করোনাভাইরাস: বাংলাদেশে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো

ছবির উৎস, Getty Images
বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস রোগী শনাক্ত হওয়ার আটান্নতম দিনে এসে মোট শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা দশ হাজার ছাড়ালো।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৮৮ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত একদিনে এটাই সর্বোচ্চ সংখ্যক শনাক্ত হওয়া রোগী।
এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০,১৪৩ জন।
গত চব্বিশ ঘণ্টায় মারা গেছেন গেছেন ৫ জন, এদের মধ্যে সবাই পুরুষ।
এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন মোট ১৮২ জন।
চব্বিশ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৪৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য তুলে ধরেন।


এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ১২০৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬২০৭ জনের, মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮৭, ৬৯৪ জনের।
এখন মোট ৩৩টি প্রতিষ্ঠানে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৯০ জন মানুষকে। এ পর্যন্ত মোট আইসোলেশনে রয়েছেন ১,৬৩৬ জন।
আক্রান্তের মধ্যে ৬৮ শতাংশ পুরুষ এবং ৩২ শতাংশ নারী।
কিন্তু যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ পুরুষ এবং ২৭ শতাংশ নারী।
যারা মারা গেছে তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ বয়সের ছিলেন ৪২ শতাংশ মানুষ, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী ছিলেন ২৭ শতাংশ।
এছাড়া, ৪১-৫০ বছর বয়সী ১৯ শতাংশ, ৩১-৪০ বছর বয়সী সাত শতাংশ, ২১-৩০ বছর বয়সী তিন শতাংশ এবং ১০ বছরের নিচে দুই শতাংশ মারা গেছেন।
করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এরপরই রয়েছে চট্টগ্রাম এবং ময়মনসিংহ বিভাগ।
গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে ২৭৪২ জনকে, এ পর্যন্ত সর্বমোট কোয়ারেন্টিনে আছেন এক লক্ষ ৯৫ হাজার ৩৩৪ জন।

ছবির উৎস, Getty Images
গত ২৪ ঘণ্টায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের হটলাইনে সমস্যা জানিয়ে এবং স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য মোট ৬৯ হাজার ৮২৪টি ফোনকল এসেছে।
এ পর্যন্ত মোট ফোনকল এসেছে ৩৯ লক্ষ ৭৫ হাজার ৪৩৬টি।
মোবাইল ফোন ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ১৮ হাজার ৫৫৪ জনকে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ হাজার ২০০টি ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী পিপিই সংযোজিত হয়েছে।
এখন পর্যন্ত সরকারের কাছে ১৮ লক্ষ ৮৯ হাজার ৩৬২টি পিপিই জমা আছে। এর মধ্যে এ পর্যন্ত ১৪ লক্ষ ৯০ হাজার ১৯৩টি পিপিই বিতরণ করা হয়েছে।








