এডিটার'স মেইলবক্স: সাকিব আল-হাসান কি খলনায়ক নাকি ভিকটিম?

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, গত সপ্তাহে বাংলাদেশে এবং গোটা ক্রিকেট বিশ্বে সব চেয়ে আলোচিত ব্যক্তি ছিলেন অল-রাউন্ডার সাকিব আল-হাসান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসির দুর্নীতি-বিরোধী কোড বা নীতিমালার সুনির্দিষ্ট ধারা লঙ্ঘনের জন্য সাকিব আল-হাসান সকল প্রকার ক্রিকেট থেকে দু'বছরের জন্য নিষিদ্ধ হওয়ায় যত আলোচনা।

যাই হোক। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ তাদের প্রিয় খেলোয়াড়ের প্রতি সমর্থন দেখাচ্ছেন এবং আপনাদের চিঠি-পত্রতেও তারই প্রতিফলন এসেছে। যেমন লিখেছেন নীলফামারীর ডিমলা থেকে মোহাম্মদ আজিনুর রহমান লিমন :

''সাকিবের বিরুদ্ধে এই অনাকাঙ্ক্ষিত অভিযোগ ও শাস্তি আমরা মেনে নিতে পারছি না। এ শাস্তি বাংলার ক্রিকেট প্রেমীদের ভীষণ কাঁদিয়েছে। হতাশায় পড়ে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তবে আমার প্রশ্ন, যার প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে আজ সাকিবের শাস্তি হলো, সেই জুয়াড়ির কি কোন শাস্তি হবে না? কিংবা ম্যাচ ফিক্সিং করার প্রস্তাবকারীর ব্যাপারে আইসিসিতে কি শাস্তির কোন বিধান নেই?''

শুধুমাত্র বিভিন্ন দেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরাই আইসিসির এখতিয়ারের ভেতরে আছেন মি. রহমান। কোন দেশের জাতীয় দলের কোন সদস্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কোন ম্যাচ বা টুর্নামেন্টের সময় কোন নিয়ম লঙ্ঘন করলে তবেই আইসিসি তার বিষয়ে তদন্ত করতে পারে। কোন দেশের জুয়াড়ি বা বুকি বেআইনি কাজ করলে তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া সেদেশের পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজ।

অনেকটা একই সুরে লিখেছেন দাকোপ, খুলনা থেকে মুকুল সরদার:

''প্রশ্ন হচ্ছে, সাকিব আল হাসানের মতো একজন ক্রিকেটার এমন ভুল করলেন কেমন করে? এক্ষেত্রে ক্রিকেট বোর্ড গুলো কি কোন ভূমিকা পালন করতে পারে? আর আইসিসি ক্রিকেট জুয়াড়িদের রুখতে তেমন কোন ব্যবস্থা কেন নিচ্ছে না?''

প্রথমত মি. সরদার, ক্রিকেট বোর্ডগুলো অনেক বছর ধরে ক্রিকেটে থেকে দুর্নীতি নির্মূল করার জন্য কাজ করছে। সেই লক্ষ্যেই দুর্নীতি বিরোধী নীতিমালার কঠোর প্রয়োগ করা হয় এবং সাকিব আল-হাসানের মত বড় মাপের খেলোয়াড়ও এখানে আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আর আপনি হয়তো ভাবছেন মি. আল-হাসান ভুল করেছেন, কিন্তু আইসিসির তদন্তকারী হয়তো বিষয়টি অন্যভাবে দেখেছে? উনি খুবই অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন অধিনায়ক, আইসিসির নীতিমালা তার অজানা নয়। আর সেই জুয়াড়ি বা বুকি তার সাথে যোগাযোগ করেছে একবার নয়, তিন তিন বার।

বিবিসি কোন্‌ সংবাদকে কত গুরুত্ব দেয়, তা নিয়ে প্রশ্ন করে লিখেছেন পঞ্চগড়ের বড়শশী থেকে মোহাম্মদ উজ্জ্বল ইসলাম:

''ভোলার বোরহান উদ্দিনে ধর্ম অবমাননার দায়ে সম্প্রতি তৌহিদি জনতার সমাবেশে পুলিশের সাথে সংঘর্ষের পর থেকে বিবিসি বাংলার আয়োজনে রেডিও ,প্রবাহ টেলিভিশন,ফেসবুক পাতা,ও ওয়েবসাইট অনেক গুরুত্বের সহিত সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। অথচ ব্রিটেনে কনটেইনারে পাওয়া ৩৯টি মৃত দেহ পাওয়ার খবরটি দু'একদিন প্রচার করার পর আর কোন বিস্তারিত সংবাদই প্রচার করলো না।

তাহলে ৩৯টি মৃত দেহ পাওয়ার সংবাদটি বিবিসির কাছে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ মনে হয়নি কি? কনটেইনারে পাওয়া মৃত দেহগুলোর সর্বশেষ খবর জানতে চাই।''

কন্টেইনারে মৃত দেহ পাওয়ার ঘটনা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ছিল মি. ইসলাম। তবে ভোলার ঘটনা আরো জটিল ছিল যেহেতু সেখানে গুজব ছড়িয়ে একটি ধর্মীয় দাঙ্গা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেজন্য ঐ ঘটনার অনেক কাঁটা-ছেঁড়ার প্রয়োজন ছিল। কন্টেইনারের খবর নিয়ে আরো বেশি বিস্তারিত খুঁটি-নাটি দিলে সেটা আমাদের শ্রোতা-পাঠকদের আগ্রহী করতো বলে আমাদের মনে হয় না।

তবে আপনার অবগতির জন্য জানিয়ে রাখি, কন্টেইনার ঘটনা নিয়ে ব্রিটেন এবং ভিয়েতনামে সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আয়ারল্যান্ডেও একজনকে আটক করা হয়েছে। আপনাকে ধন্যবাদ।

ভোলা নিয়েই ছোট একটি চিঠি, লিখেছেন রংপুর থেকে দেব প্রসাদ রায়:

''বিবিসি বাংলাকে ধন্যবাদ ভোলার বোরহানউদ্দিনে কথিত ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনাটি সাহসিকতা এবং নিরপেক্ষভাবে প্রচার করার জন্য।''

আপনাকেও ধন্যবাদ মি. রায়, বিবিসি শোনার জন্য এবং চিঠি লেখার জন্য।

এমাসের এক তারিখ শুক্রবারে প্রচারিত বিশেষ প্রতিবেদন নিয়ে লিখেছেন রাজশাহীর রানী বাজার থেকে হাসান মীর:

''বাংলাদেশে দুর্নীতির বিস্তারের উপর আকবর হোসেনের প্রতিবেদনে, আমাদের সকলেরই জানা অথচ অনুচ্চারিত কিছু সত্যের সন্ধান পাওয়া গেল। দুর্নীতি দমন কমিশনের জালে ছোট ও মাঝারি পর্যায়ের কর্মচারীরা ধরা পড়লেও বড়রা রেহাই পেয়ে যায়। আবার সরকার অখুশি হতে পারে এমন লোকদের গায়ে কমিশন হাত দেয় না। সাম্প্রতিককালেও এমন লোকেরাই ধরা পড়ছে যারা সরকারের কৃপাদৃষ্টি থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

''বস্তুত প্রতিবেদনটি শুনে এই সত্যেরই সন্ধান পাওয়া গেল যে দেশে দুর্নীতি থাকবে, দুর্নীতি বিরোধী কথিত অভিযানও চলবে এবং ইঁদুর - বিড়াল খেলার এই দুষ্টচক্র থেকে জনগণ কখনও রেহাই পাবে না।''

আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ মি. মীর। বাংলাদেশে দুর্নীতি নিয়ে আরো অনেক কিছু করার অবকাশ আছে। আমার মনে হয় এই দশ মিনিটের রেডিও প্রতিবেদনে সমস্যার সামান্য একটি অংশের ওপর আলোকপাত করা গেল।

