এডিটার্স মেইলবক্স: পুতিন কেন জেলেনস্কির মুখোমুখি হতে চান না? অস্কার স্টেজে চড় নিয়ে ঝড়

ছবির উৎস, Getty Images
ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে যে শান্তি আলোচনা চলছে, তা নিয়ে আপনাদের অনেকেই মতামত জানিয়েছেন চলতি সপ্তাহে। পাশাপাশি, বাংলাদেশে খুনোখুনি, অস্কার অনুষ্ঠানে চড় মারার মতো খবরও আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে মুখোমুখি বসার জন্য উদগ্রীব ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। কিন্তু রাশিয়ার কাছ থেকে তেমন কোন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে লিখেছেন আমাদের ফেসবুকের একজন ফলোয়ার জাকির আল ফারুকি:
জেলেনস্কি আবারো তার নেতৃত্বের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। তবে পশ্চিমা জোট শুরুতে তাকে বিভ্রান্ত না করলে এই ধ্বংসযজ্ঞের মুখে পড়তে হতো না। পুতিনের একগুঁয়েমির জন্য পুরো রাশান জাতিকে দীর্ঘমেয়াদী মূল্য দিতে হবে। রাশান অর্থনীতির কোমর সোজা করতে আরো ৫০ বছর লাগবে৷
একই ধরনের মন্তব্য করেছেন ফেসবুকে আরেক ফলোয়ার আব্দুল হালিম চৌধুরী।
দেরিতে হলেও বুঝেছেন যে রাশিয়ার সাথে সংঘাত এড়ানোর মাঝেই ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। অন্যদের কাছ থেকে অস্ত্র নিয়ে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ চালিয়ে গেলে ইউক্রেন ধ্বংস হয়ে যাবে।
আরও পড়তে পারেন:

ছবির উৎস, Getty Images
মি. ফারুকি এবং চৌধুরী, ইউক্রেন যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী হতে পারে সে সম্পর্কে আলোচনার সময় এখনও আসেনি। কারণ রণাঙ্গনের বোঝাপড়া এখনও শেষ হয়নি। আমরা দেখছি, সর্বশেষ তুরস্কের মধ্যস্থতায় যে শান্তি আলোচনা হয়েছে তাতে রুশ পক্ষ ঘোষণা করেছে যে পারষ্পরিক আস্থা বাড়ানোর পদক্ষেপ হিসেবে তারা ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের চারপাশে এবং উত্তরাঞ্চলীয় চেরনিহিভ শহরে তাদের সামরিক তৎপরতা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমিয়ে দেবে। ২৪শে ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার এই সিদ্ধান্তকে সবচেয়ে ইতিবাচক ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কিন্তু মাঠ-পর্যায়ে এটা ঘটতে কতটা সময় লাগবে তা বোঝা মুশকিল। আপনাদের ধন্যবাদ।
এই শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন খুলনার দাকোপের নিয়মিত পত্রলেখক মুকুল সরদারের মনেও:
রাশিয়া ঠিক যে লক্ষ্য সামনে রেখে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল সেটি এখন মেনে নিয়ে নিয়ে ইউক্রেন এখন তৃতীয় কোনো দেশের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনায় বসলেও আলোচনা কতটা সফল হবে সে বিষয়ে সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। ইউক্রেন নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হবে অর্থাৎ নেটোতে যোগ দেবে না, হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট? ইউক্রেন ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে? পশ্চিমা জোটের নিকট থেকে সামরিক সহায়তা না পেয়ে বাধ্য হয়েই কি এমন সিদ্ধান্ত নিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট?

ছবির উৎস, Getty Images
এটা একটা মূল্যবান প্রশ্ন, মি. সরদার। মি. জেলেনস্কি কোন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন এমুহূর্তে তা বলা কঠিন। যেসব শর্ত রাশিয়া দিয়েছে, সেগুলো মেনে নিলে তার নিজের কী বিপদ হতে পারে, সেটাও নিশ্চয়ই তাকে ভাবতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং নেটো এখনও তার পেছনে রয়েছে, অন্তত খবরাখবর দেখে তাই মনে হচ্ছে। আপনাকে ধন্যবাদ।
গত ২২ শে মার্চ ছিল বিশ্ব পানি দিবস। এই দিন উপলক্ষে বিবিসি বাংলার রেডিও অনুষ্ঠানে যে রিপোর্ট প্রচারিত হয়েছিল সে সম্পর্কে লিখেছেন রংপুরের পীরগাছা থেকে মোঃ মিলন খন্দকার খালেক।
রিপোর্টার সাইয়েদা আক্তারের তৈরি একটি প্রতিবেদনে শুনলাম মুক্তা বেগম নামের এক নারীর সাক্ষাৎকার, যার বাড়ি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার পাঠকশিকড় গ্রাম, যা এক প্রত্যন্ত অঞ্চল। আমি নিজেও তার পার্শ্ববর্তী গ্রাম, কান্দি-নিজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তবে বিবিসি'র অনুষ্ঠানে আমার এবং আমার গ্রামের নাম প্রচারের জন্য নয়, উদ্দেশ্য আপনাদের কর্ম আন্তরিকতা আর প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষদের সুখ-দুঃখ প্রকাশ, আর তাদের সম্ভাবনার প্রতি যে আপনাদের দৃষ্টি সদা জাগ্রত, তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য।
আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার প্রশংসা সাইয়েদা আক্তারের কাছে হাতে হাত তুলে দিচ্ছি। তিনি এই অনুষ্ঠানেই আপনাদের সাথে আছেন। আপনি যদি বিবিসি বাংলার ইতিহাসের দিকে তাকান, তাহলে দেখবেন বিবিসি বাংলা এখনও তার গ্রামীণ শ্রোতাদের ত্যাগ করেনি। তাদের ভালমন্দের দিকে এখন নজর রেখেছে বিবিসি। বিবিসির খবর প্রচারের প্রযুক্তি এবং প্ল্যাটফর্ম বদলে গেছে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কথা সে ভুলে যায়নি।

ছবির উৎস, Getty Images
ঢাকা শহরে হত্যাকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবদুর রহমান জামী:
আমার মতে, টিপু খুনের ঘটনাটি নিছক হত্যাকাণ্ড নয়, ভূতল অপরাধ জগতের দুর্বৃত্তায়ন ও জিঘাংসার একটি দৃষ্টান্ত মাত্র। ইতিপূর্বে দেখা গেছে,স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার ও টেন্ডার-বাজি নিয়ে ক্ষমতাসীন পার্টির অন্তর্দ্বন্দ্বে একের পর এক খুনের ঘটনা ঘটছে। এই ঘটনাটিও ব্যতিক্রম নয়। টিপু হত্যায় ছয়টি মোটিভ ধরে তদন্ত চলছে। এ প্রেক্ষাপটে আমার প্রশ্ন,অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দলের জের ধরে আর কত হত্যাকাণ্ড ঘটতে থাকবে? উক্ত হত্যার বিচার হলেও যে খুনের মহড়া থামানো যাবে, এরই বা নিশ্চয়তা কোথায়? টেন্ডার-বাজি ও দখলদারির দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির বলি হবে আর কত প্রাণ?
মি. রহমান রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন বর্তমান সময়ের একটি বিশেষ সমস্যা। এটা যে একটি সমাজকে কলুষিত করে তাকে ছোবড়া বানিয়ে দিতে পারে তাতেও কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এর পরিবর্তন ঘটাবেন কারা? নিশ্চয়ই রাজনীতিকরা। দেশের নেতারা। তাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে দেশে তারা সুস্থ ও সৎ রাজনীতি দেখতে চান কী চান না। দেশের সাধারণ মানুষ সব সময়েই এধরনের হানাহানির বিপক্ষে আগেও ছিল, এখনও আছেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
সুপারি পাতা থেকে প্লাস্টিকের বিকল্প পণ্য তৈরি করেছেন ইমরান হোসেন নামে একজন ইঞ্জিনিয়ার। এনিয়ে বিবিসি বাংলার পাতায় একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। একে একটি সুখবর হিসেবে দেখছেন আপনাদের অনেকেই। ফেসবুক ফলোয়ার এইচএম হাসান মেহেদি লিখেছেন:
নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। এদিকে সরকারি বা বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের নজর দেয়া উচিত। এবং বাণিজ্যিক আকারে প্রচার ও প্রসার করা এবং একে ন্যূনতম ও সহনশীল দামের মধ্যে রাখা উচিত। তাহলে মানুষ আগ্রহী হয়ে উঠবে।
একই বিষয় নিয়ে খুলনার কপিলমুনি থেকে লিখেছেন মো. শিমুল বিল্লাল বাপ্পী। বাংলাদেশে পরিবেশের ক্ষতিকারক পলিথিন ব্যাগ এবং প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার চলছে দেদার। এনিয়ে তিনি শঙ্কিত:
বিবিসি বাংলার অনলাইন পাতায় পড়লাম কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ইমরান হোসেন সুপারির পাতা দিয়ে প্লাস্টিকের বিকল্প পণ্য সামগ্রী উদ্ভাবন করেছেন। জেনে আমার কাছে ভাল লেগেছে। পলিথিন এবং প্লাস্টিকের বিকল্প বের হলেও কেন পলিথিন এবং প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহার আমাদের দেশে বন্ধ হচ্ছে না? বিশ্বের অনেক দেশ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহার বর্জন করেছে। তাহলে আমাদের দেশে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এসব পণ্য সাধারণ মানুষ কেন বর্জন করছে না?
মি. বিল্লাল এবং মি. মেহেদি আপনাদের চারপাশে যেসব ক্ষতিকারক প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহার চলছে, আমার মনে হয় তার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। এক, সুপারির পাতার মতো বিকল্প পণ্যের অভাব। ফলে অনেকেই পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ করতে না চাইলেও বাধ্য হন। পাশাপাশি মি. মেহেদি এসব বিকল্প পণ্যের দামের কথা উল্লেখ করেছেন। এসব পণ্যের দাম যতক্ষণ পর্যন্ত প্লাস্টিক পণ্যের চেয়ে কম না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই মানুষকে এসব পণ্য ব্যবহার করতে হবে। আরেকটি প্রধান কারণ হচ্ছে সুশাসনের অভাব। পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন তৈরি হয়েছে কিন্তু আপনাদের আশেপাশে কী কোথাও সেই আইনের প্রয়োগ দেখতে পাচ্ছেন? আপনাদের ধন্যবাদ।

ছবির উৎস, Getty Images
পাকিস্তানের রাজনীতির সর্বশেষ হাল-হকিকত নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট থেকে এই চিঠি লিখেছেন মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম মিঞা:
আঠাশে মার্চ সোমবার পাকিস্তানের পার্লামেন্টে ২২-তম প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব উঠলো। জানা গেল পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা তেমন একটা ভালো যাচ্ছে না। দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিসহ নানা সমস্যার কথা তুলে ধরে বিরোধীদল পার্লামেন্টে এই প্রস্তাব তুলেছে। পাকিস্তানে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতায় টিকে থাকার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, দেশটির সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত কোন সরকারপ্রধান তাঁর মেয়াদকাল ৫ বছর পূর্ণ করতে পারেনি। কারণ হিসেবে দেখা যায় কোন প্রধানমন্ত্রীর টিকে থাকা না থাকা অনেকটা পাকিস্তানি মিলিটারি বা সেনাবাহিনীর ওপর নির্ভর করে। ইতিপূর্বে পাকিস্তানের ২১জন প্রধানমন্ত্রী বা সরকার প্রধান সময়ের আগেই ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। ইমরান খানের জন্যেও কি সেরকম কিছু হতে চলেছে? পাকিস্তানের রাজনৈতিক পথচলা কি মিলিটারিরাই নিয়ন্ত্রণ করে?
আপনার দুটি প্রশ্নের জবাবই হ্যাঁ-সূচক হতে যাচ্ছে, মি. মিঞা। পাকিস্তানের রাজনীতিতে সে দেশের সামরিক বাহিনীর প্রভাব খুবই গভীর। এবং আপনি যেমনটা বলেছেন, পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই এটা চলে আসছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পেছনে যেসব কারণ ছিল তার মধ্যে অন্যতম ছিল দেশের রাজনীতিতে পাাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ এবং নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা।
পাকিস্তান সম্পর্কিত কিছু খবর:

ছবির উৎস, Getty Images
তার রাজনৈতিক কেরিয়ারের গোড়ার দিকে ইমরান খানকে নিয়ে সামরিক এস্টাব্লিশমেন্টের কিছুটা দ্বিধা ছিল। কিন্তু পরে তা কাটিয়ে ওঠেন, ক্ষমতার রাজনীতিতে সফল হন। কিন্তু এখন তার সাথে সামরিক বাহিনীর সম্পর্ক বেশ শীতল বলেই জানা যাচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, ইমরান খানের সরকারের পতন হলে, তার বিকল্প হিসেবে মঞ্চে আসবেন কে? সেটা সম্ভবত জানা যাবে আগামী কিছু দিনের মধ্যে। ধন্যবাদ আপনাকে।
মার্কিন চলচ্চিত্র পুরস্কার অস্কার অনুষ্ঠানের মঞ্চে অভিনেতা উইল স্মিথ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ক্রিস রকের গালে যে বিরাশি সিক্কার চড় বসিয়ে দিয়েছেন, তা নিয়ে বেশ ক'দিন ধরেই চলছে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক। কিন্তু অস্কার অনুষ্ঠানে কিছু না বললেও পরে ক্রিস রকের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন উইল। তিনি বলেছেন, "আমার আচরণ ছিল অগ্রহণযোগ্য ও অমার্জনীয়। সবার সামনে তোমার কাছে ক্ষমা চাইছি।
এনিয়ে আপনারা নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। যেমন হালিমা নাসরিন শিল্পী লিখেছেন:
কারো অসুস্থতা নিয়ে মজা নয়। ক্ষমা চেয়ে মহত্ত্বের পরিচয় দিয়েছেন এবং চড় মেরে আরো বেশি মহত্ত্বের পরিচয় দিয়েছেন। উনি তার স্ত্রীকে ভালোবাসেন, হয়তো অনেকের চেয়ে সেই ভালোবাসাটা অনেক বেশি। তাই তাকে চড় মারতে দেখে অনেকে অবাক হয়েছেন।

ছবির উৎস, Getty Images
একইভাবে উইল স্মিথের প্রশংসা করেছেন আব্দুল জব্বার:
ক্ষমা চেয়ে মহত্ত্বের পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু থাপ্পড় দিয়ে আরো বড় মহত্ত্বের কাজ করেছে। একজন অসুস্থ মানুষকে নিয়ে ফান করার এটাই ছিলো উপযুক্ত শাস্তি।
কিন্তু ভিন্নমত জানিয়েছেন মো. শামির সরকার। উইল স্মিথ এই কাজ সম্পর্কে তিনি লিখেছেন:
মুখে প্রতিবাদ জানাতে পারতেন। চড় মারা ঠিক হয়নি। সারা দুনিয়ার মানুষ এই শো দেখছে, সবারই আত্মসম্মানবোধ আছে। চড় না মেরে আগে সাবধান করতে পারতেন।
তার সাথে সুর মিলিয়েছেন, আবীর সূত্রধর:
ক্রিস রক একজন কৌতুক অভিনেতা। তিনি উইল স্মিথের ওয়াইফকে হার্ট করার জন্য নিশ্চয়ই কথাগুলো বলছিলেন না। আর অস্কার মঞ্চের সবাই ক্রিসের কৌতুকগুলো উপভোগ ও করছিল। যদি স্মিথের খারাপ লেগে থাকে তাহলে ভাষণ দেয়ার সময় তিনি সেটা সুন্দরভাবে বলতে পারতেন। অথবা ব্যাকস্টেজে ক্রিসকে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলতে পারতেন। লাইভ টিভির এতো বড় একটা মঞ্চে স্মিথ যখন ক্রিসকে চড় মারেন তখন ক্রিসের মুখটা কেমন হয়েছিল? সেটা দেখলেই বোঝা যায় তিনি কতটা কষ্ট পেয়েছেন। স্মিথের মতো এত ভালো অভিনেতার কাছে তার ভক্তরা অবশ্যই এমন আচরণ আশা করেনি।

ছবির উৎস, Getty Images
যাহোক ঘটনা একটা ঘটে গেছে। কিন্তু তার রেশ কতদিন ধরে চলবে, কে জানে? ক্রিস রক উইল স্মিথের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি। উইল স্মিথের স্ত্রীও ক্ষত সারিয়ে তোলার কথা বলেছেন। এরপর অস্কার কর্তৃপক্ষ উইল স্মিথের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই হবে দেখার বিষয়। ততদিন পর্যন্ত হলিউডের হাই ড্রামা চলতেই থাকবে।
মতামত জানানোর জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।










