পত্রিকা: 'আওয়ামী লীগের ভোট নিয়ে টানাটানি'

দেশ রূপান্তর পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- আ.লীগের ভোট নিয়ে টানাটানি।
এ খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করা, ভোটকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক করে তোলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করে এ সময়ে আওয়ামী লীগের ভোটারদের কদর বেড়েছে বিএনপি-জামায়াত, জাতীয় পার্টিসহ নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্য সব দলের কাছে।
বিএনপি-জামায়াতসহ নির্বাচনী লড়াইতে নামা সব দলই আওয়ামী লীগের ভোট টানতে উঠে পড়ে লেগেছে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আওয়ামী লীগের ভোট টানতে যেসব আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন, সেটিকে ভালো চোখে দেখছেন না।
বিএনপি-জামায়াতের এ কৌশলকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নিরেট আদর্শহীন রাজনীতি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
এ প্রসঙ্গে দেশ রূপান্তরকে বিশ্লেষকরা বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার রাজনীতি ও বুর্জোয়া রাজনীতিতে এটাই স্বাভাবিক।
নিরেট আদর্শবাদী রাজনৈতিক দল ও রাজনীতি থাকলে আওয়ামী লীগের ভোট পেতে এভাবে উঠে পড়ে লাগত না।

আজকের পত্রিকার শীর্ষ খবর- গণভোটে এক পক্ষ সরব, আরেক পক্ষ নীরব।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হচ্ছে অনেকটা ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। এবারই প্রথম কোনো সাধারণ নির্বাচনের সঙ্গে পৃথক ব্যালটে হচ্ছে গণভােট।
জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সংক্রান্ত সুপারিশকে আইনি ভিত্তি দেওয়া নিয়েই এই গণভোট। 'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।
দলের প্রতীকে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি গণভোটে 'হ্যাঁ'-এর পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
তবে আনুষ্ঠানিক প্রচারের তিন দিনেও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব গণভোট নিয়ে বক্তব্য দেননি। বিএনপির তৃণমূলের কিছু জায়গায় 'না' ভোটের পক্ষে প্রচার দেখা গেলেও দলের নীতিনির্ধারকেরা জানিয়েছেন, দলের অবস্থান 'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষেই।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এক বছরের বেশি সময় আলোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
এটিকে চূড়ান্ত বৈধতা দেওয়া তথা বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের সুপারিশ করেছিল কমিশন।
তাদের সুপারিশের আলোকে সরকার জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ জারি করে।
এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। কোনো কোনো মহলের পক্ষ থেকে আগেই গণভোট করার দাবি থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা একই দিনে হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।

যুগান্তর পত্রিকার আজকের প্রধান খবর- অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে রাজনীতি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনীতি কিছুটা অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে। নির্বাচনি প্রচারের সময় প্রার্থীদের বক্তব্যে প্রকাশ পাচ্ছে এই অসহিষ্ণুতা।
বিভিন্ন ইস্যুতে শুরু থেকেই রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে বাগযুদ্ধ শুরু হয়।
বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিসহ অন্যান্য দলের শীর্ষ নেতা ও প্রার্থীরা একে অন্যকে নিশানা করে ছুড়ছেন নানা অভিযোগের তির।
কড়া ভাষায় প্রতিপক্ষের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির সমালোচনা করছেন তারা। টেনে আনা হচ্ছে ধর্ম এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধকেও।
দিন যতই যাচ্ছে এই কথার লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ব্যক্তিগত আক্রমণও। সরাসরি না হলেও ইঙ্গিতপূর্ণ হুমকি-ধমকির ঘটনাও ক্রমশ বাড়ছে।
কেউ কেউ তুলছেন ষড়যন্ত্রের অভিযোগও।
এছাড়া প্রচারণাকে কেন্দ্র করে কেরানীগঞ্জে গোলাগুলি এবং ঢাকায় প্রার্থীর ওপর ডিম ও ময়লা পানি নিক্ষেপের ঘটনায় রাজনৈতিক বৈরিতার নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার আজকের শিরোনাম- Onslaught of AI content aims to sway voters অর্থাৎ ভোটার প্রভাবিত করতে এআই কনটেন্টের ঢল, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া বর্ণনার ছড়াছড়ি।
বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের ব্যাপক বিস্তার লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব কনটেন্টের উদ্দেশ্য ভোটারদের বিভ্রান্ত করা ও রাজনৈতিক মতামত প্রভাবিত করা, এমনটাই উঠে এসেছে এক অনুসন্ধানে।
দ্য ডেইলি স্টারের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অন্তত ৯৭টি এআই–তৈরি কনটেন্ট শনাক্ত করা হয়েছে, যার বেশিরভাগই ভিডিও। এসব কনটেন্ট মূলত ফেসবুকে ছড়ানো হয়েছে।
এই কনটেন্টগুলোর একটি বড় অংশে দেখা যায়, অন্তর্বর্তী সরকার ও নতুন রাজনৈতিক জোট এনসিপির নারী নেত্রীদের লক্ষ্য করে বিভ্রান্তিকর ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে।
একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ–সমর্থক ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনা তুলে ধরা হচ্ছে।

প্রথম আলো পত্রিকার আজকের খবর- মন্ত্রীদের জন্য ৯০৩০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবে সরকার।
ঢাকার মন্ত্রিপাড়ায় তিনটি ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব ভবনে থাকবে ৭২টি ফ্ল্যাট, যার আয়তন হবে ৮ হাজার ৫০০ থেকে ৯ হাজার ৩০ বর্গফুট। এ জন্য নেওয়া হচ্ছে ৭৮৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প।
রাজধানীর বেইলি রোড, মিন্টো রোড ও হেয়ার রোড মন্ত্রিপাড়া হিসেবে পরিচিত। নতুন তিন ভবন হবে বেইলি রোড ও মিন্টো রোডে।
নতুন প্রকল্পে সেখানে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী এবং সাংবিধানিক সংস্থার প্রধানসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের আবাসনের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।
মন্ত্রিপাড়ায় এখন মন্ত্রীদের জন্য বাংলোবাড়ি আছে ১৫টি। আর বেইলি রোডে মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট নামের তিনটি ভবন রয়েছে।
প্রতিটি ভবনে ১০টি করে ৩০টি ফ্ল্যাট রয়েছে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন সাড়ে ৫ হাজার বর্গফুট। মন্ত্রিপাড়া ছাড়াও গুলশান ও ধানমন্ডিতে মন্ত্রীদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।
সব মিলিয়ে মন্ত্রীদের বসবাসের জন্য ঢাকায় মোট ৭১টি বাংলোবাড়ি ও ফ্ল্যাট চিহ্নিত করেছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর।

সমকালের আজকের প্রধান খবর- নির্বাচন সামনে রেখে চাঙ্গা মোটরসাইকেলের বাজার।
ব্যস্ত জীবনে এখন যাতায়াতের অন্যতম প্রধান বাহন হয়ে উঠেছে মোটরসাইকেল। শুধু তাই নয়, অনেকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করছে দুই চাকার এই যানবাহন।
সিসি সীমা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো ব্যবহারের অনুমোদন মোটরসাইকেল শিল্পকে চাঙ্গা করছে।
তাতে বর্তমানে এ খাতের বাজারের আকার দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। ২০৩০ সাল নাগাদ তা বেড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।
স্থানীয় উৎপাদন ও সংযোজনকারীদের মতে, বাংলাদেশের মোটরসাইকেল শিল্প একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
উচ্চ সিসি (ইঞ্জিন ক্ষমতা) সীমার উন্মোচন, স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা কাটিয়ে ওঠায় এর বিক্রি বাড়ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি কর সুবিধা, নিবন্ধন খরচ কমালে এবং নীতি সহায়তা দিলে বাংলাদেশ খুব সহজেই মোটরসাইকেল রপ্তানিতে এগিয়ে যেতে পারবে।
জার্মানভিত্তিক বিজনেস ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম স্ট্যাটিস্টার তথ্য বলছে, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল মোটরসাইকেলের বাজার। ক্রমবর্ধমান মাথাপিছু আয় এই বাজারকে আরও শক্তিশালী করবে।
এ ক্ষেত্রে ৫০০ সিসি পর্যন্ত বাইকের অনুমতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে মোটরসাইকেল রপ্তানির উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার আজকের খবর- শেষ একনেকে প্রকল্প ছাড়ের হিড়িক।
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ ও ব্যয় পুনর্গঠনের বিষয়টি আজ রবিবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তোলা হবে।
এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলের জন্য এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতালসহ ২৬টি নতুন ও সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদনের জন্য তোলা হচ্ছে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ একনেকসভা আজ পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।
এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আজ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অষ্টম এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ১৯তম সভা হবে।
এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ২৬টি উন্নয়ন প্রকল্প তোলা হচ্ছে। মূল নোটিশে ২৩টি প্রকল্প একনেকে উঠছে বলে উল্লেখ থাকলেও আরো তিনটি প্রকল্প টেবিলে তোলা হেব।
এসব প্রকল্পের মধ্যে ১৪টি সম্পূর্ণ নতুন, চারটি সংশোধিত প্রস্তাবের পাশাপাশি পাঁচটি প্রকল্পে চতুর্থবার মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

নিউ এইজ পত্রিকার আজকের খবর- Three-wheeler menace on across country, অর্থাৎ সারা দেশে তিন চাকার বাহনের দৌরাত্ম্য।
দেশজুড়ে অনিবন্ধিত ও অননুমোদিত থ্রি–হুইলারের দৌরাত্ম্য থামানো যাচ্ছে না। কার্যকর নজরদারির অভাবের মধ্যে এসব যানবাহনের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যাও বাড়ছে।
পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক রাজধানী ঢাকায়। শহরের প্রধান সড়ক থেকে অলিগলি, সবখানেই থ্রি–হুইলারের আধিক্যে যানজট নিত্যদিনের চিত্র। দুর্ঘটনার পাশাপাশি এসব যান পরিবেশ দূষণের কারণও হয়ে উঠছে।
যানবাহন আইন লঙ্ঘন এবং হাইকোর্টসহ বিভিন্ন সময়ের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই এই অনিবন্ধিত থ্রি–হুইলারগুলো এখন দেশের পরিবহন ব্যবস্থার প্রায় অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে।
সমস্যা আরও জটিল হয়েছে, কারণ এসব থ্রি–হুইলারের চালকদের একটি বড় অংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক ও প্রশিক্ষণহীন। ফলে দুর্ঘটনা বাড়ছে, বাড়ছে হতাহতের সংখ্যাও।

নয়াদিগন্ত পত্রিকার আজকের খবর- উত্তপ্ত হচ্ছে ভোটের রাজনীতি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশের ভোটের রাজনীতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।
নির্বাচন কমিশন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করার পর গত ২২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়।
এর পরপরই রাজনৈতিক মাঠে ছড়িয়ে পড়ে উত্তাপ। সভা-সমাবেশে বক্তব্য, পাল্টা বক্তব্য, অভিযোগ ও প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়িতে মুখর হয়ে উঠেছে নির্বাচনী পরিবেশ।
বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও নতুন রাজনৈতিক শক্তি এনসিপির শীর্ষ নেতাদের তীব্র বাক্যযুদ্ধ এক দিকে ভোটের নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ স্পষ্ট করছে, অন্য দিকে মাঠপর্যায়ে বাড়াচ্ছে উত্তেজনা ও শঙ্কা।
দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর দেশ একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
ক্ষমতাচ্যুত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হিসেবে সামনে এসেছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী।
সময়ের ব্যবধানে এই দুই দল এখন রাজনীতির দুই ভিন্ন মেরুতে অবস্থান করছে এবং পৃথক জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে।

বণিক বার্তা পত্রিকার খবর- সরকারের সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহণের বছর।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় দেশে সরকারের নেয়া ঋণের স্থিতি দাঁড়ায় প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকায়।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অনেকেই প্রত্যাশা করেছিলেন যে এ সরকার ব্যয় সংকোচনের পাশাপাশি ঋণ নেয়ার পরিমাণ কমিয়ে আনবে।
যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ পরিমাণ ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে।
গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশী ও বিদেশী উৎস থেকে ৩ লাখ ২৮ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার।
এতে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি সাড়ে ২২ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
অর্থনীতিবিদ ও নীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন যে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেবে তাদের এ বিপুল পরিমাণ ঋণ ব্যবস্থাপনার কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে হবে।
এক্ষেত্রে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে ঋণের ফাঁদে পড়তে যাচ্ছে কিনা সেই শঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

মানবজমিন পত্রিকার আজকের খবর- তিস্তা প্রকল্পে সমঝোতার ইঙ্গিত সমীক্ষা চালাচ্ছে চীন।
তিস্তা নদীর পানির হিস্যা পেতে ভারতের সঙ্গে আলোচনা ভেঙে গেছে হাসিনা আমলেই। তবে ওই নদীকে বাঁচাতে বিকল্প হিসেবে সরকারের তিস্তা প্রকল্পে
বিনিয়োগে আগে থেকেই আগ্রহী ছিল চীন। ভূ-রাজনৈতিক কারণে বেইজিং এতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসে।
কিন্তু তখন প্রস্তাবটি বেশি দূর অগ্রসর হয়নি। কারণ দিল্লি ছিল সক্রিয়। তারা তিস্তা প্রকল্পে বিনিয়োগের কৌশলী প্রস্তাব দিয়ে রেখেছিল।
যা অগ্রাহ্য করার মতো অবস্থানে ছিলেন না শেখ হাসিনা। কিন্তু ৫ই আগস্টের রক্তাক্ত অভ্যুত্থানের পর প্রেক্ষাপট পাল্টে গেছে।
হাসিনা সরকারের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে দিল্লির প্রভাবও কমেছে। তিস্তায় বহুমাত্রিক প্রকল্প গ্রহণে একতরফাভাবেই চীনের দিকে অগ্রসর হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় উৎসাহী হয়েছে প্রকল্পটি এগিয়ে নিতে কাজ করছে। যদিও এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখন অন্ধকারে।
দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, এক বছরের বেশি সময় ধরে এ নিয়ে আলোচনা চলছে বেইজিংয়ের সঙ্গে। আলোচনার ফোকাল পয়েন্টে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।
২০২৫ সালে একাধিকবার এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে মন্ত্রণালয় এবং চীনা দূতাবাসের মধ্যে। প্রকল্পটির কারিগরি দিক খতিয়ে দেখেছেন চীনা বিশেষজ্ঞরা।









