পত্রিকা: 'হলফনামায় স্বল্পবিত্ত চলনে বিলাসী'

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে খুনোখুনি ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছেনি। এ নিয়ে আজকের সংবাদপত্রে খবর রয়েছে। এছাড়া শরিফ ওসমান হাদি হত্যকাণ্ডের অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে গতকাল। ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রায় সবকটি পত্রিকায় এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
কালের কণ্ঠের শিরোনাম 'হলফনামায় স্বল্পবিত্ত চলনে বিলাসী'।
খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন প্রায় আড়াই হাজার প্রার্থী। তাঁদের বেশির ভাগই চালচলনে বিলাসী ও বিত্তবান। চলাফেরা দামি গাড়িতে।
পোশাক-পরিচ্ছদেও আভিজাত্যের ছোঁয়া। কিন্তু নির্বাচনী হলফনামায় তাঁরা বলতে গেলে গরিব! কিছু রাজনীতিবিদ ছাড়া তাঁদের বেশির ভাগই দেখিয়েছেন তাঁরা অত সম্পদশালী নন। আয়ও অতি নগণ্য। ক্ষেত্রবিশেষে ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করা প্রার্থীর সংখ্যাই বেশি।
অথচ নির্বাচনে তাঁদের অনুমোদিত সম্ভাব্য ব্যয়ের পরিমাণই হতে পারে অর্ধকোটি টাকারও বেশি। তাঁরা দেখিয়েছেন নিজেরা সম্পদশালী নন।
অথচ স্ত্রী-সন্তানদের আয়-সম্পদ বেড়েছে কয়েক হাজার গুণ পর্যন্ত। প্রার্থীদের নির্বাচনী হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রার্থীদের আয়কর নথি ও হলফনামার তথ্যের মধ্যেও রয়েছে ব্যাপক পার্থক্য। অথচ আয়কর বিভাগ ঠিকমতো তা যাচাই-বাছাই করেনি। প্রশ্ন করেনি—কেন আয়কর নথির সঙ্গে হলফনামায় দেওয়া তথ্যের গরমিল। তাঁরা আয়কর ফাঁকি দেন কি না তা-ও খতিয়ে দেখেনি।

'অভিযানের মধ্যেও খুনোখুনি নিরাপত্তার শঙ্কা বাড়ছে' সমকালের শিরোনাম।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
খবরে বলা হচ্ছে, পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে গত সোমবার তিন জেলায় তিনটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে যশোরের মনিরামপুরে রানা প্রতাপ বৈরাগী নামে এক ব্যবসায়ীকে মাথায় গুলি ও ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
চট্টগ্রামের রাউজানে সিকদারপাড়ায় রাত ৮টার দিকে মুহাম্মদ জানে আলম সিকদার নামে যুবদল নেতাকে মাথায় গুলি করে খুন করা হয়। এর তিন ঘণ্টা পর নরসিংদীর পলাশে গুলি করে খুন করা হয় মনি চক্রবর্তী নামে আরেক ব্যবসায়ীকে।
নতুন বছরের প্রথম ছয় দিনে আলোচিত আটটি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে পাঁচজনকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা। তাদের মধ্যে দুজনের মাথা টার্গেট করা হয়। আরেকজনের ঘাড়ে গুলি করা হয়েছে। বাকি পাঁচজনের মধ্যে একজনকে কুপিয়ে ও দুজনকে শ্বাসরোধ করে মারা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে খুনোখুনি ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছেনি। রাজনৈতিক বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার, ব্যক্তিগত শত্রুতাকে কেন্দ্র করে প্রাণ ঝরছে। নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা গভীর হচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ শুরু করে সরকার। সোমবার পর্যন্ত ২৩ দিনে এ অভিযানে ১৫ হাজার ৯ জন গ্রেপ্তার ও ২১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে অভিযানের মধ্যেও থেমে নেই খুনোখুনি।

'হাদি হত্যার চার্জশিট: ১৭ জন আসামি, হত্যার পরিকল্পনা সিঙ্গাপুরে' যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক মাসের মাথায় এসে মঙ্গলবার আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। চার্জশিটে ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হলেও হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। বলা হয়েছে, রাজনৈতিক কারণেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, হাদি হত্যার ছক চূড়ান্ত হয় সিঙ্গাপুরে বসে। হত্যা পরিকল্পনার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক এমপি ইলিয়াস মোল্লা, সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম বাপ্পী এবং হত্যায় সরাসরি অংশ নেওয়া শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ। এ হত্যার নীলনকশা প্রণয়নে দেশি-বিদেশি একাধিক গ্রুপ সক্রিয় ছিল।
এর কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল পতিত আওয়ামী লীগের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা এবং তাদের সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক। সিঙ্গাপুরে বসে ওই নেটওয়ার্কের পাঁচ দিনব্যাপী একাধিক বৈঠকেই চূড়ান্ত হয় এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা।

'রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের পরিকল্পনায় ন্যক্কারজনক এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বলেছে , এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজধানীর পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি মো . তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর (৪৩) সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
এই মামলার তদন্ত শেষে গতকাল মঙ্গলবার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ (৩৭) , তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
বাপ্পী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর। অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের মধ্যে ১১ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। ফয়সাল, হত্যার মোটরসাইকেল চালানো আলমগীর শেখ, বাপ্পীসহ অন্য ৬ জন পলাতক।
ওসমান হাদি ঢাকা -৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর বেলা আড়াইটার দিকে তিনি ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে যাওয়ার সময় পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করে।

মানবজমিনের শিরোনাম 'ঢাকা ১৭: তারেক রহমান প্রার্থী হওয়ায় নয়া সমীকরণ'।
খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ আসন ঢাকা-১৭। কূটনৈতিক এলাকা খ্যাত এই আসনে যেমন উচ্চবিত্তের বাস তেমনি আছেন নিম্নবিত্তের বস্তিবাসীও। এ ছাড়া বিদেশি কূটনীতিকদের প্রায় সবাই বসবাস করেন এই আসন এলাকায়।
গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে এবার প্রার্থী হয়েছেন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি প্রার্থী হওয়ায় ভোটের মাঠে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
আসনটিতে তারেক রহমানের বিপরীতে জামায়াত জোটের প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামান প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন। এই দুই প্রার্থী ছাড়া আলোচিত কোনো প্রার্থী নেই এ আসনে।
গুলশান-বনানী ও বারিধারা এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৭ (আসন) এখানকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষদের সঙ্গে কথা হয়েছে মানবজমিনের। তারা জানিয়েছে, সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী প্রচারণা চালিয়ে আসছেন।
বিএনপি ও সমমনা জোটের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থের। বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসার পর তার সম্মানে পার্থ ভোলা-১ আসনে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেন।

'বিএনপির ভাবনায় নেই গণভোট' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত সাংবিধানিক সংস্কারগুলোর ওপর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন আলাদা ব্যালটে যে গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তা নিয়ে বিএনপির কোনো সক্রিয় রাজনৈতিক ভাবনা বা প্রচার নেই।
দলটির প্রধান ফোকাস একান্তভাবেই সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনী এজেন্ডা, সাংগঠনিক প্রস্তুতি এবং জোটগত কৌশল- সবকিছুর কেন্দ্রে রয়েছে কিভাবে জাতীয় নির্বাচনে দল ও জোটের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়ে সংসদে আসতে পারে।
এই বাস্তবতায় গণভোটের পক্ষে বা বিপক্ষে 'হ্যাঁ' কিংবা 'না' ভোট চাওয়ার কোনো প্রচার-প্রচারণায় নামছে না বিএনপি। দলটির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, গণভোট বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার জনগণের। এটি নিয়ে রাজনৈতিক প্রচারের দায়িত্ব সরকারের।
বিএনপি সংসদের বাইরে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রণীত ও স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকলেও, গণভোটকে তারা নির্বাচনী রাজনীতির কেন্দ্রে আনতে চাইছে না।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনই হচ্ছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মূল সোপান।

