্রতিনিধিরা একমত পোষণ করেছেন। তবে তারা এক্ষেত্রে বাস্তব অবস্থার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা বলেছেন।
ঢাকায় বিয়াম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংলাপের এ পর্বে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উপর সংলাপের এ বিশেষ পর্বে শিক্ষকরা আধুনিক শিক্ষাদানের জন্য প্রস্তুত কি-না, মানসম্মত শিক্ষা নাকি পরীক্ষায় পাশ, শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ যথেষ্ট কি-না এমন বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে আসে।
সংলাপের এ পর্বে আলোচক ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী এবং ইসলামী ম্যাগাজিন আল-কাওসার এর নির্বাহী সম্পাদক শরিফ মুহাম্মদ।
অনুষ্ঠানে প্রথম প্রশ্ন করেন মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন। তিনি জানতে চান সব শিশুকে একই শিক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশে প্রাথমিক পর্যায়ের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কি একই রকম কারিক্যুলাম ও সিলেবাস গ্রহণ করা উচিত ?
জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন শিক্ষার মূল লক্ষ্য প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন বিশ্ব ব্যবস্থায় নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারে। সেজন্য সবকিছু চিন্তা করা হচ্ছে বিশ্ব বাস্তবতার নিরিখে।
তিনি বলেন, “২০১০ এর শিক্ষানীতি নিয়ে বিকল্প নেই। তবে সব শিশুকে একই ভাষা, একই শিক্ষা সেটা মনে হয় হচ্ছেনা। বিদ্যমান যে ব্যবস্থা আছে সেটাকে ভেঙ্গে কোন বিপ্লবের দিকে আমরা যাইনি”।
আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু বলেন, "ধর্মীয় বা নৈতিক শিক্ষাকে বাদ দেয়া যাবেনা। তবে এটাকেই প্রাধান্য দিতে সেটিও নয়। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য একটি সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা দরকার"।
তিনি বলেন, “একমুখী করা সম্ভব একটি পর্যায়ে গিয়েছে। সব শিক্ষার লক্ষ্য দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। ধর্মীয় বিষয়টাকে বাদ দেয়ার বিষয় ভাবা উচিত না। এর সাথে অন্য বিষয়গুলো যোগ করবো”।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন শিক্ষাক্রমের আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। বিভিন্ন ধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় সিলেবাস ও কারিক্যুলামে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু সেখানেও কিছু কিছু বিষয় অভিন্ন রাখা যেতে পারে।
তিনি বলেন, “একটা সময় ন্যূনতম অভিন্নতার মধ্যে আসা দরকার। নৈতিকতা বা আমাদের সংস্কৃতি বাদ দিয়ে নয়। আলোকিত মানুষ গড়ার পাশাপাশি যোগ্য করে গড়ে তোলার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে”।
আলোচনায় অংশ নিয়ে ইসলামী ম্যাগাজিন আল-কাওসার এর নির্বাহী সম্পাদক শরিফ মুহাম্মদ বলেন, "বিভিন্ন ধারার শিক্ষার মধ্যে সমন্বয় করা যেতে পারে। কিন্তু এটি এক করা কঠিন হতে পারে"।
তিনি বলেন, "যতদিন পর্যন্ত সেটি করা যাবেনা ততদিন কমন বিষয়গুলোতে এক করা যেতে পারে যাতে শিশুরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়"।
তিনি বলেন, “একটা জায়গায় এসে সমন্বয় করা যায় কি-না। কিছু জায়গায় কমন বিষয়গুলো আনতে পারলে জাতি উপকৃত হবে। আমাদের শিশুরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়”।
একজন দর্শক বলেন, “একমুখীর কথা বলছি। কিন্তু সেটা কোন দিকে যাবে? ইংরেজ নাকি মাদ্রাসা শিক্ষার দিকে”?
মানসম্মত শিক্ষা নাকি পরীক্ষায় পাশ !
মো: শাহাদৎ হোসেন শাকিল জানতে চান বাংলাদেশে কি এখন মান-সম্মত প্রাথমিক শিক্ষার ওপর জোর দেয়া হচ্ছে, নাকি জোর দেয়া হচ্ছে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় শতভাগ পাশের ওপর?
রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, “মান-সম্মত শিক্ষার সাথে প্রাথমিক পর্যায়ের সমাপনী পরীক্ষাকে যুক্ত করে দেখা ঠিক হবেনা। পরীক্ষা হচ্ছে ন্যূনতম একটা পর্যালোচনার মধ্যে শিশুদের নিয়ে আসার জন্য। দক্ষতা বা শিক্ষার মান অর্জন রাতারাতি হবেনা”।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, “স্কুলে যাকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে সেখানে সে কিছু না কিছু শিখছে। শতভাগ মানসম্মত হয়নি কিন্তু সেদিকে আমাদের যেতে হবে। কোন স্কুলের পাশের হার কম হলে অনেক সুযোগ সুবিধা যে পায়না। তবে আগে থেকে অনেক এগিয়েছি”।
আলোচনায় অংশ নিয়ে একজন দর্শক বলেন, “বিদ্যালয়ের গ্রেডিং তো পাশ দিয়েই বিচার করা হচ্ছে। শতভাগ পাশ করাতে পারলেই মান-সম্মত শিক্ষার বিষয়টি চলে আসে”।
শরীফ মুহাম্মদ বলেন, “মান-সম্মত শিক্ষা ও শতভাগ পাশ একসাথে হলে চিন্তার কিছু ছিলনা। তবে বড় অর্জন শিশুদের স্কুলমূখী হওয়া। প্রায় শতভাগ শিশু স্কুলে আসছে। তবে প্রাধান্য পাচ্ছে শতভাগ পাশ”।
মন্ত্রী বলেন, “আমি চাই সব বাচ্চারা যেন মান অর্জন করে। মানুষের প্রত্যাশা করতে দোষ নেই। মানুষের চিন্তায় এখন ছেলেমেয়েদের শিক্ষার বিষয়টি এসেছে"।
তিনি বলেন, "জোর করে পাশ করাতে হবে সরকারের এমন কোন নীতি নেই”।
শিক্ষকরা কি প্রস্তুত !
ফারদানা আলম সোমা জানতে চান একটি আধুনিক প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার ক্ষেত্রে আমাদের শিক্ষকরা কি এখন প্রস্তুত?
শরীফ মুহাম্মদ বলেন, “এ ধরনের প্রস্তুতি অনুশীলনের উপর নির্ভর করে। যে শিক্ষা ব্যবস্থায় কাজ করা দরকার বর্তমান যে বিশাল শিক্ষক সমাজ প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন বা প্রস্তুত হচ্ছেন তারা তাদের যোগ্যতা প্রকাশ করতে পারবেন”।
রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, “শিক্ষকতা এমন একটি পেশা কোন চাকুরী না পাওয়া যায় তাহলে শিক্ষকতায় যান। পেশায় মান মর্যাদা বেতন দিয়ে তেমন শিক্ষকদের আকৃষ্ট করতে না পারলে এ প্রশ্ন তোলাই যৌক্তিক না”।
একজন দর্শক বলেন, “শিক্ষকরা প্রস্তুত কিন্তু যে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে সেটি যথেষ্ট নয়”।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন শিক্ষকরা প্রস্তুত আছে বলেই তিনি মনে করেন। তবে এজন্য তাদেরকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সচ্ছলতার নিশ্চয়তার ব্যবস্থা করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন শিক্ষকরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তাঁর আশা শিক্ষকরা মানুষের প্রত্যাশা মেটাতে সক্ষম হবেন ।
তিনি বলেন শিক্ষকদের সে ধরনের প্রশিক্ষণের আওতায় সরকার আনার চেষ্টা করছে।
শিক্ষায় বিনিয়োগ যথেষ্ট ?
ইয়াসমীন ইসহাক জানতে জান বাংলাদেশে শিক্ষাখাতে সরকারী বরাদ্দ অনেক অনুন্নত দেশের বরাদ্দের হারের চেয়েও কম। আমরা কি শিক্ষাখাতে যথেষ্ট বিনিয়োগ করছি?
রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, “বিনিয়োগ হচ্ছেনা। প্রাথমিক শিক্ষায় প্রতিটি শিশুর জন্য বছরে ৩০ থেকে ৫০ ডলার ব্যয় করা হচ্ছে। উন্নত দেশে এটা তিন হাজারের ডলারেরও বেশি। সরকারের অঙ্গীকার থাকলে বিনিয়োগ বাড়াতেই হবে”।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, “যারা মানসম্মত শিক্ষা দেবেন বা শিশুদের গড়ে তুলবেন তারা কেমন আছেন? সেজন্যই বিনিয়োগ জরুরী”।
শরীফ মুহাম্মদ বলেন, “বিনিয়োগ আরও বাড়ালে ভালো। কিন্তু বিনিয়োগের সু ব্যবহার নিশ্চিত করা বেশি দরকার"।
তিনি বলেন, "সরকারি অর্থের অপচয় বা রাজনীতি-করণ বা রাজনৈতিক দৌরাত্মে বরাদ্দের এক দশমাংস ব্যয় হয়। বাকীটা পকেটে চলে যায়”।
মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেন, “বিনিয়োগ অনেক বেড়েছে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ বেড়েছে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন বেড়েছে। এরপরেও বিনিয়োগ আরও বাড়ানো দরকার”।

বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে চলতি সপ্তাহে আলোচিত বিষয়বস্তু সম্পর্কে আপনার কী মতামত?:
In education sector developed countries subsidy is less than our country. In singapore nothing is free.you have to pay for your children's education even in primary level.in university level must pay fifty percent.but in our country government has to pay 99.99%.
Shamsul alam, singapore
It is very difficult to revise the whole syllabus at a time. It should be done with a time frame say about within five years. After each five year it should be re -revised. It is a continuous process.Unfortunately it has not been done in the so called subcontinent. After the independance of Bangala desh some effective measures are taken but it will need more effort .The seminer by SANLAP is worthwhile. Wishing the best .
Asit kumar Ghosh, Kolkata
শরীফ মুহাম্মাদ সাহেব যা বলেছেন, চমৎকার বলেছেন। তাঁর বক্তব্যের সমর্থনে আমি বলতে চাই, শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ আরো বাড়নোর পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।
ইসহাক ওমর, চট্টগ্রাম।
বিষয়টি খুবই সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ। একমুখী শিক্ষা বলতে সবগুলো স্ট্রিমের মধ্যে একটা সমন্বয় করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যাতে আমাদের জাতীয়তাবোধের অবমূল্যায়ন না হয় বা সে স্ট্রিমের বৈশিষ্ট্য নষ্ট না হয়। কোন স্ট্রিমকে বাদ দেয়া যাবে না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে আমার কথা হল যেখানে উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইলিমেন্টারি স্টেজে সামেটিভ এসেসমেন্ট বাদ দিয়ে ফরমেটিভ এসেসমেন্টের দিকে ঝুঁকছে সেখানে ঘটাও করে বিভিন্ন রকমের সামেটিভ পরীক্ষার প্রচলন করে শিশুদের মধ্যে পরীক্ষাভীতি বাড়ানোর যৌক্তিকতা কোথায়?
শরীফ উদ্দীন, ঢাকা
আমি মনে করি যা আলোচনা হচ্ছে সেটি বাস্তবায়ন হবেনা যদি শিক্ষকদের আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত না হয়।
মিলন, রাজশাহী।
প্রাথমিক স্তরে একই কারিক্যুলাম ও সিলেবাস নিয়ে আলোচনা আমার খুব ভালো লেগেছে। এই ধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা উপহার দেওয়ার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।
সাইফুল্লাহ তামীম, ঢাকা।
In primary level, only one curriculum should be followed.
