আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
ভারতে ধর্ষণের শিকার কিশোরী 'সন্দেহজনক' দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত
ভারতের উত্তর প্রদেশে ক্ষমতাসীন দলের একজন আইনপ্রণেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা এক কিশোরী সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে।
২০১৭ সালে ক্ষমতাসীন দলের একজন আইনপ্রণেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলে ঐ কিশোরী।
১৯ বছর বয়সী ঐ কিশোরী তার আইনজীবী এবং দু'জন আত্মীয়কে নিয়ে গাড়ি করে যাওয়ার সময় একটি লরি ঐ গাড়িকে আঘাত করে।
দুর্ঘটনায় ঐ কিশোরীর দুই আত্মীয় মারা গেছেন এবং তার আইনজীবীও গুরুতর জখম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
ধর্ষণের অভিযোগ তোলার পর অভিযুক্ত আইনপ্রণেতা কুলদীপ সিং সেঙ্গারকে গ্রেফতার করা হয়। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা রাকেশ সিং বিবিসি হিন্দিকে জানিয়েছেন যে, ট্রাক চালক ও ট্রাকের মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেয়া হয়েছে।
আরো পড়তে পারেন:
প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে যে, ট্রাকটির রেজিস্ট্রেশন প্লেট এবং নম্বর প্লেট কালো কালি দিয়ে মুছে দেয়া ছিল।
রাজ্যের বিরোধী দলগুলো এই ঘটনার একটি কেন্দ্রীয় তদন্ত দাবি করেছে। তারা বলছে, এরকম পরিস্থিতিতে এই দুর্ঘটনা 'সন্দেহজনক'।
রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব হিন্দুস্তান টাইমস পত্রিকাকে বলেছেন যে, এই ঘটনা 'হত্যার চেষ্টা' হতে পারে।
রবিবার দুপুরে যখন দুর্ঘটনা ঘটে, তখন দুর্ঘটনার শিকার কিশোরী তার এক আত্মীয়ের সাথে দেখা করতে একটি কারাগারে যাচ্ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে যে, ঐ কিশোরী ও তার পরিবারকে পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা দেয়া হয়েছিল।
তবে পুলিশ স্বীকার করেছে যে রবিবার দুর্ঘটনার সময় 'তাদের সূত্র অনুযায়ী তাদের সাথে নিরাপত্তা ছিল না'।
এনডিটিভি'কে পুলিশ কর্মকর্তা এমপি ভার্মা বলেন, "সেদিন তারা হয়তো পুলিশের নিরাপত্তা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।"
কুলদীপ সেঙ্গার তাকে অপহরণ করে এবং ধর্ষণ করেছিল অভিযোগ এনে এপ্রিল মাসে ঐ কিশোরী উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বাড়ির সামনে নিজের গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন।
তার পরদিন অভিযোগকারী কিশোরীর বাবা কারাগারে মারা যান। অভিযোগ রয়েছে যে কারাগারে থাকা কুলদীপ সেঙ্গার এবং তার সমর্থকদের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন তার মৃত্যু হয়েছিল।
গতবছর ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এই মামলার দায়্ত্বি নেয়ার পর সেঙ্গার এবং আরো দশজনকে গ্রেফতার করে।