আফগানিস্তান: তালেবান গজনিতে সংখ্যালঘুদের ‌'নির্যাতন ও খুন করেছে'

হাজারা সম্প্রদায়ের বেশিরভাগ সদস্যই শিয়া মুসলমান।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, হাজারা সম্প্রদায়ের বেশিরভাগ সদস্যই শিয়া মুসলমান।

আফগানিস্তানে তালেবানের শাসনে ধর্মীয় এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অভিযোগ করেছে যে তালেবান গত মাসে গজনি প্রদেশে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের নয় ব্যক্তিকে হত্যা করেছে।

অ্যামনেস্টির এক তদন্ত বলছে, এই ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে খুন করা হয়।

গত রোববার কাবুল দখলের পর থেকে তালেবান বহির্বিশ্বের কাছে তার একটি গ্রহণযোগ্য ভাবমূর্তি তালে ধরার চেষ্টা করছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বিবিসি সংবাদদাতা জিল ম্যাকগিভারিং জানাচ্ছেন, জুলাই মাসের শুরুতে তালেবান যখন গজনি দখলের অভিযান শুরু করে তখন গ্রামবাসীরা প্রাণভয়ে পার্বত্য এলাকায় পালিয়ে যায়।

আরও পড়তে পারেন:

গজনি শহরে ঢোকার মুখে তালেবানের তল্লাশি চৌকি।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, গজনি শহরে ঢোকার মুখে তালেবানের তল্লাশি চৌকি।

এরপর খাবার ও রসদ পত্রের জন্য তারা ঘরে ফিরে এলে ওঁত পেতে থাকা তালেবানের হাতে ধরা পড়ে।

এদের মধ্যে ছয় জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

বাকি তিনজনকে নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়।

আফগানিস্তানে সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের বেশিরভাগই শিয়া।

এর আগে এরা ইসলামিক স্টেটসহ নানা সুন্নি কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

ওদিকে, জার্মানির সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলে বলছে, তাদের এক সাংবাদিককে ধরতে তালেবান ঘরে ঘরে তল্লাশি চালাচ্ছে।

ঐ সাংবাদিকের এক আত্মীয়কে তালেবান ইতোমধ্যেই খুন করেছে।

আফগানিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় টেলিভিশন স্টেশন টোলো বলছে, তালেবানের শাসন শুরু হওয়ার পর তারা এরই মধ্যে নিজস্ব সেন্সরশিপ চালু করতে বাধ্য হয়েছে।

বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর: