সংলাপে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে বিতর্ক

বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির একজন নেতা বলেছেন শেখ হাসিনা নির্বাচন কালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিলে রাজনৈতিক সংকট নিরসনে আলোচনার পথ উন্মুক্ত হবে।
তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ নয়, বরং আন্দোলনের আগে বিরোধী দলের উচিত দেখা যে প্রধানমন্ত্রী একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে পারেন কি-না।
ঢাকায় বিয়াম মিলনায়তনে সংলাপের এ পর্বে রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রাণহানিতে রাজনীতিকদের দায়, চলমান সংকট দীর্ঘমেয়াদী হওয়ার সম্ভাবনা এবং একতরফা নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রশ্নবিদ্ধ হবে কি-না-এসব বিষয়ও আলোচনায় উঠে আসে।
শনিবার এ অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এম এম আকাশ এবং সাংবাদিক কাজী জেসিন।
অনুষ্ঠানে প্রথম প্রশ্ন করেন সৈয়দ শাফাত মুরশিদ। তিনি জানতে চান শেখ হাসিনা নির্বাচন কালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ালে বতর্মান রাজনৈতিক সংকটের সমাধানের সম্ভাবনা আছে কি ?
জবাবে প্যানেল আলোচক সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সরে গেলেই সমস্যার সমাধান হবেনা। সংবিধান আগের জায়গায় রেখে যেতে হবে। তবে তিনি সরে গেলে একটা আলোচনার পথ খুলতে পারে”।
তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনা সরে যাবেন এবং সেখানে কে আসবেন সেটা নিয়েই আলোচনা হতে পারে”।
একজন দর্শক বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সরে দাঁড়ালে সর্বজন গ্রহনযোগ্য কাউকে প্রধান করলে সমস্যার সমাধান হবে”। আরেকজন দর্শক বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই সংকট নিরসনে একমাত্র বাধা নন”।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি তারা সংসদে অনেক আগেই সমাধান করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে কোন সুস্পষ্ট প্রস্তাব পাওয়া যায়নি”।
তিনি বলেন, “আসলে বিরোধী দল কি চায় সেটি অস্পষ্ট। তারা যে আন্দোলন, বোমাবাজি করছে একটু অপেক্ষা করুন। নির্বাচনের পর আন্দোলন করেন। শেখ হাসিনা যদি নিরপেক্ষতা বা প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার যদি পবিত্র রাখতে না পারেন তাহলে তখন আন্দোলন করুন”।
আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এম এম আকাশ বলেন, “যদি ক্ষমতা থেকে একটু সরে দাঁড়ান বা নির্বাহী ক্ষমতা কিছু কমিয়ে আনেন তাহলে বিএনপি বিবেচনা করতে পারে। আলোচনার দরজা কিছুটা উন্মুক্ত হতে পারে”।
তিনি আরও বলেন, “বল বিরোধী দলের কোর্টে ছেড়ে দেয়াই বাঞ্ছনীয় হবে। তারপর বিরোধী দল আলোচনায় না আসলে বা আলোচনা ভেঙ্গে গেলে তার দায় বিরোধী দলের উপরই পড়বে। তিনি সরে দাড়াতে পারেন বা আরেকজন কাউকে বসিয়ে নিজে নির্বাচনের মাঠে চলে যেতে পারেন”।
কাজী জেসিন বলেন, “মানুষ যা চায় রাজনীতিকদের তা করতেই হবে। সংবিধান তো মানুষের জন্য”।
প্রানহাণির দায় রাজনীতিকদের ?
মো: নূর উন নবী জানতে চান হরতাল আর অবরোধের মতো কর্মসূচিতে মানুষের প্রাণ হারানোর দায় কি রাজনীতিকরা এড়াতে পারেন ?
কাজী জেসিন বলেন, “সহিংসতায় প্রাণহানির দায় কেউ এড়াতে পারেনা। এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য দু প্রধান রাজনৈতিক দলই দায়ী। সহিংস অবস্থা অত্যন্ত দুঃখজনক। সহিংসতা কে করছে জানিনা”।
তিনি বলেন, “বিরোধীরা সরকারি দলকে দায়ী করছে। সরকারি দল ঢালাও গ্রেফতার করছে। কিন্তু কোন তথ্যপ্রমাণ আমরা দেখছিনা কে বা কারা এগুলো করছে। নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার”।
এম এম আকাশ বলেন, “সাম্প্রতিক আন্দোলন চলছে ক্যাটারিং সার্ভিসের মাধ্যমে। কিছু লোককে ভাড়া করা হচ্ছে। বোমা মারা হচ্ছে। এটা আত্মঘাতী আন্দোলন। এটা রাজনৈতিক আন্দোলন নয়। আবার সরকারের দায়িত্ব এগুলো যারা করছে তাদের ধরা। সেক্ষেত্রে সরকার ব্যর্থ হয়েছে”।
একজন দর্শক বলেন, “দুদলই একে অপরের উপর দোষ চাপাচ্ছে। ক্ষতি হচ্ছে জনগণের”।
জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “আন্দোলন আমরাও করেছি। কিন্তু এভাবে বোমা মেরে মানুষ হত্যা করিনি| এর নাম রাজনীতি হতে পারেনা। আন্দোলনের নামে সহিংসতার দায় বিরোধী দলকেই নিতে হবে। তারা বলেছে দু একটা গাড়ি ভাংচুরে হবেনা, আরও গাড়ি পোড়াতে হবে। ৪৫ হাজার গ্রাম জ্বালিয়ে দিতে হবে।”
জয়নুল আবেদীন সহিংসতার জন্য সরকারী এজেন্সি বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে দায়ী করে বলেন সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, “সরকার ধরছেনা কেন। আন্দোলন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য এজেন্সিগুলো এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে। বিএনপি গণতান্ত্রিক দল ও নির্বাচনে বিশ্বাসী”।
দীর্ঘমেয়াদী সংকট ?
মিজানুর রহমান জানতে চান বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি কি বাংলাদেশকে একটি দীর্ঘমেয়াদী সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ?
জয়নুল আবেদীন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী চাইলে সংকটের সমাধান করতে পারেন। তাহলে সংকট দীর্ঘমেয়াদী হবেনা। একদলীয় নির্বাচন হলে সেটা দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবেনা”।
এম এম আকাশ বলেন, “সংকট দীর্ঘমেয়াদী হবে বলে মনে হয়না। বিএনপি সমঝোতায় না আসলে একতরফা নির্বাচন হলে হয়তো জরুরী অবস্থা হতে পারে। বা সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করতে পারে। এর যাই হোক না কেন দুদল সহিংসতার দ্বারা গণতান্ত্রিক অপমৃত্যু ঘটাবে। দু এক বছর পর আবার ঠিক হয়ে যাবে”।
একজন দর্শক বলেন, “সংকটকে দীর্ঘমেয়াদী করবে কারণ সমাধান তো দেখা যাচ্ছেনা”।
কাজী জেসিন বলেন, “সমঝোতা না হলে দীর্ঘমেয়াদী সংকটের দিকে আমরা যাবো। মৃত্যু এখনি থামানো উচিত। সমঝোতা হওয়া উচিত এখনই”।
জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “বিরোধী দলীয় নেত্রী আর কত মানুষের প্রাণ নিলে এ অবস্থার অবসান হবে। দীর্ঘমেয়াদী সহিংসতা কখনো বাংলাদেশে টিকে থাকেনি। কারণ এটি গণতান্ত্রিক পথ নয়। গুপ্ত হামলা করে মানুষকে অগ্নিদগ্ধ করা বন্ধ এবং প্রতিরোধ করা হবেই”।
সেনা মোতায়েন প্রশ্নবিদ্ধ হবে ?
আল আমিন জানতে চান একতরফা একটি নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন কি প্রশ্নবিদ্ধ হবে ?
