আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এডিটার'স মেইলবক্স: জ্বালানি তেল, ইরানের নারী আর চীন তাইওয়ান নিয়ে প্রশ্ন
- Author, সাবির মুস্তাফা
- Role, সম্পাদক, বিবিসি নিউজ বাংলা
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও এখন জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি সব চেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি ব্রিটেন বা জার্মানির মত ধনী দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মূল্য বেড়ে যাওয়ায় সবাই বেশ উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
সে বিষয়ে বেশ কিছু চিঠি এসেছে। প্রথমে লিখেছেন লালমনিরহাটের গুড়িয়াদহ থেকে আহসান হাবিব রাজু:
''জ্বালানি তেল সংকট জনজীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। গরিব মানুষ দূরে থাক, মধ্যবিত্তদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে যাবে। শুধু জ্বালানি তেল নয়, বর্তমানে প্রতিটি প্রয়োজনীয় পণ্যর আকাশ ছোঁয়া দাম, যা একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে ক্রয় করা অসম্ভব।
''সরকারের এই বিষয়টা ভেবে দেখা উচিত ছিল। আমার মনে হয় দুনীতির লাগাম কিছুটা টেনে ধরলেই কিন্তু এই মন্দা সামাল দেওয়া সম্ভব ছিল। সরকার তা না করে সহজ পথটি নিয়ে জনগণের উপর চাপিয়ে দিল। এটা খুবই দুঃখজনক। সরকারের এরকম ভুল সিদ্ধান্ত হয় তো একদিন সরকারের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।''
বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:
আপনি এক দিক থেকে ঠিকই বলেছেন নি. হাবিব। জীবন যাত্রার মূল্য যখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায়, তখন তারা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে, তাদের রোষানলের লক্ষ্যবস্তু হয় সরকার। সেই রোষানল বহিঃপ্রকাশের সব চেয়ে সহজ এবং শান্তিপূর্ণ পথ হচ্ছে নির্বাচন।
কিন্তু নির্বাচনের ওপর মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেললে হিসেব-নিকেশ ওলট-পালট হয়ে যেতে পারে। বর্তমান সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হচ্ছে এই অনিশ্চয়তা।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হলে অর্থনীতি আরো খারাপ হবে। কাজেই সরকারের উচিত এমন পদক্ষেপ নেয়া যাতে মানুষের পিঠ দেয়ালে না ঠেকে যায়।
বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:
'চোরদের অর্থ'
একই বিষয়ে আরো লিখেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:
''দেশের অবস্থা যে আজ এতটা খারাপ, বুঝতে পারলাম জ্বালানি তেলের এতটা দাম বাড়ানো দেখে। সামনে যে আরও কী ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে কে জানে? জাতীয় নির্বাচনের কাছাকাছি সময়ে এসে তেলের দাম বাড়ানো, বিদ্যুতের লোডশেডিং, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সরকারকে চরম বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছে!
''আমার নিজের গাড়ি নেই, তবুও আমি চরমভাবে শঙ্কিত। কারণ, দিব্যি বুঝতে পারছি জ্বালানির দাম বৃদ্ধি আমার জীবনযাত্রায়ও বিরূপ প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে!
''আমি আশাকরি, চোরদের অর্থের যোগান অব্যাহত রাখার দায় রাষ্ট্র আমার মত স্বল্প আয়ের মানুষের ওপর চাপাবে না।''
সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ
আরো লিখেছেন রংপুরের খটখটিয়া থেকে মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন:
''সরকার বলছে জ্বালানি খাতের বিপুল ভর্তুকি কমাতে তার হাতে এর অন্য কোন বিকল্প ছিল না। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পড়বে আমাদের অর্থনীতির উপর। ক্ষতিগ্রস্ত হবেন নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষেরা।
''কৃষি ও পরিবহন ক্ষেত্রে বেড়ে যাবে আনুষঙ্গিক ব্যয়। মূল্যস্ফীতির হার আরো বাড়বে। অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন এই বৃদ্ধি ধাপে ধাপে করলে ভালো হতো। এখন এটা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
''সরকারের উচিত আপামর মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে যে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা; যার কোন নেতিবাচক প্রভাব যেন জনগণের উপর না পড়ে।''
আপনাদের দুজনের কথায় একই ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে মি. ইসলাম এবং মি. হোসেন। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় যেহেতু জনগণ, বিশেষ করে নিম্ন এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তাই সরকারের উচিত মানুষের ওপর চাপ কমানোর জন্য পদক্ষেপ নেয়া।
সরকার কতদূর কী করতে পারবে তা আমি বলতে পারবো না, কিন্তু ক্ষমতাসীন দল নিশ্চয় জানে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে রাজনীতির মতি-গতি পুরোপুরি জড়িত আছে।
ইরানি নারী নিয়ে চুলকানি?
বিবিসি বাংলায় ইরানের নারীদের নিয়ে একটি রিপোর্ট নিয়ে আপত্তি তুলেছেন যশোরের মজিদপুর থেকে মনিরা আক্তার লিখি:
''জানিনা বিবিসি বাংলা আমার এই চিঠির জবাব দেবে কিনা। ইরান নিয়ে বিবিসির আগ্রহ একটু বেশিই মনে হয়। অনেকের মতে বিবিসির চুলকানি ইরানি নারীদের নিয়ে। এবার তাই বিয়ের আগে নারীদের সতীত্ব প্রমাণ সনদ নিয়ে রিপোর্ট করেছে বিবিসি।
''যৌনতা জীবনের বাইরে নয়। তাই বলে এসব নিয়ে প্রকাশ্য এই ধরনের রিপোর্ট বিবিসির কোন ধরনের শ্রোতাদের জন্য?''
ইরানকে নিয়ে বিবিসির আগ্রহ আছে অবশ্যই মিস আক্তার, কারণ ইরান বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ এবং সেখানে কী ঘটছে তা নিয়ে আমাদের পাঠকদের প্রবল আগ্রহ রয়েছে। আর ভার্জিনিটি পরীক্ষা নিয়ে রিপোর্টকে আপনি কেন চুলকানি বলছেন?
বিয়ের আগে এ'ধরনের পরীক্ষা নারীর জন্য অত্যন্ত অপমানজনক এবং তার অধিকারের লঙ্ঘন। এই খবরকে আমরা সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই দেখেছি।
বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:
একই বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে লিখেছেন ভোলার চরফ্যাশন থেকে মুহাম্মদ মাসুদুল হক মাশুক:
''বুধবার বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে "ইরান: যেখানে বিয়ের আগে নারীদের সতীত্বের সনদ জোগাড় করতে হয়" শীর্ষক প্রতিবেদনটি পড়লাম। আমি যতটুকু জানি এ ধরনের সামাজিক কু-প্রথা শুধু ইরানে নয়, মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশেই প্রচলিত এবং যুগ যুগ ধরে এ ধরনের কুসংস্কার চলে আসছে।
''তবে আমি ইতিপূর্বেও লক্ষ্য করেছি বিবিসি ইরান নিয়ে খুব অনুসন্ধিৎসু এবং যেকোন ছোটখাটো বিষয়কেও খুব গুরুত্ব দিয়ে প্রচার ও প্রকাশ করে। আমার প্রশ্ন বিবিসি তাহলে শুধু ইরানকে নিয়ে এ নিউজটি করার কারণ কি? এটা একটি দেশের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ নয় কি?''
আপনি কি আসলেই এই ঘটনাকে ছোটখাটো বিষয় মনে করছেন মি. হক? যদি তাই ভাবেন, তাহলে আমার ধরে নিতে হবে নারীদের মর্যাদা এবং অধিকার বিষয়কে আপনি তুচ্ছ মনে করেন, যেটা সত্যই দুঃখজনক হবে।
এ'ধরনের ভার্জিনিটি পরীক্ষা নারীর প্রতি সমাজের কুদৃষ্টিরই প্রতিফলন। আর যুগ যুগ ধরে চলে আসলেই সেটা নিয়ে প্রতিবেদন করা ঠিক না, সেকথা মানার কোন কারণ আমি দেখি না।
প্রাণ এর প্রাণ
এবারে চলতি সপ্তাহের বিশেষ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠান নিয়ে লিখেছেন রংপুরের বেনুঘাট দিঘির পাড় থেকে সেলিম রাজ:
''মঙ্গলবার বিবিসি বাংলা'র এ সপ্তাহের সাক্ষাতকারে প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরীর সাক্ষাতকারটি যে আমার কী ভালো লেগেছে, তা বলে বোঝাতে পারবো না।
''এত অভিজাত শ্রেণির মানুষ হয়েও তার সাধারণ জীবন-যাপনের বিষয়টি শুধু আমাকে নয়, বিবিসি বাংলা'র সকল শ্রোতাদেরকেই অনুপ্রাণিত করেছে। অথচ আমাদের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় কিছু মানুষের ও নিজের বন্ধু-বান্ধবদেরকেও দেখেছি, একটু টাকা হলেই কতটা বদলে যেতে।
''সবশেষে একটি বিষয় জানতে চাই আর তা হলো, সাক্ষাতকারদাতা অতিথির প্রশ্নগুলো বিবিসি কর্তৃক পূর্ব নির্ধারিত, নাকি অনুষ্ঠানের উপস্থাপক অতিথিকে স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করার ক্ষমতা রাখেন?''
আহসান খান চৌধুরীর সাক্ষাতকারটি আপনার ভাল লেগেছে জেনে আমাদেরও ভাল লাগলো মি. রাজ। আপনার প্রশ্নের উত্তরে বলব, যিনি সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, অর্থাৎ উপস্থাপক, তিনি বিবিসিরই সাংবাদিক। তিনি অতিথি সম্পর্কে গবেষণা করেন এবং তাকে কী প্রশ্ন করা হবে সেটা তিনি নিজেই ঠিক করেন।
তবে অতিথি সম্পর্কে বিবিসির অন্য কারো তথ্য থাকলে বা কোন প্রশ্ন থাকলে তারা উপস্থাপককে সেগুলো জানাতে পারেন।
এবারে ভিন্ন প্রসঙ্গ। চীন এবং তাইওয়ান নিয়ে ছোট প্রশ্ন করেছেন খুলনার কপিলমুনি থেকে মোহাম্মদ শিমুল বিল্লাল বাপ্পী:
''গণ মাধ্যমে জেনেছি চীন তাইওয়ানকে তার নিজ দেশের অংশ মনে করে। আবার তাইওয়ান নিজেদের স্বশাসিত দেশ ভাবে। কোনটা সত্য?''