এবারে ভিন্ন প্রসঙ্গে যাই। ব্রিটেনের রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন করেছেন মাগুরার জ্যোত শ্রীপুর থেকে রিপন বিশ্বাস:

''বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত, সমালোচিত ও উদ্বেগজনক ইস্যু হলো "ব্রেক্সিট" । ব্রেক্সিটের বিষয়টা বিশ্ববাসীকে মানতেই হবে কেননা গণভোটে ব্রেক্সিট পক্ষ জয়ী হয়েছে। কিন্তু আমার খটকা হলো - যে ব্রিটেন একসময় সারা বিশ্ব শাসন করেছে, ইতোমধ্যে তিনটি প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হলেও এই ইস্যুতে এখনও পর্যন্ত কোন সার্বজনীন নীতিগত সিদ্ধান্তে ব্রিটেন পৌঁছাতে পারে নি। আমার প্রশ্ন ব্রিটেন কি তাহলে কূটনৈতিক কৌশলে পিছিয়ে যাচ্ছে?''

আমি ঠিক সেট বলবো না মি. বিশ্বাস। বিশ্বে ব্রিটেনের কূটনৈতিক দক্ষতা এখনো অনেক দেশের জন্য ঈর্ষার বিষয়। তবে হ্যাঁ, ব্রেক্সিট ইস্যুটা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে একটি অচেনা দিকে নিয়ে গেছে। এর কারণ হচ্ছে, এই ইস্যুতে ব্রিটেন সত্যিই গভীরভাবে বিভক্ত। গণভোটে এক পক্ষ জয়ী হলেও, জয়ের ব্যবধান যেহেতু কম ছিল, তাই অন্য পক্ষ মনে করছে এই রায় তারা আরেকটি গণভোটের মাধ্যমে বা সংসদীয় কোন পদক্ষেপের মাধ্যমে পাল্টে দিতে পারে। কাজেই সংসদের ভেতরে এবং বাইরে নজিরবিহীন তিক্ততা সৃষ্টি হয়েছে। দেখা যাক ডিসেম্বর মাসের ১২ তারিখের নির্বাচনের পর এই জট খুলে কি না। আপনাকে ধন্যবাদ।

একই বিষয়ে লিখেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া মাহবুবা ফেরদৌসি হ্যাপি:

''ব্রেক্সিট ইস্যুতে টানা কয়েকমাসের টানাপোড়েনের পর আগাম নির্বাচনের পক্ষে ঐক্যমত্যে পৌঁছেছেন পার্লামেন্ট সদস্যরা তবে, আমার প্রশ্ন, এ নির্বাচন কি ব্রেক্সিট সমস্যার সমাধান করতে পারবে? যদি ব্রিটিশ জনগণ এর বিপক্ষে ভোট দেয়, তখন ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের কৌশল কী হবে?''

ডিসেম্বরের ১২ তারিখে সংসদের নির্বাচন হতে যাচ্ছে মাহবুবা ফেরদৌসি, ভোটটা ঠিক ব্রেক্সিটের পক্ষে-বিপক্ষে নয়। তবে হ্যাঁ, এখানে দলগুলো ব্রেক্সিট বিষয়ে নিজেদের অবস্থান খোলাসা করেই ভোট চাইবে এবং ধারণা করা হচ্ছে ব্রেক্সিটের কথা মাথায় রেখেই জনগণ তাদের ভোট দেবে। যদি প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সরকার গঠন করেন, তাহলে ব্রেক্সিট দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। যদি বিরোধী দল লেবার পার্টি নির্বাচনে জয়ী হয়, তাহলে সম্ভবত আরেকটি গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। আর যদি লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি জয়লাভ করে তাহলে তারা ব্রেক্সিট বাতিল করে দেবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