Saiekh Mohammad sohrauddin, Dhaka
শিক্ষকদের বেতন ও মর্যাদা বাড়ালে এবং সুষ্ঠু জবাবদিহিতা থাকলেই শিক্ষার মান বাড়ানো সম্ভব।
গোপাল, লালমনিরহাট।
শিক্ষক বিশেষ করে সহকারি শিক্ষক দের বেতন বাড়ানো প্রয়োজন। যোগ্যতা অনুযায়ী স্কেল, নিয়োগ বিধি পরিবর্তন, বরাদ্দ, ব্যয়ের মধ্যে সমন্বয়, শিশুদের বিনামূল্যে খাতা পেন্সিল, লাঞ্চ এগুলো নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
ফজলে উদ্দিন, কুমিল্লা।
পঞ্চম শ্রেণীতে ইংরেজী বিষয়ে ৫০ নম্বর বাইরে থেকে দেওয়া কি দরকার ছিল ?
মাজেদুর রহমান মাজু
প্রাথিমিক স্তরে পঞ্চম শ্রেনীতে শিক্ষা ব্যবস্থা এক হওয়া উচিত, এখানে আমরা মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার কিছু অংশ, এবং বাংলা ও ইংরেজী শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয় ঘটাতে পারি, কারন আমাদের বিদেশীদের হুবহু ফলো করলে চলবেনা , আমরা আমাদের মত করে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করব এবং যে জিনিসটা খেয়াল রাখব তা হলো আন্তর্জাতিক মান সমুন্নত আছে কিনা বা আমরা বহিঃ বিশ্বের প্রতিযোগিতায় আমরা টিকতে পারছি কিনা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে আর একটা দিকে বিশেষ গুরত্ব দিতে অনুরোধ করব সেটা হলো ইন্টার মিডিয়েট এর পর ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম বাধ্যতা মূলক চালু করা। সেটা হতে পারে দেশি বা বিদেশী ভাষা শিক্ষা, বিদেশী যেমন, ইংরেজী, ফার্সী, আরবিসহ অন্যান্য। আমি অতি দ্রুত শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে প্রত্যেক জেলায় একটি করে ভাষা শিক্ষা অনুষদ গড়ে তোলার জন্য অনুরোধ করব।
মোঃ রিয়াজ, ল-কলেজ, শেষ বর্ষ, বরিশাল।
শিক্ষকের বেতন ও আন্তরিকতার অভাব দূর হলেই তা সম্ভব।
সরল পথের পথিক।
প্রাথমিক পর্যায়ের বিশেষ করে গ্রাম বাংলার স্কুল গুলিতে পড়াশোনার মান তেমন একটা আছে বলে মনে হয় না। বিশেষ করে শিক্ষকদের অদক্ষতা , অমনোযোগীতা , সময় মত স্কুলে না আসা, বেশীর ভাগ দিনেই স্কুলে অনুপস্থিত থাকা, রাজনৈতিক পরিচয় বহন করা ইত্যাদি রকমের হাজারো অভিযোগে অভিযুক্ত প্রায় প্রতি জন শিক্ষকই ।একমাত্র এই প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্যই আমাদের সার্বিক শিক্ষার মান কখনোই উন্নতির মুখ দেখেনি। কারন -এখানেই আমাদের হাতেখড়ি। উঁনাদের হাজারও সমস্যা আছে এবং থাকবে, কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না যে, উঁনাদের নিকট থেকে শিক্ষা নিয়েই আমারা আগামীর ইতিহাস গড়বো।অথচ যদি সর্ষের মধ্যেই ভূত থাকে, তাহলে...........? জানিনা এর শেষ কোথায় ? কখন আমরা পাবো মনে প্রাণে শিক্ষা দান করার মত আদর্শ শিক্ষক ???








