স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়: কম্পিউটার অপারেটরের ড্রয়ার থেকে ফাইল চুরির ঘটনায় তদন্ত শুরু

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১৭টি ফাইল চুরি যাওয়ার পর আজ রবিবার আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করছে মন্ত্রণালয় এবং পুলিশ।

মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের ক্রয় শাখার ফাইল ছিল এগুলো।

ফাইল খোয়া যাওয়ার ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটা জিডি করা হয়েছে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মওদুদ হাওলাদার বিবিসিকে বলেন ২৮শে অক্টোবর জিডি করেন উপসচিব নাদিরা হায়দার।

এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান জিডি বা সাধারণ ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে ২৭ শে অক্টোবর অফিসের সময় শেষ করে সবাই চলে যান। পরের দিন ২৮শে অক্টোবর অফিসে এসে ঐ ১৭টা ফাইল আর পাওয়া যায়নি।

ফাইল গুলো ক্রয় শাখার কম্পিউটার অপারেটরের ড্রয়ারে ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের পুলিশের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি এই ঘটনার ছায়াতদন্ত করছে।

মি. হাওলাদার বলেন " সিআইডি তদন্তের স্বার্থে আজ ঐ কক্ষের বিভিন্ন স্থানে আঙ্গুলের ছাপ সংগ্রহ করেছে"।

এবিষয়ে উপসচিব নাদিরা হায়দারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এনিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আরো পড়ুন:

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ আলম বলেন, ফাইল চুরির ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

ফাইলে কী ধরণের তথ্য রয়েছে সে সম্পর্কে জানতে চাইলে মি. আলম পরিষ্কার করে কিছু বলেননি।

তিনি বলেছেন "তদন্ত শেষে সঠিক তথ্য জানা যাবে"।

তদন্ত শেষ হতে এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস মহামারির পর একের পর এক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে খবর হয়েছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর নমুনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক ডিজি আবুল কালাম আজাদসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

নানা সমালোচনার মুখে আবুল কালাম আজাদ এর আগেই পদত্যাগ করেন।

বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন: