পুলিশের সাথে 'বন্দুকযুদ্ধে' আরো ৩ রোহিঙ্গা নিহত

    • Author, নাগিব বাহার
    • Role, বিবিসি বাংলা, ঢাকা

বাংলাদেশের টেকনাফে কথিত 'বন্দুকযুদ্ধে' তিনজন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাস বিবিসি বাংলাকে বলেন, নিহত তিনজনই সাথে অস্ত্র রাখতো এবং তারা সরাসরি অপরাধের সাথে জড়িত ছিল।

তিনি বলেন, কিছুদিন আগে লেদা ক্যাম্প থেকে একটি রোহিঙ্গা শিশুকে অপহরণ করে তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে কয়েকজন অপহরণকারী। তাদের ধরার জন্য পুলিশ তৎপর ছিল।

"বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে আমরা জানতে পারি কয়েকজন অস্ত্রধারী লেদা ক্যাম্পের পেছনে পাহাড়ের নীচে অবস্থান করছে। তাদের ধরার উদ্দেশ্যে অভিযান চালানো হলে তারা পুলিশের দিকে গুলি ছোঁড়ে।"

এরপর আত্মরক্ষার্থে বন্দুকধারীদের দিকে পুলিশ পাল্টা গুলি ছোঁড়ে বলে জানান মি. দাস।

"তাদের গুলিতে তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হলে আমরাও গুলি চালাই। গোলাগুলি শেষে সেখান থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয় এবং তিনজনকেই রোহিঙ্গা হিসেবে সনাক্ত করা হয়।"

ঘটনাস্থল থেকে অপহৃত শিশু এবং তিনটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করা হয় বলে জানান মি. দাস। "নিহতদের সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে আমরা জানতে পারি যে তারা অপহরণকারী এবং রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী।"

আরো পড়তে পারেন:

এর আগে গত এপ্রিল মাসেও আরেকটি রোহিঙ্গা শিশুকে অপহরণের ঘটনায় আরো তিনজন রোহিঙ্গা কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছিল। পুলিশ বলেছিল যে ওই শিশুটিকে তখন গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছিল।

এবারের এই 'বন্দুকযুদ্ধের' ঘটনার পর টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস জানান, পুলিশের হিসেব অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত আটজন রোহিঙ্গা বিভিন্ন সময়ে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

"নিহত ঐ আটজন বাদেও আরো বেশকিছু অস্ত্রধারী রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী পাহাড়ে রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছি।"

মি. দাস বলেন, রোহিঙ্গারা কোথা থেকে অস্ত্র পাচ্ছে, সেই উৎসও খোঁজার চেষ্টা করছে পুলিশ।

আরো পড়তে পারেন: