'দ্বন্দ্বের পথে বিএনপি-জামায়াত'

পত্রিকা

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, 'BNP, Jamaat on collision course' অর্থাৎ, 'দ্বন্দ্বের পথে বিএনপি-জামায়াত'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের সময় নির্ধারণ এবং সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা নিয়ে মতবিরোধের কারণে।

গত সপ্তাহে এই বিরোধ প্রকাশ্যে আসে, যখন দুটি দল একে অপরের বিপরীত অবস্থান নেয়। জামায়াত চায় নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার হোক এবং স্থানীয় নির্বাচনের পর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক।

অন্যদিকে, বিএনপি দ্রুত জাতীয় নির্বাচন চায় এবং দলটি আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থার বিপক্ষে তাদের অবস্থানের কথা নিশ্চিত করেছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে প্রচলিত ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট-এফপিটিপি পদ্ধতির পরিবর্তে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, জামায়াত মনে করে এই ব্যবস্থা ন্যায়সঙ্গত।

এফপিটিপি এমন এক পদ্ধতি যেখানে ভোটাররা নিজেদের পছন্দের একজন মাত্র প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন এবং যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি ভোট পান সে প্রার্থীই জয়ী হন।

নির্বাচন সংস্কার কমিশন সংসদের উচ্চকক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব চালুর প্রস্তাব দিলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। বিএনপি দ্রুত নির্বাচন চাইলেও জামায়াত সংস্কার ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার কথা জানিয়েছে।

এদিকে, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল থাকায় দলটি আদালতে তাদের নিবন্ধন পুনর্বহালের জন্য আবেদন করেছে।

১৯৯৯ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট গঠিত হলেও, ২০১৩ সালে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণার পর থেকে বিএনপি ধীরে ধীরে তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে।

পত্রিকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, 'ডিসেম্বরের শেষে জাতীয় নির্বাচনের চিন্তা'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ডিসেম্বরের শেষ দিকে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে, আর নির্বাচন কমিশনও এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তবে বিএনপি দ্রুত নির্বাচন চাইলেও জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের আগে সংস্কারের পক্ষে। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক কমিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন নয়, বরং গণপরিষদ নির্বাচন চায়।

আগামীকাল থেকে ছয়টি কমিশনের সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হবে। এই আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেয় এবং বিভিন্ন খাতে সংস্কার আনতে ১১টি কমিশন গঠন করে।

তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না থাকায় দ্রুত নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে, তবে আরও সংস্কার প্রয়োজন হলে তা কয়েক মাস পিছিয়ে যেতে পারে।

বিএনপি দ্রুত নির্বাচন চাইলেও জামায়াত আগে সংস্কারের পক্ষে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত, কারণ তাদের নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে।

সব মিলিয়ে বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা বেড়েই চলেছে।

পত্রিকা

সমকালের প্রধান শিরোনাম, 'বিএনপিকে উপেক্ষা করে স্থানীয় নির্বাচনে এগোচ্ছে সরকার'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকার বিএনপির আপত্তি উপেক্ষা করে সংসদের আগেই স্থানীয় নির্বাচন করতে চায়। বিএনপির আশঙ্কা, এতে জাতীয় নির্বাচন বিলম্বিত হতে পারে। তবে সরকারপন্থী ছাত্র সংগঠন এবং জামায়াতে ইসলামী এ নির্বাচনের পক্ষে।

সরকার ইতোমধ্যে ছাত্র নেতৃত্বের একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মকে সমর্থন দিয়ে স্থানীয় প্রশাসনে নিয়োগ দিচ্ছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে জানাকের সাবেক নেতা এজাজকে প্রশাসক করা হয়েছে। বিএনপির নেতাদের প্রশাসক হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তারা সাড়া দেয়নি।

সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং আলোচনা চলছে।

জামায়াতও স্থানীয় নির্বাচন চায়, তাদের যুক্তি—এর মাধ্যমে সরকারের নিরপেক্ষতা যাচাই করা যাবে। অন্যদিকে, বিএনপি বলছে, এটি কেবল জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র।

বিএনপি মনে করে, স্থানীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারপন্থী নতুন দল গঠনের চেষ্টা চলছে, যেখানে জনপ্রতিনিধিদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগানো হবে।

সরকারপন্থী ছাত্র সংগঠন বলছে, বিএনপি স্থানীয় নির্বাচন হতে না দিলে, তারাও সংসদ নির্বাচন হতে দেবে না। ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।

পত্রিকা

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, 'Commissions advise preventive measures' অর্থাৎ, 'কমিশন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত সংস্কার কমিশনগুলো পুলিশি নির্যাতন, গুম ও বেআইনি আটক বন্ধে সুপারিশ করেছে।

তারা এসব ঘটনাকে আগের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

পুলিশ, বিচার বিভাগ ও সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, আইন মন্ত্রণালয়, সুপ্রিম কোর্ট এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ বিভিন্ন সংস্থা এসব অপরাধ রোধে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

পুলিশ সংস্কার কমিশন সুপারিশ করেছে, গুম ও বেআইনি আটক সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্তে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ক্ষমতা দেওয়া হোক। জানুয়ারি পর্যন্ত গঠিত তদন্ত কমিশন এক হাজার ৬৭৬টি অভিযোগ নথিভুক্ত করেছে।

সংবিধান সংস্কার কমিশন সুপারিশ করেছে, সংবিধানে নির্যাতন ও গুম বন্ধে স্পষ্ট ধারা সংযুক্ত করা হোক।

বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশন বলেছে, পুলিশ যেন বেআইনি আটক করতে না পারে, সেজন্য সুপ্রিম কোর্টের ২০১৬ সালের নির্দেশনা কার্যকর করতে হবে।

পুলিশ সংস্কার কমিশন আরও বলেছে, আটককৃতদের স্বচ্ছ কাচের ঘরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক, নারী বন্দিদের ক্ষেত্রে নারী পুলিশ উপস্থিত থাকুক এবং পুলিশি অভিযান চলাকালে শরীরের ক্যামেরা ও জিপিএস ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হোক।

মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন এসব সুপারিশের বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তবে তিনি বলেছেন, কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য নৈতিকভাবে শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দরকার।

পত্রিকা

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, 'জাতিসঙ্ঘের প্রতিবেদন হাসিনা সরকারের মানবতাবিরোধী অপরাধের অকাট্য দলিল'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র ও সাধারণ জনগণের ওপর চালানো দমন-পীড়ন ও হত্যাকাণ্ডকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, এই প্রতিবেদন আদালতে অকাট্য প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং বিভিন্ন বাহিনী সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করেছে এবং রাষ্ট্রযন্ত্র পরিকল্পিতভাবে দমন-পীড়ন চালিয়েছে।

জাতিসংঘের তদন্তে দেখা গেছে, এই সহিংসতায় ১,৪০০ মানুষ নিহত ও ১৪ হাজার আহত হয়েছে, যার মধ্যে ১১৮ জন শিশু ছিল। আহতদের চিকিৎসা নিতেও বাধা দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের মতে, এসব অপরাধ সংঘটনে সরকার ও তার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে।

বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্বিচারে গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে।

জাতিসংঘ সুপারিশ করেছে, এসব অপরাধে জড়িত কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্ত করে নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তবে সংস্থাটি মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

পত্রিকা

ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম, 'Foreign Ministry: Dhaka to remind Delhi about its request for Hasina's extradition' অর্থাৎ, 'শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধ দিল্লিকে স্মরণ করিয়ে দেবে ঢাকা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়ে গত ডিসেম্বর মাসে কূটনৈতিক চিঠির (নোট ভারবালে) সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথি পাঠিয়েছিল।

তবে এখন পর্যন্ত ভারত থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সাড়া মেলেনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ উপযুক্ত সময়ে ভারতকে আবারও এই বিষয়ে স্মরণ করিয়ে দেবে।

একজন সাংবাদিক জানতে চান, বাংলাদেশ কি শেখ হাসিনার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি পাঠিয়েছে কিনা।

