আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান সম্পন্ন, ফুসফুসে সংক্রমণ ন্যূনতম - বলছেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক
কোভিড-১৯ আক্রান্ত বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বিরোধী দল বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান শেষে ফুসফুসে ভাইরাসের সংক্রমণ ন্যূনতম বলে জানা যাচ্ছো
বুধবার রাতে মিসেস জিয়ার জ্বর এসেছিল। বৃহস্পতিবার সকালেও তার দেহের তাপমাত্রা ছিল ১০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।
সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্যতম ডা. জাহিদ হোসেন বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান করা হয়েছে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে।
তিনি বলেন, তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তবে ফুসফুসে সংক্রমণের 'মিনিমাম' চিহ্ন লক্ষ্য করা গেছে।
এব্যাপারে সিটিস্ক্যানের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল শুক্রবার জানা যাবে বলে তিনি বলেন।
বৃহস্পতিবার ছিল খালেদা জিয়ার করোনাভাইরাস আক্রান্ত হবার পর সপ্তম দিন।
আরো পড়তে পারেন:
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের প্রধান অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী এর আগে জানিয়েছিলেন, "সাধারণত কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে বলা হয় যে প্রথম সপ্তাহের চেয়ে দ্বিতীয় সপ্তাহে পরিস্থিতি কিছুটা পরিবর্তন হয়, সুতরাং আমরা বলতে পারি যে উনি এখন দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন।
"কিন্তু উনার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল আছে। আমরা দেখেছি উনার চেস্ট ক্লিয়ার আছে। উনার ব্লাড রিপোর্টও ভালো।"
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসাবে গত ১০ই এপ্রিল বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নমুনা দেন।
পরদিন ১১ই এপ্রিল জানা যায় তিনি কোভিড-১৯ পজিটিভ। খবরটি দলের পক্ষ থেকে প্রথমে অস্বীকার করা হলেও, পরে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য গণমাধ্যমকে জানান।
খালেদা জিয়া ছাড়াও তার বাসায় আরো আটজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
২০১৮ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
এরপর ২০২০ সালের ২৫শে মার্চ তাকে ছয় মাসের জন্য নির্বাহী আদেশে মুক্তি দেয়া হয়।
পরে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে মুক্তির সময় আরও ছয় মাস বাড়ায় সরকার।
এ বছরের মার্চে তৃতীয়বারের মতো ছয় মাসের মেয়াদ বাড়ানো হয়।