সংলাপে আলোচনা : 'একনায়কতন্ত্রের দিকে যাচ্ছে দেশ'

প্যানেল সদস্য বাঁ থেকে : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমেনা মহসিন, অনুষ্ঠান সঞ্চালক আকবর হোসেন, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রীর সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
ছবির ক্যাপশান, প্যানেল সদস্য বাঁ থেকে : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমেনা মহসিন, অনুষ্ঠান সঞ্চালক আকবর হোসেন, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রীর সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে প্যানেল আলোচক এবং দর্শকদের অনেকেই বলেছেন বাংলাদেশ ক্রমাগত একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

আলোচকদের একজন বলেছেন বিরোধী দলের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দেশে যা ঘটেছে তাতে আজকের (রোববার) দিনটি ‘বাংলাদেশের জন্য একটি কালো দিন’।

সংলাপের এ পর্বে বিরোধী দল বিএনপির একজন প্রতিনিধি থাকলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একজন নেতা শেষ মূহুর্তে অনুষ্ঠানে যোগ দেননি।

ঢাকায় বিয়াম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংলাপের এ পর্বে মূলত বিরোধী দলের গণতন্ত্রের অভিযাত্রাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং এ পরিস্থিতিতে ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন হওয়া উচিত কি-না এসব বিষয়ই আলোচনায় উঠে আসে।

সংলাপে আলোচক ছিলেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমেনা মহসিন এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রীর সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দীন খান আলমগীর যোগ দেয়ার কথা থাকলেও শেষ মূহুর্তে তিনি যোগ দেননি।

অনুষ্ঠানে প্রথম প্রশ্ন করেন নূরদিদা বিনতে সালাম পূর্ণি। তিনি জানতে চান একটি গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধী দলীয় নেতাকে অবরুদ্ধ রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে না দেয়াকে গণতান্ত্রিক আচরণ বলা যায় ?

আমেনা মহসীন বলেন, "এটা কোন ভাবেই গণতান্ত্রিক নয়। আজ যা ঘটে গেলো তাতে দিনটিকে কালো দিবস হিসেবেই আমরা মনে রাখবো। দেশটা একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। একদলীয় অবস্থার দিকে চলে যাচ্ছে। সরকারি দল মাঠ দখল করে আছে"।

আসিফ ইব্রাহীম বলেন, "আজ বাংলাদেশে যা ঘটছে তা বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রস্ফুটিত করার জন্য সহায়ক হবেনা। এটা কখনোই সুষ্ঠু গণতন্ত্রের জন্য উদাহরণ হতে পারেনা। এটা হল পিছনের দিকে যাওয়া"। তিনি বলেন, "ভালো গণতন্ত্র চর্চার উদাহরণ এটি নয়। বিরোধী দলকে কর্মসূচি পালন করতে দিলে তা মন্দ হতো বলে মনে হয়না। দেশের অর্থনীতি বিপন্নের মুখে। এটি রাজনীতিকদের বিবেচনা করা উচিত"।

একজন দর্শক বলেন, "আজ যে আচরণ হয়েছে তা অগণতান্ত্রিক। তবে গত ২/৩ মাস যে তাণ্ডবলীলা সেটাও গণতন্ত্র সমর্থন করেনা"। আরেকজন দর্শক বলেন, "আজ মনে হচ্ছে বিএনপি অবরোধ দেয় আর পালন করে সরকার বা পুলিশ"।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, "গণতন্ত্রের অভিযাত্রা ছিল শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি। বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে একদলীয় ব্যবস্থা কোথাও গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার কিন্তু সেই একদলীয় অবস্থার দিকে চলে যাচ্ছে। তার বিপরীতে একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দেয়া হয়েছে। কিন্তু সেটি পালন করতে দেয়া হলোনা"।

তিনি বলেন, "দুদিন আগ থেকেই বাস ট্রেন লঞ্চ সব বন্ধ। কর্মীদের গ্রেফতার করা হল। এতো জায়গায় মারপিট গ্রেফতার করা হল কোথাও কিন্তু একটি ককটেল ফুটেনি"।

নির্বাচন হওয়া উচিত ?

জেসমিন আক্তার জানতে চান বর্তমান পরিস্থিতিতে কি আদৌ নির্বাচন হওয়া উচিত ?

আসিফ ইব্রাহীম বলেন, "দেশের অর্থনীতি না বাঁচলে তো দেশে থাকা যাবেনা। ৬২ দিন হরতাল অবরোধ হয়েছে। তাতে এক লাখ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। বাজেটের অর্ধেক হারিয়ে গেছে"। তিনি বলেন, "এ নির্বাচন হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার গ্যারান্টি কি কেউ দিতে পারবে ? নির্বাচন হলে কি জনজীবন স্বাভাবিক ভাবে কাজে যোগ দিতে পারবো"?