উত্তরে মুখপাত্র জানান, প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত সব নথি পাঠানো হয়েছে এবং সেই তথ্য নোট ভারবালের সঙ্গেও যুক্ত করা হয়েছে।

কবে ভারতকে পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে তিনি বলেন, এটি কূটনৈতিক প্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। যখন নেতৃত্ব উপযুক্ত মনে করবে, তখনই অনুস্মারক পাঠানো হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল নিশ্চিত করেছেন যে তারা বাংলাদেশের অনুরোধ পেয়েছে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধসহ ১০০টির বেশি মামলা রয়েছে, যা জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের দমন-পীড়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

বাংলাদেশ-ভারত ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তি করে, যা ২০১৬ সালে সংশোধিত হয়, ওই চুক্তির আওতায় এই অনুরোধ করা হয়েছে।

পত্রিকা

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাজধানীর শাহবাগ ও সচিবালয়ের সামনে গতকাল বিভিন্ন আন্দোলনে পুলিশের লাঠিপেটা ও জলকামান ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে।

প্রাথমিকের শিক্ষকরা নিয়োগ পুনর্বহালের দাবিতে শাহবাগে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে লাঠিপেটা ও জলকামান ব্যবহার করে।

শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে আশপাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রথমে পুলিশ তাদের সরে যেতে বললেও তারা অবস্থান চালিয়ে গেলে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা নেয়। কয়েকজন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এদিকে, নরসিংদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বন্ধের প্রতিবাদে সচিবালয়ের সামনে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন।

পুলিশ তাদের আলোচনার প্রস্তাব দিলেও শিক্ষার্থীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং সচিবালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এরপর পুলিশ লাঠিপেটা ও জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে কলেজের স্থানান্তরের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন, কিন্তু হঠাৎ কার্যক্রম বন্ধ করে তাদের অন্যত্র ভর্তি হতে বলা হয়েছে, যা তারা মানতে চান না।

চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরাও পুনর্বহালের দাবিতে মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের সামনে গেলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

আন্দোলনকারীরা বাধা উপেক্ষা করে এগোলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ লাঠিপেটা করলে আন্দোলনকারীরাও পাল্টা প্রতিরোধ করেন, এতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন। পরে পাঁচজনকে আটক করা হয়।

পত্রিকা

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের বাজারে ভারতীয় শাড়ির চাহিদা বাড়ছে, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এসব শাড়ি আমদানির কোনো তথ্য নেই।

ব্যবসায়ী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, বেশিরভাগ ভারতীয় শাড়ি অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করছে। শাড়ি বাংলাদেশে আসে স্থল, নৌ ও আকাশপথে।

চোরাচালানের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাহকরা শাড়ি নিয়ে আসে, আবার ট্রলারে নৌপথেও আসে প্রচুর শাড়ি।

অনেক ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু সদস্য জড়িত থাকায় চোরাচালান সহজ হয়। শাড়িগুলো ঢাকাসহ দেশের বড় পাইকারি বাজারে পৌঁছে যায়।

কিছু ব্যবসায়ী ভারত থেকে শাড়ির নকশা পছন্দ করে এজেন্টদের মাধ্যমে দেশে আনেন। এই লেনদেন হয় হুন্ডির মাধ্যমে। কখনো কখনো বিমানে ব্যক্তিগত মাল হিসেবে অতিরিক্ত ওজন ফি দিয়ে শাড়ি আনা হয়।

বাজারে ভারতীয় শাড়ির দামের তুলনায় দেশীয় শাড়ি ব্যয়বহুল হওয়ায় ক্রেতারা ভারতীয় শাড়ির দিকে ঝুঁকছেন। ফলে দেশীয় শাড়ির বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, এবং সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

ফ্যাশন শিল্পের উদ্যোক্তারা বলছেন, চোরাচালানের কারণে দেশীয় উদ্যোক্তারা প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছেন না।

এ সমস্যা সমাধানে সরকারকে কঠোর হতে হবে, নইলে দেশীয় শাড়ি শিল্প সংকটে পড়বে।