রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ: ইউক্রেনের পারমানবিক স্থাপনার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চায় পশ্চিমা মিত্ররা

ছবির উৎস, Getty Images
ইউক্রেনের দক্ষিণে ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি মার্চ মাস থেকেই রুশ সৈন্যদের নিয়ন্ত্রণে।
তবে গত কয়েক সপ্তাহে কেন্দ্রটির ওপর এবং আশেপাশে গোলাবর্ষণের ঘটনায় চেরনোবিলের মত সম্ভাব্য আরেকটি পারমানবিক বিপর্যয়ের নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। রাশিয়া এবং ইউক্রেন গোলাবর্ষণের জন্য পরস্পরকে দায়ী করছে।
জাপোরিঝজিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে অব্যাহত এই উদ্বেগের মাঝে গতকাল (রোববার) টেলিফোনে এক বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ এবং ফরাসী প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্র।
আলোচনার মূল বিষয় ছিল ইউক্রেনের যুদ্ধ। আলাপ শেষে এই চার পশ্চিমা নেতা, যারা এই যুদ্ধে ইউক্রেন সামরিক, আর্থিক ও রাজনৈতিকভাবে সাহায্য করছেন, জাপোরিঝজিয়া পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে সব ধরনের সামরিক কার্যকলাপ বন্ধের আহ্বান জানান।
স্থাপনাটিতে জাতিসংঘ পরিদর্শকদের যাওয়ার অনুমতি দিতে প্রেসিডেন্ট পুতিন যে রাজী হয়েছেন পশ্চিমা এই নেতারা তাকে স্বাগত জানান।
তবে তারা একইসাথে জানান, "রুশ আগ্রাসন মোকাবেলায় ইউক্রেনের প্রতি তাদের সাহায্য অব্যাহত থাকবে।"
তবে ওদিকে, ইউক্রেন বলছে রোববারও জাপোরিঝজিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে নিকোপল শহরে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রাশিয়া।

ছবির উৎস, Pool/
রাশিয়ার সূত্রে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে রুশ মিডিয়া আরআইএ নোভোস্তি জানিয়েছে জাপোরিঝজিয়া অঞ্চলের পোলতাভকা গ্রামে ইউক্রেনের একটি সেনা স্থাপনার ওপর হামলায় বেশ কিছু ভারী অস্ত্র ধ্বংস হয়েছে এবং অন্তত ৩০ জন ইউক্রেনীয় সৈন্য নিহত হয়েছে।
ওদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি দেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সময় জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
এক ভাষণে তিনি বলেন, "রাশিয়া এ দিনে খুবই জঘন্য, খুবই নৃশংস কোনো কাণ্ড ঘটাতে পারে।"
"শত্রুর প্রধান একটি লক্ষ্য হচ্ছে আমাদের অপদস্থ করা," তিনি বলেন, "সুতরাং সমস্ত উস্কানি ঠেকাতে আমাদের শক্ত হতে হবে।"
২৪শে আগস্ট ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবস। একই সময়ে রুশ সামরিক হামলার ছয় মাস পূর্তি হবে।