আমেনা মহসিন বলেন, "এ নির্বাচনটি হওয়া উচিত না। শুধু পিছয়ে দিলে হবেনা দেখতে হবে কি প্রক্রিয়ায় নির্বাচন আবার অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা খর্ব করে তারপর নির্বাচনে যেতে হবে"।

একজন দর্শক বলেন," মনে হচ্ছে একনায়কতন্ত্র চলে আসবে এ দেশে। আরেকজন দর্শক বলেন নির্বাচন হলে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, না হলে তো হত্যাযজ্ঞ চলতেই থাকবে"।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, "যে নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ নেই, ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ নেই, যে নির্বাচনে শান্তি আসবেনা সে নির্বাচন পিছিয়ে দেয়া উচিত। সংসদ সচল আছে, সেখানে আইন পাশ করে সবার অংশগ্রহণে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা উচিত। এটা তো কোন নির্বাচনই না"।

ভয়াবহ সংকট আসছে ?

শফিকুল বারী শিপন জানতে চান বাংলাদেশে কি ১/১১ এর চাইতেও ভয়াবহ কোন রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হতে চলেছে ?

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, "চলমান সংকটের সুরাহা সম্ভব। জনগণ এ সংকটে নেই, এটি রাজনীতিকদের সমস্যা। জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করলেই এ সংকট থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে। আর ওয়ান ইলেভেন কিছু মানুষের ষড়যন্ত্র। সে সম্ভাবনা এখন আছে বলে মনে করিনা"।

একজন দর্শক বলেন, "ওয়ান ইলেভেনের মতো কোন ঘটনা ঘটবেনা। যদি ঘটে সেজন্য সরকারই দায়ী থাকবে"।

আমেনা মহসিন বলেন,"ওয়ান ইলেভেন যদি ষড়যন্ত্র হয় সে ষড়যন্ত্রের পটভূমি রাজনীতিকরাই তৈরি করেছিল। আজ যা হয়েছে তাতে দেশের জনগণ শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে অবরুদ্ধ হয়ে আছে। গণতন্ত্র সম্পূর্ণ ভাবে হারিয়ে গেছে "। তিনি আরও বলেন, "একটা তৃতীয় শক্তি কিন্তু জনগণের শক্তি বেরিয়ে আসলে খুশি হতাম"।

আসিফ ইব্রাহীম বলেন, "এদেশে কোন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের কারও তাদের নেত্রীকে প্রশ্ন করার অধিকার নেই। তাই দু নেত্রীকেই সমস্যার সমাধান করতে হবে"। তিনি বলেন, "ওয়ান ইলেভেনের মতো কঠিন সংকটর তৈরি হতে পারে। কারণ দু নেত্রী সমাধান না দিতে পারলে কতদিন এ অবস্থা চলতে থাকবে। জনগণ তো এ অবস্থা মেনে নিতে পারবেনা"।

নতুন সাংবিধানিক ব্যবস্থা ?

মোঃ আইনুল হক জানতে চান দীর্ঘ মেয়াদে রাজনৈতিক সংকট নিরসনের লক্ষ্যে বাংলাদেশে কি কোন নতুন সাংবিধানিক ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে ?

আসিফ ইব্রাহীম বলেন, "সমস্যা শুরু হয়েছে সংবিধান পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই। পঞ্চদশ সংশোধনী বিতর্কিত এবং জনগণের সমর্থন তাতে আছে কি-না সন্দেহ আছে"।

আমেনা মহসিন বলেন, "সংবিধান সংশোধন করেছে সরকারি দল। সবাই বলছে এটা পরিবর্তন প্রয়োজন। না-ভোট থাকলে দেখা যেত কত শতাংশ ভোট পড়ছে না ভোটের প্রতি। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমিয়ে ব্যালেন্স আসতে হবে এবং গণভোটের বিধান ফিরিয়ে আনতে হবে"।

একজন দর্শক বলেন, "মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছে আর রাজনীতিকরা বার্ন ইউনিটকে সমৃদ্ধ করেছে। তিনি বলেন সুস্থ ধারা রাজনীতিই পারে কেবল এ অবস্থার পরিবর্তন করতে"।

প্রশ্ন করছেন একজন দর্শক
ছবির ক্যাপশান, প্রশ্ন করছেন একজন দর্শক

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, "মূল সমস্যা হল ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়া এবং সময়টি হল স্পর্শকাতর। আস্থা ও বিশ্বাসের অভাব থেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসেছিলো"।

