বিবিসি সংলাপ: সমঝোতা না হলে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের আশংকা

বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধী দল বিএনপির দুজন শীর্ষস্থানীয় নেতা বলেছেন নির্বাচন কালীন সংকটকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ গভীর সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে তারা দুজনই মনে করেন সংলাপ বা আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের সুযোগ সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায়নি।
অনুষ্ঠানে আলোচক ও দর্শকদের অনেকেই অবশ্য বলেছেন সমাধান না হলে দীর্ঘমেয়াদি সংকটে পড়বে বাংলাদেশ।
শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় বিয়াম মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে তৃতীয় শক্তির আবির্ভাবের সম্ভাবনা ও রাজনৈতিক সহিংসতায় আহত ও নিহতদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার মতো ইস্যুগুলোও আলোচনায় উঠে আসে।
সংলাপের এবারের পর্বে আলোচক ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ পিস এন্ড সিকিউরিটিজ স্টাডিজ এর প্রেসিডেন্ট নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব) এ এন এম মুনীরুজ্জামান এবং মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম।
অনুষ্ঠানে প্রথম প্রশ্ন করেন সিফাত সাদিয়া। তিনি জানতে চান নির্বাচন কালীন সরকার প্রসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর অনড় অবস্থান, টানা হরতাল- এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ কোন দিকে যাচেছ ?
জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি। তবে সংবিধানকে সমুন্নত রেখে নির্বাচন করতে বাধা কোথায় ? বর্তমান পরিস্থিতিতে কারো পক্ষে নির্বাচনকে প্রভাবান্বিত করার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন রাজনীতিতে একটা অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এ মূহুর্তে একটা ঐকমত্য দরকার। বিরোধী দলের নেতা বলেছিলেন উদ্যোগ নিলে হরতাল প্রত্যাহার করবেন। উদ্যোগ নেয়ার পরও হরতাল দিয়ে কুড়ি জন মানুষকে হত্যার কারণ কি ?
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিয়ে দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলে সব দল এখন নির্বাচনের মাঠেই থাকতো এবং সংকটের কোন সুযোগ ছিলনা। বিরোধী দল শুধু মাত্র একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চায় যাতে সব রাজনৈতিক দল বিশ্বাসের সাথে নির্বাচনে আসতে পারে।
তিনি বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলে এ সংকট তৈরি হতোনা। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা না হলে একতরফা নির্বাচন হলে সেটা আরও সংকট তৈরি করবে”।
একজন দর্শক বলেন সংবিধান কার জন্য, সংবিধান তো মানুষের জন্যই। আরেকজন দর্শক বলেন সংবিধানে কি এমন কিছু আছে যাতে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
আয়েশা খানম বলেন গণতন্ত্রের অভিযাত্রার সংগ্রামের মূল উদ্দেশ্য ছিল কার্যকর সংসদ এবং গণতন্ত্র খুড়িয়ে চলবেনা। আমরা উদ্বিগ্ন। নারীরা ও সাধারণ জনগণ ভয়ের মধ্যে আছে। বাংলাদেশ একটা টার্নিং পয়েন্টে আছে। সেটার কারণ হল সংসদ কার্যকর হচ্ছেনা। হরতাল একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। কিন্তু সেটা কেন সহিংস হবে।
এ এন এম মুনীরুজ্জামান বলেন একটা সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি। বড় দুদলের মধ্যে সমঝোতা না হলে বাংলাদেশ একটি গভীর দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতে জড়িয়ে পড়বে বাংলাদেশ। সেগুলো মোকাবেলার ক্ষমতা বাংলাদেশের নেই।
তিনি বলেন, “সংবিধানের যে দোহাই দেয়া হচ্ছে সে সংবিধান তো মানুষের জন্য। কেন আরেকবার সংশোধন করা যাবেনা”।
তৃতীয় শক্তি ?
মোহাম্মদ মহসীন জানতে চান বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি কি বাংলাদেশে তৃতীয় কোন শক্তির হস্তক্ষেপের পরিস্থিতি তৈরি করছে ?
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন তারা কোন সময়ই আশা করেননা যে তৃতীয় শক্তি আসুক।
তিনি বলেন, “ওয়ান ইলেভেন এসেছিলো তাতেই দেশ বিশ বছর পিছিয়ে গেছে। সর্বক্ষেত্রে ক্ষতি হয়েছে দেশের। রাজনৈতিক দলগুলো আন্তরিকভাবে সংলাপ চাইলে সংকটের সমাধান হতে পারে”।
মি: হোসেন বলেন এখন কেন সময় দিয়ে বসা হচ্ছেনা আলোচনায়।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, “বিরোধী দল একদিকে বলছে হরতাল প্রত্যাহার করা যাবেনা। আবার তারাই বলছে দাবি মেনে নিলে হরতাল প্রত্যাহার করা হবে। উদ্যোগ তো নেয়া হয়েছিলো এরপরও হরতাল করে এতোগুলো মানুষকে হত্যা করা হলো কেন ?
তিনি বলেন, “দু জোটের মধ্যেই রাজনীতি সীমাবদ্ধ থাকবে। শর্তহীন আলোচনায় বসলে একটা সমাধান আমরা পাবো”।
আয়েশা খানম বলেন, “রাজনৈতিক শক্তিই তো তৃতীয় শক্তি তো হতে পারে। তৃতীয় শক্তির চেয়ে বড় বিষয় হলো যে শক্তিকে ব্যবহার করা হচ্ছে গণতন্ত্রকে উদ্ধারের জন্য সেখানেই উদ্বেগের বিষয়”।
মেজর জেনারেল (অব) এ এন এম মুনীরুজ্জ্মান বলেন রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান না হলে চলমান সংঘাত দীর্ঘমেয়াদী রূপ নিবে। তবে তৃতীয় শক্তি বলতে যা বোঝানো হয় সে ধরনের আশংকা এখন নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “আমরা চাই বাংলাদেশে গণতন্ত্র বজায় থাকুক এবং রাজনীতিকরাই দেশ শাসন করুক। আমাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করুক। কিন্তু প্রধান দলগুলো সমাধান করতে না পারলে সমস্যার সমাধান ঢাকার বাইরে অন্য রাজধানীতে চলে যেতে পারে”।
একজন দর্শক বলেন, “তৃতীয় শক্তির প্রশ্নই আসেনা। কারণ বাংলাদেশ স্বাধীন স্বকীয়তায় উজ্জ্বল দেশ”।
বিদেশীদের তৎপরতা
মাসুমা মুমু জানতে চান বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানে বিদেশীদের উদ্যোগের সীমানা কতটুকু হওয়া উচিত।
এএনএম মুনীরুজ্জামান বলেন, “আমাদের সমস্যা আমাদেরই সমাধান করতে হবে। তবে রাজনীতি যে পর্যায়ে চলে যাচ্ছে এবং সমস্যার সমাধান নিজেরা করতে না পারলে বিদেশী হস্তক্ষেপ আমরা আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসবো।
তিনি বলেন, “বিদেশীরা বিভিন্ন ভাবে এখানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করবে এবং আমরা সেটা সমর্থন করিনা”।
আয়েশা খানম বলেন, “কুটনীতিকরা বাড়াবাড়ি করছেন এমনটা বলা যায়না। গণতান্ত্রিক শিষ্টাচার নিশ্চিত করা যায়নি বলেই এগুলো হচ্ছে। এগুলো আগেও বাংলাদেশে হয়েছে এবং বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই এগুলো বিবেচনা করতে হবে”।
তিনি বলেন, “এটা আগেও হয়েছে। আগে ছিল গোপন, এখন হয় প্রকাশ্যে। তারা বলে ভূ রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং সেটাই তারা বলে তাদের উৎসাহের কারণ। শুধুমাত্র আমেরিকা বা ভারত নয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘও বলছে”।
একজন দর্শক বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অবিশ্বাসের কারণেই কূটনীতিকরা বাড়াবাড়ি করছেন”।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, “বিদেশীরা চায় রাজনৈতিক দলগুলো আলোচনার মাধ্যমে একমত হয়ে সমস্যা সমাধান করুক। বাংলাদেশে শান্তি স্থিতিশীলতা বজায় থাকুক সেটা দাতা গোষ্ঠী চাইতে পারে”।
মি: আহমেদ বলেন, “এখানে অনেক কূটনীতিক বড় বড় কথা বলে। কিন্তু কেউ উদাহরণ তুলে বলেনা মিশরে একজন নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এখন জেলে, কোথায় গেছে সেখানকার গণতন্ত্র? আমাদের সমস্যা আমাদের সমাধান করতে হবে। আমার দৃষ্টিতে তারা সীমানা ছাড়িয়ে যাচ্ছে”।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “বিশ্বায়নের এ যুগে বাংলাদেশ বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। বাংলাদেশে অশান্তি হলে জাতিসংঘ উদ্বিগ্ন হলে দোষের কিছু নেই”।
তিনি বলেন, “ ভারত, আমেরিকা, চীন বা বিশ্বব্যাংকের ইন্টারেস্ট থাকতে পারে। জাতিসংঘ ছয় মাস আগেই বাংলাদেশের নির্বাচনে সম্পৃক্ত হয়ে গেছে। নিশ্চয়ই তারা মনে করছে আগামী নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণে না হলে বাংলাদেশে অশান্তি হতে পারে। বাংলাদেশে অশান্তি হলে জাতিসংঘ তাতে উদ্বিগ্ন হলে আমি দোষের কিছু দেখিনা। সীমা এখনো লঙ্ঘন হয়নি বলে মনে করি”।
আহত বা নিহতদের ক্ষতিপূরণ
সাদিয়া আহমেদ জানতে চান প্রতিটি নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সহিংসতায় অনেকে আহত, নিহত ও পঙ্গু হচ্ছেন। দলগুলোর পক্ষ থেকে কি তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া উচিত নয় ?
আয়েশা খানম বলেন, “ক্ষতিপূরণ তো দেয়া হচ্ছেনা এবং বড় প্রশ্ন হচ্ছে আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করছি কি-না। যাদের কর্মসূচীতে এগুলো হচ্ছে তাদেরই ক্ষতিপূরণ দেয়া উচিত”।
একজন দর্শক বলেন, “যারা কর্মসূচি দিচ্ছেন তারাই তো শুধু নন, যারা যুবলীগ ছাত্রলীগকে গলিতে গলিতে থাকতে বলছেন সেটাও তো সহিংসতা সৃষ্টি করছে”।
মিস্টার মুনীরুজ্জামান বলেন, “ক্ষতিপূরণ তো কোন সময়ই দেয়া হয়নি। জনগণের কাছে তাদের সে দায়বদ্ধতা দেখা যায়নি। শান্তি রক্ষার দায়িত্ব যাদের তারা ব্যর্থ হচ্ছেন এবং তারা সহিংসতা আরও ছড়িয়ে দিচ্ছেন”।

মোশাররফ হোসেন বলেন, “হরতাল শুধু আমরাই করছিনা। সবাই করেছে। দায়ী করলে সবাইকে করতে হবে। হত্যা করছে ছাত্রলীগ যুবলীগ ও পুলিশ। সেজন্য কি বিরোধী দল দায়ী ? ক্ষতিপূরণ দেয়ার দায়িত্ব সরকারের। কারণ জননিরাপত্তার দায়িত্ব তাদের”।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, “কিভাবে বিচারপতির বাড়ি সহ বিভিন্ন স্থানে বোমা মারা হচ্ছে কিভাবে সেটা সবাই দেখছে। এভাবে মানুষ মেরে সমস্যার সমাধান হবেনা”।
বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে চলতি সপ্তাহে আলোচিত বিষয়বস্তু সম্পর্কে আপনার কী মতামত?:
দুদিক থেকেই যখন বলা হয় তুমি করো , তুমি করো তখন কাউকে না কাউকে আগে অবশ্যই করতে হবে। পরিস্থিতি এমনটাই। তাদের কথায় উঠে আসে জনগনের প্রিয়জনে, জনগনের স্বার্থে সংবিধানের এই পরিবর্তন। যা নিয়ে আজ দেশের এই অবস্থা। কথা হচ্ছে এত করে জনগনের কোন ভালো হচ্ছে ? উল্ট মন্দটাই হচ্ছে ।
