কুটনীতিকদের উদ্যোগের প্রয়োজন নেই- এইচ টি ইমাম

প্যানেল সদস্য বাঁ থেকে : প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, নিউজ টুডে’র সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, অনুষ্ঠান সঞ্চালক আকবর হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক জিনাত হুদা ওয়াহিদ এবং বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আসম হান্নান শাহ।
ছবির ক্যাপশান, প্যানেল সদস্য বাঁ থেকে : প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, নিউজ টুডে’র সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, অনুষ্ঠান সঞ্চালক আকবর হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক জিনাত হুদা ওয়াহিদ এবং বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আসম হান্নান শাহ।

বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন বাংলাদেশের নির্বাচন কালীন সরকার নিয়ে চলমান সংকট নিরসনে কূটনীতিকদের উদ্যোগ নেয়ার কোন প্রয়োজন নেই।

অপরদিকে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আসম হান্নান শাহ বলেছেন সরকার উদ্যোগ না নিলে বর্তমান সংকটের সমাধান হবেনা।

ঢাকায় বিয়াম মিলনায়তনে বাংলাদেশ সংলাপের এ পর্বে আলোচক আরও ছিলেন ইংরেজি দৈনিক নিউজ টুডে’র সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক জিনাত হুদা ওয়াহিদ।

অনুষ্ঠানে প্রথম প্রশ্ন করেন মো: তাহমীদুর রহমান তিনি জানতে চান নির্বাচন কালীন সরকারের বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না করে বিদেশী কূটনীতিকদের ওপর রাজনৈতিক দলগুলোর নির্ভরশীলতা কি পুনরায় ১/১১’র মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে ?

এইচ টি ইমাম বলেন কূটনীতিকদের সাথে ওঠাবসা যাতায়াত এগুলো হচ্ছে বিএনপির অফিসে। প্রশ্রয়টা তারাই দিচ্ছেন। অনেকে বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপির স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য হয়ে গেছেন। অবশ্য আমরা তা মনে করিনা।

তিনি বলেন , “আমরা বিদেশীদের প্রশ্রয় দিচ্ছেনা। অনেক বড় কূটনীতিকরা বাংলাদেশে এসে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত পাননা। তাদের বুঝানো উচিত যে তাদের কথাই শেষ কথা নয়। কূটনীতিক উদ্যোগের কোন প্রয়োজন নেই। এখনো যথেষ্ট সময় আছে।”

আসম হান্নান শাহ বলেন, “ অতীতেও দেখেছি বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংকট হলে বিদেশী শক্তি নাক গলানোর চেষ্টা করে। বিদেশীরা কেন নাক গলায় ? কোন অধিকারে নাক গলায় ?”

তিনি বলেন, “আমরা রাজনীতিকরা প্রশ্রয় না দিয়ে নিজেদের সংকট নিজেরা সমাধান করাই সর্বোত্তম। সরকার যদি উদ্যোগ না নেয় তাহলে এ সংকটের সমাধান আপাতত হবে বলে মনে হয়না”।

জিনাত হুদা ওয়াহিদ বলেন, “নির্বাচনকে ঘিরে যে অস্থিরতা, সংলাপ হওয়া বা না হওয়া, হরতাল, অগ্নিদগ্ধ হয়ে মানুষের মৃত্যুর সঙ্গে যোগ হয়েছে বিদেশী কুটনীতিকদের দৌড়ঝাঁপ। এক ধরনের দদাগিরি দেখতে পাচ্ছি। এগুলো আমাদের শঙ্কিত করছে”।

রিয়াজউদ্দিন আহমেদ মানুষ চায় শান্তি ও উন্নয়ন। এখন অশান্তির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দেশ। ভারত বলেছে অন্য দেশের সাথে তারা বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করছে। এটা সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন। এটা অগ্রহণযোগ্য।

তিনি বলেন, “আমাদের ভাগ্য নিয়ে অন্যেরা আলোচনা করলে তা দুর্ভাগ্যজনক। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে এটা বুঝতে হবে। সংকটের সমাধান না হলে বাইরের হস্তক্ষেপ আরও হবে”।

একজন দর্শক বলেন, “দূতিয়ালির সুযোগ তো আমরাই করে দিচ্ছি। বড় দলগুলো একমত হলেই তো এ ধরনের সুযোগ তারা পায়না”।

হরতাল সহিংসতার দায় কার ?

নাসরিন আক্তার জানতে চান হরতালের সময়ে সংঘটিত ঘটনাগুলোতে মানুষ হত্যা ও সম্পদ বিনষ্ট করার দায়ভার সরকার ও বিরোধী দল একে অপরের উপর চাপাচ্ছে। এ দায়ভার আসলে কার ?

জিনাত হুদা ওয়াহিদ বলেন, “যদি হরতাল যৌক্তিকও হয়, তাহলে যৌক্তিক হরতালের কারণে অযৌক্তিক আচরণ করতে পারেন কি কেউ? মানুষকে কি জীবন্ত দগ্ধ করতে পারেন”?

তিনি বলেন, “হরতাল করার মতো না করাও একটা অধিকার। বিরোধী দল কি আদৌ ক্ষমা চেয়েছে? যারা আবার ক্ষমতায় আসবেন তারা কি একটু মানবিক হতে পারতোনা”?

রিয়াজউদ্দিন আহমেদ বলেন, “হরতাল সহিংসতায় দায় সরকার ও বিরোধী পক্ষ উভয়েরই। সরকার দেশে শান্তি স্থাপন করতে পারলে তো এ পরিস্থিতি হতোনা। দেশের মানুষ ক্ষুব্ধ। জীবন ক্ষয়ের দায় উভয় পক্ষকে নিতে হবে। উভয়পক্ষের দু:খপ্রকাশ করা উচিত”।

একজন দর্শক বলেন, “দায় সম্পূর্ণ সরকার। কারণ তাদের অনড় অবস্থানই দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে”। তবে আরেকজন দর্শক বলেন, “সহিংসতার দায় বিরোধী দলের”।

হান্নান শাহ বলেন, “হরতাল দিয়েছি জনগণের দাবি আদায়ের জন্য। অশান্তি করছে সরকার। হরতালের আগের অগ্নিসংযোগের তদন্ত হোক। গোয়েন্দা বাহিনী, পুলিশের সোর্সরাই এসব করছে। হরতালকে কেন্দ্র করে মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত হোক।

তিনি বলেন, “যখন কেউ বলেন অনড়, একটা চুলও নড়বেনা—তখন সে চুল নাড়াতে গেলে কোন কোন ক্ষেত্রে একটু শক্তি প্রয়োগ করতে হয়”।

এইচ টি ইমাম বলেন, “শক্তি প্রয়োগের কথা বলে হান্নান শাহ তো স্বীকার করেছেন যে তারা শক্তি প্রয়োগ করেছেন। সব ফুটেজ দেখেন। দেখা যাবে কারা কোথায় কি করছে। এভাবে যদি চলতে থাকে তিনশ টাকা দিয়ে গাড়ি পোড়ানো হয়, তাহলে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে দেশ ভরে যাবে। এটি তো বন্ধ করতেই হবে”।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন

মোছা: হাবিবা খানম সাথী জানতে চান সদ্য পাশ হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের সংশোধনী সংবিধান পরিপন্থী হওয়ার কারণে রাষ্ট্রপতির কি উচিত এটি পুনর্বিবেচনার জন্য সংসদে ফেরত পাঠানো ?

এইচ টি ইমাম বলেন, “আমি মনে করিনা কমিশন দুর্বল হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা দুর্নীতিবাজ তারা যে কোন প্রকারেই দুর্নীতি করেন। জনমত দেখা গেলে আইনটি পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে”।

হান্নান শাহ বলেন, “সরকারি কর্মকর্তাদের আনুকূল্য পাওয়ার জন্যই সরকারী কর্মকর্তাদের এ সুযোগ দেয়া হয়েছে। তারা (সরকার) সরকারি কর্মকর্তাদের সাপোর্ট পেতে চাচ্ছেন এসবের মাধ্যমে”।

রিয়াজউদ্দিন আহমেদ বলেন, “নতুন আইনটি কমিশনকে দুর্বল করেছে। কমিশনকে টুথলেস টাইগারে প্রমাণ করেছে। সরকারের অনুমতি ছাড়া মামলা না করা গেলে সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি বন্ধ করা যাবেনা”।

একজন দর্শক বলেন সরকার কমিশনকে নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এটাকে আবার মূল্যায়ন করা উচিত।

জিনাত হুদা ওয়াহিদ বলেন সব সরকারই দুর্নীতির সাথে কোন না কোন ভাবে জড়িত ছিলেন। এ ধরনের সুবিধা দেয়া উচিত কি-না দেখা উচিত। রিভিউর সুযোগ থাকলে করা উচিত।

প্রসঙ্গ হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা

সপ্তদীপ্তা নীলাঞ্জনা জানতে চান বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের উপর হামলা কি বাংলাদেশকে একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের পরিচিতি এনে দিচ্ছে ?

হান্নান শাহ বলেন, “এসব ঘটনা সরকারের ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ। হামলাগুলো কাদের পৃষ্ঠপোষকতা হয় সেটি দেখতে হবে"।

তিনি বলেন, "যখনি রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয় তখনি সংখ্যালঘুদের উপর হামলা করে দৃষ্টি অন্যদিকে সরানোর চেষ্টা হয়”।

একজন দর্শক বলেন, “ যারা দোষী তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে সরকারকেই মুখ্য দায়িত্ব নিতে হবে”।

রিয়াজউদ্দিন আহমেদ বলেন, “সরকার এসব ঘটনার তদন্ত করে নির্ণয় করতে পারেনি কারা সাম্প্রদায়িক হামলা করেছে"।

তিনি আরও বলেন, "এটাকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য সরকার বা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একটা উদ্যোগ আছে”।

জিনাত হুদা ওয়াহিদ বলেন, “রাজনৈতিক দল পৃষ্ঠপোষকতা করলে সংখ্যালঘুদের অবস্থা আরও খারাপ হবে”।

এইচ টি ইমাম বলেন, “রামুর ঘটনাটি পরিকল্পিত ছিল এবং রোহিংগারা দায়ী। হিন্দুদের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে"।

দর্শকদের একাংশ
ছবির ক্যাপশান, দর্শকদের একাংশ

তিনি বলেন তারা সর্বশক্তি নিয়োগ করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন।

বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে চলতি সপ্তাহে আলোচিত বিষয়বস্তু সম্পর্কে আপনার কী মতামত?:

বিবিসি সংলাপে এইচ টি ইমাম ছাত্রশিবির ও জামায়াতে ইসলামীকে হিংস্র প্রাণী বলেছেন। হরতালে কারা আগুন লাগিয়েছে তা ভিডিও ফুটেজ থেকে দেখে নিতে বলেছেন। আমি তাকে বলব তিনি কি সেই ভিডিও ফুটেজ গুলো ভালোভাবে দেখেছেন?? প্রতিটি ভিডিও ফুটেজে গাড়িতে শুধু আগুন জ্বলার দৃশ্য দেখানো হয়েছে কিন্তু কে লাগিয়েছে তা দেখানো হয়নি। আরও দেখানো হয়েছে শিবিরের শান্তিপুর্ন মিছিলে পুলিশে নির্বিচারে গুলি। আমি জনাব এইচ.টি.ইমামকে বলতে চাই যারা আগুনে পুড়ে মারা যায় তারা মানুষ আর যারা পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলি খেয়ে মারা যায় তারা কি ?

খায়রুল মোস্তাক, ঢাকা।

প্রয়োজন নাই। সরকার চাইলে বিদেশী কূটনীতিকদের বাংলাদেশে প্রবেশ ভদ্রভাবে বন্ধ করে দিতে পারেন।

মানিক, যশোর।

ছাত্রলীগের অত্যাচার থেকে দেশবাসী কি রক্ষা পাবে ? বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন জঘন্য বাকশালী সরকার কোনদিন ছিলনা। হরতালের সম্পূর্ণ দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।

আসম মুসা, গাজীপুর।

আমি সংলাপটা দেখেছি। এইচ টি ইমামের সাথে দ্বিমত। হরতালের জন্য সরকারই দায়ি। কারন দেশে এখন গণতন্ত্র নাই। বিরোধী দলকে অতীতে এভাবে পুলিশ দিয়ে প্রতিরোধ করা হয়নি। মিছিল ডাকলেই গুলি। এতে করে মানুষ হিংস্র হবেই। তার দায় সরকারকে নিতে হবে। আর বিদেশীদের সবাই ওয়েলকাম করে যাতে আবার ক্ষমতায় আসতে পারে। বিশেষ করে ভারতের মাথাব্যাথা আওয়ামীলীকে কিভাবে ক্ষমতায় আনা যায়। এটা কেন ? এটা আমাদের কাম্য নয়।

মো: আব্দুস শহীদ, ওসমানী নগর, সিলেট।

আওয়ামী লীগ সরকার সংখ্যা লঘু বলতে ঠিক কি বোঝাতে চায় ? তারা কি নিজেদেরকেই সংখ্যা লঘু বলে মনে করে ?