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম 'শহীদ হাদি হত্যা: ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র, মূল ৩ আসামি ভারতে পলাতক'।
পত্রিকাটির প্রথম পাতার আরেকটি শিরোনাম 'দল থেকে পদত্যাগকারীদের ফেরানোর চেষ্টায় এনসিপি' ।
খবরে বলা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতায় যুক্ত হওয়াকে কেন্দ্র করে দল থেকে পদত্যাগকারী নেতাদের ফেরানোর চেষ্টা করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তখন ১১ দিনে অন্তত ১৬ জন নেতা পদত্যাগ করেছিলেন। তবে কারও পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়নি। এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব আশা করছেন, পদত্যাগকারীরা দলে ফিরবেন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী মোর্চায় এনসিপির যুক্ত হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে গত ২৮ ডিসেম্বর। এর আগের দিন সন্ধ্যায় জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ না হওয়ার অনুরোধ করে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে স্মারকলিপি দেন ৩০ নেতা।
একই দিন সন্ধ্যায় এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। তিনি দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদেরও সদস্য ছিলেন।
জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এ পরিস্থিতি নিয়ে এনসিপির শীর্ষ পর্যায়ের দুজন নেতা বলেন, এত নেতার পদত্যাগে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কিছুটা বিব্রত।
একধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপও তৈরি হয়েছে। কারণ, অনেকেই এনসিপির মধ্যপন্থী অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। এনসিপি, এবি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ে 'গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট' নামে যে জোট তৈরি করা হয়েছিল, সেটির প্রতিও সুবিচার হয়নি।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Legal loopholes allow defaulters to stay in race' অর্থাৎ 'আইনি দুর্বলতায় ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ'।
খবরে বলা হয়েছে, ঋণখেলাপির জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন। আদালতের স্থগিতাদেশ পাওয়ায় এর বাইরে আরও ৩১ জন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুসারে, একজন ঋণখেলাপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারনে না। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশের ফলে একজন ঋণখেলাপি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অন্য যেকোনো নাগরিকের মতো একই সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
এরকমই একজন সুবিধাভোগী হলেন নারায়ণগঞ্জের একটি আসনের একজন প্রার্থী। তিনি ঋণখেলাপি হওয়া সত্ত্বেও রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে, ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো তাকে খেলাপি হিসেবে তালিকাভুক্ত করার ওপর স্থগিতাদেশ জারি করার পর হাইকোর্ট তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই আদেশ কার্যকর থাকবে।
একইভাবে, মৌলভীবাজারের একটি আসন থেকে আরেকজন ঋণখেলাপির মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি ঋণ খেলাপিরা সব ক্ষেত্রেই এই ধরনের সুবিধা পেতে থাকেন, তাহলে এর নেতিবাচক পরিণতি হবে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনে।

নিউ এজের শিরোনাম 'Health sector sees little progress', অর্থাৎ 'স্বাস্থ্য খাতে খুব একটা অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না'।
খবরে বলা হচ্ছে, ২০২৫ সালে বেশ কিছু নীতিগত উদ্যোগ এবং সংস্কারের সুপারিশ করা সত্ত্বেও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান উন্নতি খুব কমই দেখা গেছে বলে মনে করেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষাবিদেরা। এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী সংকটগুলি মূলত অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
তারা বলছেন, পর্যাপ্ত বিকল্প বা রূপান্তরের পরিকল্পনা ছাড়াই কার্যকরী পরিকল্পনা-ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা স্থগিত করার কারণে কিছু ক্ষেত্রে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।
স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সদস্য এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন বলেন, সারা বছর ধরে স্বাস্থ্য খাতে প্রায় অপরিবর্তিত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য কোনো আইনি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি।
স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। বরং সাধারণ মানুষ চিকি#সক, ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবার ঘাটতির মুখোমুখি হচ্ছে। অপর্যাপ্ত শিশু টিকাদান কর্মসূচি এবং অ্যান্টি ভেনোম সরবরাহ ঘাটতির কারণে দেশের অনেক এলাকায় ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।

'সালমান এফ রহমানের পতন হয়েছে, তবে বেক্সিমকো ফার্মা ভালোভাবে টিকে আছে' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, প্রায় দেড় বছর ধরে কারাগারে রয়েছেন বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমান। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টার পদে থাকা এ ব্যবসায়ীর মালিকানাধীন কোম্পানির সংখ্যা ২০০টির বেশি।
এসব কোম্পানির নামে দেশের কয়েক ডজন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেয়া হয়েছে ৮০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ। নামে-বেনামে থাকা এসব কোম্পানির বেশির ভাগ এখন বন্ধ। খেলাপি হয়ে গেছে কোম্পানিগুলোর নামে থাকা ব্যাংক ঋণও। কর্মহীন হয়েছেন এসব প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত কর্মীরা।
কিন্তু এ রকম শত কোম্পানির ভিড়ে একমাত্র ব্যতিক্রম বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। সালমান এফ রহমানের পতন ও অনুপস্থিতি সত্ত্বেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিটির আয় ও মুনাফা দুটোই বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ। কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।








