কেরাণীগঞ্জে মাদ্রাসা ও জাজিরায় বিস্ফোরণ কতটা উদ্বেগের?

কেরাণীগঞ্জে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন
ছবির ক্যাপশান, কেরাণীগঞ্জে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন
    • Author, আবুল কালাম আজাদ
    • Role, বিবিসি নিউজ বাংলা

ঢাকার কেরাণীগঞ্জে একটি মাদ্রাসা এবং শরিয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনা বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।

ঢাকার কাছে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের মাদ্রাসায় বিস্ফোরণে কোনো হতাহত না হলেও জাজিরায় বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরণে আহত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয়রা বলছেন জাজিরার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারের বিষয়টি জড়িত।

তবে ঢাকার কেরাণীগঞ্জে মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় জঙ্গিবাদ মামলার সংশ্লিষ্ঠ ব্যক্তিদের জড়িত থাকার অভিযোগ এসেছে। এই ঘটনায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা হয়েছে এবং অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট ঘটনার তদন্ত করছে।

সরেজমিনে ঢাকা ও শরিয়তপুর ঘুরে এ বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে কী জানা যাচ্ছে এবং নির্বাচনের আগে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা কতটা উদ্বেগজনক সেটি খতিয়ে দেখেছে বিবিসি বাংলা।

কেরাণীগঞ্জ বিস্ফোরণে 'জঙ্গী' সন্দেহ

দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত ২৬শে ডিসেম্বর উম্মুল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। বিস্ফোরনে ভবনের দুটি কক্ষের দেয়াল বিদ্ধস্ত হয়েছে। পাশের সিএনজি গ্যারেজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

একজন এলাকাবাসী জানান, শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ১০:২৪ মিনিটে ওই বিস্ফোরণের সময় পাশের সিএনজি গ্যারেজে অবস্থান করছিলেন। তিনি জানান, বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর তাদের গ্যারেজের টিনশেড ভেঙে পড়ে তার নিচে চাপা পড়েন তিনি।

ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ছিটকে পড়া দেয়ালের অংশ, স্ল্যাব দেখিয়ে বলেন বিশ-পঁচিশ ফুট দূরে উড়ে গিয়ে সেগুলো পড়েছে। পাশের পাড়ের চার তলার ছাদে উড়ে গিয়ে পড়েছে ইট।

বিস্ফোরণে ভবনের দুটি কক্ষের দেয়াল এবং ছাদের একটি অংশ বিধ্বস্ত হয়
ছবির ক্যাপশান, বিস্ফোরণে ভবনের দুটি কক্ষের দেয়াল এবং ছাদের একটি অংশ বিধ্বস্ত হয়

ঘটনার সতেরদিন পরে গিয়েও দেখা যায়, ঘটনাস্থলটি ক্রাইম সিন হিসেবে ঘিরে রাখা হয়েছিল। দুর্ঘটনার চার পাঁচদিন পরেও সেখানে আরেকটি বিস্ফোরণ হয়েছে এবং একজন আহত হন বলেও জানান স্থানীয়রা।

দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা সূত্র জানায়, এ বিস্ফোরণের ঘটনায় মূল আসামী মাদ্রাসাটির পরিচালক শেখ আল আমিন। এ ঘটনায় সহযোগী হিসেবে তিনজন নারীসহ আসামী ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রধান আসামী শেখ আলআমিনকে গ্রেফতার করা যায়নি।

বিস্ফোরণের পর এ মাদ্রাসা থেকে পুলিশের উদ্ধার তালিকায় রয়েছে তরল কেমিকেল, গুড়ো পাউডারসহ বিভিন্ন ধরনের পদার্থ। যার মধ্যে ২শ লিটার হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, ৬০ লিটার নাইট্রিক এসিড ছাড়াও দশ কেজি গুড়ো পাউডার রয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ৯টি তাজা ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ।

উম্মুল কুরা মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আলামিনের বিরুদ্ধে অতীতে উগ্রপন্থায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। অতীতে জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্ঠতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে ৫টি মামল রয়েছে।

প্রধান অভিযুক্ত শেখ আল আমিনের সহযোগী হিসেবে পুলিশ তিনজনকে ঢাকার বাইরে থেকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধেও অতীতে ধর্মীয় উগ্রবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলা রয়েছে বলে পুলিশের মামলা সূত্রে জানা গেছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রেফতার হওয়া আসামীদের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ (জেএমজেবি) সমর্থক, জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেফতার শাহিন ওরফে আবু বকর ওরফে মূসা ওরফে ডিবা সুলতান একাধিকবার জঙ্গী ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

সহযোগী হিসেবে শাহিনের কাছ থেকে চারটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে, যেগুলো কেরাণীগঞ্জে বানানো হতে পারে, এমন সন্দেহ করছে পুলিশ।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা ঘটনাস্থলে তৈরি বোমা দিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল বলে স্বীকার করেছে।

নূর খান লিটন
ছবির ক্যাপশান, নূর খান লিটন
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

জঙ্গিবাদ তথা ধর্মীয় উগ্রবাদ নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন। তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, এ ধরনের ঘটনা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে হবে ।

"একটা জিনিসতো বোঝা যাচ্ছে তারা সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন জায়গায় দাওয়াতি কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই যে সাম্প্রতিক কালে আমরা বোমার ঘটনাটা দেখলাম দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে, এটি যে বিধ্বংসী ক্ষমতাসম্পন্ন এতে পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে যে উগ্রবাদের সঙ্গে যারা জড়িত যাদেরকে আমরা কোট আনকোট 'জঙ্গী' বলছি এরা ৫ই আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত একটা ব্রিদিং টাইম পেল। যে সময়ে তারা নিজেদের সংগঠিত করছে, তারা টার্গেট ফিক্স করছে, হয়তো ভবিষ্যতে আমাদের এর কিছু প্রয়োগ দেখবো।"

বাংলাদেশে পাঁচই আগস্টের পর জঙ্গিবাদ মামলায় অভিযুক্ত অনেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। অনেকে জেল থেকে পালিয়ে গেছেন। নূর খানের ভাষায়, এটা মনে করার কোনো কারণ নেই যে বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদ নেই। এদের অনেকের সঙ্গে বিদেশি সংগঠনের যোগাযোগ থাকতে পারে, এমন আশঙ্কার কথাও জানান নূর খান লিটন।

"হলি আর্টিজান থেকে শুরু করে অনেক ঘটনা দেখেছি। এগুলো শুধুমাত্র যে দেশের ভেতরে এদের যোগাযোগ এটা মনে করার কোনো কারণ নাই। এরা দেশ পেরিয়ে আশে পাশের অনেক দেশের সাথে এদের একটা যোগাযোগ আছে। এরা মনে করছে যে, এরা জিহাদি কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে। এবং সেক্ষেত্রে এদের সাথে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান বলেন ইরাক বলেন বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বলেন, এদের সাথে একটা যোগসূত্রতা থাকতেই পারে। আইএসআই বা আল কায়েদার যে ভগ্নাংশ এখনো এক্সিস্ট করছে, এদের কারো না কারো সাথে এদের সংশ্লিষ্ঠতা প্রত্যক্ষা বা পরোক্ষ যোগাযোগ থাকার সম্ভাবনাই বেশি।"

কেরণীগঞ্জ মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা রুজু হয়েছে। ২৯শে ডিসেম্বর মামলাটি দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা থেকে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটে (এটিইউ) হস্থান্তর করা হয়।

এটিইউ'র মিডিয়া এবং অ্যাওয়ারনেস বিভাগের পুলিশ সুপার মাহফুজুল আলম রাসেল বিবিসি বাংলাকে বলেন, একজন পুলিশ পরিদর্শক এ ঘটনার তদন্ত করছেন। প্রাথমিক তদন্ত এবং আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে কী তথ্য মিলেছে, সেটি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

এটিইউ'র মিডিয়া বিভাগের পুলিশ সুপার মাহফুজুল আলম রাসেল
ছবির ক্যাপশান, এটিইউ'র মিডিয়া বিভাগের পুলিশ সুপার মাহফুজুল আলম রাসেল

মি. রাসেল বলেন, "মূল আসামীকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। যেহেতু তদন্ত চলছে আমরা তদন্তের স্বার্থে এটা বলতে চাচ্ছি না। তবে সন্ত্রাসী কাজে যেই জড়িত থাক আমরা তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। তদন্ত একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করা উচিৎ হবে না, আমরা চাচ্ছি একটা থরো তদন্ত এবং তদন্ত সাপেক্ষে আমরা যা পাই সেটাই আসলে উপস্থাপন করতে চাই।"

শরিয়তপুর বিস্ফোরণ

৮ই জানুয়ারি শরিয়তপুরের জাজিরায় একটি বাড়িতে বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরণে তিন জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর সম্প্রতি যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়েছে জাজিরার বিলাসপুর ইউনিয়নে। অভিযানে গ্রামের বাড়ীঘর বিভিন্ন ঝোপঝাড়ে তল্লাসী চালিয়ে ডগ স্কোয়াডের সহায়তায় ৪৫টি তাজা ককটেল ও বোমা বানানোর বিভিন্ন সরঞ্জাম দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

জাজিরার বিলাসপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বিলাসপুর কুদ্দুস বেপারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বি এম শাহজাহান কবির বিবিসি বাংলাকে বলেন, দুই গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্যের লড়াই প্রায় দুশ বছরের পুরোনো।

"এই ককটেলের প্রচলনটা পনের বিশ বছর আগের। এর আগে ছিল ঢাল ও সড়কির। মারামারিটা দুইশ বছর আগের। আধিপত্য বিস্তার আর কিছু না।"

জাজিরায় বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরণে তিনজন নিহত
ছবির ক্যাপশান, জাজিরায় বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরণে তিনজন নিহত

স্থানীয়রা বলেন, এই এলাকায় হাতবোমা তৈরির একটি চক্র তৈরি হয়ে গেছে। ককটেল বানানো এ এলাকায় অনেকটা স্বাভাবিক ঘটনা। এলাকার অনেকেই ককটেল তৈরির সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় একজন ব্যক্তি পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বিবিসি বাংলাকে বলেন, তিন বছর আগে তিনি ককটেল বানানো বন্ধ করেছেন। অর্থ উপার্যনের জন্যই তিনি ককটেল বানাতেন।

তার ভাষায়, "এটা অনেকেই বানায়। বলতে গেলে প্রত্যেকটা লোকেই বানাতে পারে। সরঞ্জাম সাথে থাকলে পাঁচ মিনিটেই বানাতে পারে।"

জাজিরায় তৈরি ককটেল বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে যেতে পারে, এমন আশঙ্কা রয়েছে। সম্প্রতি এনসিপি কার্যালয়ের সামনে ককটেলসহ আটক একজন এই জাজিরা এলাকার ছিল বলে জানা যায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে অস্থিরতা তৈরির জন্য এখানকার ককটেল তৈরি ও মজুদ হচ্ছে কিনা- এমন আশঙ্কাও রয়েছে কারও কারও। তবে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, আধিপত্য বিস্তারে দুই পক্ষের মধ্যেই এই ককটেল তৈরি এবং মজুদের বিষয়টি সীমাবদ্ধ।

শরিয়তপুরের ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ তানভীর হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে এটি স্থানীয় বিষয় হিসেবেই দেখা গেছে। এর সঙ্গে উগ্রবাদের কোনো সংশ্লিষ্ঠতা নেই, এমনকি নির্বাচনকে সামনে রেখেও এটি হচ্ছে না বলে দাবি তার।

"বোমা বানানোর ফ্রিকোয়েন্সি যদি দেখেন এটা আসলে কোনো ইলেকশনকে টার্গেট করে এটা বানায় না। তাদের মূলত টার্গেট হলো গোষ্ঠীগত কারণে। এটা ওই এলাকায় একটা কালচার তৈরি হয়ে গেছে দুই গ্রুপের মধ্যে। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলতেছে।"

জাজিরার বিলাসপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ককটেলের ব্যবহার হয়

ছবির উৎস, AFNAN SHUBHO

ছবির ক্যাপশান, জাজিরার বিলাসপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ককটেলের ব্যবহার হয়

তবে সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং দুটি বিস্ফোরণের ঘটনা সামনে এনে নূর খান লিটন বলেন, যেকোনো সময় বড় ধরনের ঘটনার জন্ম দিতে পারে। তার কথায় জনমনে শঙ্কা হচ্ছে নির্বাচনের আগে দাঙ্গা হাঙ্গামা বেড়ে যায় কিনা। মানুষের মধ্যে উদ্বেগ কাটার চেয়ে শঙ্কাটা কিন্তু বেড়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন নূর খান লিটন।

"আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এতটা ভঙ্গুর এই সময়ে সব ধরনের অপরাধিরাই আসলে সুযোগ নিতে পারে। নিজেরা সংগঠিত হতে পারে। আধিপত্য বিস্তারের জন্য হতে পারে। 'জিহাদ' এর জন্য হতে পারে। তারপরে নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য হতে পারে। সেকারণে এখন জরুরিভিত্তিতে দরকার সরকারি তৎপরতা, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা এবং সঠিক দিকনির্দেশনা।"