আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ: স্নায়ুচাপের ম্যাচে ফর্মে থাকা পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া
- Author, রায়হান মাসুদ
- Role, বিবিসি বাংলা, ঢাকা
নিউজিল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হিসেবে ফাইনালে জায়গা করে নিলো অস্ট্রেলিয়া। এতে একটা বিষয় নিশ্চিত হলো, নতুন কোন ক্রিকেট দলের হাতেই যাবে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা।
অস্ট্রেলিয়া পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৭৬ রান তাড়া করে পাঁচ উইকেট হাতে রেখে শুরুতে ব্যাট করে পাকিস্তান ১৭৬ রান তোলে।জবাবে নড়বড়ে শুরু করার পর অস্ট্রেলিয়া এক ওভার হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নিয়েছে।
ম্যাচের বিশ্লেষণ
আরও পড়তে পারেন:
অস্ট্রেলিয়া অন্য অনেক দলের মতোই টসে জিতে বোলিং এর সিদ্ধান্ত নেয়।
পাকিস্তানকে সেমিফাইনালে ভালো শুরু এনে দেন অধিনায়ক বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান।
রিজওয়ান অস্ট্রেলিয়ার পেসার স্পিনার সবাইকে পেটাতে থাকেন, ৬৭ রান তোলেন তিনি।
টুর্নামেন্টের রান সংগ্রাহকদের তালিকায় ওপরের দিকে থাকা রিজওয়ান, এই বিশ্বকাপেই তিনটি অর্ধশতক হাঁকান।
এরপর ধীরগতির শুরু করেও ৩২ বলে ৫৫ রান তোলেন ফখর জামান, চারটি ছক্কা মারেন তিনি।
শেষ ওভারেই দুটি তার শেষ দিকের দ্রুত রান নেয়ার ফলেই ১৭৬ রান তোলে পাকিস্তান।
আম্পায়ার ক্রিস গ্যাফানি আজ দুটো ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, প্রথমটি ফখর জামানের ব্যাট থেকে ফিরে আসা বল থেকে বাঁচতে নিচু হয়ে পড়ে গেছেন, এতে করে বড় আঘাত থেকে বেঁচে গেছেন তিনি।
বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর:
দ্বিতীয়টি শাহিন শাহ আফ্রিদির প্রথম ওভারে ইয়র্কার বল মিচেল মার্শের ফ্রন্ট-ফুটে লাগার পরেও আউট দেন নি, আফ্রিদি যেভাবে রিভিউ নিতে বাধ্য করলেন।
অধিনায়ক বাবর আজমকে মনেই হয়েছে তিনি নিশ্চিত ওটা আউট, রিভিউতেও এসেছে স্ট্যাম্প ঘেঁষে বেরিয়ে যেত বলটা, নট আউট।
শাহীন শাহ আফ্রিদির প্রথম ওভার ছিল দাপুটে, ছয়টা বলেই মনে হয়েছে উইকেট চলে যেতে পারে, মাত্র এক রান দিয়ে এক উইকেট নেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়া শাহীন শাহ আফ্রিদির প্রাথমিক ধাক্কাটা সামলেছে পাল্টা আক্রমণ করে, সেই ঝড় গেছে ইমাদ ওয়াসিমের ওপর দিয়ে।
ডেভিড ওয়ার্নার এক ওভারে দুটি চার ও একটি ছয় মেরে মোট ১৭ রান নেয় অস্ট্রেলিয়া।
দশ ওভার পর্যন্ত মনেই হচ্ছিল পাকিস্তানের করা ১৭৬ রান সহজেই তাড়া করবে অস্ট্রেলিয়া।
কিন্তু পাকিস্তানের লেগ স্পিনার শাদাব খানের পর পর দুই ওভারে ডেভিড ওয়ার্নার ও ম্যাক্সওয়েল সাজঘরে ফিরে যান।
ওয়ার্নার এক রানের জন্য অর্ধশতক মিস করেন।
শাদাব খান চার ওভারে ২৬ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়ে নেন।
শেষ পাঁচ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ৬৩ রান।
স্টয়নিস ও ম্যাথু ওয়েড প্রতি ওভারে ১২-১৩ করে রান নিয়ে এগোতে থাকেন।
আঠারোতম ওভারে হাসান আলী ১৫ রান দেন, এরপর দুই ওভারে প্রয়োজন হয় ২২ রান।
শাহীন শাহ নিজের শেষ ওভার বল করতে আসেন, হাসান আলী বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ ফেলে দেন, পরের তিন বলে তিন ম্যাথু ওয়েড ছক্কা হাঁকান।
দারুণ শুরু করা শাহীন শাহ আফ্রিদি, শেষ তিন বলে তিন ছয় হজম করে ম্যাচ শেষ করেন।
রিজওয়ানের অর্ধশতক, শাদাব খানের চার উইকেট গেল বিফলে, স্নায়ু-চাপের ম্যাচে জিতে অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে।