মিয়ানমারে বাংলাদেশ বিমান দুর্ঘটনা: অল্পের জন্যে রক্ষা পেল আরোহীরা

রানওয়ের বাইরে ছিটকে পড়ে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

ছবির উৎস, KO MAUNG ZAW

ছবির ক্যাপশান, রানওয়ের বাইরে ছিটকে পড়ে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

বিমান বাংলাদেশের একটি বিমান ড্যাশ-আট মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে অবতরণের সময় পিছলে রানওয়ের বাইরে চলে গেছে।

বিমান বাংলাদেশের একজন কর্মকর্তা শাকিল মিরাজ বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, বৈরি আবহাওয়ার কারণে বিমানটি রানওয়ে থেকে বাইরে চলে যায়।

তিনি জানান, এতে কোন প্রাণহানি ঘটেনি। তবে কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে তারা কতোটুকু আহত হয়েছেন সে সম্পর্কে তাদের কোন ধারণা নেই।

এসময় বিমানটিতে মোট ৩৩ জন আরোহী ছিল বলে বিমান এয়ারলাইন্স জানিয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন ক্রু সদস্য এবং বাকি ২৯ জন যাত্রী। যাত্রীদের মধ্যে একজন শিশু ছিল বলে জানা গেছে।

শাকিল রিয়াজ বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সময় রাত দশটা পর্যন্ত তারা জানতে পেরেছেন যে অন্তত ১৮ জনকে চিকিৎসার জন্যে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়লে ১১ জন আরোহী আহত হয়েছেন।

ফেসবুকে কয়েকটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে যাতে দেখা যাচ্ছে বিমানটি রানওয়ের পাশে ঘাসের ওপর পড়ে আছে।

এএফপির একজন ফটোগ্রাফার বলেছেন যে তিনি একজন আহত নারীকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যেতে দেখেছেন।

উদ্ধারকর্মীরা আহত একজন যাত্রীকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাচ্ছেন।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, উদ্ধারকর্মীরা আহত একজন যাত্রীকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাচ্ছেন।

আরো পড়তে পারেন:

মিয়ানমার পুলিশের একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থাটি বলছে, দুর্ঘটনায় একজন পাইলট, একজন বিমান সেবিকা এবং ন'জন যাত্রী আহত হয়েছেন।

বিমানটির সামনের অংশসহ দুটো পাখা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তিনি বার্তা সংস্থাটিকে জানিয়েছেন।

বিমানের ফ্লাইট ০৬০ আজ বুধবার দুপুর ৩টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। ৬টা ২২ মিনিটে ইয়াঙ্গুনে অবতরণের সময় বৈরি আবহাওয়ার কবলে পড়ে।

এসময় বৃষ্টি ও ঘন ঘন বজ্রপাত হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

শাকিল মিরাজ বলেন, যাত্রীদেরকে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশে স্থানীয় সময় রাত দশটার দিকে বিমানের একটি স্পেশাল ফ্লাইটের ইয়াঙ্গুন যাওয়ার কথা রয়েছে।

ভিডিওর ক্যাপশান, মিয়ানমারে বিমান দুর্ঘটনা: ইয়াঙ্গুন হাসপাতাল অবস্থা কেমন ছিল