সংসদ নির্বাচন: ইসি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা ভোটে লড়তে পারবেন

ছবির উৎস, Getty Images
বাংলাদেশে বিএনপির মনোনয়নে ধানের শীষের প্রার্থী হওয়া জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন নির্বাচন কমিশন নাকচ করে দিয়েছে।
ঢাকা থেকে বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা কাদির কল্লোল জানাচ্ছেন রোববার দুই দফা বৈঠকের শেষে নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর যে বাইশজন প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছে, এই পর্যায়ে তাদের প্রার্থিতা বাতিলের আইনগত কোনো সুযোগ নেই।
হাই কোর্টের রায়ে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন বাতিল হওয়ার পর জামায়াতে ইসলামীর নেতারা এবার তাদের জোটসঙ্গী বিএনপির মনোনয়নে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও কয়েকজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ।
জামায়াতের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যে রিট করা হয়েছিল তাতে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামা জামায়াতে ইসলামীর ২৫জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছিল।
হাইকোর্ট বিষয়টিতে সিদ্ধান্তের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে তিনটি কার্যদিবসের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছিল।
নির্বাচন কমিশন তাদের সিদ্ধান্তের পেছনে যু্ক্তি তুলে ধরে হেলালুদ্দীন আহমদ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন জামায়াতের যেহেতু দল হিসাবে নিবন্ধন নেই, তাই বিএনপির মনোনয়নে বিএনপির প্রতীক নিয়ে তারা যেহেতু নির্বাচন করছেন, তাই তাদের প্রার্থিতা বাতিলের আইনগত কোন সুযোগ তাদের নেই।
বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

ছবির উৎস, Getty Images
এছাড়াও হাইকোর্টে রিট মামলার কারণে যেসব প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল, সেগুলো নিয়েও নির্বাচন কমিশন আজ একটি সিদ্ধান্ত দিয়েছে।
ঋণখেলাপীসহ বিভিন্ন অভিযোগে বিভিন্ন আসনে বিভিন্ন দলের বেশ কয়েকজন প্রার্থীর প্রার্থিতা যেগুলো হাইকোর্টের রায়ে বাতিল হয়েছিল , সেই আসনগুলোতে বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন স্থগিত করা অথবা সেখানে বিএনপির প্রতীক দিয়ে বিকল্প প্রার্থী মনোনয়নের সুযোগ চেয়ে আবেদন করেছিল।
নির্বাচন কমিশন আজ জানিয়ে দিয়েছে এসব আসনে নির্বাচন স্থগিত করার কোন সুযোগ নেই। এবং এই পর্যায়ে এসে বিকল্প কোন প্রার্থীকে নেওয়ারও কোন সুযোগ নেই। ফলে যাদের প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে, সেটা বাতিল হিসাবেই গণ্য হবে বলে কমিশন জানিয়ে দিয়েছে।
গতকাল বিএনপি নির্বাচন কমিশনকে একটি চিঠি দিয়ে বলেছিল জামায়াতের যে নেতারা বিএনপির হয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছে, তারা দল হিসাবে নয়, তারা ব্যক্তি হিসাবে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বিএনপি এই বিষয়টি বিবেচনায় নেবার জন্য কমিশনকে অনুরোধ করেছিল।
বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:








