সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে 'উভয় সংকটে' মাঠ পর্যায়ের বিএনপি নেতা-কর্মীরা

ছবির উৎস, Getty Images
আলতাফ হোসেন সুমন সিলেট জেলা ছাত্রদল সভাপতি এবং আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩৯ নম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে তার 'শ্যাম রাখি না কুল রাখি' দশা।
তিনি নির্বাচনে অংশ নিলে নিজের জন্য সুবিধা। এলাকায় তার পরিচিতি বাড়বে এবং মানুষের সাথে যোগাযোগ বাড়বে। অন্যদিকে নির্বাচনে অংশ না নিলে দলের সুবিধা। সেক্ষেত্রে তিনি দলের অনুগত কর্মী হিসেবে পরিচিত হবেন।
‘‘দুই বছর আগে থেকে ইলেকশনের জন্য কাজ করছি। তখন তো কাউন্সিলরদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত ছিল না, আমি মানুষকে আশ্বাস দিয়েছি নির্বাচন করবো। এখন বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি আসলে দ্বিধা দ্বন্দ্বের মধ্যে আছি, কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না,’’ বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. সুমন।
একই অবস্থা রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান টিটোর। নির্বাচনে অংশ নেবার জন্য তিনি ঘোষণা দিয়ে জনসংযোগও শুরু করেছেন। নির্বাচন নিয়ে দোটানায় পড়েছেন মি. টিটো।
"আমরা যেহেতু তৃণমূলকে নিয়ে চলি। আমরা তাদের ভালোবাসা- মনোভাবটা বুঝতে পারি। এই নির্বাচনে অংশ নিলে ভালো হতো, তারা চায় আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি," বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. টিটো।
কঠোর অবস্থান ও উভয় সংকট
সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ঘিরে বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের চাওয়া একরকম এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত ভিন্ন রকম। নেতা-কর্মীরা যাতে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ না নেয় সেজন্য কঠোর অবস্থান নিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের অধীনে বা বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে আর কোন নির্বাচনে অংশ না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। নির্দলীয় সরকারের দাবিতে তারা নানারকম আন্দোলনও শুরু করেছে।
তারই অংশ হিসাবে পাঁচ সিটি নির্বাচনে অংশ না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি। এই নির্বাচনে ভোট না দিতেও তারা আহ্বান জানিয়েছে।

ছবির উৎস, বিবিসি বাংলা
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
গাজীপুরে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় মঙ্গলবার ২৯ নেতাকর্মীকে আজীবন বহিষ্কার করেছে দলটি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া তাদের হাতে আর কোন উপায়ও নেই।
‘’একটা অবৈধ সরকার এবং তাদের নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য না। যাদের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলনে আছি, সেখানে তো নির্বাচনে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই"
"এই প্রেক্ষাপটে আমরা দৃঢ় অবস্থান নিয়েছি। আমাদের যারা এর বিরুদ্ধে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেয়া ছাড়া তো আমাদের কোন উপায় নেই,’’ বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. খসরু।
গাজীপুরের বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দেখে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন রাজশাহীর নুরুজ্জামান টিটো। নির্বাচনে অংশ নেবেন নাকি নেবেন না - এনিয়ে কিছু বুঝে উঠতে পারছেন না তিনি।
‘’আমি নির্বাচন করার চিন্তাভাবনা দেখেই কিন্তু নমিনেশন তুলেছিলাম। আমি দলের নেতাকর্মীদের ডেকেছি। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।
যেহেতু সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে দল একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাকিদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেই আমি পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে চাই," বলেন মি. টিটো।
সিটি করর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে মাঠ পর্যায়ের নেতা কর্মীদের জন্য যে 'উভয় সংকট' তৈরি হয়েছে সেটি বুঝতে পারছেন বিএনপির কোন কোন কেন্দ্রীয় নেতা।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, বিষয়টি ভিন্নরূপ ধারণ করেছে।
"কারণটা হচ্ছে যে কাউন্সিলর পদে তো দলীয় প্রতীক ব্যবহৃত হয় না, আর কিছু কিছু কাউন্সিলর আছে যারা এর আগে নির্বাচিত ও জনপ্রিয়, তারা না হঠাৎ করে এখান থেকে সরে যেতে পারছেন, না আমাদের দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারছেন," বলেন মি. আলাল।
তবে এ পরিস্থিতি সামলে ওঠার আশা করছেন মি. আলাল।

বহিষ্কারকে পাত্তা দিচ্ছে না অনেকে
দল হিসেবে বিএনপি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বর্জন করলেও তাদের মাঠ পর্যায়ের অনেক নেতাকর্মী অংশ নিচ্ছেন। এনিয়ে বিএনপির ভেতরের মতভেদ প্রকাশ্য হয়ে উঠেছে। নির্বাচনে অংশ নিয়ে বহিষ্কারের ঝুঁকি থাকলেও সেটি মেনে নিতে প্রস্তুত অনেকে।
যেমনটা বরিশালের হাবিবুর রহমান, তিনি ছয় নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে অংশ নেয়ার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন । তিনি বলছেন, বহিষ্কার হওয়ার ঝুঁকি থাকলেও তিনি নির্বাচনে থাকবেন।
‘’কাউন্সিলর পদে দল থেকে নির্বাচন করা যাবে না, এমন কোন বিধিনিষেধ কিন্তু আগে দেয়া হয়নি। আর এই পদে তো দলীয় ব্যানারে নির্বাচন হচ্ছে না। গত চার বছর ধরে এই নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি," বলেন মি. রহমান।
"স্থানীয় জনগণের ও তৃণমূলের কর্মীদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা কাউন্সিলর নির্বাচন করার চিন্তাভাবনা করছি,’’ তিনি বলছেন।
খুলনার কাউন্সিলর পদে অংশ নিতে চান মহানগর বিএনপির সদস্য সাজ্জাদ হোসাইন। তিনি বিবিসি বাংলাকে বলছেন, বহিষ্কারের ঝুঁকি থাকলেও তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চান।
"এখন এই জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ঝুঁকি নিছি। দল যদি আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়, নেবে, আর কি করার আছে,’’ তিনি বলছিলেন।
মি. হোসাইন বলছেন, ‘’এই অঞ্চলের জনগণ আমাকে চায়। আমি দীর্ঘকাল তৃণমূলে কাজ করি, মানুষের বিপদে আপদে সবসময় পাশে থাকি। তারা চায়, আমি এখানে প্রার্থী হই এবং নির্বাচন করি। নির্বাচন যদি স্বচ্ছ এবং গ্রহণযোগ্য হয়, আমি শতভাগ আশাবাদী, আমি নির্বাচিত হবো।‘’
অনেকে মনে করছেন, নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারলে পরবর্তীতে দলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হয়ে যাবে।
পাঁচ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে অংশ নিতে আগ্রহী বিএনপির শতাধিক নেতা।
যদিও বিএনপির দলীয় পদে আছেন, এমন কোন নেতা মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি।

ছবির উৎস, Getty Images
আরিফকে নিয়ে ধোঁয়াশা
সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী।
তবে এবার তিনি নির্বাচন করবেন কি-না তা নিয়ে আছে বেশ ধোঁয়াশা। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আরিফুল হক চৌধুরীর নির্বাচনে যাওয়ার কথা নয়।
সিলেটে বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মতামত নিয়ে ২০ শে মে তারিখে তিনি এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
“আগামী ২০ তারিখে আমি আমার অবস্থানটা পরিষ্কার করবো, এরইমধ্য দলের অবস্থান পরিষ্কার। আমার এলাকার লোকজন আমাকে ভোট দিয়েছে, যারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে, আমি তাদের প্রতি সম্মান রেখে এই ৪২টা ওয়ার্ডে তাদের মতামত নিচ্ছি,” বিবিসিকে বলেন আরিফুল হক চৌধুরী।
বিএনপির নেতারা আভাস দিয়েছেন, নির্বাচন করার পক্ষে সিদ্ধান্ত নিলে আরিফুল হকের বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নিবে দল। এর মধ্যেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার জন্য দলটির ৩২ জন নেতাকে মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে। তফসিল অনুযায়ী আগামী ২১শে জুন সিলেট মহানগরে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।

কেন্দ্রের সাথে তৃণমূলের দূরত্ব?
বিএনপির একাধিক নেতা বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, যেভাবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের দল, তার সাথে তৃণমূলের নেতারা একমত নন।
যেসব মহানগরে বিএনপির নেতারা নির্বাচনে অংশ নেয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের সঙ্গে দলের সিনিয়র নেতারা আলাদাভাবে যোগাযোগ করছেন এবং নির্বাচনে অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকতে চিঠি পাঠানো হচ্ছে।
বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, এরপরেও দলের নির্দেশনা অমান্য করে নির্বাচনে যাবেন, তাদের বিরুদ্ধে গাজীপুরের মতোই কড়া ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তবে এ ধরনের কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের সঙ্গে দ্বিমত রয়েছে বরিশালের হাবিবুর রহমানের অনেক নেতার। অন্যান্য জায়গায় বিএনপির নেতা-কর্মীরাও একই রকম কথা বলেছেন।
‘’গাজীপুরের সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমি একমত না। রাজনৈতিক চিন্তাভাবনায় আমার একটা ভুল হতে পারে। আর আমরা তো ধানের শীষের মার্কা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন করছি না সেজন্য শাস্তি হিসাবে সাময়িক বরখাস্ত করা যেতে পারে। কিন্তু আজীবনের জন্য বরখাস্ত করা- সেরকম কার্যকলাপ হয়নি বলে আমার মনে হয়,‘’ বলেন মি. রহমান।
মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা বলছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হলে বিএনপি তাদের জনপ্রিয়তা তুলে ধরতে পারতো। আবার বিএনপির প্রার্থীদের হটাতে সরকার কারচুপি করলে নির্বাচনী ব্যবস্থা বিতর্ক আরও জোরালো হয়ে উঠতো।
প্রশ্ন হলো, এর মাধ্যমে কি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে মাঠ পর্যায়ের দূরত্ব তৈরি হচ্ছে? সংসদ নির্বাচনের আগে এই নির্বাচন কি বিএনপির জন্য দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার একটি চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে? বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি এবং মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দুই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছে?
‘’একেবারেই না, মোটেই না। একটা ক্ষুদ্র অংশের কিছু কিছু সুবিধাভোগী লোকজন আছে, স্থানীয় পর্যায়েও হালুয়া রুটির রাজনীতিকারী আছে। এই জন্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে," বিবিসি বাংলাকে বলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
‘’আমাদের ৯৯ শতাংশ নেতাকর্মী দলের নীতি অনুযায়ী চলছে। তারা দলের সঙ্গেই আছে,’’ বলেন মি. চৌধুরী।

দলে প্রভাব পড়বে?
বিএনপির নেতারা বলছেন, স্থানীয় নির্বাচনে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া না হলে আরও অনেক নেতাই নির্বাচনে অংশ নেয়ার চেষ্টা করবেন। সেটা ঠেকাতেই বহিষ্কারের মতো 'কঠোর ব্যবস্থার' সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ের অনেক নেতা মনে করছেন, এখন বিদ্রোহী প্রার্থীদের ঠেকানো না গেলে জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক প্রভাব পড়বে এবং দলের শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তখন অনেকে দল থেকে বেরিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। কিন্তু বিদ্রোহী হলে যে তাদের আর দলে নেয়া হবে না, এখন থেকেই সেই কঠোর বার্তা দেয়া হচ্ছে।
খুলনার সাজ্জাদ হোসাইন মনে করেন , এভাবে তৃণমূলের বহিষ্কারের প্রভাব পড়তে পারে আগামী সাধারণ নির্বাচনের ওপরে।
‘’অবশ্যই সমস্যা হবে। আমরা যারা তৃণমূলে নির্বাচন করছি, এর চেয়ে তো আর তৃণমূল নাই। আমরা তো শিকড়ে আছি। সাধারণ মানুষের সুখ, দুঃখ-বেদনা, ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক-বিপদে আপদে আমরা কাজ করি। আমাদের মতো মানুষজনকে যদি এখন দল থেকে বহিষ্কার করে, তাহলে অবশ্যই দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বলেন মি. হোসাইন।
তৃণমূলের নেতারাও দাবি করছেন, দলের নীতির বাইরে নির্বাচন করলেও তারা আসলে বিএনপির সঙ্গেই আছেন।
বরিশালের বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমানও বলছেন, ‘’আমাদের দলের সাথে সৌহৃদ্য সম্পর্ক থাকবে। আমরা বহিষ্কার হলেও হতে পারি, কিন্তু আমরা দল ছেড়ে কোথাও যাবো না, অন্য কোথাও যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা আমাদের নেই।"
বিগত কয়েক বছরে নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা নির্বাচনে নারায়নগঞ্জে তৈমুর আলম খন্দকার এবং কুমল্লিায় মনিরুল হক দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হওয়ায় তাদেরও বহিষ্কার করা হয়েছিল। তারা এখনো বহিষ্কার অবস্থায় রয়েছেন।











