ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ: পশ্চিমা শক্তির সহায়তায় ইউক্রেন পরমাণু অস্ত্র হাত করার চেষ্টা করবে বলে রাশিয়ার অভিযোগ

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই লাভরভ। (ফাইল ফটো)

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই লাভরভ। (ফাইল ফটো)

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই লাভরভ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে পশ্চিমা শক্তির সমর্থন নিয়ে ইউক্রেন পরমাণু অস্ত্র হাত করার চেষ্টা করবে।

জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ এবং জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে ভিডিওর মাধ্যমে দেয়া এক ভাষণে মি. লাভরভ একথা বলেন।

তবে এই অভিযোগের স্বপক্ষে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী কোন প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

তার ভাষণের আগে ইউক্রেনের ওপর আগ্রাসন চালানোর প্রতিবাদে পশ্চিমা দেশের রাষ্ট্রদূতরা বৈঠকটি থেকে উঠে যান।

ঐ ভাষণে মি. লাভরভ মূলত ইউক্রেনে রুশ অভিযানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

এসময় তিনি অভিযোগ করেন যে ইউরোপ আলোচনার কথা না তুলে, তার ভাষায়, রুশ ভীতির ধুয়া তুলেছে এবং রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

একই বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেন, ইউক্রেনের ওপর আগ্রাসন চালানোর জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ থেকে রাশিয়ার সদস্যপদ বাতিল করা উচিত।

আরও পড়তে পারেন:

রুশ হামলায় ধ্বংস হলো কিয়েভের একটি টেলিভিশন টাওয়ার।

ছবির উৎস, Reuters

ছবির ক্যাপশান, রুশ হামলায় ধ্বংস হলো কিয়েভের একটি টেলিভিশন টাওয়ার।

ওদিকে রাশিয়ার বিশাল সেনাবহর যখন কিয়েভের দিকে এগিয়ে আসছে, তখন ইউক্রেন সরকার বলছে, রুশ বাহিনী কিয়েভ এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভের চারপাশে অবরোধ সৃষ্টি চেষ্টা করছে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামরিক দিক দিয়ে স্পর্শকাতর এলাকাগুলো থেকে সরে যাওয়ার জন্য কিয়েভের বাসিন্দাদের পরামর্শ দিয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে রুশ কর্মকর্তারা বলেছেন, ইউক্রেনের "নিরাপত্তা বিভাগের প্রযুক্তি কেন্দ্র এবং প্রধান সাই-অপ সেন্টার"কে সুনির্দিষ্টভাবে নিশানা করে হামলা চালানো হবে।

এরই মধ্যে কিয়েভের একটি টেলিভিশন টাওয়ার রুশ হামলায় ধ্বংস হয়েছে।

রুশ বিবৃতিতে বলা হয়, "ইউক্রেনের যেসব নাগরিক জাতীয়তাবাদীদের উসকানিতে তৎপর তাদের এবং কিয়েভের অন্য বাসিন্দা যারা এসব স্থাপনার কাছে বসবাস করছেন তাদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করছি।"

রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রচারণা বন্ধের লক্ষ্যে এই হামলা চালানো হবে বলে রুশ কর্মকর্তারা জানান।

ভিডিও দেখুন: ইউক্রেন থেকে বিবিসির ওরলা গেরিনের পাঠানো প্রতিবেদন