আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'গ্যাস সিলিন্ডারের একটি বড় অংশ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, যেকোনসময় বিস্ফোরিত হতে পারে'
বাংলাদেশে বাসাবাড়িতে এবং বিভিন্ন যানবাহনে যেসব গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে তার একটি বড় অংশই খুবই ঝুঁকিপূর্ণ । যেকোনও সময় এগুলো বিস্ফোরিত হতে পারে বলে আশংকার কথা বলা হচ্ছে সেফ সিলিন্ডার ক্যাম্পেইন নামে অলাভজনক একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে।
এমন প্রেক্ষাপটে আজ থেকে নতুন একটি প্রচারণা কার্যক্রমও শুরু করছে তারা। সরকারের বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সাথে এই প্রচারণা চালাবে সেফ সিলিন্ডার ক্যাম্পেইন ।
বাংলাদেশে বাসাবাড়িতে এবং বিভিন্ন যানবাহনে যেসব গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে তা কতটা নিরাপদ জানতে চাইলে এই ক্যাম্পেইনের একজন কর্মকর্তা মশিউল খন্দকার বলেন, "নির্দিষ্টভাবে গবেষণা নেই। বিস্ফোরক অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যে একটা সিলিন্ডারের নির্দিষ্ট লাইফটাইম থাকে। দশ বছর ১৫ বছর। এর পর সেগুলো ধ্বংস করে ফেলতে হয়। কিন্তু আমাদের দেশে গাড়িতে যেটা ১০ বছর বা ১৫ বছর আগে লাগানো হয় সেটা এখনো চলছে। সেগুলো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং যেকোনও সময় বিস্ফোরিত হতে পারে"।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবরেই বিস্ফোরক অধিদপ্তর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের ১১ হাজার গ্যাস সিলিন্ডার পরীক্ষা করে সেগুলোর মধ্য থেকে আট হাজার সিলিন্ডার বাতিল করে।
মি. খন্দকার বলেন, সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য হচ্ছে, বাংলাদেশে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে যারা ব্যবসা করছেন তারাই আবার টেস্টের সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন।
বিভিন্ন বাসাবাড়ি এবং অটো রিকশায় ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয় গ্যাস সিলিন্ডার। কিন্তু অনেক সময়ই সেসবের বিস্ফোরণের কথা শোনা যায়।
"বিভিন্ন সময় যেসব দুর্ঘটনার খবর আসছে সেগুলো এসব কারণেই হচ্ছে" বলেও উল্লেখ করেন মি. খন্দকার।
এজন্য নিরাপদে গ্যাস সিলিন্ডার কিভাবে ব্যবহার করতে হয়, কিভাবে এগুলোর ব্যবস্থাপনা করতে হয় সেটাই তুলে ধরা হবে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে।
সিলিন্ডার পরিবহনও সঠিকভাবে করা হয় না জানিয়ে তিনি বলেন, বলে অন্যান্য পণ্যসামগ্রীর মত খোলা ট্রাকে করে রোদের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। এগুলো পরিবহনের নিয়মের বিষয়ে বিআরটিএকে সচেতন করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।