আলম , ঢাকা।

আমার প্রশ্ন হলো যে , আজকে বাংলাদেশ ছাত্র / ছাত্রীদের জীবন বিপ্ন্ন সে বিষয়ে সরকার কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন ? আমাদের জীবনের কি কোন মূল্য নেই । ৫ লাখ ছাত্রের জীবন নিয়ে যে ছিনিমিনি করছে তা কি কোন সুফল বয়ে আনবে । ২০৫০ সালে ও এই দেশ ডিজিটাল হতে পারবে না।

জাকারিয়া হোসাইন, জয়পুরহাট।

এইচ টি ইমাম সাহেব বললেন যে ২১ আগষ্ট এর হামলায় শেখ হাসিনা যদি বোমা নিয়ে যায় এই যুক্তি যেমন খোড়া তেমনি হরতালে সরকার মানুষ মেরেছে সেটাও খোড়া। এই কথা থেকেই আমি বলব -- তখন যদি সরকারি দল দোষী হয় তবে এখন সরকারি দল দোষী আর যদি তখন বিরোধী দল দোষী হয় তাহলে এখনও বিরোধী দল দোষী। ইমাম সাহেব কোনটিকে বেছে নিবেন ?

মো আদনান, ঢাকা।

হরতালের কারনে দেশে যত ক্ষয়-ক্ষতি হচ্ছে তার জন্য এই সরকারই দায়ি।। কারন সরকার তার ইচ্ছামত বিরোধীদলের উপর জুলূম-নির্যাতন চালাবে আর বিরোধীদল তার প্রতিবাদ করবে না এ কখনো হতে পারে না। সরকারকে বোঝা উচিৎ দেশে কেন হরতাল দেয়া হচ্ছে? প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন তিনি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাননা, যদি তাই হয় তাহলে বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিলেইতো দেশে আর কোন হরতাল হয় না কোনো নিরীহ মানুষও মরে না। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করে প্রমাণ করুক যে, তিনি প্রধানমন্ত্রীত্ চায় না শান্তি চায়।

খায়রুল মোস্তাক, ঢাকা।

হরতালে মানুষ মারা যাচ্ছে ? কি দুভার্গ্য আমাদের কেউ বলেনা মানুষ খুন হচ্ছে । আপনি কি একবার ভেবে দেখেছেন আপনিও খুন হতে পারেন আর সে খুনের বিচার হবেনা। কেমন লাগবে আপনার কাছে ? আমরা একে অপরকে দোষারোপ করি, এতে কি লাভ ? যারা সরাসরি খুনের সাথে জড়িত তাদের বিচারের আওতায় আনা হোক। তবেই এ ধরনের হত্যা বন্ধ হবে।

তাসলিম আহমেদ, জেদ্দা, সৌদী আরব।

বিবিসি কর্তৃপক্ষের নিকট আমার একটি অভিযোগ হল, আমি এই সংলাপের জনাব এইচ.টি.ইমামের মন্তব্যের জবাবে তিন অংশে আমার মতামত দিয়েছিলাম কিন্তু তার প্রথম ও তৃতীয় অংশটুকু প্রকাশ করা হয়েছে মাঝের দ্বিতীয় অংশটুকু প্রকাশ করা হয়নি। মতামতের জায়গায় যদি সম্পুর্ন প্রকাশ করা না হয় তাহলে কি কষ্ট পাওয়া স্বাভাবিক নয়??

খায়রুল মোস্তাক, ঢাকা।

এইচ.টি.ইমামের কথা অনুসারে যদি হরতালে পিকেটিং করার কারণে শিবির হিংস্র প্রানী হয় তাহলে ছাত্রলীগকে তিনি কি বলবেন??? যাদের ২০০৬ সালে অক্টোবরে লগি-বৈঠা দিযে মানুষ মারার ভিডিও সারা বিশ্ব দেখেছে, এছাড়াও বিশ্বজিতকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করাসহ অসংখ্য মানুষ হত্যার ভিডিও ফুটেজ জনগন দেখেছে। অর্থাৎ যে আওয়ামী লীগ সে মানুষ নয়।

এম কে মোস্তাক, রংপুর।