'স্পেনে সেকেন্ড হোম, তুরস্কে নাগরিকত্ব'

পত্রিকা

ছবির উৎস, BBC BANGLA

মানবজমিন পত্রিকার শিরোনাম, স্পেনে সেকেন্ড হোম, তুরস্কে নাগরিকত্ব

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিনই নতুন নতুন সম্পদের তথ্য আসছে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের। দেশে জেলায় জেলায় রয়েছে তার জমি, রিসোর্ট। ব্যাংক, পুঁজিবাজারে ছড়িয়ে রেখেছিলেন অর্থ। সম্পদ জব্দ করার আঁচ পেয়ে আগেই সরিয়ে নিয়েছেন অনেক অর্থ।

নিজের অঢেল অর্থ সম্পদের তথ্য গোপন এবং সহজে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে সরকারি পাসপোর্ট ব্যবহার করেননি কখনো।

তথ্য গোপন করে সাধারণ পাসপোর্ট নিয়ে ঘুরেছেন দেশ-বিদেশে। সম্পদও করেছেন দেশে দেশে।

অবসরে যাওয়ার পর তুরস্কে নাগরিকত্ব নিয়েছেন ৫ কোটি টাকায়। স্ত্রী জীশান মির্জার নামে সেকেন্ড হোম করেছেন স্পেনে। অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান শুরুর পর একের পর সম্পদের তথ্য আসছে বেনজীর আহমেদের।

মানবজমিন পত্রিকা

ছবির উৎস, BBC BANGLA

বেনজীরের তিন কালো হাত— কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের অবৈধ সম্পদ এবং বিদেশে অর্থপাচারের বিষয়গুলো নিখুঁতভাবে পরিচালনা করতে নিযুক্ত ছিল একাধিক ব্যক্তির একটি দল।

তারা মূলত বেনজীরের জন্য দেশে-বিদেশে জমি বা সম্পদ কেনা, ব্যবসায়ীদের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে নির্যাতনের মতো অপকর্ম সামাল দিতেন। শুধু তা-ই নয়, বেনজীর নিজে নেপথ্যে থেকে এই সিন্ডিকেট সামনে রেখে নিয়ন্ত্রণ করতেন পুলিশের বিভিন্ন প্রকল্পের ব্র্যান্ডিং, নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য।

এই দলের অগ্রভাগে ছিলেন এজিএম সাব্বির ওরফে বিকাশ সাব্বির, নাজমুস সাকিব জুবায়ের ও আমজাদ হোসেন আরজু। বেনজীরের মতো তারাও দেশে-বিদেশে গড়ে তুলেছেন অঢেল সম্পদ। বেনজীরের স্ত্রী ও কন্যাদের সঙ্গে অংশীদারি ব্যবসা রয়েছে। আছে নামে-বেনামে জমি, ফ্ল্যাট ও প্লট।

মানবজমিন পত্রিকা

ছবির উৎস, BBC BANGLA

দেশজুড়ে তাঁর জমিদারি— পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের ওপর করা আজকের পত্রিকার এই প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম এবং মধ্যাঞ্চল–সব অঞ্চলেই জমির খোঁজ মিলছে বেনজীর আহমেদের।

রাজধানী ঢাকাসহ অন্তত ১০ জেলায় এখন পর্যন্ত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।

অন্য ৯টি জেলা হলো গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর, সাতক্ষীরা, নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও, বান্দরবান ও কক্সবাজার।

এসব জেলায় রয়েছে জমি, খামার, রিসোর্ট। সেন্ট মার্টিন দ্বীপেও আছে জমি। গতকাল সোমবার পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন জেলায় থাকা জমির পরিমাণ দুই হাজার ৩৮৫ বিঘা বা ৭৮৬ একর।

আজকের পত্রিকা

ছবির উৎস, BBC BANGLA

হাজির হচ্ছেন না দুদকে— যুগান্তর পত্রিকার প্রধান প্রতিবেদন এটি। এখানে বলা হয়েছে, বিপুল সম্পদের তথ্য প্রকাশ পাওয়ার ঘটনায় আলোচিত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তান দুদকের তলবে আপাতত সাড়া দিচ্ছেন না। আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকার পরিকল্পনা করেছেন। এর অংশ হিসাবে তারা ছয়ই জুন এবং নয়ই জুন দুদকে হাজির হচ্ছেন না।

এদিকে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীরের সম্পদের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান দলের সদস্যরা। তিন দফায় প্রায় হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করার পরও নতুন করে সম্পদের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনুসন্ধান টিমের তিন সদস্যের পক্ষে দ্রুত কাজ শেষ করে বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের আইনের মুখোমুখি করা সম্ভব নয়। এ কারণে দুদক কর্মকর্তাদের দিয়ে আরও কয়েকটি সাব টিম গঠন করে অনুসন্ধান কাজ এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

যুগান্তর পত্রিকা

ছবির উৎস, BBC BANGLA

স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ফ্ল্যাটে ওঠেন শাহীন-শিলাস্তি— দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি শিলাস্তি রহমান।

জবানবন্দিতে শিলাস্তি রহমান নিউটাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনের ঐ ফ্ল্যাটে ওঠার কথা স্বীকার করেছেন।

ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়ার নথিপত্রে তাকে আক্তারুজ্জামান শাহীনের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। ঘটনার দিন তিনি জানতেন যে ঐ ফ্ল্যাটে ঝিনাইদহের এমপি আনার আসবেন। তাকে ‘খুশি করার’ কথা ছিল তার। বিভিন্ন সময়ে এ ধরনের কাজ তাকে করতে হয়।

সঞ্জীবা গার্ডেনের ঐ ফ্ল্যাটটি ছিল ট্রিপলেক্স। তিন তলা ফ্ল্যাটের যে ফ্লোরে তিনি ঢুকেছিলেন, ঐ ফ্লোরে এমপি আনার আসেননি। তাই তাকে কারা হত্যা করেছে বা লাশ কীভাবে গুম করেছে—এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন শিলাস্তি।

দৈনিক ইত্তেফাক

ছবির উৎস, BBC BANGLA

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

কর্মী পাঠায় অন্যরা, শত কোটি কামায় এমপিরা— সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সিন্ডিকেটে নাম লিখিয়ে শত শত কোটি টাকার ব্যবসা করেছে কয়েকজন এমপির রিক্রুটিং এজেন্সি।

অন্য ব্যবসায়ীর ‘কেনা’ কর্মী নিয়োগের চাহিদাপত্র ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (এফডব্লিউসিএমএস) অটো রোটেশনে আসে সিন্ডিকেটে থাকা রিক্রুটিং এজেন্সির নামে। তাদের মাধ্যমে ছাড়পত্র এবং ই-ভিসা করার বাধ্যবাধকতার সুযোগে এজেন্সিগুলো কর্মীপ্রতি লাখ দেড়েক টাকা নেয়। এমপিদের রিক্রুটিং এজেন্সিও একই কায়দায় টাকা নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের নামে পাঠানো প্রতি কর্মীর জন্য এক লাখ ৫২ হাজার টাকা দিতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাহিদাপত্র আনা জনশক্তি ব্যবসায়ীরা।

এজেন্সিগুলো ফেনী-২ আসনের এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারীর স্নিগ্ধা ওভারসিজ লিমিটেড (আরএল-১৫৫১), ঢাকা-২০ আসনের এমপি বেনজীর আহমদের আহমদ ইন্টারন্যাশনাল (আরএল-১১৪৬), ফেনী-৩ আসনের জাতীয় পার্টির এমপি লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (আরএল-১৩২৭), কুমিল্লার আ হ ম মুস্তফা কামালের স্ত্রী কাশমেরী কামালের অরবিটালস এন্টারপ্রাইজ (আরএল-১১৩) এবং তার মেয়ে নাফিজা কামালের অরবিটাল এন্টারপ্রাইজ (আরএল-১৪৫৭)।

সমকাল পত্রিকা

ছবির উৎস, BBC BANGLA

Food inflation nears 11pc— নিউ এজ পত্রিকার এই প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে বাংলাদেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ফের বেড়েছে।

চাল, ডিম, ডাল, মুরগি, মাংস, চিনি এবং শাকসবজিসহ প্রায় সমস্ত প্রয়োজনীয় জিনিসের দামের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো গত মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ রেকর্ড করেছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, দুর্বল বাজার পর্যবেক্ষণ ও অকার্যকর আইনের কারণে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের মূল্য বেড়েছে। ফলে, সাধারণ মানুষকে তাদের সীমিত আয় থেকে খাবারের বাড়তি দাম দিতে হচ্ছে।

নিউ এজ পত্রিকা

ছবির উৎস, BBC BANGLA

তেল বিদ্যুতে লোকসান হবে ২৪ হাজার কোটি— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। জ্বালানি তেল-গ্যাস ও ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আসন্ন অর্থবছরে দেশের বিদ্যুৎ খাতের উৎপাদন ব্যয় ২০ শতাংশ বাড়ছে। এতে করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) লোকসান আরও বাড়ছে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে শুধু বিদ্যুৎ খাতে ১৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি লোকসান গুনতে হবে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে। একইভাবে পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের লোকসান বেড়ে দাঁড়াবে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ফলে এ দুই খাতের জন্য বরাদ্দও বেশি রাখতে হবে।

দফায় দফায় দাম বাড়ানোর পরও চলতি অর্থবছর শেষে পিডিবি নিট লোকসান ৬ হাজার ১১৭ কোটি টাকায় দাঁড়াবে বলে মনে করছে বিদ্যুৎ বিভাগ। আসন্ন ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে সংস্থাটি লোকসানের এমন তথ্য জানিয়েছে।

সরকারি দেনা পরিশোধে চাপ আরও বাড়ছে— প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, শুধু বিদেশি ঋণ নয়, দেশের অভ্যন্তর থেকে নেওয়া ঋণও সরকারের দায়দেনা বাড়িয়ে চলেছে। বাজেটে অর্থের জোগান দিতে সরকারকে এখন আগের চেয়ে বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে। ফলে বাড়ছে ঋণ পরিশোধের চাপ। পাশাপাশি ডলার-সংকট ও ডলারের বাড়তি দাম সরকারকে ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে আরও বেশি চাপে ফেলেছে।

সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, পাঁচ বছরেই অভ্যন্তরীণ ঋণ দ্বিগুণ হয়েছে। অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের বাজেটে বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ বাবদ যত অর্থ রাখা হয়েছিল, ১০ মাসেই সেই বরাদ্দ শেষ হয়ে গেছে। গত এক দশকে বিদেশি ঋণ পরিশোধ বেড়েছে ১০৮ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে প্রথমবারের মতো বিদেশি ঋণ পরিশোধ ৩০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

এর পাশাপাশি ডলারের চলমান সংকটের কারণে বিনিয়োগ থেকে পাওয়া মুনাফা এবং পণ্য ও সেবা বিক্রির অর্থ নিজেদের দেশে নিতে সমস্যায় পড়েছে বেশ কিছু বিদেশি কোম্পানি। আটকে থাকা এমন অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫০০ কোটি ডলার, যা দেশের জন্য একধরনের দায়।

প্রথম আলো পত্রিকা

ছবির উৎস, BBC BANGLA

'স্বাধীনতার পর ১২ লাখ কোটি টাকা পাচার'— মানবজমিন পত্রিকার এই অন্যতম প্রধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিগত ৫০ বছরে ১১ লাখ ৯২ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। যার মধ্যে দশমিক ৪৯ শতাংশ উদ্ধারের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, এর পরিমাণ হবে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।

সোমবার অর্থনীতি সমিতির অডিটরিয়ামে “বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির বিকল্প বাজেট প্রস্তাবনা ২০২৪-২৫: উন্নত বাংলাদেশ অভিমুখী বাজেট” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ এই তথ্য জানান।

রাজস্বের বড় একটা অংশ কালোটাকা উদ্ধার করে আসবে- উল্লেখ করে প্রস্তাবনায় বলা হয়, ১৯৭২-৭৩ অর্থবছর থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট কালোটাকার আনুমানিক পরিমাণ হবে এক কোটি ৩২ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

আসন্ন ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে এসব কালোটাকার মাত্র ০.৯৮ শতাংশ উদ্ধারের সুপারিশ করা হচ্ছে, যেখান থেকে উদ্ধারকৃত আহরণ হবে ১০ হাজার কোটি টাকা।

Power, agriculture to drive up subsidies— দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার এই প্রধান শিরোনামটিতে বলা হয়েছে যে চলতি অর্থবছরের চেয়ে আসন্ন বাজেটে ভর্তুকি ও প্রণোদনা ব্যয় বেশি হতে যাচ্ছে।

মূলত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং কৃষি খাতে ভর্তুকি বাড়ছে। যদিও সরকার বছরে চার থেকে পাঁচবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে, তারপরও সর্বোচ্চ ভর্তুকি বরাদ্দ বিদ্যুৎ খাতেই যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিদ্যুৎ ও কৃষি খাতে বকেয়া থাকার কারণেই এটি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ।

পহেলা জুলাই থেকে শুরু হওয়া নতুন অর্থবছরে বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি অর্থবছরে যা ছিল ৩৫ হাজার কোটি টাকা।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা

ছবির উৎস, BBC BANGLA

বণিক বার্তা পত্রিকা

ছবির উৎস, BBC BANGLA

দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্ভরযোগ্য কি— এটি বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান প্রতিবেদন। এখানে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে গত ২৭ মে সাগরে ভাসতে থাকা ভাঙা একটি পন্টুনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট বা এফএসআরইউ) ব্যালাস্ট ট্যাংক।

বর্তমানে টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এর আগে গত বছরের মে মাসে ঘূর্ণিঝড় মোখার সময়ও সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল দুটি থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয় পেট্রোবাংলাকে। জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সে সময় চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দেয়।

এ অবস্থায় বাংলাদেশের মতো দুর্যোগপ্রবণ দেশে ভাসমান টার্মিনালভিত্তিক গ্যাস সরবরাহ কতটা নির্ভরযোগ্য, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলছেন জ্বালানি অবকাঠামোবিশারদ ও বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য হলো, ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগপ্রবণ দেশে গ্যাসের জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন ও নির্বিঘ্ন রাখতে হলে ভাসমানের পাশাপাশি ভূমির ওপরও টার্মিনাল নির্মাণ প্রয়োজন। এতে দুর্যোগ বা অন্য কোনও কারণে সাগরে ভাসমান টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধের প্রয়োজন পড়লেও ভূমিতে নির্মিত টার্মিনাল ব্যবহার করে সরবরাহ ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখা যাবে।