চীনা নভোচারীরা তাদের সবচেয়ে দীর্ঘ মহাকাশ মিশন শেষে পৃথিবীতে ফিরেছেন

ছবির উৎস, Shutterstock
চীন সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য তিনজন নভোচারীকে মহাকাশ মিশনে পাঠানোর পর তারা আবার পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন।
চীনের এই সফল মহাকাশ অভিযান চীনের মহাকাশ কর্মসূচি এগিয়ে নেবার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে এবং মহাকাশ গবেষণার দৌড়ে চীন আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ায় তাদের আস্থাও বেড়েছে।
তিনজন নভোচারী পৃথিবীর ৩৮০ কিলোমিটার (২৪০ মাইল) উপরে চীনের তৈরি মহাকাশ স্টেশনে তিয়ানহে মডিউলে ৯০দিন সময় অতিবাহিত করেন।
তারা বৃহস্পতিবার স্পেস স্টেশন থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে, শেনঝু-১২ নামের নভোচারী-চালিত মহাকাশযানে ওঠেন।
নিই হাইশেং, লিউ বোমিং এবং টাং হনবো আজ (শুক্রবার) স্থানীয় সময় দুপুর একটা ৩৫ মিনিটে মঙ্গোলিয়ার গোবি মরুভূমিতে অবতরণ করেন।
তারা মহাকাশে যাত্রা করেন ১৭ই জুন এবং গোবি মরুভূমি থেকেই তাদের নিয়ে নভোযান রওয়ানা হয়।
সম্পর্কিত আরও খবর:

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির উৎস, Shutterstock
চীনের গ্লোবাল টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, মহাকাশ স্টেশনে থাকাকালীন তিন নভোচারী নানা ধরনের কাজ করেছেন যার মধ্যে রয়েছে পৃথিবীতে বিভিন্ন রকম তথ্য পাঠানো এবং বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে মহাকাশে হাঁটা।
মহাকাশ স্টেশনের মূল যে মডিউলের মধ্যে নভোচারীরা ছিলেন, সেখানে প্রত্যেক নভোচারীর থাকার জন্য আলাদ কক্ষ দেয়া হয়েছিল বলে বলা হয়েছে।
চীনের এয়ারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিস করপোরেশনকে উদ্ধৃত করে গ্লোবাল টাইমস জানাচ্ছে, সেখানে মহাকাশে ব্যবহারের উপযুক্ত জিম ছিল যেখানে নভোচারীদের ব্যায়ামের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা ট্রেডমিল এবং বাইসাইকেল দেয়া হয়েছিল।
সাম্প্রতিক কয়েক বছরে চীন মহাকাশ গবেষণায় উচ্চাকাঙ্ক্ষী বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। ২০১৯ সালে চীন ছিল বিশ্বের প্রথম দেশ যারা চাঁদের সবচেয়ে দূরের অংশে রোবট পরিচালিত রোভারযান পাঠিয়েছিল।
কিন্তু চীনকে মহাকাশে তাদের নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন তৈরি করতে হয়েছে। কারণ আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন প্রকল্পে চীনকে অংশ নিতে দেয়া হয়নি।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র প্রকল্পে নেতৃত্ব দিচ্ছে আমেরিকা এবং এই প্রকল্পে তারা রাশিয়া, ইউরোপ, জাপান এবং কানাডার সাথে একযোগে কাজ করছে।
বিবিসি বাংলার আরও খবর:










