আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
বাংলাদেশে দাতব্য সংস্থার সংস্কৃতি কতটা গড়ে উঠেছে?
মেদসা সঁ ফ্রতিয়ে, অক্সফাম বা সেভ দ্য চিল্ড্রেনের মত সংস্থার নাম কমবেশি সবাই জানেন। সব কটিই দাতব্য প্রতিষ্ঠান, গড়ে উঠেছে মানুষের স্বেচ্ছায় দেয়া অর্থে বৃহত্তর কল্যানে বা মানবহিতৈষী কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ধরণের চ্যারিটি বা দাতব্য সংস্থাকে সমাজে এমন অনেক বড় অবদান রাখতে দেখা যায় যেটা অনেক সময় সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগেও করা হয়ে ওঠেনা।
কিন্তু বাংলাদেশে চ্যারিটির সংস্কৃতি বা চর্চা কতখানি গড়ে উঠেছে?
আহসানিয়া মিশনের নির্বাহী পরিচালক ড. এহসানুর রহমান বলছেন, এখানে ব্যক্তি পর্যায়ে মানুষ দান করে, সেখানে ধর্মীয় অনুভূতি কাজ করে। তবে সেটার গতি কিছুটা কমেছিল, যখন বিদেশী সাহায্য নির্ভরতা তৈরি হয় দেশে।
তবে, এখন আবার ব্যক্তি পর্যায়ে বড় কোন চ্যারিটি বা দাতব্য কাজের পরিমান কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে, যার মূল কারণ বিদেশী সাহায্যের পরিমান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কমেছে।
সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের আর্থিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো হয়েছে।
উদাহরণ হিসেবে মি. রহমান বলছেন, আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতাল গঠনে ব্যক্তি পর্যায়ে তহবিল সংগ্রহের মাধ্যমেই অর্থায়ন সংগৃহীত হয়েছে সবচেয়ে বেশি।
আর সেক্ষেত্রে সাধারণ ও মধ্য আয়ের মানুষেরাই বেশি সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন।
মি. রহমান বলছেন, তবে, এক্ষেত্রে মানবকল্যান বা মানবহিতৈষী কর্মকাণ্ড অর্থাৎ মহৎ কোন উদ্যোগ হলে মানুষ সহায়তা করতে উদ্যোগী হয়।