মোমেন ভূইয়া, ঢাকা।
বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ ওয়াদা করছিল তারা বিরোধি দলে গেলেও হরতাল করবেনা। এখন আমার মন্তব্য হলো তারা দু বার সরকার গঠন করেও হরতাল নিষিদ্ধ করে আইন করলোনা কেন ? নাকি বিরোধী জোটে গেলে দরকার আর সরকারে থাকলে লাগেনা। তাহলে এসব মিথ্যা ধোকাবাজি করার কি দরকার।
মো: রফিকুল ইসলাম, ঢাকা।
যদি সব বিভাগে আলাদা নির্বাচন হয় তাহলে আমার মনে হয় দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করা সম্ভব। সব মিডিয়া এবং আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী অবশ্যই সততার সাথে কাজ করতে হবে।
রফিকুল ইসলাম, জেদ্দা, সৌদী আরব।
তোফায়েল আহাম্মদ বলেছেন যে কানাডা,অস্ট্রেলিয়া, লন্ডন এর কথা বলেছেন । ওই দেশ আর বাংলাদেশ কি এক ? এটা আমার উনার কাছে প্রন্ন ।ওই সব দেশগুলোতে ট্রেন এর টিকেট কাটলে ঘুষ দিতে হয়না। জমির কাগজ পত্র তুল্লে ও ঘুষ দিতে হয়না। থানায় জি ডি করতে টাকা/ঘুষ দিতে হয়না তা হলে বাংলাদেশ আর এই দেশ এক হলো কি করে? আর বাংলাদেশ এ সরকারি এমন কোন সেক্টর নাই যে ঘুষ ছাড়া কাজ হয় তাই বলবো এ গুলা আগে ঠিক করেন তারপর উদাহারন দেন ?
রফিক, কিশোরগঞ্জ।
আমি মনে করি বর্তমান সরকার যদি বিএনপি কে রেখে নির্বাচন করে তা হলে সংকট আরও বাড়বে।
ফারুক, গাজীপুর।
এটা কি বক্তৃতার জায়গা না-কি।
বাশার, ঢাকা।
পুলিশের গুলিতে মানুষের বেশি ক্ষতি হচ্ছে। আগে কখনো গুলি চলেনি, এখন কেন ? এ সরকারই জটিলতা সৃষ্টি করেছে। তাদেরকেই এটা মীমাংসা করতে হবে।
জাভেদ, ঢাকা।
Constitution amendment can be done only by the govt. who can come in power by poll. Here is my question who gave power to major zia that he has changed our constitution,he was a military govt?
ধনঞ্জয়, হবিগঞ্জ।
আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচন তো দুরের কথা, মক্কা শরীফ যাওয়াও উচিত নয়।
সোলায়মান, চৌদ্দগ্রাম।
তৃতীয় শক্তি বলতে যদি সামরিক শক্তি বোঝায় তাহলে সেটা চাই। তার কারন হচ্ছে: এখন যে আতংক নিয়ে চলতে হয় তা থেকে মুক্ত থেকে একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারব। অন্তত আমরা যারা সাধারণ জনগণ কোন রাজনৈতিক দলের গোঁয়ার সমর্থক নই।
আপন, নোয়াখালী।
শেখ হাসিনা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীত্ব চাননা, তাহলে কেন ক্ষমতা ছেড়ে দিতে চাননা ?
মো খায়রুল ইসলাম, সাতকানিয়া, চট্রগ্রাম।
আমি মনে করি সরকার বাকশাল কায়েম ও দীর্ঘ মেয়াদে থাকার জন্য কিছুই তিনি মানছেন না।
এম ডি তমিজ উদ্দিন, দিনাজপুর।
i would like to particapate BBC (BD) sanglap
Anwar kafi, khilgaon
আমি মনে করি প্রধান দু দলের কোনো একটি দল যদি ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করতে চায় তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।








