আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
‘মাঠ প্রশাসনের কর্মকাণ্ডে মন্ত্রণালয় বিব্রত’
‘মাঠ প্রশাসনের কর্মকাণ্ডে মন্ত্রণালয় বিব্রত’ দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হচ্ছে, মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের একশ্রেণির কর্মকর্তা নানা অনিয়মে জড়াচ্ছেন। ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ উঠেছে কারও কারও বিরুদ্ধে ।
মোবাইল কোর্ট আইনের অপব্যবহারের ঘটনাও ঘটছে। এসব নিয়ে বিব্রত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও লাগাম টানা যাচ্ছে না।
এতে সাধারণ মানুষ সেবা বঞ্চিত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে সংবাদটিতে বলা হয়েছে, প্রশাসনে দলীয়করণ এবং আমলাতন্ত্রের ওপর সরকারের নির্ভরতা বেড়েছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনপ্রতিনিধিদের এড়িয়ে আমলাদের অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।
কোনও অভিযোগ উঠলে যথাযথ তদন্ত করে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেয়ায় সর্বস্তরের কর্মকর্তারা নিজেদের অধিক ক্ষমতাবান ভাবতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন।
‘কমোডিটি এক্সচেঞ্জে সমৃদ্ধ হবে সিএসই’ কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো কমোডিটি এক্সচেঞ্জের সনদ পেল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরেই সিএসই এটি চালু করতে চায় । এর মাধ্যমে বাজারে আন্ডার ইনভয়েসিং ওভার ইনভয়েসিং কমবে, মধ্যস্থতাকারীদের দৌরাত্ম্য কমার আশা করা হচ্ছে।
একইসাথে ক্রেতারা পণ্যের সঠিক মূল্য দেখতে পারবেন বলে সংবাদটিতে বলা হয়েছে।
সিএসইর কমোডিটি প্ল্যাটফর্ম চালু হওয়ার ফলে বিক্রেতারা পণ্যের সার্টিফিকেট (মান সনদসহ) বিক্রি করবেন। এক্ষেত্রে স্বর্ণ কেনাবেচা হবে গ্রাম হিসেবে।
সংবাদটিতে অর্থনীতিবিদদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, কমোডিটি মার্কেট চালু হলে পণ্যের উৎপাদক ও ভোক্তারা সঠিক দামে পণ্য কেনাবেচা করতে পারবেন।
‘মাথা তোলার শঙ্কায় অনড় সরকার’ দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার প্রধান শিরোনাম।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে স্থায়ী মুক্তি না দেয়া এবং বিদেশে যেতে না দেয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগ সরকার অনড়।
ফলে এবারও খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদনে সাড়া দেয়নি আইন মন্ত্রণালয়। প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগ ও সরকারের একাধিক নীতিনির্ধারকের বরাতে বলা হয়েছে, খালেদা জিয়ার বিদেশ নেয়ার ইস্যুতে সরকার তার অবস্থান থেকে সরবে না।
খালেদা জিয়া বিদেশে যেতে পারলে বিএনপি আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। সে সুযোগ দলটিকে দেয়া যাবে না। তাহলে বিএনপিকে সামলানো কঠিন হয়ে যাবে।
গত ৬ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে বিদেশ যাওয়ার আবেদনের বিষয়ে বুধবার মতামত দিয়ে সেটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ প্রসঙ্গে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার সুযোগও দেয়া হচ্ছে। আইনের বাইরে গিয়ে বিদেশ যাওয়ার সুযোগ সরকার দিতে পারে না। ফৌজদারি কার্যবিধি-৪০১ ধারার বাইরে গিয়ে সরকারের কিছু করার নেই।’
আইনমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত আট দফা খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদন- ‘সিলেটের ছয় নেতার সাথে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী।’
সংবাদটিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটে দলকে আরো ঐক্যবদ্ধ ও সরকারের উন্নয়ন মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
বুধবার গণভবনে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সাথে সাক্ষাতের সময় এ নির্দেশ দেন তিনি ।
সংবাদটিতে বলা হয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে সিলেটে দলীয় বিভক্তি দেখা দেয়। জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ চার নেতার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় সিটি মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর।
ফলে মেয়র বা সিটি করপোরেশনের আয়োজিত অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। দলের নেতাকর্মীরাও বিভক্ত হয়ে পড়েন দুটি বলয়ে।
এরই প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ওই নির্দেশ দেন বলে সংবাদটিতে বলা হয়েছে।
‘ফুটপাতে মিলেমিশে চাঁদাবাজি’ যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার প্রধান শিরোনাম।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফুটপাতে চাঁদাবাজি হয় মিলেমিশে।
হকার্স সংগঠনগুলোর বরাত দিয়ে এই সংবাদে বলা হয়েছে, রাজধানীতে প্রায় দুই লাখ হকারের ওপর চাঁদাবাজি করেন অন্তত দুই শতাধিক লাইনম্যান।
বিভিন্ন এলাকায় লাইনম্যানরা কয়েক ভাই মিলে চাঁদা তোলেন, আবার সপরিবারে চাঁদা তোলার নজিরও রয়েছে বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে।
চাঁদা তুলতে পেশাদার লাইনম্যানরা একাধিক বেতনভুক্ত কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে।
এদের প্রধান শক্তি ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কিছু নেতা । যারা গডফাদার হিসাবে পরিচিত।
সংবাদটিতে দাবি করা হয়েছে, পুলিশ, মাস্তান এবং এলাকাভিত্তিক কিশোর গ্যাংয়ের হাতে যায় চাঁদার টাকা।
কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার আরেকটি উল্লেখযোগ্য সংবাদ, ‘বনভূমি উজাড়ে শীর্ষের দিকে বাংলাদেশ’।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বিশ্বে বনভূমি উজাড়ের তালিকার শীর্ষের দিকে আছে বাংলাদেশ। আবার বনভূমি চলে যাচ্ছে অবৈধ দখলে।
দখলদারদের তালিকায় সরকারি প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে আড়াই লক্ষাধিক একর বনভূমির অবৈধ দখলকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
তালিকা অনুযায়ী, সারাদেশে দুই লাখ ৫৭ হাজার একর বনভূমি দখলের সঙ্গে জড়িত এক লাখ ৬০ হাজার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।
‘বাড়ছে নৌযান, বিপদে সুন্দরবন’ প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশ – ভারত নৌপথে এক যুগের নৌযান চলাচল বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ম্যানগ্রোভ বনের ভেতর দিয়ে নৌযান চলাচল না করার কথা থাকলেও তা উপেক্ষা করা হচ্ছে।
সংবাদটিতে বলা হয়েছে, অনিয়ন্ত্রিতভাবে নৌযান চলাচলের কারণে নদী ভাঙছে। কমে যাচ্ছে বনের আকার। বিভিন্ন সময় কয়লা, সিমেন্টের কাঁচা-মালবাহী জাহাজ-ডুবিতে পানি দূষিত হচ্ছে। এতে বনের জীব-বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।
খুলনা অঞ্চলের প্রধান বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে’র বরাতে সংবাদটিতে বলা হয়েছে, বনের ভেতর দিয়ে অনিয়ন্ত্রিতভাবে নৌযান চলাচল করলে জীব-বৈচিত্র্যের ক্ষতি হবে, এটাই স্বাভাবিক।
তিনি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, আগের তুলনায় নৌযান চলাচল অনেক বেড়েছে। এ কারণে বনের কেমন ক্ষতি হচ্ছে তা নিয়ে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে গবেষণা কার্যক্রম চলছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর করণীয় ঠিক করা হবে।
‘ভেজাল ওষুধে বিপাকে রোগী’ বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রথম পাতার প্রধান শিরোনাম।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, কিশোরগঞ্জের বিসিক শিল্প নগরীতে কারখানা করে ওষুধ তৈরি করছে ইস্ট বেঙ্গল ইউনানি। এখানে নিয়মিত আয়ুর্বেদিক ওষুধ উৎপাদন করার জন্য অনুমোদন দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর।
কিন্তু আয়ুর্বেদিক ওষুধের আড়ালে এই কারখানায় দিনের পর দিন তৈরি হতে থাকে গ্যাস্ট্রিকসহ বিভিন্ন রোগের নকল ওষুধ। খবর পেয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর অভিযান চালালে পালিয়ে যায় ভেজাল ওষুধ চক্রে জড়িতরা।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, কারখানাটি সিলগালা করেছে অধিদফতর। ইউনানি ওষুধ উৎপাদনের জন্য লাইসেন্স রয়েছে ২৮৪টি প্রতিষ্ঠানের।
নীতিমালা অনুসরণ করে ওষুধ উৎপাদনের কথা থাকলেও বৈধ কারখানায় নকল ওষুধ উৎপাদন করছে প্রতিষ্ঠানগুলোর কয়েকটি। এসব কারখানায় কিডনি, ক্যান্সার থেকে শুরু করে সব ধরনের দুরারোগ্য ব্যাধির নকল ওষুধ তৈরি হচ্ছে বলে প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়।