কাজী জেসিন বলেন, “একতরফা নির্বাচনই তো প্রশ্নবিদ্ধ হবে। মানুষ গ্রহণ করবেনা সেটা যেভাবেই হোক।
এম এম আকাশ বলেন, “এখন সমঝোতার সুযোগ রয়েছে। একতরফা নির্বাচন হবেই তা বলা যায়না। ৫১ শতাংশের বেশি মানুষ ভোট দিলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে। আর যদি ১০ ভাগ মানুষ ভোট দেয় তাহলে গ্রহণযোগ্য হবেনা”।
একজন দর্শক বলেন, “সেনা মোতায়েন হলে মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভোট দিবে”। আরেকজন দর্শক বলেন, "সহিংসতা বন্ধে দ্রুত সেনাবাহিনী নামানো উচিত”।
জয়নুল আবেদীন বলেন, “সেনাবাহিনী কেন নেয়া হবে ? ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আনার জন্য ? একতরফা নির্বাচন টিকবেনা। মানুষ গ্রহণ করবেনা”।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “নির্বাচন জনগণের জন্য। সেনাবাহিনী নামানোর মতো অবস্থা হয়নি দেশে”।
বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে চলতি সপ্তাহে আলোচিত বিষয়বস্তু সম্পর্কে আপনার কী মতামত?:
May I know how BBC defines a journalist?? If anyone claims that s/he is journalist, Will BBC agree with that without any check???
Monjurul Ahsan Bulbul, Dhaka
People of Bangladesh is facing thousand of problems. But the solution is a single. PM should step down from power.
Kabir, sydney
As a elected Prime Minister Sheikh Hasina has the right stay until the election is completed and winner party form a new government. We should come out from the concept of caretaker govt. In the future Bangladesh will suffer again whoever form the govt the opposition will play the same card violence and destruction of the property. We must have long term solution where the election commission must free and empowered with all the instrument to conduct a fair election without being biased!!!
Sheikh Al Mamun, New York
Hasina is not right. She is not conscious of people's rights.
Amirul, Mymensingh
বর্তমান নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে। জয়ী হলে তারা দেশ চালাবে। হাসিনা সরকার দেশের উন্নয়ন করেছে। তাই আমি মনে করি এ সরকার দেশের জন্য ভালো হবে।
মোহাম্মদ সমন মিয়া, রাজবাড়ী।
"এ মুহুর্তে হাসিনার পদত্যাগ করা উচিৎ, তিনি পদত্যাগ করলেই দেশে শান্তি আসবে"- এ দাবি যে দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ জনগনের দাবি তা আপনাদের "বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপ" ছাড়াও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক, প্রিন্টমিডিয়া ও বিভিন্ন অনলাইন জড়িপ গুলোর দিকে লক্ষ্য করলেই বোঝা যায়। তাছাড়া বিরোধীদলও বরাবরই বলে আসছে যে, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেই দেশে কোন হরতাল বা অবরোধ দেয়া হবে না কিন্তু শেখ হাসিনা কেন তা শুনছেন না??
খায়রুল মোস্তাক, ঢাকা।
শেখ হাসিনা যদি দেশকে এবং দেশের মানুষকে ভালবাসত তাহলে সে এর সমাধান করত । তিনি শুধু ক্ষমতা চান ।
খালিদ হাসান, দর্শনা।
সেনাবাহিনী আসলে পরিস্থিতি ভালো হতে পারে। আমরাও ভীতিহীন খাকবো। ফখরুদ্দীন সব চেয়ে ভালো ছিল।
রাসেল, শরিয়তপুর।
প্রতি পাঁচ বছর পর পর তারাই আমাদের প্রধানমন্ত্রী হয়.. কত দুর্ভাগ্য আমাদের।
সাইফুর রহমান মুরশিদ, হবিগঞ্জ।
শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবেনা। হলেও বিরোধীরা মানবেনা। আর্মি নামলে ভোটের পরিমান বাড়বে। না নামলে আওয়ামী লীগের অনেক ভোটার ভোট দিতে যাবেনা। হাসিনা যেভাবে সামাল দিচ্ছেন তা খালেদা জিয়া পারবেনা।
সাইফুর রহমান।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, 'শেখ হাসিনা যদি নিরপেক্ষতা, প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার যদি পবিত্র রাখতে না পারেন তাহলে তখন আন্দোলন করুন।' শেখ হাসিনা গত ২৮ নভেম্বর দলের সংসদীয় বোর্ডের সভায় ড.কামাল প্রসঙ্গে বলেছিলেন, 'ড. কামাল একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান। তিনি কিভাবে নিরপেক্ষ হন?' গণফোরামের মতো একটা ছোট দলের প্রধান যদি শেখ হাসিনার কাছে নিরপেক্ষ হতে না পারেন, তবে আওয়ামী লীগের মতো একটা বড় দলের প্রধান কিভাবে অন্যদের কাছে নিরপেক্ষ হবেন?
আহসান কামরুল, ঢাকা।
প্রধানমন্ত্রী সরে দাঁড়ালে সমস্যার সমাধান হবে।
মোহাম্মদ, ঢাকা।
বিএনপি সমঝোতায় যাচ্ছেনা কেন ?
কায়সার, চট্রগ্রাম।
প্রধানমন্ত্রী আপনি যদি দেশকে সত্যি ভালোবাসেন তবে ক্ষমতাটা ছেড়ে দিন ।
আরিফ, মাগুরা।
বিএনপি যদি সরকারে থাকতো তাহলে আওয়ামী লীগ কি নির্বাচনে যেতো ?
হাসান, ঢাকা।
The Govt should stop killing people and take with them the anti-party leader for election if they really want to do welfare for the people.
শেখ মাসুদুল হাসান, সাতক্ষীরা।
জয়নুল আবেদীন বললেন আধা ঘন্টার মধ্যে সংবিধান পরিবর্তন করা যায়। আমি একজন সাধারন জনগন। আমরা কি পারি দুই নেত্রীকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে এরকম একটি সংবিধান তৈরি করতে ? তাহলে জনগন শান্তি পাবে।
খায়রুল আলম, ঢাকা।
সমস্যা অনেক।সমাধান একটি শেখ হাসিনার পদত্যাগ ।
প্রান্ত, ঢাকা।
আজকে অনুস্ঠানে দুই দলের একে অপরকে শুধু দোষ দেয় কিন্তু কেউ দেশের কথা ভাবেনা!!! আমরা কি পারিনা এদের কে বাদ দিতে।।।
মাহফুজ, ঢাকা।
I think prime minister need resign from her post and talk with all parties in Bangladesh to attend fair election. Off course Prime minister will have to restore d care taker government system because it was a settled issue. I hope High court won’t go against people’s expectation. I also believe that law for people not the people is for law. So save people please, do not kill anymore. Human rights are now under police boots. I saw picture and video in media and internet and government is also responsible for this.
MD. SHAFEQUL ISLAM IMRAN, DHAKA
শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবেনা। হলেও বিরোধীরা তা মেনে নিবেনা। আর্মি নামালে ভোটের পরিমান অনেক বাড়বে। আর না নামালে আওয়ামী লীগের অনেক ভোটার ভোট দিতে যাবেনা। নির্বাচন যদি শেখ হাসিনা একতরফা করতে চায় তাহলে কারো কিছু বলতে হবেনা। উনি আর্মি ছাড়া নির্বাচন করবেননা এটা নিশ্চিত। তবে হাসিনা যেভাবে সামাল দিচ্ছেন সেটা খালেদা পারবেননা।
সাইফুর রহমান মোরশেদ, হবিগঞ্জ।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, 'শেখ হাসিনা যদি নিরপেক্ষতা, প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার যদি পবিত্র রাখতে না পারেন তাহলে তখন আন্দোলন করুন।' শেখ হাসিনা গত ২৮ নভেম্বর দলের সংসদীয় বোর্ডের সভায় ড.কামাল প্রসঙ্গে বলেছিলেন, 'ড. কামাল একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান। তিনি কিভাবে নিরপেক্ষ হন?' গণফোরামের মতো একটা ছোট দলের প্রধান যদি শেখ হাসিনার কাছে নিরপেক্ষ হতে না পারেন, তবে আওয়ামী লীগের মতো একটা বড় দলের প্রধান কিভাবে অন্যদের কাছে নিরপেক্ষ হবেন?
আহসান কামরুল, ঢাকা।
প্রধানমন্ত্রী সরে দাঁড়ালে সমস্যার সমাধান হবে।