আবার ফিরে যাচ্ছি বাংলাদেশি ক্রিকেটার সাকিব আল-হাসানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা বা আইসিসির নিষেধাজ্ঞার বিষয়তে। মি. আল-হাসান সকল প্রকার ক্রিকেট থেকে দু'বছরের জন্য নিষিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় ষড়যন্ত্রের আলামত পাচ্ছেন ঢাকার শামীমউদ্দিন শ্যামল:

''বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এবং মানুষের মনে বড় একটা ঘটনা ঘটে গেল। একদিকে, আইসিসি সাকিবকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করলো, অপরদিকে তিনি কিছুদিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে দাবিদাওয়া উত্থাপনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই দুই ঘটনা থেকে কি অনুমান করা যায় যে, আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ার কারণেই, দুই বছর আগের জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন রাখার অজুহাত ব্যবহার করে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো? কোনোভাবে কি আইসিসিকে এ বিষয়ে কাজে লাগানো হয়েছে?''

আমার তা একেবারেই মনে হয় না মি. শামীমউদ্দিন। আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী প্রক্রিয়ার ওপর সকল সদস্য দেশের আস্থা না থাকলে পুরো ক্রিকেট প্রশাসন ভেঙ্গে পড়তো। আইসিসি যথেষ্ট প্রমাণ না থাকলে কারো বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে না। এবং এই তদন্ত না শেষ হওয়া পর্যন্ত তারা এবিষয়ে কোন বক্তব্য দেয়া থেকেও বিরত থাকে।

আইসিসি সাকিব আল-হাসানের ব্যাপারে তদন্ত শুরু করে জানুয়ারি মাসে, অর্থাৎ খেলোয়াড়দের আন্দোলনের ১০ মাস আগে। দীর্ঘ তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হবার পরই তাকে চার্জ করার সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি। এটার সাথে আন্দোলনকে গুলানো বা রাজনীতির ষড়যন্ত্র তত্ত্ব উত্থাপন করা আমার কাছে যুক্তিহীন মনে হয়। আপনাকে ধন্যবাদ।

কথিত এই ষড়যন্ত্রের আরেক দিক নিয়ে লিখেছেন পটুয়াখালীর মৌকরন থেকে শাহিন তালুকদার প্রশ্ন করেছেন:

''সাকিব ধারাবাহিক ভাবে বিশ্বের নামী-দামী তারকাদের টপকে নতুন নতুন বিশ্ব রেকর্ড করে যাচ্ছেন। তাকে ছোট করা ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করাটা, দেশি বা বিদেশী ক্রিকেট মোড়লদের চক্রান্ত বা বিসিবির কোন অযোগ্যতার কারণে হতে পারে কি? তদন্ত কমিটি করে খতিয়ে দেখে আসল ঘটনা খোলসা করলে কেমন হয়?''

কার তদন্ত কমিটির কথা বলছেন, সেটা বুঝলাম না মি. তালুকদার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্নীতি বিষয়ে তদন্ত করার এখতিয়ার আইসিসির, এবং তারা দীর্ঘ ১০ মাস তদন্ত করে দেখেছে সাকিব আল-হাসান অপরাধ করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী তাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে। আর দেশের ভাবমূর্তির কথা যেহেতু বলছেন, তাহলে বলবো, ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল-হাসানের দায়িত্ব ছিল এমন কিছু না করা যাতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। বিশ্ব ক্রিকেটের মোড়ল বা বিসিবির প্রসঙ্গ টেনে আসল ঘটনা আড়াল করা ঠিক হবে না। আপনাকে ধন্যবাদ।

বৃহস্পতিবার পাকিস্তানে একটি ট্রেনে আগুন লেগে অন্তত ৭৪জন যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা থেকে বাংলাদেশের শিক্ষা নেয়া উচিত, বলছেন ঠাকুরগাঁও এর বড়গাঁও থেকে মোহাম্মদ ফিরোজুল ইসলাম:

''আমি নিয়মিত ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকা, ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ যাওয়া আসা করি। এতে আমি প্রায় সময় লক্ষ্য করি যে, আমাদের দেশের ট্রেনের কর্মকর্তাদের অনেক গাফিলতি। যেমন, নিয়মিত পানি না থাকা, মেয়াদ শেষ হওয়া অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র, ফ্যান, লাইটের ত্রুটি, পূর্ব থেকে যাত্রীদের স্টেশনের এলার্ম না দেয়া সহ নানাবিধ সমস্যা। সরকারের যথাযথ ব্যবস্থা এখনি নেয়া দরকার।''

সবাই নিশ্চয় আপনার সাথে একমত হবেন মি. ইসলাম। গণ পরিবহনে যাত্রীদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার না দিলে পাকিস্তানের মত দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির সম্ভাবনা সব সময় থেকেই যাবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি ভিডিওর সমস্যা নিয়ে লিখেছেন চট্টগ্রামের আসাদগঞ্জ থেকে সালাহ্ উদ্দিন:

''আমি বিবিসি বাংলার নিয়মিত একজন পাঠক। ভিডিও ক্লিপগুলো অনেক ভাল লাগে। পাহাড়চূড়ার মুসলিম গ্রামে ৯০০ বছরের পরম্পরা নামক ভিডিও ক্লিপটি দেখলাম। কিন্তু কথাগুলো বুঝতে পারলাম না। অন্যান্য ভিডিওতে সাব-টাইটেল কিংবা বাংলায় অনুবাদ দেখতাম। কিন্তু এই ভিডিও ক্লিপটি-তে তা দেখতে পাইনি কেন?''

সম্প্রতি আমাদের দু'একটি ভিডিও আপলোডের সময় কোন এক কারণে এরকম সমস্যার মুখে পড়েছে। মূল ভিডিওতে বাংলা সাবটাইটেল দেয়া ছিল, কিন্তু আপলোডের পর সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। তবে এগুলো ঠিক করে দেয়া হবে শীঘ্রই। আপনাকে ধন্যবাদ।

পরের চিঠি লিখেছেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থেকে খায়রুল, যিনি শুধু একটি নামই ব্যবহার করেছেন:

''বিবিসি র বাংলা অনুষ্ঠান শুনতে শিখেছি বাবার কাছ থেকে। বাবা চলে গেছেন ২০১১ সালে। তারপরও দীর্ঘ সময় বিবিসির সাথেই ছিলাম। কিন্তু ইদানীং বিবিসির প্রতি অভিমান করে খুব কম শোনা হয়। অভিমানের জায়গাটা হচ্ছে সকাল সাড়ে ছটার অনুষ্ঠান না হওয়া এবং রাতে সাড়ে দশটার অনুষ্ঠান ইংরেজিতে হওয়া। আশা রাখি বিবিসি তাদের হাজারো শ্রোতার কথা বিবেচনায় এনে পুনরায় স্বরূপে ফিরবে।''

ভোর সাড়ে ছ'টার অনুষ্ঠান ফিরে আসার সম্ভাবনা একদম নেই বললেই চলে মি. খায়রুল। তবে রাত সাড়ে দশটার বিষয়টি এখনো বিবেচনাধীন আছে। এখানে কান পেতে থাকুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

বিলকিছ আক্তার, কাউনিয়া, রংপুর।

মোহাম্মদ আখলাকুজ্জামান, গুরুদাসপুর, নাটোর।

ওবায়েদুল ইসলাম উজ্জ্বল, আল আইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত।

পলাশ চন্দ্র রায়, মাড়েয়া, পঞ্চগড় ।

মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা।

প্রবাল মাহমুদ, সিঙ্গাপুর ।

ফয়সাল আহমেদ সিপন, ঘোড়াদাইড় , গোপালগঞ্জ।

কমল চন্দ্র রায়, ঢাকা।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর, দিনাজপুর ।

আজিজুল ইসলাম, রাজশাহী।

নূর মোহাম্মদ, শিবগঞ্জ, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।

এম নাজমুল হোসাইন, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া