আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
তুরস্কে অর্থনীতি চাঙ্গা করতে পেঁয়াজ বিষয়ে এরদোয়ানের সিদ্ধান্ত নিয়ে এতো হাসি-ঠাট্টা কেন?
ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি, উচ্চ সুদের হার ও বাজারে অস্থিরতা - সব মিলিয়ে তুরস্কের অর্থনীতির চিত্রটা সাম্প্রতিক সময়ে খুব একটা সুখকর নয়।
আর এটাই প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে এবং এর মধ্যে একটি হলো পেঁয়াজের সন্ধান করা।
মিস্টার এরদোয়ান স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, " কারও কাছে কোনো সবজি মজুদ পাওয়া গেলে কোনো ধরণের আপোষ করা হবেনা।"
চলতি বছরের শুরুতে পেঁয়াজের যা দাম ছিলো সেটি এখন বেড়ে চারগুণ হয়েছে।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন শুধুই মজুদ নয়, দাম এভাবে বেড়ে যাওয়ার বেশ কিছু কারণ আছে। গুদামে তল্লাশি চালিয়ে দীর্ঘ মেয়াদে এ সমস্যার সমাধান হবেনা বলেই মনে করছেন তারা।
তবে এ পেঁয়াজ নিয়ে এমন তর্ক বিতর্কের মধ্যেই দেশটির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক হাস্যরস শুরু হয়েছে।
প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির নেতা কামাল কিলিসদারুগলু মজা করে বলেছেন, "পেঁয়াজকে কাঁদাবেননা"।
সরকার বলছে, পরিদর্শকরা তদন্ত শুরু করেছেন এবং ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ মজুদ পাওয়া গেছে আঙ্কারার পোলটলি জেলায়।
প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: "আলু পেঁয়াজ মজুতদাররা, ফল ও সবজির মজুতদারদের মূল্য দিতে হবে।"
গুড পার্টির নেতা মেরাল আকসেনার বলেছেন, "এরদোয়ান পেঁয়াজকে সন্ত্রাসী ঘোষণা করেছেন।"
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাসির খোরাক
টুইটার ব্যবহারকারী দাবান দিলসিজ একটু কার্টুন টুইট করেছেন।
"ওয়াহ পেঁয়াজ"।
"আমি শপথ করে বলছি যে আমি খাচ্ছি, বিক্রি করছিনা।"
কুজে ওনডার টুইট করেছেন, "আমার কয়েক বস্তা পেঁয়াজ আছে। ভয়ে আছি যে তারা আমার ঘর তল্লাশি করবে"।
আরেকজন টুইট করেছেন: "তিনশ মিলিয়ন মাইল পাড়ি দিয়ে ছয় মাসের ভ্রমণ শেষে মঙ্গলে নামতে একটি নভোযানের কয়েক মিনিট সময় লাগে। আর পেঁয়াজের গোডাউন তল্লাশি করতে লাগছে দু ঘণ্টা"।