তিনি বলেন, "নির্বাচন কাছাকাছি আসলেই সমস্যার সৃষ্টি হয়। নির্বাচন ব্যবস্থা একপেশে হলে তো সমস্যা হবেই"।

বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে চলতি সপ্তাহে আলোচিত বিষয়বস্তু সম্পর্কে আপনার কী মতামত?:

সব দলের অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন হতে হবে। তা না হলে নির্বাচন নিয়ে যে সমস্যা তা মিটবেনা। আমরা চাকুরির বয়স হারাচ্ছি। এর খেসারত কেউ দিবেনা। অবিলম্বে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা নিন।

মো মামুন গোলদার, যশোর

হেফাজতকে বাধা দেওয়া হয়েছিল কেন? তারাতো আগে কোথাও উচ্ছৃংখল ছিল না। জামায়াত-শিবিরতো শাপলা চত্বরে ফুল দিয়ে পুলিশকে স্বাগত জানিয়েছিল, কই তারাতো জান-মালের কোন ক্ষতি করে নাই...

নুর মোহাম্মদ মজুমদার, দোহা, কাতার

Awami league what they are doing today. They will pay back people.

shahin ahmed , Sylhet

আমি সর্বদলীয় সরকার চাই, তবে এ সরকারের প্রধান হবেন একজন নিরপেক্ষ মানুষ। শেখ হাসিনা তার নিজের সুবিধার জন্য সংবিধান সংশোধন করেছে।

বিএম মহিউদ্দিন, তাবারজল, সৌদী আরব।

আমার একটাই দাবি নির্দলীয় সরকার এর অধীনে নির্বাচন দেয়া হোক।

শাহ আমানত , চট্রগ্রাম

আমেনা ম্যাডাম, ২৯ ডিসেম্বর কালো দিন বল্লেন। ১৮ দলের অবরোধকালীন যে হত্যাকান্ড এই দিনগুলোকে উনি কি বলবেন ? উনি তো ১৮ দলের জয়ধ্বনি দিলেন। তিনি নিরপেক্ষ নন। তিনি যদি নিরপেক্ষ হতেন তাহলে ১৪/১৮ এই দু,দলের জয় ধ্বনি দিতেন। বিভিন্ন টিভি টকশো / সংলাপ ওনাদের মত নিরপেক্ষ নন এমন ব্যাক্তিরাই অ-নিবন্ধিত ৩য় দল হিসাবে দু,দলের মতই কাজ করছে।

প্রণব সরকার, ঢাকা।

The topic is good. But the discussants are partisan and one sided.. Audience is also almost one sided. I am getting frusted role of anchor and the selection procedure of discussants as well as audince. If BBC is intend to maintain their standard and impartial role,should be sincere and commited. Mind it that viewers are concious and able to understand tricks.Pls.be objective to uphold your clean tradition.

kamal, Dhaka

বর্তমান পরিস্থিতিকে যদি গণতন্ত্র বলা হয় তাহলে একনায়কতন্ত্র কোনটা। সরকার চায় দেশের মাটি আর বিরোধী দল চায় দেশ অচল করতে। তাহলে আমরা কোথায় যাবো ?

মো বাবুল মিয়া, হাতিবান্ধা, লালমনিরহাট।

Two big political parties should have agree on a system which is acceptable to all.it is expect to change the constitution as ones wishes.we do not want violence but want peace.we also want political stability.I think all the political party should have respectation to the peaple.I hope government create a peaceful environment to arrange a free and fare election. thanks bbc bangla.thanks all.Long live Bangladesh.

জীবন, কুড়িগ্রাম

মানুষ বাজারে গিয়ে বাজার করছে ব্যাগ টানাটানি করছে সরকারি লোক.....? একনায়কতন্ত্র নয়, এ সরকার তার চেয়েও বর্বর ।

রুবেল।

এখন যদি আওয়ামী লীগ বা সরকার নির্বাচন পিছনে দেয় তা হলে বি এন পি নির্দলীয় সরকার থেকে বের হবেন না তাদের কথায় অটল থাকবেন , তা হলে তারা কি ছাড় দিলেন।

সজিব, ঢাকা।

হেফাজত ইসলামের peaceful program- এ Govt. -ই attack করেছেন।

Hazrat Ali, Satkhira

শেখ হাসিনা কি গনতন্ত্র থেকে একনায়কতন্ত্র বানাতে চাইছে?

কিরন, গফরগাঁও,ময়মনসিংহ।

শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ এর মাঠে তিনি সকলকে অবরুদ্ধ করে রাখছেন। তিনি কি মানবাধিকার ভুলে গেছেন? আসলে সবাই তো দেখতে পাচ্ছে।

পারভেজ আলম, বগুড়া।

আওয়ামী লীগকে অন্তত আরো ১০ বছর ক্ষমতার মসনদে রাখা যেতে পারে। কেননা, যদি ১০ বছর রাখা না যায় তাহলে তারা সকল বিরোধীদল কে নিপাত করতে পারবে না........ আর যদি বিরোধীদল কে নিপাত করতে না পারে তাহলে তারা সারা জীবন ক্ষমতায় থাকবে কিভাবে? আমাদের নতুন প্রজন্ম কিভাবে দেখবে বাকশাল কে? এরাই তো আমাদের দেশকে পাকিস্তান, কাশ্মীর বানিয়ে ফেলতে চাই।

গোলাম মাওলা, চট্রগ্রাম।

নির্বাচন না হলে দেশ অচল হবে। বিএনপি যেভাবে করছে সেভাবে কি নির্বাচন হবে ? তাহলে জনগণ কাদের শিকার।

কাইফ, কুষ্টিয়া।

Recent activities of government bound to create a feeling that due to some reasons government is very scared of opposition, which causing them to stop even democratic activities of opposition parties and constitutional rights of the citizens. Getting a namesake election on 5th January 2014 is not the right solution. Situations will be even worse after this election. It is time to focus on futures not only somehow controlling the present and remain in power.

Mok Rahman, Singapore

I think bakshal come back again in Bangladesh.

M kamruzzaman , New York

এটা তো নির্বাচন নয়, এটা হচ্ছে একটা মুভি। যেখানে সরকার পক্ষ নায়কের ভূমিকা পালন করছে। আর দুই দল বলছে জনগন আমাদের পক্ষে আছে, আসলে দুই দলের প্রধানকে যদি জনগনের হাতে দেয়া যায় তাহলে বোঝা যাবে আসলে জনগণ কাকে চায়। আমরা সাধারন জনগণ একদম অতিস্ট হয়ে গেছি।

টিপু সুলতান, রংপুর

Barristor Rafiqul Haque is partly responsible for this critical situation IN Bangladesh! He is the person who took both of the rivals out of the prison. However, I appreciate his recent proposal that says none should be allowed more than two terms in power. This will resolve the current greed for power once for all! The widows have done MUCH for the country. Now, let them spend the rest of their time playing with their grand children living abroad, and thus save the people and the country!

Dr MM, Stockholm

I don't understand why still some people think that IWCT has credibility. After the skype known by all general people, a person who has a sense of human cannot say that the IWCT is valid.

Mohammed Solaiman, Brooklyn, NY

সংবিধান কি জনগণের জন্য, নাকি জনগণ সংবিধানের জন্য। দেশের জন্যই সব হলে দেশের গুরুত্ব সরকারীদলের কাছে কোথায়?

রাহাত উদ্দিন রিফাত, প্যারিস, ফ্রান্স

আসলে বিএনপি যদি জামায়াত শিবির কে বাদ দিতো তাহলে সরকার হয়তো একটা সমঝোতায় আসতো।

আবুল খায়ের, সিলেট।

আমার ধারনা বাকশাল আবার ফিরে আসবে।

এম কামরুজ্জামান, নিউইয়র্ক।

Recent activities of government bound to create a feeling that due to some reasons government is very scared of opposition, which causing them to stop even democratic activities of opposition parties and constitutional rights of the citizens.

Getting a namesake election on 5th January 2014 is not the right solution. Situations will be even worse after this election. It is time to focus on futures not only somehow controlling the present and remain in power.

Mok Rahman, Singapore

আওয়ামী লীগকে অন্তত আরো ১০ বছর মসনদে রাখা যেতে পারে। কেননা, যদি ১০ বছর রাখা না যায় তাহলে তারা সকল বিরোধীদল কে নিপাত করতে পারবে না........ আর যদি বিরোধীদল কে নিপাত করতে না পারে তাহলে তারা সারা জীবন মতায় থাকবে কিভাবে? আমাদের নতুন প্রজন্ম কিভাবে দেখবে বাকশাল কে? কিভাবে জানবো আমওয়ামী মানি ভারতের 'র'র এজেন্ট। এরাই তো আমাদের দেশকে পাকিস্তান, কাশ্মির বানিয়ে ফেলতে চাই।

গোলাম মাওলা, চট্রগ্রাম।

আমার একটাই দাবি, নির্দলীয় সরকার এর অধীনে নির্বাচন হোক।

শাহ আমানত , চট্রগ্রাম।