বলতে গেলে দুটোই সত্য মি. বিল্লাল। তাইওয়ান যে চীনের অংশ, সে কথা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। জাতিসংঘ এবং বিশ্বের অধিকাংশ দেশ এক চীন নীতিকে সমর্থন করে আর সেই নীতিতে চীনের মূল ভূখণ্ড এবং তাইওয়ানকে এক দেশ হিসেবে দেখা হয়। সেই দেশের স্বীকৃত সরকার হচ্ছে বেইজিং-এর কম্যুনিস্ট সরকার।
অন্যদিকে, তাইওয়ান-এর একটি নিজস্ব সরকার আছে, সেখানে নির্বাচন হয়, সংসদ আছে, অর্থাৎ তাইওয়ান স্বায়ত্তশাসিতও বটে।
আরো পড়ুন:
'লুটেরাদের স্বার্থ'
আবার ফিরে আসছি জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে। এবারের লিখেছেন চাঁপাই নবাবগঞ্জের ভোলাহাট থেকে মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম মিঞা:
''বিশ্ববাজারের তেলের দাম বাড়লে তাৎক্ষণিক আমাদের দেশে দাম বাড়ানোর প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়; কিন্তু বিশ্ববাজারে দাম কমলে সেভাবে দাম কমানোর লক্ষ্মণ পরিলক্ষিত হয় না। বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করে কখনো সঠিক মূল্য নির্ধারণ করা হয় কিনা, তা আমার বোধগম্য নয়।
''কারণ বর্তমানে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়েনি,বরং কমেছে। অথচ সরকার সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা না করে রাতারাতি ৪২ থেকে ৫২ শতাংশ মূল্য বাড়িয়ে দিয়ে প্রকারান্তরে সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।
''জ্বালানির তেলের অস্বাভাবিক ও অযৌক্তিক এই মূল্য বৃদ্ধিতে কার স্বার্থ রক্ষা হবে? সাধারণ জনগণের,সরকারের না লুটেরাদের?''
আপনার শেষ প্রশ্নই বলে দিচ্ছে আপনি উত্তরটাকে কীভাবে দেখছেন মি. মিঞা।
আপনার মত অনেক মানুষ আছে যারা মনে করেন সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে এই সঙ্কট হয়েছে। অনেকে এও মনে করেন যে, দুর্নীতির কারণে হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে চলে গেছে, এবং সেকারণেই সরকার এখন আমদানি মূল্যের ওপর চাপ সামাল দিতে না পেরে তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
তবে সরকার অবশ্য বলছে, দাম যখন অস্বাভাবিক গতিতে বাড়ছিল তখন তারা ভর্তুকি দিয়ে বাজার ঠাণ্ডা রেখেছিল। কিন্তু তা করতে গিয়ে প্রচুর লোকসান দিতে হয়েছে, এবং সেটা পুষিয়ে নেবার জন্যই হয়তো তারা এখন দাম বাড়িয়েছে।
কারণ যেটাই হোক, দাম বাড়ানো যে মানুষকে ক্ষুব্ধ করেছে তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।
সংসার চালাতে হিমশিম
তেল আরেকটি মন্তব্য করে লিখেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:
''জ্বালানি তেলের মূল্য এক বারে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ এর আগে কখনো বৃদ্ধি করা হয়েছে কি না, আমি ঠিক জানিনা। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে জনজীবনের প্রতিটি স্তরে।
''অস্বাভাবিক দ্রব্য মূল্যের কারণে সাধারণ আয়ের লোকজন সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে তার উপর জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি অনেকটা মড়ার উপরে খাঁড়ার ঘা হয়ে এসেছে।''
আপনি ঠিকই বলেছেন মি. সরদার। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে অনেক পরিবার প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপর বিভিন্ন কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়তে শুরু করেছিল।
তার মধ্যে এলো ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা আর বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা। সময়টা কারো জন্যই ভাল যাচ্ছে না, তবে সবাই আশা করবে সরকার জনগণের কষ্ট লাঘব করার জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেবে।
বিবিসির খবর
সব শেষে ছোট একটি চিঠি, পাঠিয়েছেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থেকে আশরাফুল আশেক:
''আমি বিবিসির ভক্ত, ১৯৮৯ সাল থেকে বাংলা অনুষ্ঠান শুনে আসছি । বাংলাদেশের সাময়িক প্রসঙ্গ, এবং সাক্ষাৎকারধর্মী অনুষ্ঠান আরোও বেশি চাই।''
ধন্যবাদ আশরাফুল আশেক। আমাদের পরিবেশনায় সাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে রিপোর্ট, বিশ্লেষণ তো থাকছেই, সাথে বিশেষ সাক্ষাৎকার। এসবই আরো বেশি পাবেন আমাদের ডিজিটাল পরিবেশনায়, যেমন আমাদের ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পাতায়।